জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আজকের শিশু ও কিশোর কিশোরীরা হচ্ছে আগামীদিনে দেশের কান্ডারি। তাই তাদের সুস্থ ও সবলভাবে গড়ে তুলতে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব-সুস্থ কৈশোর অভিযানের সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শিশু ও কিশোর কিশোরীদের সুস্থ ও সবলভাবে গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। রাজ্য সরকারও প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে কাজ করছে। আজ বিশালগড়ের নতুন টাউনহলে রাজ্যভিত্তিক মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব-সুস্থ কৈশোর অভিযান ৬.০ কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ একই সাথে রাজ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের বিসিজি (যক্ষ্মা প্রতিরোধক) টিকাকরণের কাজও শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ২জন শিশুকে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের ট্যাবলেট খাওয়ানো এবং ২জন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে বিসিজি ভ্যাকসিনেশন দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব-সুস্থ কৈশোর অভিযান ৬.০ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা আরও বলেন, রাজ্যের সার্বিক বিকাশে সুস্থ ও উন্নত মানবসম্পদ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র। এই লক্ষ্যেই রাজ্যে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা ও প্রান্তিক জনপদে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা সম্প্রসারণে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কৃমি সংক্রমণ, ভিটামিন-এ’র অভাব, শৈশবে ডায়ারিয়া, আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের অভাব মানব স্বাস্থ্যের পক্ষে উদ্বেগজনক। শিশু ও কিশোর কিশোরীদের রক্তাল্পতা দূর করতে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এই অভিযান একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই অভিযানে শূন্য থেকে ১৯ বছর বয়সের শিশু ও কিশোর কিশোরীদের বিভিন্ন প্রতিরোধক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে ও ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার শিশু ও কিশোর কিশোরীদের এই অভিযানের আওতায় আনা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে এই অভিযান শুরু হয়েছিল ২০২১ সাল থেকে। প্রথম বছর থেকেই রাজ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরের তৎপরতায় এই কর্মসূচিতে বিশেষ সাফল্য এসেছে। এই অভিযানে ১০০ শতাংশ সাফল্য আনার লক্ষ্যে দপ্তরকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে হবে। রাজ্যভিত্তিক মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব-সুস্থ কৈশোর অভিযান ৬.০ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা জিলা পরিষদের সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্ত, বিধায়ক সুশান্ত দেব, ত্রিপুরা শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান নবাদল বণিক, সিপাহীজলা জেলার জেলাশাসক নাগেশ কুমার বি, পুলিশ সুপার বি জে রেড্ডি, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা. সুপ্রিয় মল্লিক, সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের ত্রিপুরা শাখার অধিকর্তা ডি কে চাকমা। সভাপতিত্ব করেন বিশালগড় পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন অঞ্জন পুরকায়স্থ। অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়ণে সাফল্যের জন্য পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা কার্যালয়কে পুরস্কৃত করা হয়।
২০২৪ এ বিজেপির আসন সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে চারশ : মুখ্যমন্ত্রী
