Home Blog Page 43

বিভ্রান্তি কাটিয়ে বিজেপির পতাকাতলে ৪৬ পরিবারের ১৭৫ ভোটার শামিল

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জনজাতি সমাজের উন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকার কথা তুলে ধরে হেজামারা বাজারে অনুষ্ঠিত যোগদান সভায় একাধিক পরিবার ভারতীয় জনতা পার্টিতে শামিল হলেন।

সিমনা মণ্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, জনজাতি সমাজের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিকাঠামোগত বিকাশে বিজেপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরে ছড়িয়ে থাকা বিভ্রান্তি কাটিয়ে মানুষ উন্নয়নমুখী রাজনীতির পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিনের সভায় ৪৬টি পরিবারের মোট ১৭৫ জন ভোটার আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির পতাকাতলে যোগদান করেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান দলীয় নেতৃত্ব।

দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় সংগঠন আরও শক্তিশালী করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। স্থানীয় নেতৃত্বের মতে, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার বার্তায় অনুপ্রাণিত হয়ে সাধারণ মানুষ দলে যোগ দিচ্ছেন, যা আগামী দিনে সংগঠনকে আরও মজবুত করবে।

নাগেরজলায় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন, ‘বিকশিত ত্রিপুরা’ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত মুখ্যমন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দূরদর্শী জাতীয়তাবাদী নেতা, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী-র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আগরতলার নাগেরজলা বাস স্ট্যান্ডে তাঁর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আদর্শ ‘বিকশিত ত্রিপুরা’ গড়ার পথে রাজ্যের অগ্রযাত্রায় এক আলোকবর্তিকা হয়ে রয়েছে। ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁর আত্মত্যাগ ও দৃঢ় অবস্থান আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় সংহতির প্রতি ড. মুখার্জীর অটল অঙ্গীকার এবং দেশসেবার মনোভাব বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তাঁর আদর্শকে সামনে রেখেই ত্রিপুরাকে উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর অবদান স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর চিন্তাধারাকে সমাজজীবনে আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধা ও গাম্ভীর্যের আবহে দেশপ্রেম ও উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনরায় উচ্চারিত হয়।

যেকোনও উইকেটে মানিয়ে নিতে প্রস্তুত টিম ইন্ডিয়া: সূর্যকুমার যাদব

0

জনতার কলম স্পোর্টস ডেস্ক :- আগামীকাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গেল ভারতের টি-২০ অধিনায়ক সূর্য কুমার যাদব এর গলায়। আহমেদাবাদে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, দল যেকোনও ধরনের উইকেটে মানিয়ে নিতে প্রস্তুত।

টস প্রসঙ্গে সূর্যকুমার বলেন, “এখন টসকে অতটা গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। প্রথম ইনিংসে যদি ভালো ব্যাটিং করা যায়, তাহলে শিশির থাকলেও আমাদের বোলিং ইউনিট সেই রান রক্ষা করতে সক্ষম।” তাঁর মতে, বর্তমান দলের বোলিং আক্রমণ যথেষ্ট শক্তিশালী এবং চাপের মুহূর্ত সামাল দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মাকে নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অভিষেককে নিয়ে যারা চিন্তিত, তাদের নিয়েই আমি বেশি চিন্তিত। বরং ভবিষ্যতে যেসব দল ওর মুখোমুখি হবে, তাদেরই ভাবা উচিত। গত বছর ও দলকে অনেক কিছু দিয়েছে, এবার আমাদের পালা ওর পাশে দাঁড়ানোর।”

উইকেট নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে ভারত অধিনায়ক জানান, দল ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের পিচে খেলে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে। “ওয়াংখেড়ে থেকে শুরু করে শেষ ম্যাচ পর্যন্ত নানা ধরনের উইকেটে খেলেছি। খুব কঠিন না হলেও কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে পাওয়ারপ্লের পর কীভাবে ব্যাটিং গড়তে হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ করতে হয়, সে বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট ধারণা রয়েছে,” বলেন সূর্যকুমার।

সব মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আগে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। অধিনায়কের বক্তব্যে স্পষ্ট, পরিস্থিতি যেমনই হোক, লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত টিম ইন্ডিয়া।

মোদি-লুলা বৈঠকে বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইঞ্চিও লুলা দা সিলভা-র সঙ্গে বিস্তৃত বৈঠক করেন। বৈঠকে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং গ্লোবাল সাউথ সহযোগিতা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে।

দুই নেতা এক অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে তাঁদের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রসংঘ, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সন্ত্রাসবাদ ও তার মদতদাতাদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াই জোরদারে দৃঢ় অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তাঁরা।

বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ডিজিটাল সহযোগিতা, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান বিনিময়, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), উদ্যোগ ও গণযোগাযোগ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোট ১০টি ফলাফল চূড়ান্ত হয়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রেসিডেন্ট লুলার নেতৃত্বে ভারত-ব্রাজিল সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে ব্রাজিলই ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। আগামী পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারত-ব্রাজিল বাণিজ্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন।”

