Home Blog Page 579

মোদী হে তো মুমকিন হে, আনারসে পদ্ম ফুটিয়ে ছাড়লো মোদী : সুদীপ

0

 

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কংগ্রেস ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল জনজাতিদের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করে নি।কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, কংগ্রেস এতকিছু করার পর ও এডিসিতে শাসন ক্ষমতায় বসতে পারেনি। বুধবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই মত প্রকাশ করলেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। এদিন তিনি অভিযোগ করেন লোকসভা নির্বাচনে তিপ্রাসাদের আবেগকে ব্যবহার করা হয়েছে।

তিপ্রাসাদের বিক্রি করে দিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে চাইছে মথা সুপ্রিম প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মন। ইতিমধ্যে সরকার সিএএ লাগু করার ঘোষণা দিয়েছে , মাধব বাড়িতে এই সিএএ -এর বিরোধিতা করতে গিয়ে তিপরা মথা দলের উৎপত্তি হয়েছিল ,আজ দেশে সিএএ লাগু হওয়ার পরও চুপ প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ। কিন্তু কংগ্রেস সিএএ-কে সমর্থন করে না বলে জানান তিনি।

পাশাপাশি জনজাতিরা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উপযুক্ত জবাব দেবেন এবং তিপ্রাসাদের কংগ্রেসে যোগদান করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

রাজ্যে মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পেয়েছে HIV AIDS, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে এইচআইভি এইডস রোগীর সংখ্যা। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। বলেন এইচআইভি রোগীর সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এবছর ৫ হাজার ৯২৮ জন মহিলা যৌনকর্মী সনাক্ত করা হয়েছে। তারমধ্যে 872 জন সমকামী , ৭৮৪১ জন পরিযায়ী শ্রমিক , ৪৩৭৬ জন ট্রাক চালক , ১১৪ জন ট্রান্স জেন্ডার এবং ৮৬৩০ জন বিভিন্ন প্রতিষেধক ওষুধ ব্যবহার করেন। HIV এইডস নিয়ে রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত এক আলোচনাচক্রে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন পরেরবার কাউন্সিলে আমাদের দেখতে হবে কতজন রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে। এখানে যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে এবং যেভাবে কাউন্সিলিং হচ্ছে ধারণা করা হচ্ছে আস্তে আস্তে কিছুটা হলেও নির্মূল করা যাবে বা লোকজনদের রক্ষা করা যাবে।

আর যারা একেবারেই আক্রান্ত হয়ে গিয়েছে তাদেরকে হয়তোবা আরো কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখা যেতে পারে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ। ত্রিপুরা এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এইডস রোগ সম্পর্কে বিশেষ সচেতনতা তৈরি করা হয়েছে।

 

 

হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন এবং পার্সিদের বড় শত্রু কেজরিওয়াল : মনোজ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- সিএএ নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মন্তব্য সম্পর্কে, বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন , “সিএএ-র বিরোধিতা করে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রমাণ করেছেন যে তিনি হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন এবং পার্সিদের বড় শত্রু।

সিএএ আইনের উদ্দেশ্য নাগরিকত্ব দেওয়া। কিন্তু অরবিন্দ কেজরিওয়াল মিথ্যা ও বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। শরণার্থীরা কেজরিওয়ালের মতো ‘রাজ মহল’ পাবে না, কিন্তু তারা পিএম আবাস প্রকল্পের অধীনে বাসস্থান পাবে কারণ তাদেরও অধিকার আছে বাঁচতে।

পঞ্চমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়ে দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুরাগ ঠাকুরের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বৃহস্পতিবার গাগ্গাল বিমানবন্দরে পৌঁছলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ সিং ঠাকুরকে বিজেপির বিভিন্ন সংগঠন উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। লোকসভা নির্বাচনের টিকিট পেয়ে হিমাচল পৌঁছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, যে আমার প্রতি আস্থা দেখানোর জন্য এবং হামিরপুর কেন্দ্র থেকে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের ধন্যবাদ জানাই।

আমি আত্মবিশ্বাসী যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাজ এবং আমার প্রচেষ্টা আমাদের ইতিহাস লিখতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি কংগ্রেসপার্টির ব্যাপারে বলতে গিয়ে তিনি জানান, ৬০ বছর শাসন করার পরেও কংগ্রেস দল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে বিশ্বাস করে না। এবারও কংগ্রেস তাদের নেতিবাচক রাজনীতির কারণে কম আসন পাবে।

