এসসি–এসটি–ওবিসি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপে বিলম্ব, সিইও-র দপ্তরে বামেদের স্মারকলিপি
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- এসসি, এসটি ও ওবিসি ছাত্রছাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে স্কলারশিপ প্রদানের দাবিতে এসটি কর্পোরেশনের সিইও গাজেন্দ্র ভার্মার র নিকট ডেপুটেশন প্রদান করল স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (এসএফআই), টুইপ্রা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (টিএসইউ) সহ বাম বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার এদিনের ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন বাম বিধায়ক সুদীপ সরকার ও নয়ন সরকার । তাঁদের সঙ্গে ছিলেন টিএসইউ রাজ্য সম্পাদক সুজিত ত্রিপুরা এবং এসএফআই রাজ্য সম্পাদক সৃজন দেব সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
অভিযোগ, বিগত কয়েক বছর ধরে এসসি, এসটি ও ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত ছাত্রছাত্রীরা সময়মতো স্কলারশিপের অর্থ পাচ্ছেন না। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রশাসনিক জটিলতা ও দপ্তরীয় গাফিলতির জেরে বহু ছাত্রছাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। বিশেষত বিএড ও ডিএলএড কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়ায় আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
এ প্রসঙ্গে সুদীপ সরকার বলেন, “সঠিক সময়ে স্কলারশিপের টাকা না পাওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে অবিলম্বে নির্ধারিত সময়ে স্কলারশিপের অর্থ প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।”
উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করা এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেও সুরাহা না মেলায় অবশেষে ডেপুটেশনের পথ বেছে নেয় ছাত্র সংগঠনগুলি।
ডেপুটেশন গ্রহণের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সংগঠনগুলি।
বাড়ি ফাঁকা পেয়ে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব, লকার ভেঙে নগদ লুট
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজধানী আগরতলা ভাটি অভয়নগর এলাকায় গভীর রাতে সংঘটিত এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বাড়ির মালিকের অনুপস্থিতির সুযোগে দুষ্কৃতীরা জানালার রড কেটে ঘরে ঢুকে নগদ ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
পরিবারের দাবি, কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের এই অর্থ হারিয়ে তাঁরা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জানা যায়, ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে ছিলেন। পরে ফিরে এসে তাঁরা দেখেন ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং আলমারির লকার ভাঙা। সঙ্গে সঙ্গেই থানায় খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, দুষ্কৃতীরা আগে থেকেই বাড়ির পরিস্থিতি সম্পর্কে রেকি করেছিল। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে ভাটি অভয়নগর এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁরা রাতের টহলদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, খুব শিগগিরই অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বাসিন্দারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।
সরকারি সুবিধা সময়মতো পৌঁছচ্ছে কিনা খতিয়ে দেখলেন সুধাংশু দাস
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আজ রাজ্য অতিথিশালার কনফারেন্স হলে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর, মৎস্য দপ্তর এবং তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা ভিত্তিক পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর, মৎস্য দপ্তর এবং তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাশু দাস।
এদিন সংশ্লিষ্ট তিন দপ্তরের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে জেলার যেসব সুবিধাভোগী বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের কাছে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছাচ্ছে কিনা, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি নির্দেশ দেন, প্রকল্পগুলির কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে যাতে প্রকৃত উপভোক্তারা সরাসরি উপকৃত হন এবং কোনও ধরনের প্রশাসনিক বিলম্ব না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বৈঠকে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সেগুলির দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সরকার জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করে তুলতে বদ্ধপরিকর বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন গতি, ১৮ মাস পর বাস পরিষেবা পুনরায় চালু
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলো আন্তঃদেশীয় “আগরতলা–ঢাকা–কলকাতা” এবং “কলকাতা–ঢাকা–আগরতলা” বাস পরিষেবা। আজ আগরতলার আখাউড়া চেকপোস্টে কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগত বাসটির যাত্রীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, মৈত্রী ও সহযোগিতা ছাড়া উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। পারস্পরিক আস্থা, বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তিতেই দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও মজবুত হয়। তাঁর কথায়, “আগরতলা–ঢাকা–কলকাতা” বাস পরিষেবা দুই দেশের বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই পরিষেবা পুনরায় চালুর মধ্য দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি পাবে। যাত্রীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের এই যাত্রা যেমন সফল হোক, তেমনি দুই দেশের শান্তি ও উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যও পূরণ হোক।
বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাণিজ্য, পর্যটন ও পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
উপকূলরক্ষীর অভিযানে বড় সাফল্য, ১ লক্ষ প্যাকেট সিগারেট উদ্ধার
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) ২১ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (EEZ) সন্দেহজনক একটি বিদেশি নৌকা আটক করেছে। দ্বারকার প্রায় ১১৫ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে অভিযান চালিয়ে নৌকাটিকে আটক করা হয়।
উপকূলরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘আল মুখতার’ নামের নৌকাটিতে চারজন ইরানি নাবিক ছিলেন। তল্লাশি চালিয়ে নৌকার গোপন কুঠুরি থেকে প্রায় ২০০ কার্টনে এক লক্ষের মতো বিদেশি ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্ধার হওয়া এই চালানের আনুমানিক মূল্য ২.৫ থেকে ৫ কোটি টাকা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে নৌকাটিকে পোরবন্দরের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সঙ্গে যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই অভিযানের মাধ্যমে ভারতীয় জলসীমায় অবৈধ পাচার রোধে উপকূলরক্ষী বাহিনীর তৎপরতার আরও একবার প্রমাণ।
৭ বছরে ২৩টি বাজার নির্মাণ, কৃষি পরিকাঠামোয় বড় দাবি মন্ত্রীর
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জে নবনির্মিত কৃষিপণ্য বাজার ভবনের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতন লাল নাথ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকার কখনোই কৃষকদের স্বার্থে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি, কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে কৃষকরা বাস্তব উপকারিতা পাচ্ছেন।
মন্ত্রী জানান, কৃষিই দেশের অর্থনীতির ভিত্তি এবং কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। গত সাত বছরে বর্তমান সরকার শুধু সিপাহীজলা জেলাতেই ২৩টি বাজার নির্মাণ করেছে, যার ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা। তুলনামূলকভাবে পূর্ববর্তী সাত বছরে নির্মিত হয়েছিল মাত্র ছয়টি বাজার, ব্যয় ছিল প্রায় ৪ কোটি টাকা। এছাড়াও বিশালগড় মহকুমায় ১৫টি বাজার নির্মাণে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার একযোগে কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র স্বয়ংসম্পূর্ণ ভারতের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা চাই স্বয়ংসম্পূর্ণ ত্রিপুরা। তা বাস্তবায়িত করতে হলে কৃষিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, কৃষিপণ্যের সঠিক বাজারব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই বাজার অবকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। এ বছর খাদ্যশস্য উৎপাদনে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও তিনি জানান।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, তিনি জম্পুইজলার কৃষক লক্ষ্মণ রিয়াংকে সঙ্গে নিয়ে জার্মানিতে গিয়েছিলেন, যেখানে অর্গানিক কালি খাসা চাল, বাসমতি, বার্ডস আই চিলি, আদা ও হলুদসহ বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হয়। ভারতের কৃষিক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এক সময় ভারতকে বিদেশ থেকে ধান আমদানি করতে হতো, আর এখন দেশ সর্বাধিক ধান উৎপাদনকারী দেশগুলির মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী ভারতকে বিশ্বের শস্যভান্ডার হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুশান্ত দেব, সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্তসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বন্ধ বিমানবন্দরে ফের উড়ান, দ্রুত পদক্ষেপে জোর মুখ্যমন্ত্রীর
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কৈলাশহর বিমানবন্দরকে পুনরুজ্জীবিত করে পুনরায় বিমান পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। এ বিষয়ে আজ এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এএআই)-র কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।
বৈঠকে কৈলাশহর বিমানবন্দর থেকে বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে যে অমীমাংসিত বিষয়গুলি রয়েছে, সেগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করার উপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, উত্তর ত্রিপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে কৈলাশহর বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে সমন্বয় রেখে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বিমান পরিষেবা চালু হলে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। রাজ্য সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।