প্রধানমন্ত্রী জানান, ব্রাজিলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার অফ এক্সেলেন্স স্থাপনের বিষয়ে দুই দেশ কাজ করছে। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র গ্লোবাল সাউথের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও রেয়ার আর্থস সংক্রান্ত চুক্তিকে স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন তিনি। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সহযোগিতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, ভারত ও ব্রাজিল একসঙ্গে কাজ করলে গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।

এর আগে রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানান। প্রেসিডেন্ট লুলা রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধী-র প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিদেশ মন্ত্রক এক সামাজিক মাধ্যম বার্তায় জানায়, মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ আজও ভারত-ব্রাজিল অংশীদারিত্বকে অনুপ্রাণিত করে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সাল থেকে ভারত ও ব্রাজিল কৌশলগত অংশীদার। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বহুমুখী সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত গভীর হয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, কৃষি, স্বাস্থ্য, নবায়নযোগ্য শক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে।

দুই দেশ ব্রিকস, আইবিএসএ, জি-২০, জি-৪, ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স এবং কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচারসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক মঞ্চেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। রাষ্ট্রসংঘ, ডব্লিউটিও এবং ইউনেস্কোর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিতেও দুই দেশের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য।

আগামী মাসের মধ্যেই দেশকে নকশালমুক্ত করার অঙ্গীকার: অমিত শাহ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দেশ থেকে আগামী মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে নকশালবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল করার অঙ্গীকারের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গুয়াহাটিতে সিআরপিএফের ৮৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসের প্যারেডে উপস্থিত থেকে তিনি বলেন, দেশকে নকশালমুক্ত করতে সিআরপিএফ জওয়ান ও কোবরা ব্যাটালিয়ন অসাধারণ কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF)-এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। উত্তর-পূর্বাঞ্চল, জম্মু ও কাশ্মীর এবং মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিআরপিএফ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে। সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত মণিপুরেও শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই বাহিনীর একাধিক ব্যাটালিয়ন মোতায়েন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অমিত শাহ শহিদ সিআরপিএফ জওয়ানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি জানান, দেশের সেবায় এখন পর্যন্ত ২,২৭০ জন সাহসী সিআরপিএফ সদস্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। এর মধ্যে কেবল উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই ৭০০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন। পাশাপাশি অসামান্য সাহসিকতার জন্য সিআরপিএফ জওয়ানদের বীরত্ব পদক প্রদান করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

এদিন বিকেলে গুয়াহাটির কাছুটোলিতে ১০ম অসম পুলিশ ব্যাটালিয়নের নতুন ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন অমিত শাহ। বর্তমানে ব্যাটালিয়নটি গুয়াহাটিতেই অস্থায়ীভাবে কাজ করছে। নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণ সম্পন্ন হলে ব্যাটালিয়নটি সেখানে স্থানান্তরিত হবে বলে জানা গেছে।

কাসৌলিতে স্বদেশি টিটেনাস-ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন উদ্বোধন করলেন জগৎ প্রকাশ নাড্ডা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা আজ হিমাচল প্রদেশের সোলান জেলার কাসৌলিতে অবস্থিত সেন্ট্রাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট , কাসৌলিতে-তে টিটেনাস ও ডিপথেরিয়া (টিডি) ভ্যাকসিনের উদ্বোধন করেন।

এই উপলক্ষে মন্ত্রী বলেন, দেশীয় ভ্যাকসিন উদ্ভাবন ও উন্নয়নে সেন্ট্রাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট কাসৌলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্বদেশে তৈরি এই টিকা উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী ও কর্মীদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি।

জেপি নাড্ডা বলেন, স্বাস্থ্য ও ফার্মাসিউটিক্যাল ক্ষেত্রে ভারত ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, যার পেছনে কাসৌলির এই প্রতিষ্ঠানের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি জানান, এই স্বদেশি ভ্যাকসিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠনের স্বপ্ন পূরণে স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত আজ ‘ফার্মেসি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে পরিচিত। দেশের সার্বজনীন টিকাকরণ কর্মসূচি বিশ্বের বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচি। এই কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে ২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে সেন্ট্রাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কাসৌলি ৫৫ লক্ষ ডোজ টিকা সরবরাহ করবে বলে তিনি জানান।

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

দুই দফায় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আগামী ১ মার্চ প্রথম পর্যায়ে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। পরবর্তী পর্যায়ে ১০ মার্চ বাকি ২৪০ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রাজ্য প্রশাসনকে চিঠি পাঠিয়ে বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে অবহিত করেছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ভোটের আগে বিভিন্ন জেলায় রুট মার্চ, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং স্পর্শকাতর বুথে নিরাপত্তা জোরদারে এই বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

রাজ্যে নির্বাচনী আবহে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

‘দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন’—এআই সামিট ইস্যুতে কংগ্রেসকে নিশানা বিজেপির