 

যারা জীবন বাঁচাতে ভারতে এসেছেন, তাদের রক্ষা করা আমাদের সংস্কৃতি এবং কর্তব্য : রবিশঙ্কর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার CAA নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, CAA হল পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে যারা ধর্মীয় ভিত্তিতে নির্যাতিত তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে। আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে এই তিনটি দেশ ইসলামিক প্রজাতন্ত্র।

যারা তাদের দেশ ছেড়েছে এবং তাদের জীবন বাঁচাতে ভারতে এসেছেন, তাদের রক্ষা করা আমাদের সংস্কৃতি এবং কর্তব্য।

মমতা ব্যানার্জির মতো লোকেরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয় এবং তাদের জন্য উদ্বাস্তু মর্যাদা চায় এবং যারা বছরের পর বছর ধরে এখানে আছে তাদের জন্য নয়। এটা ভালো নয়, এটা একটা ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করেন মমতা ব্যানার্জির মত লোকেরা।

কৃষকদের জন্য আমাদের সরকারের দরজা সবসময় খোলা থাকবে : রাহুল 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- রাহুল গান্ধীর ভারত জোড় ন্যায় যাত্রা চূড়ান্ত পর্বে মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। আজ রাহুল নাসিকের কৃষি উৎপাদন বাজার কমিটিতে কৃষকদের একটি সভার আয়োজন করেন। এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) নেতা সঞ্জয় রাউতও এতে উপস্থিত ছিলেন।

এদিন রাহুল বৈঠকে দেশের কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন , কৃষকদের ওপর বিভিন্ন ধরনের কর আরোপ করা হচ্ছে। কৃষকরা যাতে জিএসটি-তে না থাকে সে জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। মোদি সরকার গত ১০ বছরে কৃষকদের এক টাকাও মওকুফ করেনি। কিন্তু দেশের বড় বড় ধনকুবেরের কোটি কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। যেখানে কংগ্রেস সরকার কৃষকদের প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঋণ মকুব করেছিল।

তিনি বলেন,যে একজন ব্যক্তি যতক্ষণ না কৃষকের দুর্দশা বোঝেন এবং কৃষকের কঠোর পরিশ্রমকে সম্মান না করেন, ততক্ষণ তিনি কৃষককে সাহায্য করতে পারবেন না। আপনাদের জন্য আমাদের সরকারের দরজা সবসময় খোলা থাকবে। আপনি অনুভব করবেন যে দিল্লিতে একটি সরকার আছে যারা কৃষকদের রক্ষা করে।

এদিন অনুষ্ঠানে সঞ্জয় রাউত বলেন, যে রাহুল গান্ধী সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং তাদের উপর তার মতামত চাপিয়ে দেন না। আগে আমরা বলতাম- ইন্দিরা গান্ধী এসেছেন, নতুন আলো এনেছেন। আজকের সময়ে, ভারত ও মহারাষ্ট্রের জন্য সেই আলো রাহুল গান্ধী।

এই বৈঠকের আগে নাসিকে রোড শো করেছিলেন রাহুল। বিকেলে তিনি ১২ টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি ত্রিম্বকেশ্বর মন্দির পরিদর্শন করবেন। এর আগে, ন্যায় যাত্রার সময়, রাহুল দেওঘরের বৈদ্যনাথ ধাম, বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ এবং উজ্জয়নের মহাকাল দর্শন করেছিলেন।

বাংলায় বিজেপি সরকার গঠিত হলে অনুপ্রবেশ বন্ধ করবেন : অমিত

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- CAA নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বড় বক্তব্য: সিএএ আইন প্রত্যাহার করা হবে না। মোদীর প্রতিটি গ্যারান্টি পাথরে সেট করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠিত হলে অনুপ্রবেশ বন্ধ করবেন।

মমতা ব্যানার্জী তুষ্টির রাজনীতি করেন। মমতা উদ্বাস্তু এবং অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে পার্থক্য জানেন না। সেই দিন বেশি দূরে নয় যখন বাংলায় বিজেপি সরকার হবে।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেজরিওয়াল দায়রা আদালতে পৌঁছেছেন, 16 মার্চ হাজির হওয়ার নির্দেশ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দ্বারা দায়ের করা অভিযোগে তাকে তলব করা ম্যাজিস্ট্রেটকে অভিযুক্ত করেছেন যে কথিত মদ নীতি কেলেঙ্কারিতে এজেন্সি তাকে জারি করা সমন মেনে চলেননি বলে অভিযোগ করেছেন। আদালতের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি দায়রা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।

