Home Blog Page 620

রাজ্য সরকার জনগণের কল্যাণে সাঠিক দিশায় কাজ করছে : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রয়াত মাখনলাল সাহার ২৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ এম এল প্লাজা প্রাঙ্গণে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা প্রয়াত মাখনলাল সাহার পুত্র। রক্তদান শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা তাঁর বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, মাখনলাল সাহা একজন অত্যন্ত ধার্মিক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নিয়মিত চন্ডিপাঠ করতেন। তৎকালিন সময়েও তিনি বহু লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছিলেন। আগরতলা শহরবাসীর বিনোদনের লক্ষ্যে রূপসী নামে একটি সিনেমা হলও স্থাপন করেছিলেন। সৎভাবে জীবনযাপনের ক্ষেত্রে স্বর্গীয় মাখনলাল সাহা কোন কিছুর সঙ্গে কখনও আপোষ করেননি। বাবার আদর্শ অনুসরণ করে তিনিও রাজ্যের জনগণের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রক্তদানের মতো মহৎদান আর কিছুই হতে পারেনা। একজন ব্যক্তি তার দান করা রক্তের মাধ্যমে ৪ জন মুমুর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচাতে পারেন। বর্তমানে রাজ্যে জন্মদিন, মৃত্যুদিবস, বিবাহবার্ষিকী সহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানেও মানুষ রক্তদান শিবিরের আয়োজন করছেন। যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার জনগণের কল্যাণে সঠিক দিশায় কাজ করছে। রাজ্যে বিগতদিনের সরকারের আন্তরিকতার অভাবের জন্য রাজ্যের বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমান রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মন্ত্রকের পাথেয় করে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার বলেন, রাজ্যের রক্তদানের সুনাম রয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন ক্লাব, সামাজিক সংস্থা রাজ্যব্যাপী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করছে। ফলে রক্তদান রাজ্যে এখন উৎসবের পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বর্গীয় মাখনলাল সাহার সহধর্মিনী তথা মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা:) মানিক সাহার মা সূর্যবালা সাহা, মার্কফেডের ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় সাহা, মাখনলাল সাহার বড় ছেলে রতন সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে রক্তদান শিবিরের পাশাপাশি দুঃস্থদের মধ্যে কম্বলও বিতরণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী সহ অনুষ্ঠানের অন্যান্য অতিথিগণ দুঃস্থদের হাতে কম্বলগুলো তুলে দেন।

লোকসভা নির্বাচনে ত্রিপুরার দুটি আসনে জয়লাভ করার জন্য এসি মোর্চা  তিনটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে : নিরুপম

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিনই সংগঠনকে মজবুত করার কাজ করছে ত্রিপুরা রাজ্যের শাসক দল বিজেপি। পাশাপাশি বিভিন্ন মোর্চা গুলোকেও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির এস সি মোর্চার এক সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত এই সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসসি মোর্চার সর্বভারতীয় সম্পাদক নিরুপম দাস। পাশাপাশি এই দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ সহ-সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য, এসি মোর্চার প্রদেশ সভাপতি অরবিন্দু দাস।

এদিনের এই বৈঠকে SC মোর্চার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসসি মোর্চার সর্বভারতীয় সম্পাদক নিরুপম দাস বৈঠক শুরুর আগে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সাংগঠনিক কাজের জন্য তিনি রাজ্যে এসেছেন। তিনি আরো বলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অনুসারে এসসি মোর্চার উদ্যোগে তিনটি কর্মসূচি চলছে। এগুলি হল বস্তি চলো অভিযান, যুব সম্পর্ক এবং মহাদলিত সম্পর্ক। মূলত লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের এই কর্মসূচি। সমাজের একটি অংশের মানুষও যাতে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে বিপুলভাবে সমর্থন করে এই আহ্বানকে সামনে রেখে এখন কর্মসূচি চলছে।

 

 

