Home Blog Page 578

ত্রিপুরায় চিকুনগুনিয়া এবং জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের রোগী পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্য দপ্তর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জাতীয় পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উপর তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক পর্যালোচনামূলক আলোচনাসভা শেষে শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রজ্ঞাভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন জাতীয় পতঙ্গ বাহিত রোগ বিভাগের যুগ্ম সচীব রাজীব মাঁঝি, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, ত্রিপুরার যুগ্ম মিশন অধিকর্তা বিনয় ভূষন দাস, রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্য সচিব ডা: নূপুর দেববর্মা সহ অন্যরা।

তারা জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন জাতীয় পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্যোগে উত্তর পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সহ উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড়কে নিয়ে ত্রিপুরায় ১৪ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক পর্যালোচনামূলক আলোচনাসভা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাভবনে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব এবং জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা এল এস চ্যাঙসাৎ।

৩ দিনের পর্যালোচনামূলক আলোচনাসভায় ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জাপানিজ এনকেফেলাইটিস প্রভৃতি পতঙ্গবাহিত রোগ এবং প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তাছাড়া এই কর্মসূচীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যলোচনা করা হয়। জাতীয় পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প মূলত ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জাপানিজ এনকেফেলাইটিস, কালাজ্বর এবং লিমফেটিক ফাইলেরিয়াসিসের মতো ৬ টি পতঙ্গ বাহিত রোগের সাথে মোকাবিলা করছে।

তাদের মধ্যে ত্রিপুরায় ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু ছাড়াও চিকুনগুনিয়া এবং জাপানিজ এনকেফেলাইটিসের রোগী পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত ত্রিপুরায় কালাজ্বর এবং লিমফেটিক ফাইলেরিয়াসিস জনিত কোনও রোগের সংক্রমণ নেই। উত্তর পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য আসাম, মেঘালয়, মনিপুর,নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, অরুনাচলপ্রদেশ, ত্রিপুরা সহ উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড, ছত্রিশগড় থেকে আগত প্রতিনিধিরাও এই আলোচনাসভায় অংশ নিয়েছেন। জনসাধারণের কাছে যেন আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা সঠিক সময়ে পৌঁছে দেওয়া যায় তার উপর আলোকপাত করেন এল এস চ্যাঙসাং। তিনি কমিউনিটি হেলথ অফিসার, আশা কর্মী এবং আশা ফেসিলিটেটরদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

রাজ্যের পশ্চিম লোকসভা আসনে SUCI প্রার্থীর নাম ঘোষণা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের পশ্চিম লোকসভা আসন থেকে লড়াই করবে এস ইউ সি আই। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান দলের রাজ্য সম্পাদক অরুণ কুমার ভৌমিক। তিনি জানান পশ্চিম লোকসভা আসন থেকে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে দলের রাজ্য সম্পাদক। সাংবাদিক সম্মেলনে আরো জানান দেশের ১৯ টি রাজ্য ও তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লোকসভার প্রায় ১৫১ টি আসনে লড়াই করবে তারা।

অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যা বিধানসভা আসনেও লড়াই করতে চলেছে এসইউসিআই। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে দলের রাজ্য সম্পাদক অরুণ কুমার ভৌমিক কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন যারাই ক্ষমতায় আসে তারা পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষা করে চলে। জনগণের স্বার্থে কথা বলার জন্য এস ইউ সি আই প্রার্থীদের জয়ী করারও আহ্বান জানান নেতৃত্ব।

তারা বলেন শোষিত ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন বামপন্থী গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এসইউসিআই এই গণ আন্দোলন গড়ে তুলছে। এই পথে নির্বাচনে এলে এসইউ সিআই লড়াই করে থাকে।

 

 

ICA/C-5253

0

শূন্য পদ পূরণের জন্য দপ্তরের অধিকর্তা কে নির্দেশ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বৃহস্পতিবার আগরতলার শংকর চৌমুনী স্থিত অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের বহুতল অফিস ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্হাপিত হল।ভিত্তি প্রস্তর স্হাপন করেন দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা।উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের। সচিব অভিষেক চন্দ সহ অন্যান্যরা।রাজ্য সরকারের অর্থ এবং পরিসংখ্যান দপ্তরের নতুন অফিস ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলো বৃহস্পতিবার রাজধানীর শংকর চমুহনী এলাকায় এই অফিস বাড়ির নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ডক্টরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা।

