Home Blog Page 537

ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুনীত আগরওয়াল

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজধানীর শিশু বিহার স্কুলে ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার ঘুরে দেখেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুনিত আগরওয়াল। উনার সঙ্গে ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের রিটার্নিং অফিসার ডঃ বিশাল কুমার সহ অন্যরা। রাজ্যের আট জেলায় এমন সেন্টার খোলা হয়েছে। নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত ভোট কর্মী, সংবাদ মাধ্যমের কর্মী ও নির্বাচনের কাজে যুক্ত ভোট কর্মীদের ভোট নেওয়া হচ্ছে এসব সেন্টারের মাধ্যমে।

রাজধানীর শিশু বিহার স্কুলে সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ঘুরে দেখেন শিশু বিহার স্কুলে ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার। তিনি জানান, পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের জন্য ১২,৮০০ পোস্টাল ব্যালট ইস্যু করা হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫ টায় শেষ হবে সরব প্রচার। এর পরে কোন ধরণের নির্বাচনী প্রচার চালানো যাবে না বলে জানান মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

 

 

কমিউনিস্টদের পাকিস্তানে পাঠানো উচিত, ভারতে কোন জায়গা নেই এদের : বিপ্লব 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণের আগে শেষ জনসভা করতে যাচ্ছেন ত্রিপুরায়। বুধবার তিনি স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে জনসভা করবেন। এটা ত্রিপুরাবাসীর জন্য গৌরবের দিন। মঙ্গলবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা বললেন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব।

প্রচারের ফাঁকে এদিন একটি বেসরকারি হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিপ্লব কুমার দেব। তিনি ত্রিপুরা বাসীর কাছে আবেদন রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে অংশ নেওয়ার জন্য। পাশাপাশি বিপ্লব দেব এদিন যুবদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান, বিনা কাজে না বসে থাকার জন্য।

তিনি বলেন বসে না থেকে মুরগী, হাঁস পালন কিংবা পানের দোকান দেওয়ার জন্য। নিজের স্বরোজগারি মানসিকতাই এক সুন্দর ব্যক্তিত্ব দিতে পারে। তিনি বলেন, মোদী চাইছেন শক্তিশালী যুব ভারত। যুবরাই ভবিষ্যৎ, যুবরাই শক্তি। যুবরাই সব কিছু। তিনি কমিউনিস্টের নির্বাচনী ইস্তেহারের প্রসঙ্গ টেনে মন্তব্য করেন এদের পাকিস্তানে পাঠানো উচিত। ভারতে কোন জায়গা নেই। বিপ্লব বাবু বলেন, কমিউনিস্টদের এই ইস্তেহার কংগ্রেস স্বীকার করে কিনা তা স্পষ্ট করে দিক কংগ্রেস নেতৃত্ব।

 

 

প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উন্নয়ন চান না, দেশের বেকারদের কর্মসংস্থান নিয়ে ভাবে না : প্রিয়াঙ্কা 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের জন্য দেশকে রক্ষা করতে মূল্যবান ভোট ইন্ডিয়া মঞ্চের প্রার্থীদের পক্ষে প্রদান করুন।মঙ্গলবার দুঘণ্টার জন্য আগরতলায় ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থীদের নিয়ে এক রোড শো-তে অংশ নিয়ে এই কথা বলেন জাতীয় কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। এই প্রথমবারের মতো ত্রিপুরা সফরে এসে বেশ সাড়া ফেলেছেন তিনি।

এম বি বি বিমানবন্দরে আসার পরে তাঁকে স্বাগত জানান ইন্ডিয়া জোটের পক্ষে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী , প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও প্রার্থী আশিস সাহা,বিধায়কে সুদীপ রায় বর্মণ , গোপাল রায়, রামু দাস, বীরজিত সিনহা, প্রদেশ কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জারিতা লাইটফ্লাং, সিপিআইএমের রামনগর উপভোটের প্রার্থী রতন দাস, প্রণব দেববর্মা সহ কংগ্রেসের শাখা সংগঠনের সমস্ত নেতৃত্ব।

লাউঞ্জে কয়েক মিনিট কাটিয়েই তিনি বেরিয়ে পড়েন। বিশাল কনভয় তাঁকে নিয়ে চলে আসে সার্কিট হাউসের সামনে। সেখানে সুসজ্জিত একটি বাসে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ওঠানো হয়। সেখান থেকে শহরের পথে কাতারে কাতারে মানুষ তাঁকে স্বাগত জানান। দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থার জন্য সমস্ত পথে এই রোড শো পদে পদে বাধা প্রাপ্ত হয়েছে। ধীরে ধীরে ধীরে রোড শো সূর্য চৌমুহনী রোডে পৌঁছানোর পর সমস্ত ট্রাফিক ব্যবস্থার অস্তিত্ব উবে যায়।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সাথে বিশেষ নিরাপত্তা রক্ষীরা পরিস্থিতি সামলে নেন। সেখানে গাড়িতে দাঁড়িয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন নির্ভয়ে নিজের নিজের ভোট নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দিন। বর্তমানে যে সরকার দেশ চালাচ্ছে তারা ভাঙতে জানে বিক্রি করতে পারে। ওরা দেশের বেকারদের কর্মসংস্থান নিয়ে ভাবে না ।এশিয়ার সর্বাধিক বেকার সৃষ্টি করার কৃতিত্ব বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর। প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উন্নয়ন চান না।

তিনি বলেন দেশের নারীরা লাগামহীন লাঞ্ছনার শিকার অথচ প্রধানমন্ত্রী চুপ থাকেন। সবকিছু মনে রেখে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে আহ্বান জানান।  এরপর রোড শো পোস্ট অফিস চৌমুহনি পৌঁছানোর পর ভীড়ের চাপে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে নিয়ে বাস আর এগিয়ে যেতে পারেনি। সেখান থেকে তাঁকে নামিয়ে এনে খোলা জিপে তুলে রোড শো শেষ করা হয়। এরপর ইন্ডিয়া মঞ্চের সমস্ত নেতৃত্ব বীর বিক্রম বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে প্রিয়াঙ্কাকে বিদায় জানান।

 

বিজেপির লক্ষ্য ত্রিপুরার যুবদের কাজ, নতুন ত্রিপুরা, নতুন দিশা : বিপ্লব 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১০০ শতাংশ ভোটিং করে নরেন্দ্র মোদীকে তৃতীয় বারের মতো প্রধান মন্ত্রী বানানোর আহ্বান জানালেন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব। সরব প্রচার শেষের আগের দিন মঙ্গলবার বাধার ঘাট বিধানসভা কেন্দ্রে পদযাত্রা করেন প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব।

বিশাল পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরার লোকসভা আসনের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, বাধারঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা মিনা রানী সরকার, সদর শহর জেলার বিজেপি সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, যুব সংগঠনের সভাপতি তথা বিধায়ক সুশান্ত দেব।

এই দিনের পদযাত্রাটি বাধারঘাট বিধানসভার কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে।পদযাত্রায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। নারী- পুরুষ-যুবক যুবতী সহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ এতে শামিল হন কাঠফাটা রোদের মধ্যেই। পদযাত্রা যেদিকে গেছে দারুণ সাড়া ফেলেছে।

এদিন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব আলোচনা করতে গিয়ে ইন্ডিয়া জোটের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিজেপির লক্ষ্য ত্রিপুরার যুবদের কাজ, নতুন ত্রিপুরা, নতুন দিশা। সেই দিশায় সবাই মিলে কাজ করা হবে।

 

 

অষ্টমীতে উমা মহেশ্বরী আনন্দময়ী কালি বাড়িতে হয় কুমারী পূজা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রথা রীতি নীতি মেনে আগরতলা দুর্গা বাড়িতে হল বাসন্তী দুর্গা পূজার অষ্টমী পূজা। মঙ্গলবার অষ্টমী পূজা সকাল থেকে শুরু হয়। পূজা শেষে ভক্তদের মধ্যে অঞ্জলি দেওয়া হয়। দুপুরে অন্নভোগের আয়োজন করা হয়। বিকেলে হয় সন্ধি পূজা। সন্ধ্যায় হয় আরতি। আচার অনুষ্ঠান মেনেই হয় দুর্গা বাড়িতে বাসন্তী পূজা।

সকাল থেকে অন্যদিনের মতো এদিনও ভক্তরা ভিড় জমান আগরতলা দুর্গা বাড়িতে। এদিকে মহা অষ্টমীর দিনে বিভিন্ন জায়গায় হয় প্রথা মেনে কুমারী মায়ের পূজা। আগরতলা উমা মহেশ্বরী আনন্দময়ী কালি বাড়িতে হয় কুমারী পূজা।এবছর কুমারী মা হয়েছে রাজধানীর রামনগরের তরুণ জয় চক্রবর্তী ও স্মিতা চক্রবর্তীর মেয়ে তৃষা চক্রবর্তী। প্রথম শ্রেণীতে পাঠরত তৃষা।