আজ এই মামলার শুনানি করবেন রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতের বিশেষ সিবিআই বিচারক রাকেশ সায়াল। কেজরিওয়াল ইডির দায়ের করা ফৌজদারি অভিযোগে তাকে তলব করার জন্য এসিএমএম আদালতের দেওয়া দুটি আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। সংস্থাটি অভিযোগ করেছে যে কেজরিওয়াল মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে জারি করা আটটি সমন মেনে চলেননি।

সমন পালন না করার অভিযোগ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 16 মার্চ কেজরিওয়ালকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত কেজরিওয়ালকে আটটি সমন জারি করা হয়েছে। ইডি এর আগে মুখ্যমন্ত্রীকে জারি করা প্রাথমিক তিনটি সমন পালন না করার জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। পরে আরেকটি সমন পালন না করার অভিযোগে একটি নতুন অভিযোগ দায়ের করা হয়।

আমরা আপনাকে বলে রাখি যে কেজরিওয়াল সমনকে বেআইনি বলে উপেক্ষা করেছেন। যাইহোক, তিনি সম্প্রতি ইডিকে জানিয়েছেন যে 12 মার্চের পরে ভিডিও কনফারেন্সিং লিঙ্কের মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। CrPC এর 190 (1) (A) ধারার অধীনে ED দ্বারা নতুন অভিযোগের মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

ইডির অভিযোগ কী?

এর আগে, আম আদমি পার্টির নেতা মনীশ সিসোদিয়া এবং সঞ্জয় সিংকে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। ইডি অভিযোগ করেছে যে কিছু বেসরকারী সংস্থাকে পাইকারি বাণিজ্যে 12 শতাংশ মুনাফা দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে আবগারি নীতিটি আরোপ করা হয়েছিল, যদিও মন্ত্রীদের গ্রুপের (জিওএম) বৈঠকের কার্যবিবরণীতে এই ধরনের শর্ত উল্লেখ করা হয়নি।

আসাম সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৪শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- হোলির আগে রাজ্য সরকারী কর্মীদের বড় উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্রী আসাম সরকারি কর্মীদের জন্য ৪শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন। ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এখন থেকে আসাম সরকারি কর্মচারীরা প্রত্যেকে ৫০ শতাংশ ডিএ পাবেন।

CAA সংবিধান বিরোধী আইন, নির্বাচনী বন্ডের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলেছে BJP : জিতেন্দ্র 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপির মিথ্যার ইমারত ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। শেষ রক্ষা করার একটা অপচেষ্টা হিসেবে এটাও আরেকটা পদক্ষেপ। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু নিয়ে প্রতিক্রিয়া এই মন্তব্য করলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরী। তিনি নির্বাচনী বন্ডের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সি এ এর মতো সংবিধান বিরোধী আইন তৈরি করে নির্বাচনী বন্ডের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

যে টাকায় এই দেশের গণতন্ত্র জবাই করার কাজ চালিয়ে গেছে বিজেপি। তিনি আরও বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ তৈরি করেছে ব্যক্তিগত এবং বিজেপি দলের। এই চুরি- অন্যায় সুপ্রিম কোর্টে ধরা পড়ে এখন তাদের মুখ পুড়েছে। এটাকে আড়াল করার জন্য চেষ্টা করেও পার পায়নি। এই ঘটনার বহুমুখী প্রভাব পড়বে আগামী লোকসভা নির্বাচনে।

তাই এটাকে একটু আড়াল করা যায় কিনা সেই অপচেষ্টা হিসেবে জেনে শুনেই সি এ এ লাগু করা হয়েছে। যাতে অন্যদিকে জনগণের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়া যায় কিনা। জিতেন বাবু বলেন, ত্রিপুরায় আড়ালে শিকারি মোরগের মতো বিজেপিকে যারা বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করছিল গত বিধানসভা ভোটে তাদেরও আসল চেহারা ধরা পড়বে। মুখোশটা বেআব্রু হবে।