বর্তমান সময়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ছাত্রছাত্রীদের উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে বিজ্ঞান প্রদর্শনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনও দেশ বা রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম সোপান হচ্ছে বিজ্ঞান চর্চা ও তার সঠিক ব্যবহার। বর্তমান সময়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ মহারাণী তুলসীবতী উচ্চতর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে দু’দিনব্যাপী ৫১তম রাজ্যস্তরীয় বাল বৈজ্ঞানিক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। উল্লেখ্য, এবারের প্রদর্শনীর মূল ভাবনা হচ্ছে ‘সমাজ কল্যাণের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’। রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে ৫টি করে মোট ৪০টি মডেল এই প্রদর্শনীতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই ছাত্রছাত্রীদের মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। দেশাত্মবোধের ভাবনা তাদের মধ্যে জাগ্রত করতে হবে। জনগণের কাজে আসে এমন উদ্ভাবনী কাজে ছাত্রছাত্রীদের আরও বেশি করে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শিক্ষাদান ও তাদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনের গভীরে রেখাপাত তৈরি করে যা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার পথকে সুগম করে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পড়াশুনার পদ্ধতি ও বিষয়সমূহ সময়ের সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের গতানুগতিক শিক্ষাদানের উর্ধে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে জড়িত বিষয়গুলিকে বিদ্যালয়ের পাঠদানে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতায় দীর্ঘদিন পর দেশে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ইতিমধ্যেই নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করা হয়েছে। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি আগামীদিনে শিক্ষা ব্যবস্থায় সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার উপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এরফলে ছাত্রছাত্রীদের মনন ও চেতনার বিকাশ ঘটবে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কম জনসংখ্যার দেশ ইজরায়েল প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনেক উন্নত। পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলি ইজরায়েলের প্রযুক্তির দিকে মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। তিনি বলেন, আমাদের দেশেও ডিজিটাইজেশনের উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ প্রশাসনের লক্ষ্যে রাজ্যেও ডিজিটাইজেশনের অঙ্গ হিসেবে ই-ক্যাবিনেট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাছাড়া সরকারি প্রতিটি দপ্তরে ই-অফিস চালু করা হয়েছে। শুধু তাই নয় জেলা ও মহকুমা অফিসগুলিতেও এই ব্যবস্থাপনা চালু করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এসসিইআরটি’র অধিকর্তা এন সি শর্মা বলেন, শিক্ষা দপ্তর এবং এসসিইআরটি রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য জাতীয়স্তরে রাজ্য সম্মানিত হচ্ছে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এলিমেন্টারি এডুকেশনের অধিকর্তা শুভাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্টেট এনভায়ারনমেন্ট ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান ড. জওহরলাল সাহা। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ‘কণাদ’ শীর্ষক স্মরণিকার আবরণ উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের প্রদর্শিত মডেলগুলি ঘুরে দেখেন।

প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্র দিয়ে খুন এক যুবক 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দিনদুপুরে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন আমতলীতে! দুই দোকানের কর্মচারীর মধ্যে বাগবিতন্ডা কে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্র এর আঘাতে খুন হলো একজন। ঘটনা আমতলী এলাকায়।ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ ও টি এস আর বাহিনী। জানা গেছে শুক্রবার দুপুরে আমতলী থানার অন্তর্গত আগরতলা সাবরুম জাতীয় সড়কের পাশের আমতলী বাজার সংলগ্ন এলাকায় গাড়ির টায়ারের দোকানের কর্মচারী সম্রাট দেবনাথ তার পাশের একটি দোকানের কর্মচারী সায়ন ভৌমিকের সাথে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা নিয়ে তর্ক বিতর্ক শুরু করে।

একসময় সেই তর্ক বিতর্ক ঝগড়া আকারে পরিণত হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে সম্রাট দেবনাথ সাবল দিয়ে সায়ন ভৌমিকের মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গেই সায়ন ভৌমিক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি আশেপাশের দোকানদারেরা দেখতে পেয়ে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করলেও ঘাতক সম্রাট দেবনাথের হাতে ধারালো অস্ত্র থাকার কারণে কেউ তার সামনে যেতে সাহস পায়নি। পরে খবর দেওয়া হয় আমতলী থানায়। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে গিয়ে সায়ন ভৌমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করে হাপানিয়া হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়ে দেয় ময়নাতদন্তের জন্য।

এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক সম্রাট দেবনাথ সহ খুনের কাজে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার খবর পেয়ে পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার ডক্টর কিরণ কুমার কে ও এস ডি পিও প্রসন কান্তি ত্রিপুরা আমতলী থানায় ছুটে এসে ঘাতক সম্রাট দেবনাথ কে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে মৃত সায়ন ভৌমিকদের বাড়ি বিশালগ দুর্গানগর শিবনগর এলাকায় এবং ঘাতক সম্রাট দেবনাথের বাড়ি হাপানিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায়।