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই সামিট’-এ যুব কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াল। এই ঘটনায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, এআই সামিট গোটা দেশের গর্বের বিষয়। এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ দেখিয়ে কংগ্রেস দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে অভিযোগ তাঁর। সুধাংশু ত্রিবেদীর দাবি, এটি শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতা নয়, বরং দেশের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল।

তিনি আরও বলেন, কংগ্রেসের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং দেশের মানুষ এই আচরণে ক্ষুব্ধ। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-র মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে আন্তর্জাতিক মঞ্চকেও ছাড়ছে না বিরোধী দল।

উল্লেখ্য, ইন্ডিয়া এআই সামিট চলাকালীন যুব কংগ্রেসের কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনও এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা বাস পরিষেবা পুনরায় শুরু, সীমান্তপারের যোগাযোগে নতুন আশা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-  সীমান্তপারের যোগাযোগ ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতাগামী ‘রয়্যাল মৈত্রী’ বাস পরিষেবা শীঘ্রই নিয়মিতভাবে চালু হতে যাচ্ছে। TR01G1171 নম্বরধারী বাসটি এক বছরের বিরতির পর আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে পুনরায় আগরতলায় প্রবেশ করেছে, যা ভারত-বাংলাদেশের স্বাভাবিক পরিবহন সংযোগ পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই পাসপোর্ট পরিষেবাও পুনরায় চালু হবে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ থেকে আগরতলায় পর্যটক ভিসা পরিষেবা চালু করা হবে। এর ফলে পর্যটক, ব্যবসায়ী এবং দুই দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বহু পরিবার সহজে যাতায়াত করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ মানুষের কাছে এই সিদ্ধান্ত নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা রুটে বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হলে পর্যটন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত যাতায়াতে বিশেষ সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সীমান্ত বিভাজনে আলাদা থাকলেও ভাষা ও ঐতিহ্যে যুক্ত বহু পরিবারের কাছে এই পরিষেবা কেবল পরিবহন নয়, বরং বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, যাতায়াত স্বাভাবিক হলে সীমান্তপারের বাণিজ্য বাড়বে এবং স্থবির হয়ে পড়া বাজার আবার চাঙা হবে। শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিও আশাবাদী যে একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময় পুনরায় শুরু হবে, যা দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও শক্তিশালী করবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আখাউড়া হয়ে ‘রয়্যাল মৈত্রী’ বাসের প্রত্যাবর্তন দুই দেশের সদিচ্ছা ও সহযোগিতার প্রতীক। এ ধরনের উদ্যোগ শান্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

ত্রিপুরা জুড়ে সাধারণ মানুষ এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বিশ্বাস, পরিবহন ও ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উষ্ণতা ও পারস্পরিক আস্থা আবারও জোরদার হবে। সীমান্ত করিডোরটি আবারও বন্ধুত্ব, শান্তি ও সমৃদ্ধির সেতুবন্ধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

রাজভাষা সম্মেলন ঘিরে ত্রিপুরায় কংগ্রেসের বিক্ষোভ, ‘হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার’ অভিযোগ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর ত্রিপুরা সফরকে ঘিরে শুক্রবার রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ায়। আগরতলায় আয়োজিত রাজভাষা সম্মেলনের উদ্বোধনে তাঁর উপস্থিতির প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি (পিসিসি) বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার হিন্দিকে জাতীয় ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

আগরতলার কংগ্রেস ভবনের সামনে দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা জড়ো হয়ে স্লোগান তোলেন। তাঁদের বক্তব্য, ভাষার বৈচিত্র্যময় দেশের ওপর এক ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা “ভাষা সন্ত্রাস”-এর সামিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের দিনই এই বিক্ষোভের আয়োজন করে কংগ্রেস তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রভীর চক্রবর্তী কেন্দ্রের ভাষানীতিকে “হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ” আখ্যা দেন। তাঁর দাবি, জাতীয় স্তরে হিন্দির আগ্রাসী প্রচার ভারতের বহুভাষিক ঐতিহ্যকে দুর্বল করছে এবং ফেডারেল কাঠামোর পরিপন্থী। এক ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়ার যে কোনও পদক্ষেপ আঞ্চলিক পরিচয়কে কোণঠাসা করতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

প্রভীর চক্রবর্তীর অভিযোগ, কেন্দ্রের এই নীতির আড়ালে অন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু—যেমন বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি—থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা চলছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নীতির সমালোচনা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের সুরক্ষার দাবি তুলে ধরা হয়।

কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, ভারতের ঐক্য তার বৈচিত্র্যের মধ্যেই নিহিত। ভাষাগত বহুত্ববাদই দেশের শক্তি। সেই বৈচিত্র্যকে অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে কোনও একক ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অন্যদিকে বিজেপির দাবি, তারা হিন্দির পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষারও সমান বিকাশে বিশ্বাসী এবং কোনও ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আগরতলায় অনুষ্ঠিত এই রাজভাষা সম্মেলন কেন্দ্রের সরকারি ভাষা ব্যবহারের পর্যালোচনা ও প্রসারের বৃহত্তর উদ্যোগেরই অংশ বলে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য।