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা বলা মুশকিল । কেননা মোদিকে রোখার মত ভারতে এখনো কোন শক্তি হয়নি ভারতে । বললেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা । ভারতবর্ষে মোদিকে রোখার মত এখনো বিকল্প কোন শক্তি তৈরি হয়নি । কেননা চারিদিকে শুধু মোদির নামে জয়জয়কার চলছে ।
২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে কোথায় যে গিয়ে দাঁড়াবে? তা বলা মুশকিল । অরুন্ধতীনগর পঞ্চায়েতিরাজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত বৃহস্পতিবার ত্রিপুরার ন্যায্যমূল্য দোকান পরিচালক সমিতির ২৬ তম রাজ্য সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না । গোটা ভারত বর্ষ এখন মোদিময় হয়ে রয়েছে ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার রেশন ডিলার বান্ধব সরকার । রেশনে গিয়ে এখন আর সাধারন মানুষ খালি ব্যাগ নিয়ে ফিরতে হয় না । চলতি মাস থেকে পনেরোটি নির্দিষ্ট রেশন সঁপে দই ঘি পনির দেওয়া হবে । একটা সময় ছিল রেশন সপে গিয়ে চাল চিনি কেরোসিন তেল ছাড়া কিছুই পাওয়া যেত না। বর্তমানে চাল চিনি কেরোসিনের পাশাপাশি মসলা, চা পাতা , সয়াবিন , তেল , আটা-ময়দা ইত্যাদিও পাওয়া যাচ্ছে ।
এদিন ত্রিপুরা খাদি বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , বর্তমানে রাজ্যের গণ বন্টন ব্যবস্থা উচ্চ প্রশংসার দাবিদার । যেভাবে সাধারণ গরিব মানুষদের মধ্যে গণ বন্টন ব্যবস্থাকে সুদৃঢ করে রেখেছে সেটা নজির তৈরি করেছে । এখন আর সাধারণ গরিব মানুষ রেশন দোকানে গিয়ে খালি ব্যাগ হাতে নিয়ে আর বাড়ি ফিরে যেতে হয় না ।এদিনের সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রেশন দোকান পরিচালন সমিতির কনভেনার প্রদীপ চন্দ্ ,মেয়র দীপক মজুমদার, বিধায়িকা মিনারানী সরকার প্রমূখ।
পিস্তল কান্ডের মূল অভিযুক্ত রাকেশ গ্রেপ্তার
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বড়জলার পিস্তল কান্ডের আরও এক অভিযুক্ত আটক পুলিশের জালে। জানা যায় গত ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা রাতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বড়জলা স্কুলের বিপরীতে শক্তিপদ পাল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বাড়িতে গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। বাড়ির মালিকের অভিযোগ, বড়জলা মণিপুরি পাড়ার রাকেশ রায় ও পিন্টু দেবনাথ ওই দুজন গোটা ঘটনার সাথে জড়িত।
সাথে সাথে নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্স থানার পুলিশ তদন্তে নামে। ওই ঘটনার সাথে জড়িত পিন্টু দেবনাথ নামে অভিযুক্তকে আগেই আটক করা হয়েছিল। অন্যদিকে রাকেশ রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ঘর থেকে ৭.৬৫ এমএম পিস্তল সহ দুটি বুলেট উদ্ধার করা হলেও রাকেশ রায়কে আটক করা সম্ভব হয়নি।জনৈক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, গত ৫ ফেব্রুয়ারি তাকে আটক করা হয়েছে ,তাঁকে পুলিশ রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সাথে জনগণকেও সহযোগিতা করতে হবে : জেলাশাসক
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা টাউনহলে আজ ‘অগ্নি নিরাপত্তা নিরীক্ষণ এবং অগ্নি প্রতিরোধের যন্ত্রপাতি ব্যবহার’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়। অগ্নি নিরীক্ষণ হচ্ছে মূলতঃ একটা তালিকা। যেখানে বিল্ডিং এর নির্মাণ, কার্যকাল, উচ্চতা, খোলা জায়গা, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা, বিল্ডিং এর ব্যবহার, বিল্ডিং এর মধ্যে কি কি দাহ্য পদার্থ আছে সেগুলি যাচাই করা হয়। পশ্চিম জেলা প্রাকৃতিক বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করে।