জানা গেছে সম্রাট দেবনাথ এর বিরুদ্ধে পুলিশ একটি খুনের মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং শনিবার ধৃত সম্রাট দেবনাথ কে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করবে। এদিকে এই ঘটনায় মৃত সায়ন ভৌমিকের পরিবার অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।

সাইবার ক্রাইম অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যেই এই রেলি : কিরণ কুমার কে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্য পুলিশের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর এডিনগর পুলিশ মাঠ থেকে এক রেলি ও ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পুরুষ ও মহিলা পুলিশ কর্মী ,সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস ভলেন্টিয়ার সহ এসপিও কর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর প্রথম ত্রিপুরা পুলিশ গঠন করেছিলেন। সেই ত্রিপুরা পুলিশ শতবর্ষ পেরিয়ে এখন ১৫০ বছরে পা দিয়েছে।

এই দীর্ঘ চলার পথে কত কত ইতিহাস রচিত হয়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই। এই চলার পথে ব্যর্থতা যেমন আছে, তার চাইতে কয়েক গুণ বেশি আছে সাফল্য। ত্রিপুরা পুলিশের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগরতলাস্হিত এডি নগর পুলিশ মাঠ থেকে শুক্রবার সকালে এক রেলি ও ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয।

এই উপলক্ষে এডিনগর পুলিশ মাঠে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি মঞ্চাক একপার,পশ্চিম ত্রিপুরার এস পি কিরণ কুমার কে সহ আরো অন্যান্যরা। পুরুষ ও মহিলা পুলিশ কর্মী ,সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস ভলেন্টিয়ার সহ এসপিও কর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এদিন এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার কিরণ কুমারকে জানান, সাইবার ক্রাইম অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যেই এই রেলি এবং ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

এদিন ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে পুরুষ এবং মহিলা বিভাগে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন কারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। রাজ্য পুলিশের দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার রাজ্যের অন্যান্য জেলা ,মহকুমা এবং থানা গলিতেও অনুরূপ রেলি এবং ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

 

 

পড়াশুনার পাশাপাশি শিশুদের সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শিশুদের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমাদের সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে। পড়াশুনার পাশাপাশি শিশুদের সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে। একটি চারাগাছকে যেমন যত্ন করে বড় করতে হয়, তেমনি শিশুদেরকেও যত্ন করে বড় করতে হবে। আজ জয়নগরস্থিত নবদিগন্ত সামাজিক সংস্থার ৮দিনব্যাপী শিশু উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব থাকলেও তা যেন স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা হয় সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেষ্ট থাকতে হবে। ছেলেমেয়েদের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন ক্লাব শিশু মেলার আয়োজন করছে তা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

ক্লাব এলাকায় শিশুদের জন্য সুস্থ পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রেও ক্লাবগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। রাজ্যকে এবং দেশকে শ্রেষ্ঠ করার মানসিকতা শিশুদের মধ্যে তৈরি করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নবদিগন্ত ক্লাব শিশুদের কল্যাণে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, যোগা চর্চা পরিচালনা করছে, যা অবশ্যই প্রশংসনীয়। রাজ্যের প্রতিটি ক্লাবকে এ ধরনের সমাজ সেবামূলক কাজে এগিয়ে আসার জন্য মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার বলেন,শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে শিশু উৎসব৷ পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চারও প্রয়োজন রয়েছে। অনুষ্ঠানে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কর্পোরেটর জাহ্নবী দাস চৌধুরী,কর্পোরেটর তুষার কান্তি ভট্টাচার্য, নবদিগন্ত ক্লাবের সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত এবং সভাপতি গৌতম বৈদ্য৷ ৮দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় সফল প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিগণ।

শহরে দুষ্কৃতীকারীদের আক্রমণে আক্রান্ত কংগ্রেস নেতৃত্ব, থানায় অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভাটি অভয়নগর এলাকার ঋষিপাড়াতে জাতীয় কংগ্রেস দলের সদস্য পদ সংগ্রহ করতে গেলে বহিরাগত কিছু দুষ্কৃতীকারীরা কংগ্রেস নেতা সঞ্জীব দেব, তপন চক্রবর্তী, শ্যামল পাল, সুজাতা দেববর্মা সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতা ও মহিলা নেত্রীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আক্রমণ করেন এবং দুটি মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যান।