এদিন ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন করে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন রাজ্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর অর্থ ও পরিসংখ্যান দপ্তর পরিসংখ্যান ছাড়া রাজ্য ও দেশের পরিকল্পনা রূপায়ণ এবং বাস্তবায়ন অসম্ভব সঠিক পরিকল্পনার জন্য চাই সঠিক পরিসংখ্যান এর জন্য চাই ডাক্তারের পরিকাঠামোর উন্নয়ন এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দপ্তরের নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে তিনি আরো জানান আগামী দিনে রাজ্যের সব কটি জেলায় দপ্তরের নিজস্ব অফিস বাড়ি থাকবে এদিন মন্ত্রী বলেন অর্থ ও পরিসংখ্যান দপ্তরের কর্মী সল্পতা পূরণে অবিলম্বে রোস্টার প্রথা মেনে শূন্য পদ পূরণের জন্য তিনি দপ্তরের অধিকর্তা কে নির্দেশ দিয়েছেন।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের সচিব অভিষেক চন্দ ।সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পৌরনমের মেয়র দীপক মজুমদার, পুর নিগমের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর অভিষেক দত্ত।

 

 

সারা দেশেই ইন্ডিয়া জোট হারবে, ত্রিপুরায় জেতার কোন সুযোগ নেই তাদের : প্রদ্যুৎ 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- একসঙ্গে রাজ্যে এলেন ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিম ও পূর্ব ত্রিপুরা আসনের প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব ও কীর্তি সিং দেববর্মণ। বৃহস্পতিবার তিপ্রা মথার প্রধান প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ ও দুই প্রার্থী বিমানে আগরতলায় আসেন। তবে পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের প্রার্থী ঘোষণার পর রাজ্যে প্রথম পা রাখলেন কীর্তি সিং দেববর্মণ। ভাই-বোনকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই সেখানে ছিলেন দলীয় নেতা- কর্মীরা।

তবে ভারতীয় জনতা পার্টি কিংবা তিপ্রা মথার বড় মাপের কোন নেতাকে বিমানবন্দরে দেখা যায়নি। বিমানবন্দর থেকে বাইরে এসে প্রদ্যোত কিশোর কিশোর দেববর্মণ ও কীর্তি সিং দেববর্মণ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মহারাজা বীর বিক্রমের প্রতিকৃতিতে। এরপরে বাইক মিছিল করে তাদের আগরতলায় নিয়ে আসা হয়। এদিকে বিমানবন্দরে পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী কৃতি সিং দেববর্মণ জানান রাজ্যের মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করবেন।

অপরদিকে তিপ্রা মথার চেয়ারম্যান প্রতিক্রিয়ায় নাম না করে পূর্বতন বাম সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ত্রিপাক্ষিক চুক্তির বাস্তবায়ন দিল্লিতে হওয়ার ক্ষেত্রে যাতে কোন বাধা না আসে সেজন্য একজন সঠিক লোককে দিল্লিতে যাওয়া প্রয়োজন। তাই বিজেপি ও তিপ্রা মথা আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগ্য প্রার্থী কীর্তি সিং দেববর্মণ। এদিন তিপ্রা মথার কর্মী- সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।

 

 

 

খোয়াইয়ে মৃত্তিকা পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্বোধন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- খোয়াই মহকুমা কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অফিস প্রাঙ্গনে খোয়াই জেলার মৃত্তিকা পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কৃষি মন্ত্রী রতন লাল নাথ। ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই মৃত্তিকা পরীক্ষা কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা পরিষদের সভাধিপতি জয়দেব দেববর্মা, খোয়াই জেলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা শরদিন্দু দাস, খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দাস প্রমুখ।

দেশের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন করেছেন : প্রতিমা 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- যতই নিজেদেরকে ডিজিট্যাল করা হোক না কেন বইয়ের বিকল্প কোনদিন কিছু হতে পারে না। বই অনেক বেশি মানুষকে সমৃদ্ধ করে। বই ছোট হলেও এর প্রভাব থাকবে অনেক লম্বা। নিজের সাংসদ উন্নয়ন তহবিলের অর্থে পুস্তক বিলি অনুষ্ঠানে একথা বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। নিজ লোকসভা কেন্দ্রের ৭০ টি স্কুল ও ৫ টি মহাবিদ্যালয়ের মধ্যে বিভিন্ন বই বিলি করলেন প্রতিমা ভৌমিক।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রগতি বিদ্যাভবনে হয় বই বিতরণ অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, পুর নিগমের কর্পোরেটর অভিষেক দত্ত সহ অন্যরা। এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ২০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে রাজধানীর মহিলা মহাবিদ্যালয়, রামঠাকুর কলেজ, বিলোনিয়া, উদয়পুর, সোনামুড়া কলেজ সহ ৭০ টি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের হাতে বই তুলে দেন।

শুধু বই নয়, বই রাখার জন্য ৭ লাখ টাকা খরচ করে ৭৫ টি আলমারিরও ব্যবস্থা করেছেন। বই পেয়ে খুশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে প্রতিমা ভৌমিক বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন করেছেনদেশের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন করেছেন।২০২৭ সালের মধ্যে দেশে ১৪৫০০ পি এম শ্রী স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ত্রিপুরার কয়েকটি স্কুল এর আওতায় আসছে।

উন্নয়নমূলক কাজগুলো যথাসময়ে সম্পাদনে যাতে কোন গাফিলতি না থাকে তা সুনিশ্চিত করতে আধিকারিকদের নির্দেশ প্রদান করেন খাদ্যমন্ত্রীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বৃহস্পতিবার দুপুরে জিরানীয়া মহকুমা শাসক অফিসের কনফারেন্স হলঘরে জিরানীয়া মহকুমার অন্তর্গত বিভিন্ন লাইন ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এক উচ্চস্তরীয় পর্যালোচনা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন ত্রিপুরা সরকারের খাদ্য জনসংভরণ ও ক্রেতা স্বার্থ বিষয়ক তথা পরিবহণ ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। বৈঠকে তিনি উপস্থিত আধিকারিকদের মাধ্যমে জিরানীয়া মহকুমার অধীন জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েত, রাণীরবাজার পুর-পরিষদ, জিরানীয়া ব্লক সহ বিভিন্ন পঞ্চায়েত,ভিলেজ কমিটি এলাকায় সক্রিয় বিভিন্ন দপ্তরের চলমান ক‍াজের অগ্রগতি ও সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন।

পর্যালোচনা সভায় খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, জিরানীয়া মহকুমার অধীন বিভিন্ন ব্লক- নগর পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি এলাকার চলমান উন্নয়নমূলক কাজগুলোকে আরো দ্রুতগতিতে ত্বরান্বিত করার জন্য সকল স্তরের জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের আধিকারিকদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখে জনগণের জন্য কাজ করে যেতে হবে। চলমান উন্নয়নমূলক কাজগুলো যথাসময়ে সম্পাদনে যাতে কোন গাফিলতি না থাকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

গোটা জিরানীয়া মহকুমায় আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকারের তরফ থেকে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দ্রুততার সাথে কাজ করার জন্য তিনি পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশ প্রদান করেন।

পর্যালোচনা বৈঠকে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জিরানীয়া মহকুমার সার্বিক পরিস্থিতি সহ সামষ্টিক অর্থনীতির চিত্র, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সাফল্য অর্জিত হয়েছে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্প ও যোজনা বাস্তবায়নে যেসব খাতে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে তার বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত আধিকারিকদের কাছ থেকে অবগত হন।

বৈঠকে উপস্থিত আধিকারিকদের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন,আমি আপনাদের সকলকে এই আহ্বান জানাবো যে মানুষের পাশে যান মানুষের জন্য কাজ করুন। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই আমাদের প্রতিটি কর্মসূচি হবে জনগণকে কেন্দ্র করে। স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, জ্ঞান ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী দক্ষ ও স্মার্ট প্রশাসন আমরা গড়ে তুলতে চাই। যাতে জনগণ উন্নত এবং মানসম্মত সেবা পায়। আমাদের সরকার ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই কাজটা আপনাদেরই করতে হবে।