 

 

এই নির্বাচন হচ্ছে মোদী বনাম ভারতের জনগণ : সপ্না

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের দুটি লোকসভা আসনে ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানালেন সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির রাজ্য নেত্রী কৃষ্ণা রক্ষিত। মঙ্গলবার সংগঠনের তরফে আগরতলা গান্ধীঘাটে রাজ্য কার্যালয়ে হয় সাংবাদিক সম্মেলন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভানেত্রী রমণী দেববর্মা, সম্পাদিকা স্বপ্না দত্ত, নারী নেত্রী রমা দাস, কৃষ্ণা রক্ষিত, কৃষ্ণা দে সহ অন্যরা।

সাংবাদিক সম্মেলনে স্বপ্না দত্ত বলেন, বিগত ১০ বছর ধরে আর এস এস পরিচালিত বিজেপি শাসনকালে ভারতবর্ষে আক্রান্ত কৃষক, নারী, শ্রমিক, ব্যবসায়ীরা। আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়েছে সব অংশের মানুষের উপরে। তিনি বলেন, ধর্মীয় বিভাজনের নামে যে হানাহানি শুরু হয়েছে তাতে আজকে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। এই নির্বাচন হচ্ছে মোদী বনাম ভারতের জনগণ।

তিনি অভিযোগ করেন মোদী গ্যারান্টির নামে দেশের মানুষকে সবদিকে আক্রমণ করা হয়েছে। তাই দেশকে বাঁচানোর জন্য বিরোধী দলগুলির ঐক্যমতের ভিত্তিতে ইন্ডিয়া মঞ্চ গঠিত হয়েছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মোদী সরকারকে সরানোর জন্য। ত্রিপুরার প্রসঙ্গে টেনে স্বপ্না দত্ত বলেন, ৬ বছরে নারীরা ত্রিপুরায় আক্রান্ত হচ্ছে। তাই বিজেপি জমানাকে সরানো প্রয়োজন। সে কারণে দুই লোকসভা কেন্দ্রে ও রামনগর উপভোটে ইন্ডিয়া জোট প্রার্থীকে জয়ী করার আবেদন রাখলেন তারা।

রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হব : দীপক 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিম ত্রিপুরার লোকসভা আসন ও রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সরব প্রচার শেষ হবে বুধবার। তাই মঙ্গলবার প্রচারে সব কটি রাজনৈতিক দলই সকাল থেকেই নেমে পড়েছে। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী দীপক মজুমদার সকালে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার চালান দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে।

শেষ সময়ে প্রচারে খামতি রাখতে চাইছেন না বিজেপি প্রার্থী তথা আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। বাড়ি বাড়ি প্রচারের ফাঁকে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে মেয়র জানান প্রথম দিন থেকেই ব্যাপক সাড়া মিলেছে প্রচারে। বিজেপি সরকারের কাজকর্মে মানুষ খুশি। তিনি আশা প্রকাশ করেন রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হবেন। উল্লেখ্য বুধবার বিকেল চারটায় সময় শেষ হচ্ছে সরব প্রচার।

 

 

সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ আরসিবিকে ২৫ রানে হারিয়েছে, কার্তিক খেলেছেন সাহসী ইনিংস

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আইপিএলের ৩০ তম ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের (আরসিবি) মুখোমুখি হয়েছিল। দুই দলের মধ্যকার এই ম্যাচটি RCB-এর হোম গ্রাউন্ড এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই ম্যাচে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর করেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। জবাবে, আরসিবি একটি জয় নিবন্ধনের জন্য তাদের সেরা চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলটি ২৫ রানে পিছিয়ে পড়ে এবং আরেকটি পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছিল।

অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসিস এবং দিনেশ কার্তিকের দুর্দান্ত ইনিংস সত্ত্বেও, আরসিবি দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে জয় নিবন্ধন করতে পারেনি। প্রথমে ব্যাট করে ট্র্যাভিস হেডের সেঞ্চুরি ও হেনরিখ ক্লাসেনের অর্ধশতকের সাহায্যে ২০ ওভারে তিন উইকেটে ২৮৭ রান করে হায়দরাবাদ। আইপিএলের ইতিহাসে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় স্কোর। জবাবে, আরসিবিও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিল, কিন্তু লক্ষ্য এত বড় ছিল যে দলটি ২৫ রানে পিছিয়ে পড়েছিল। আরসিবি ২০ ওভারে সাত উইকেটে ২৬২ রান করতে পারে। দুই দলের মধ্যে এই ম্যাচে মোট ৫৪৯ রান হয়েছে। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ৪৩ রানে তিন উইকেট নেন।

কার্তিক ৩৫ বলে ৮৩ রানের সাহসী ইনিংস খেলে আরসিবিকে অপ্রত্যাশিত জয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সফল হননি। এই মরসুম আরসিবির জন্য ভালো যায়নি এবং দলটি সাতটির মধ্যে মাত্র একটি ম্যাচ জিততে সক্ষম হয়েছে। এটি আরসিবির টানা পঞ্চম পরাজয় এবং এটি পয়েন্ট টেবিলের নীচে ১০ তম অবস্থানে রয়েছে। সেই সঙ্গে এই বর্ণাঢ্য জয়ে আট পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে হায়দ্রাবাদের দল। হায়দরাবাদ এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিতেছে, আর দুটিতে হেরেছে।

এক বিকশিত ভারত ও এক উন্নত ত্রিপুরা গড়ে তোলার জন্য দেশে ফের মোদিকেই চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরার উপজাতিদের উন্নয়নে কোন কাজ করেনি দীর্ঘ শাসনে কমিউনিস্টরা। বামফ্রন্ট শুধু কমিউনিস্টদের ভোটের সুফল নিয়েছে। কুমারঘাটে বিশাল নির্বাচনী জনসভায় এই কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব ও পূর্বে কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে কুমারঘাটের পূর্ত দপ্তরের মাঠে বিশাল নির্বাচনী জনসভা হয়।

সভায় মূলত উত্তর, ঊনকোটি ও ধলাই জেলা থেকে আমজনতা শামিল হন। জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির পশ্চিম ত্রিপুরার প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব, পূর্ব আসনের প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণ,কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, মন্ত্রী টিঙ্কু রায়,সুধাংশু দাস, তিপ্রা মথার প্রধান প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ, সভাপতি বিজয় রাংখল সহ অন্যরা।

আলোচনা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক বিকশিত ভারত ও এক উন্নত ত্রিপুরা গড়ে তোলার জন্য ভোট চান। তিনি তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের জন্য যেসব উন্নয়ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে সেগুলি। এর মধ্যে রয়েছে জনজাতি এলাকায় একলব্য বিদ্যালয় স্থাপন, জাতীয় সড়ক সহ বিভিন্ন বিষয়। তিনি অভিযোগ করেন বামফ্রন্টের সময়ে ত্রিপুরার জনজাতিদের কোন উন্নয়ন হয়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, বিনামূল্যে রেশন, পাইপ লাইনে জলের ব্যবস্থা সহ উন্নয়ন মূলক প্রকল্প গুলির কথা।এদিন কুমারঘাটের পূর্ত দপ্তরের মাঠে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। হাজার হাজার মানুষ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সভায় অংশ নেন। সমাবেশ থেকে দুই কেন্দ্রের প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।

 

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরলেন পূজন বিশ্বাস

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ফের কংগ্রেসে ফিরলেন পূজন বিশ্বাস। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিমান করে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি তথা আইনজীবী পূজন বিশ্বাস। তৃণমূলে যোগ দেন। অবশেষে লোকসভা নির্বাচনের মুখে পুরনো দলেই ফিরলেন পূজন।

সোমবার ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে হয় যোগদান সভা। সেখানে পূজন বিশ্বাসকে বরণ করে নেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। উপস্থিত ছিলেন যুব কংগ্রেস সভাপতি নীল কমল সাহা সহ অন্যরা। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ বলেন, পুজনের সাথীরা দুয়েকদিনের মধ্যে কংগ্রেসে যোগ দেবেন।

তিনি এদিন অভিযোগ করেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই শাসক দল বিজেপির নগ্ন চেহারা সামনে বেরিয়ে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীদের প্রচারসজ্জা তুলে নিচ্ছে কিংবা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। পুজনের পিতা প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাসও কয়েক মাস আগে কংগ্রেসে ফের ফিরে আসেন।