এই ধরনের নেক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ সদর জেলা কংগ্রেস কমিটির এক প্রতিনিধি দল পশ্চিম থানার ওসির নিকট ডেপুটেশন প্রদান করেন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলায় এবং অতি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবী জানান। পশ্চিম থানার ওসি জয়ন্ত দে ওনাদের আশ্বস্ত করেন যে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করবেন এবং মোবাইলগুলি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত সেন চৌধুরী, সদর জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি তন্ময় রায় মহোদয়, কংগ্রেস নেতা অলক গোস্বামী, যুব কংগ্রেস নেতা আমির হোসেন সহ অন্যান্য জেলা কংগ্রেস নেতৃত্বরা।

ঐতিহাসিক বাজেটে’র প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার পর প্রশংসা করে মোদী এই বাজেটকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই বাজেটের প্রভাবে কৃষকদের আয় বাড়বে ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, যুব সম্প্রদায়ের জন্য দুটি বড় ঘোষণা হয়েছে। গবেষণার জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, স্টার্ট আপ সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে কর ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা হয়েছে। আর্থিক ঘাটতিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার বা পরিকাঠামোয় ব্যয় বাড়িয়ে ১১ লক্ষ ১১ হাজার ১১১ কোটি টাকা করা হবে বলেও উল্লেখ করেছেন মোদী।

রেলের ক্ষেত্রে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে মোদী বলেন, বন্দে ভারতের মতো কোচ তৈরি করে জুড়ে দেওয়া হবে সাধারণ ট্রেনের সঙ্গে। এর ফলে কোটি কোটি মানুষ আরামে যাতায়াত করতে পারবেন। আয়ুস্মান ভারত যোজনায় আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের যুক্ত করার কথাও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

উন্নত মানের রেডিওলজি পরিষেবা চালু হলো জিবি হাসপাতালে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল হাসপাতালে রেডিওলজি বিভাগে সমস্ত কিছুর জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব। বর্তমানে এই হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবার কোনরূপ ঘাটতি নেই। রেডিওলজি বিভাগে বেশ কিছু পরিষেবা রাত্রি দশটা পর্যন্ত চালু রয়েছে। জানিয়েছেন এই বিভাগের এইচওডি ডা; অসীম দে।

 

এছাড়াও বর্তমানে এই হাসপাতালে নিউরোলজি বিভাগের ব্যাপক প্রসার ঘটানো হয়েছে। বেশ কয়েকটি সুপার স্পেশালিটি ব্লক রয়েছে জিবিপি হাসপাতালে। জানিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। ২৪ ঘন্টা খোলা থাকছে সুপার স্পেশালিটি ব্লকগুলি। যেখান থেকে সাধারণ মানুষ সব ধরনের পরিষেবা নিতে পারছে। যার জন্য এখন আর রোগী সাধারণদের চিকিৎসা পরিষেবার জন্য বহির রাজ্যে যেতে হচ্ছে না।

 

 

আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়তে নবীণ প্রজন্মকে গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়তে নবীণ প্রজন্মকে গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের সংবেদনশীল, সামাজিক দায়বদ্ধ ও দেশপ্রেমিক হতে হবে। তাহলেই আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়েতোলা সম্ভব হবে। আজ মোহনপুর দ্বাদশ শ্রেণী বালিকা বিদ্যালয়ে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, যে দেশের নাগরিক যতবেশী জ্ঞানী সেই দেশ তত বেশী উন্নত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চাইছেন আমাদের দেশকে বিশ্বের শীর্ষে নিয়ে যেতে। কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি ছাত্রছাত্রীদের বিশ্বমানের উপযোগী করে তুলবে।রাজ্য সরকারও নতুন প্রজন্মকে একবিংশ শতাব্দীর উপযুক্ত করে তুলতে শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন অনিতা দেবনাথ,মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রিণা দেববর্মা, ভাইস চেয়ারম্যান রাকেশ দেব, শিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা রাকেশ দেববর্মা, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনীয়ার সাগর শুভম দেবনাথ, মোহনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক সুভাষ দত্ত প্রমুখ। উল্লেখ্য, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা।