Home Blog Page 619

শত শত নবীন প্রতিভাকে উজ্জীবিত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কর্মযজ্ঞে রাণীরবাজার বিদ্যামন্দিরের বিপুল অবদান রয়েছে : পর্যটনমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শনিবার মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রাণীরবাজার বিদ্যামন্দির উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় -এর ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত হয় এক মেগা রক্তদান শিবির। এই রক্তদান শিবিরের আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করে মন্ত্রী শিবিরে উপস্থিত রক্তদাতাদের তাঁদের মহতি সেবামূলক কাজ ও মানসিকতার সাধুবাদ জানিয়ে সকল রক্তদাতা ও ছাত্র-ছাত্রী, রাণীরবাজার বিদ্যামন্দির এলামনি ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন এর সকল সদস্য-সদস্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শুভচিন্তক সহ উদ্যোক্তাদের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ত্রিপুরার শিক্ষাক্ষেত্রে প্রশংসীয় ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখার জন্য সমগ্র ত্রিপুরায় শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হয় এই বিদ্যালয়ের নাম। শত শত নবীন প্রতিভাকে উজ্জীবিত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কর্মযজ্ঞে রাণীরবাজার বিদ্যামন্দিরের বিপুল অবদান সম্পর্কে সকলেই অবহিত আছেন। তিনি রাণীরবাজার বিদ্যামন্দির উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন।

বর্তমানে অনেক ডিগ্রিধারী লোক রয়েছে কিন্তু সমাজ সবাইকে সন্মান করেনা, তাদেরকেই করে যারা সমাজের জন্যে কিছু করে দেখায় : সুধাংশু

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ২০২৩ সালের রাজ্যের যে সকল তফশিলি জাতি অংশের ছাত্র-ছাত্রী মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম থেকে দশম স্থান অধিকার করেছে। সেই সঙ্গে যে সকল জাতি অংশের তফশিলি ছাত্র-ছাত্রী প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে তাদেরকে তফশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের তরফেপুরস্কার প্রদান করা হয়। এই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কে মূলত ড. বি আর আম্বেদকর স্বর্ণপদক এবং মেধা পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

শনিবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আগরতলায় তফশিলি জাতি অংশের এই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। রাজধানীর রবীন্দ্রসতবার্ষিকী ভবনের দুই নাম্বার হলে আয়োজিত এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের তফসিল জাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী টোটন দাস সহ তফসিল জাতি কল্যাণ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা।

মন্ত্রীসহ উপস্থিত অতিথিরা এদিন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে স্বর্ণপদক এবং মেধা পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, বর্তমানে অনেক ডিগ্রিধারী লোক রয়েছে কিন্তু সমাজ সবাইকে সন্মান করেনা, সমাজ তাদেরকেই সন্মান করে যারা সমাজের জন্যে কিছু করে দেখায়। সফলতা কোন চূড়ান্ত ঠিকানা নয়। এটি চলমান পদ্ধতি। সফলতা ধরে রাখার জন্য নিয়মিত ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। সেইসঙ্গে এদিন মন্ত্রী উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে আহবান রাখেন তারা সকলে যেন ডঃ বি আর আম্বেদকর এর জীবনী সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। কারণ ডক্টর বি আর আম্বেদকর এর জীবন আমাদের সকলের কাছে অনুপ্রেরণা স্রোত।এদিনের এই অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নিয়েছিল।

লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলাদের আরো সক্রিয় করার লক্ষ্যেই শক্তি বন্ধন কর্মসূতি হাতে নিয়েছে বিজেপি

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন আর এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জনহিত প্রকল্পগুলি আরো বেশি করে মানুষের সামনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে মহিলা পরিচালিত সহায়ক দলগুলি কে নিয়ে শক্তি বন্ধন শিক্ষক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিজেপি রাজ্য দপ্তরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা, মেয়র দীপক মজুমদার এবং অন্যান্যরা।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যে মরিয়া শাসক দল বিজেপি। এই লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর বিকশিত ভারতযাত্রা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে এর লক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জনহিত কর কর্মসূচি গুলি মানুষের সামনে নিয়ে যাওয়া এই কর্মসূচি গুলি সুবিধা মানুষের মধ্যে বন্টন করে দেওয়া এই লক্ষ্যকে আরও তেজি করতে এবার এনজিও এবং মহিলা পরিচালিত সহায়ক দলগুলিকে কাজে লাগাতে চায় বিজেপি।

এদিন, সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে, মুখ্যমন্ত্রী জানান প্রধানমন্ত্রীর জনহিতকর প্রকল্প গুলির সুবিধা আরো বেশি করে মানুষের সামনে তুলে ধরতে মহিলা পরিচালিত সহায়ক দলগুলি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে মহিলা পরিচালিত সহ সহায়ক দল গুলো কি করে এই কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারে তা নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। উল্লেখ্য যে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের অন্তবর্তী বাজেটেও দেশের মহিলাদের স্বশত্তিকরণে জোর দেওয়া হয়েছে লাখপতি দিদি কর্মসূচিতে ২ কোটি মহিলাদের যোেগ করা হয়েছিল অন্তর্বর্তী বাজেটে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে তিন কোটি করা হয়েছে পাশাপাশি সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করে লোকসভা এবং বিধানসভায় মহিলাদের আসল এক- তৃতীয়াংশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সব মিলিয়ে বলা যায় লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ। মহিলাদের আরো সক্রিয় করার লক্ষ্যেই এই ধরনের শক্তি বন্ধন কর্মসূতি হাতে নিয়েছে বিজেপি দল।

 

 

 

রাজ্যের বিদ্যালয় গুলিতে শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণের লক্ষ্যে অবিলম্বে নিয়োগ করার দাবি এসটিজিটি বেকারদের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ২০২২ সালে এসটিজিটি উত্তীর্ণদের অবিলম্বে চাকুরী প্রদানের দাবিতে শনিবার ফের মুখ্যমন্ত্রী দারস্ত হলেন একদল এসটিজিটি উত্তীর্ণ যুবক যুবতী। তাদের অভিযোগ এই দাবিতে তারা কম করে হলেও ১২ বার মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোন বার মুখ্যমন্ত্রী তাদের সাথে দেখা করেননি।

গত ১৭ মাস ধরে একের পর এক ডেপুটেশনে মিলিত হয়েছেন তারা। কিন্তু তাদেরকে নিয়োগ করার জন্য কোন পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেখা যাচ্ছে না। তাই তারা শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ডেপুটেশনে মিলিত হয়েছেন। রাজ্যের বিদ্যালয় গুলিতে শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণের লক্ষ্যে তাদেরকে অবিলম্বে নিয়োগ করার দাবি জানিয়েছেন।

 

 

 

স্কলারশিপ প্রদানের দাবিতে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর নিকট ডেপুটেশন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-২০১৮ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিপ্লব কুমার দেব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাজ্যের যুবকদের জন্য প্রকল্প চালু করেছিলেন যেটা হলো মুখ্যমন্ত্রী যুব যোগাযোগ যোজনা এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজের ফাইনাল ইয়ার অতিক্রম করবে তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা করে স্কলারশিপ প্রদান করা।

কিন্তু ২০১৯ সাল থেকে সেটা চলে আসলেও ২০২২-২৩ বর্ষের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তরের মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়ের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করা হয়।

এদিন সংগঠনের নেতৃত্ব সংবাদমাধ্যমকে জানান এ বিষয়ে দপ্তরের অধিকর্তার নিকট মেমোরান্ডাম প্রদান করা হলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তাই যে ৮ হাজার ছাত্রছাত্রী এই স্কলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তাদেরকে এই স্কলারশিপের আওতায় এনে যেন স্কলারশিপ প্রদান করা হয় তার দাবিতে দপ্তরের মন্ত্রীর নিকট আজকের এই ডেপুটেশন প্রদান বলে।

বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা ই.আই.এ.সি.পি. হাব, ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তত্ত্বাবধানে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় । এই আলোচনার মূল বিষয় ছিল “Wetlands & Human Wellbeing” অর্থাৎ মানবজাতির কল্যাণে জলাভূমির ভূমিকা যা এই বছরের বিশ্ব জলাভূমি দিবসের মূল ভাবনা।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মাননীয় সচিব তথা ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান, ডঃ কে শশিকুমার, আই.এফ.এস., উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের অধিকর্তা শ্রী মহেন্দর সিং, ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সদস্য সচিব, ডঃ বিশু কর্মকার এবং ত্রিপুরা ই.আই.এ.সি.পি. হাবের কর্ডিনেটর শ্রীমতী আপরাজিতা দাস।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট অ্যান্ড বায়োডাইভারসিটি বিভাগের অধ্যাপক, প্রফঃ সব্যসাচী দাসগুপ্ত। শহরের বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত ছাত্রছাত্রী এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষিকাগন উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আধিকারিকগণ বলেন, মানবজাতির এবং পরিবেশের সুস্থতা নির্ভর করে জলাভূমির উপর। পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত জলাভূমি, দূষণমুক্ত পরিবেশ এবং সুস্থ মানব সমাজের ইঙ্গিত বহন করে।পরিশেষে ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধ করা হয় তারা যাতে জলাভূমি দূষণমুক্ত রাখতে অগ্রীম ভূমিকা পালন করেন।

মৎস্যচাষকে ভিত্তি করে গ্রামীণ এলাকায় যুবকদের আত্মনির্ভর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-মৎস্য উৎপাদনে রাজ্যকে স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে রাজ্যের মৎস্যচাষীদের আত্মনির্ভর করে তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্পে তাদের মৎস্যচাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আজ আগরতলা পূর্বাশা কমপ্লেক্সের আরবান হাটে রাজ্যভিত্তিক মৎস্য উৎসবের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মৎস্যচাষের এলাকা সম্প্রসারণের জন্য নতুন নতুন জলাশয় সৃষ্টি করা হচ্ছে। রাজ্যে মাছের চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা মেটানোর জন্য বহিরাজ্য এবং বাংলাদেশ থেকেও মাছ আমদানি করতে হয়। ভবিষ্যতে এই ঘাটতি মেটাতে রাজাকে মৎস্যচাষে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সাফল্যও পাওয়া যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন আগামীদিনে রাজ্য মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মৎস্য উৎসবের আসল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মৎস্যচাষকে জনপ্রিয় করা। মৎস্যচাষকে ভিত্তি করে গ্রামীণ এলাকায় যুবকদের আত্মনির্ভর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মৎস্য দপ্তরের সাফল্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, রাজ্যে ৬৩ হাজার ৩৯৭ জন মৎস্যচাষীকে দপ্তরের পক্ষ থেকে বিজ্ঞানভিত্তিক মৎস্যচাষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এজন্য ৯৮৩ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও স্বসহায়ক দলগুলিকে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে মৎস্যচাষে বিভিন্ন সহায়ক সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। তাছাড়াও রাজ্যের ৬১ হাজার ৭৬২ জন মৎস্যচাষীকে মৎস্যচাষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মৎস্যচাষের এলাকা সম্প্রসারণে প্রায় ১১৬ হেক্টর নতুন জলাশয় সৃষ্টি করা হয়েছে। এজন্য ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা। বিজ্ঞানসম্মতভাবে মৎস্যচাষের জন্য প্রায় ৪ হাজার ৫৮১ জন মৎস্যচাষীকে বিভিন্ন ধরণের সহায়ক সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। উৎপাদিত মৎস্য বাজারজাত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনায় মৎস্যচাষীদের আইস বক্স সহ ত্রিচক্রযান দেওয়া হয়েছে। ডুম্বুর জলাশয়ে ২৬.৪০ লক্ষ মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে মৎস্যমন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, রাজ্যে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। রাজ্যে বছরে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার মেট্রিকটন মাছের চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা মেটানোর জন্য রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। রাজ্যে ইন্টিগ্রেটেড অ্যাকুয়া পার্ক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মৎস্য বিকাশ যোজনা চালু করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে রাজ্যে মৎস্যচাষের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন জেলার মৎস্যচাষীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী ও অতিথিগণ তাদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন। তাছাড়া সরকার পরিচালিত ৪টি মৎস্য খামার থেকে আগত প্রতিনিধিকে মৎস্য উৎপাদনে সাফল্যের জন্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৎস্য দপ্তরের প্রধান সচিব বি এস মিশ্র। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি হরিদুলাল আচার্য্য। উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, প্রাক্তন বিধায়ক ডা. দিলীপ কুমার দাস, মৎস্য দপ্তরের অধিকর্তা সন্তোষ দাস প্রমুখ।