প্রশিক্ষণ শিবিরে পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার, স্টেট প্রজেক্ট অফিসার ড. শরৎ কুমার দাস ছাড়াও অগ্নি নির্বাপন, টি এস আর, আপদা মিত্রা, প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনার নোডাল অফিসারগণ, পুলিশ ও বিট আধিকারিকগণ, তহশীলদারগণ, ইঞ্জিনীয়ারগণ, শিক্ষক শিক্ষিকাগণ ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শিবিরে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার বলেন, অগ্নিকান্ড জীবন ও সম্পত্তির অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে। তাই আগুন লাগার হাত থেকে আমাদের সর্বদা সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। তিনি বলেন, রাজ্যে ছোট ছোট গলিপথ থাকা সত্ত্বেও খবর পাওয়ামাত্র অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দপ্তরের জওয়ানরা দ্রুত গন্তব্য স্থানে পৌঁছে যান।
জনগণকেও তাদের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। এ লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, অগ্নিকান্ড হলে তা তৎক্ষণাৎ প্রতিরোধের জন্য ১৫০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যে আগুন নেভানোর সরঞ্জাম পাওয়া যায়। তা ঘরে মজুত রাখতে হবে। অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ চন্দ্র সাহা আগুন যাতে না লাগে সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। প্রশিক্ষণ শিবিরে স্টেট প্রজেক্ট অফিসার ড. শরৎ কুমার দাস বলেন, রাজ্য এক্সিকিউটিভ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।
শিবিরে অগ্নি নিরীক্ষণ কিভাবে করতে হয় তা বিভিন্নস্তরের আধিকারিক, ইঞ্জিনীয়ার, স্বেচ্ছাসেবক, সিভিল ডিফেন্স কর্মী, অপদামিত্র ও পুলিশ আধিকারিকদের শেখানো হয়। শিবিরে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে অগ্নি প্রতিরোধের বিষয় উপস্থাপন করেন ফায়ার সার্ভিস ট্রেনিং স্কুলের অফিসার ইনচার্জ অসীম বিশ্বাস।
স্বামীর লাঠির আঘাতে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নির্যাতিত গৃহবধূ
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আবারও গার্হস্থ্য হিংসার শিকার এক গৃহবধূ। স্বামীর লাঠির আঘাতে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি নির্যাতিত গৃহবধূ।নির্যাতিত গৃহবধূর নাম সিলিনা আক্তার, বয়স – ৩২, গুনধর স্বামীর নাম আব্দুল হক, বাড়ি সোনামুড়ার কালাপানিয়ার রাজবাড়ী এলাকায়।এদিন সংবাদ মাধ্যমকে সিলিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, গৃহবধূটি তার স্বামীর ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের চার সন্তান রয়েছে।পরিস্থিতি এতটাই চরমে উঠেছিল যে সিলিনাকে এক মাস তার পিতামাতার বাড়িতে এবং এক মাস তার স্বামীর সাথে থাকতে হয়েছিল।
দুই দিন আগে তার স্বামী তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বললেও সিলিনার বাবা হাবিবুল রহমান তার জামাইকে তার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যেতে না বলে তাকে বাড়িতে ফেলে যেতে বলেন। অসহায় সিলিনা তার ফুফুর বাড়িতে থাকত। বৃহস্পতিবার আব্দুল তার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সে অজ্ঞান হয়ে যায় এবং গুরুতর আহত হয়।খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে যান। সোনামুড়া হাসপাতাল থেকে সিলিনাকে জিবি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক।
পার্বত্য ত্রিপুরার গৌরব উনকোটি তীর্থের নাম এবার শামিল হলো ভারতীয় রেলে