তিনি বলেন, আমার কথা খুব স্পষ্ট। আমরা ২০১৮ এবং ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছি। আমরা কিন্তু জনগণের সম্মুখে এই নির্বাচনী ইশতেহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে একটা অঙ্গীকার করে আসি। আর সেই ইশতেহার বাস্তবায়নের মধ্যদিয়েই আজকের ত্রিপুরা রাজ্যটা কিন্তু বদলে গেছে। প্রতিটি বাজেটে আমরা নির্বাচনী ইশতেহারটা অনুসরণ করি বলেই এই পরিবর্তনটা করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, আমাদের সরকারের একটা ধারাবাহিকতা আছে যে কারণে উন্নয়নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। সুফলটা পাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিন কয়েকের মধ্যে লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট জারী হয়ে যাবে। নির্বাচন ঘোষণার পর সরকারের জনকল্যাণমুখী চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে যাহাতে কোন ধরনের স্থবিরতা না আসে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধিকে সম্মান জানিয়ে এবং সমস্ত ধরনের আইন মেনে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ যাতে সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হয়, সে ব্যাপারে সকলকে উদ্যোগী হতে হবে।

জনকল্যাণমুখী সকল প্রকল্পগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। যেকোনো ধরনের জনকল্যাণমুখী কাজের গুণগতমান বজায় রেখে যাতে সঠিকভাবে সকল কাজের বাস্তবায়ন হয় সেজন্য তদারকি বাড়াতে হবে। নিজেদের কাজের মাধ্যমে সরকারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার জনগণের সরকার। জনগণের সঠিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। কম কথা বলে কাজ বেশি করতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। এ ছাড়া আজকের বৈঠকে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী যেকোনো সরকারি কাজে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও প্রতি ঘরে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

এদিন পর্যালোচনা বৈঠকে পূর্ত দপ্তরের বিভিন্ন সড়ক ও অন্যান্য কাজের অগ্রগতি, জাতীয় সড়ক প্রশস্তিকরণ নিয়েও আলোচনা হয় এবং দপ্তরের অসমাপ্ত কাজগুলো যাতে দ্রুত সমাপ্ত করা হয় তারজন্য মন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেন করেন। বিদ্যুৎ দপ্তরের কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন,বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদানের জন্য আরও সচেতন থাকতে হবে।

বৈঠকে পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধান দপ্তরের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও মজলিশপুর সহ গোটা জিরানীয়া মহকুমায় জলজীবন মিশন প্রকল্পে অসমাপ্ত কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গোটা মহকুমায় জনগণের পানীয় জলের যাতে কোন ধরনের সমস্যা না থাকে তার উপর পর্যালোচনা বৈঠকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তিনি বলেন,নাগরিকদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানীয় জল সরবরাহ করা আমাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। গণবন্টন ব্যবস্থা সম্পর্কেও সভায় আলোচনা করা হয়।

গণবন্টন ব্যবস্থা যাতে সুষ্ঠুভাবে বজায় থাকে তার জন্য খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকদের তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। বৈঠকে গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা হয়।

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জিরানীয়া মহকুমার মহকুমা শাসক শান্তি রঞ্জন চাকমা, অতিরিক্ত মহাকুমা শাসক অনিমেষ ধর, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কমল কৃষ্ণ কলই, জিরানীয়া মহকুমার কৃষি তত্বাবধায়ক সৌমেন কুমার দাস, পূর্ত দপ্তরের জিরানীয়া ডিভিশনের নির্বাহী বাস্তুকার সত্যনারায়ণ সরকার, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের জিরানীয়া ডিভিশনের নির্বাহী বাস্তুকার প্রদীপ দেববর্মা, পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধান দপ্তরের জিরানীয়া ডিভিশনের নির্বাহী ও সহকারী বাস্তুকার, রাণীরবাজার পুর পরিষদের চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস, রাণীরবাজার পুর-পরিষদের চেয়ারপার্সন অপর্ণা শুক্ল দাস, ভাইস-চেয়ারপার্সন প্রবীর কুমার দাস, জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন মঞ্জু দাস, ভাইস-চেয়ারপার্সন প্রীতম দেবনাথ, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক,পার্থ সারথি সাহা, জিরানীয়া ব্লক এডভাইজারি কমিটির চেয়ারম্যান শুভমণি দেববর্মা,জিরানীয়া ব্লকের বিডিও মোহম্মদ তুষার আলোক, মান্দাই মহকুমা বন আধিকারিক,পূর্ত দপ্তরের সহকারী বাস্তুকার, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক,তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর,জল সম্পদ দপ্তর, ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, সিনিয়র ম্যানেজার, সমাজ কল্যাণ দপ্তরের সিডিপিও, শিক্ষা দপ্তরের অধীন জিরানীয়ার বিদ্যালয় পরিদর্শক, জিরানীয়া কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারের এমওআইসি, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর, হর্টিকালচার দপ্তর, অগ্নিনির্বাপক দপ্তর, জিরানীয়া ও রাণীরবাজার থানার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার-ইন-চার্জ গণ সহ বিভিন্ন লাইন ডিপার্টমেন্টের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা।