CBSE গাইডলাইন অনুযায়ী ককবরক ভাষা রাজ্যের স্বীকৃতি প্রাপ্ত দ্বিতীয় সরকারি ভাষা : অনিমেষ 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শুক্রবার বিরোধী দলনেতা অনিমেষ দেববর্মা এক সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে রোমান হরফে ককবরক ভাষার পরীক্ষা দেওয়া হলে ওই সেন্টারের ভেনু সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার পর্ষদ সভাপতির নির্দেশকে ঘিরে দেখা দেওয়া বিতর্ককে কেন্দ্র করে পর্ষদ সভাপতিকে তির্যক ভাষায় আক্রমণ করলেন।

 

এদিন সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিরোধী দলনেতা বলেন সিবিএসসির গাইডলাইন অনুযায়ী ককবরক হল ত্রিপুরা রাজ্যের স্বীকৃতি প্রাপ্ত দ্বিতীয় সরকারি ভাষা এবং টিবিএসসিতে এই বিষয়কে নিয়ে লেখাপড়া করা হয় এবং কোনো ধারা অনুযায়ী সেন্টারের ভেনু সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে বলেও ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির উদ্দেশ্যে প্রশ্নও রাখেন তিনি।

 

 

যশস্বীর শতরানের ওপর ভর করেই তিনশো রানের গণ্ডি পেরোলো ভারত

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বিশাখাপত্তনম টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শতরান করলেন যশস্বী জয়সওয়াল। শুক্রবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একের পর এক উইকেটের পতন হলেও অপরাজিতই রইলেন যশস্বী।

শুরুটা ভালোই করেছিল রোহিত শর্মা ও যশস্বী জয়সওয়ালের জুটি। তবে ৪০ রানের মাথায় অধিনায়ক রোহিত শর্মার উইকেট পড়ে যায়। এরপর ব্যাট করতে নামেন শুভমন গিল। ৪৬ বলে ৩৪ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়ে যান গিল। এরপর শ্রেয়স আয়ারও বেশিক্ষণ ক্রিজে টেকেননি। ৫৯ বলে ২৭ রান করেন শ্রেয়স। অন্যদিকে যশস্বী জয়সওয়াল কিন্তু শতসিদ্ধ ভঙ্গিমাতেই ব্যাট করেন। শ্রেয়সের সঙ্গে জুটি থাকাকালীনই ৮৫ বলে ৫০ রান করেন যশস্বী। শ্রেয়স আউট হয়ে যাওয়ার পর মাঠে নামেন রজত পাতিদার। রজত ৭২ বলে ৩২ রান করে আউট হয়ে যান।

এরপর রজত পাতিদারের পর যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অক্ষয় প্যাটেল ও শ্রীকর ভারত। অক্ষয় প্যাটেল ৫১ বলে ২৭ রান করেন। পাশাপাশি শ্রীকর ভারত ২৩ বলে ১৭ রান করেন। এদিন সারাদিনে ষশস্বীকে আউট করা যায়নি। যশস্বী ২৫৭ বলে ১৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত প্রথম দিনের শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩৬ রান করেন ভারত।

মথা এবং সিপিআইএম দল ছেড়ে বিজেপিতে ৮৭ ভোটার 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শুক্রবার ভারতীয় জনতা পার্টির ৪৩-করবুক মন্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আর এইদিনের বৈঠক কে কেন্দ্র করে এক যোগদান সভারও আয়োজন করা হয়।

উক্ত যোগদান সভায় ২৮ পরিবারের ৮৭ জন ভোটার তিপ্রা মথা এবং সিপিআইএম দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। নবাগত সকলকে দলীয় পতাকা হাতে দিয়ে দলে স্বাগত জানান প্রদেশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচাৰ্য।