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের তীর্থস্থানের মধ্যে অন্যতম একটি তীর্থক্ষেত্র হল ঊনকোটি। চারিদিকে সবুজে ঘেরা এই ঊনকোটির মন মাতানো দৃশ্য দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে ভীড় জমান পর্যটকরা। এবার এই ঊনকোটির সাথে জুড়লো আরেকটি পালক, যা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজ সামাজিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন যেটা হল ভারতীয় রেলের ডাব্লিউডিজি-৪ ক্যাটাগরির লোকোমোটিভ ইঞ্জিন নং ১২২২৬-এ এবার যুক্ত হল ত্রিপুরার উনকোটি তীর্থের নাম। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অ্যাক্ট ইষ্ট পলিসির প্রতিফলন দেখা গেলো এবার ভারতীয় রেলে। পার্বত্য ত্রিপুরার গৌরব কৈলাশহরের রঘুনন্দন পাহাড়ের উনকোটি তীর্থের নাম এবার শামিল হলো ভারতীয় রেলের G ডাব্লিউডিজি-৪ ক্যাটাগরির লোকোমোটিভ ইঞ্জিন নং ১২২২৬ লোকোমোটিভ ইঞ্জিনে।
ব্যাঙ্ক কর্মীর গাড়িতে আক্রমন এক বাইক আরোহীর
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- এক ব্যাঙ্ক কর্মীর গাড়িতে আক্রমন এক বাইক আরোহীর। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি, ঘটনা বিশ্রামগঞ্জ পদ্মনগর এলাকায়। এদিন সংবাদ মাধ্যমকে জনৈক গাড়ির মালিক জানান, বুধবার সকালে অফিসের জন্য তিনি আগরতলা যাচ্ছিলেন। সেই সময় পদ্মনগর রেল ব্রিজের সামনে একটি বাইক গাড়িটির সামনে আসে এবং বাইকে থাকা অন্য আরোহী হাতুড়ি দিয়ে গাড়ির সামনের পিছনের গ্লাস ভাঙচুর করে, স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে সাথে সাথে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্তদের আটক করে নিয়ে যায়। এদিনের এই ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।
রাজ্যের সমতল ও পাহাড়ের মানুষ কাজ খাদ্যের জন্য হাহাকার করছে : মানিক
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা থেকে প্রকাশিত হয় যে সমস্ত পত্রপত্রিকা তাদের অধিকাংশ চোখ-কান বন্ধ করে বিজেপি সরকারের গুন গান করা নিয়ে ব্যস্ত ,এক মন্ত্রীর ছবি একই দিনে চার-পাঁচ জায়গায় ছাপছে , সেই পত্রিকাও এই সমস্ত তথ্য লুকিয়ে রাখতে পারছে না । বক্তা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ।সমতলে আশা কর্মী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা বেতন পাচ্ছে না। পাহাড়ে বেতন পাচ্ছে না অনেক সরকারি কর্মচারী । উন্নয়ন কাজ স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পাহাড়ের । রাজ্যের সমতল পাহাড় একই হলে চলছে।
মানুষ কাজ খাদ্যের জন্য হাহাকার করছে। এ সমস্ত খবর প্রকাশ না করে আগরতলা থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকাগুলি চোখ কান বন্ধ করে বিজেপি সরকারের গুনগান করছে। প্রয়োজনে একই মন্ত্রীর ছবি এক দিনে চার-পাঁচ জায়গায় ছাপাচ্ছে। ক্ষুব্দ হয়ে বললেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।
রাজধানীর ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে আয়োজিত এক বিক্ষোভ গন অবস্থানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী কেরালায় বাম গণতান্ত্রিক সরকারের উপর কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আক্রমণের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন । বলেন কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে রেখেছে সেভাবে একটা রাজ্যের সরকার চলতে পারে না । আমরা তার প্রতিকার চাই ।এদিনের গন অবস্থান ও প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে , পবিত্র কর , ভানু সাহা সহ অন্যান্য নারী নেতৃবৃন্দ ।
আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য দায়ী থাকবে মুখ্যমন্ত্রী : অনিমেষ
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ককবরক স্ক্রিপ্ট এর বিষয়টা আজকে থেকে ১৭-১৮ বছর আগে যেভাবে চলছিল অর্থাৎ বাংলা এবং রোমান হরফে লেখা যেত , হঠাৎ করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির দেওয়া বয়ানে বিস্মিত বিরোধী দলনেতা অনিমেষ দেববর্মা। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ যদি রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার কোন অবনতি ঘটে, তার জন্য সম্পূর্ণ দায়ী থাকবে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা।