ICA/C-5213

0

‘শাসক তুমি জুমলা ছাড়, কর্ম সংস্থান সুনিশ্চিত কর, যৌবন আজ অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে লড়তে তৈরি : মানিক 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশকে কর্মহীন,গণতন্ত্রহীন করে রাখতে যারা সচেষ্ট, তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে বর্ণচোরেরা। তাদের ছুঁড়ে ফেলে দিতে ও ধর্মনিরপেক্ষতার পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানালেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন ও উপজাতি যুব ফেডারেশনের উদ্যোগে কর্মসংস্থানের গ্যারান্টি সহ গণতন্ত্র রক্ষার ও ধর্মনিরপেক্ষতার পাশে দাঁড়াতে যে মিছিল ও সমাবেশ সংগঠিত হয় ওরিয়েন্ট চৌমহনিতে সেখানে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন।

সাম্প্রতিক কালের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ের তাঁর বক্তব্যে যেমন ছিল সেই বিখ্যাত ঝাঁঝ পাশাপাশি ছিল যুব সম্প্রদায়ের প্রতি জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, সংবিধান ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান।তিনি বলেন’জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে যৌবন’ ,দেশকে প্রতিষ্ঠা দিতে বিজেপি ও তাদের সহযোগীদের হারাতে এই শ্রেষ্ঠ যৌবনের ঢলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে আহ্বান মানিক বাবু।

তিনি প্রশ্ন তোলেন বিজেপির দশ বছর ও এই রাজ্যে ৭২ মাস বিজেপির শাসনে কোথায় কাজ? তিনি অভিযোগ করেন সংকীর্ণতা সৃষ্টির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার গঠন থেকে শুরু করে সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে নিজের লোক বসিয়ে ফ্যাসিস্ট রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে।তিনি প্রশ্ন তোলেন এটা কি চলতে দেবেন?বিধানসভা নির্বাচনে বর্ণ চোরেদের বিশ্বাসঘাতকতায় জনবিরোধী ক্ষমতাসীনদের হারানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। এবার নির্বাচনে যোগ্য জবাব দিতে তিনি আহ্বান জানান।

মানিক সরকার বলেন সারা দেশ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, এই জনবিরোধী ক্ষমতাসীনদের হটাতে এই রাজ্য পিছিয়ে থাকবে না বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বৃহস্পতিবার আগরতলা শহর দেখলো যুবক-যুবতীদের জেহাদ। দাবি একটাই ‘শাসক তুমি জুমলা ছাড়, কর্ম সংস্থান সুনিশ্চিত কর’। প্যারাডাইস চৌমুহনী থেকে শুরু যৌবনের ঢল শহর কাঁপিয়ে জানান দিল রাজ্যের অসহায় ও কঠিন সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রাজ্যের লড়াকু যৌবন আজ অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে লড়তে তৈরি।

এদিন শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে সভায় মিলিত হয়। উপস্থিত ছিলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরী, যুব নেতা হিমগ্নরাজ ভট্টাচার্য, নবারুণ দেব, পলাশ ভৌমিক, কুমুদ দেববর্মা, কৌশিক রায় দেববর্মা সহ অন্যরা।