Home Blog Page 520

মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার এলাকায় আয়ুষ্মান কার্ডের নামে রমরমা বাণিজ্য, পাত্তা নেই মন্ত্রীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার বা বলা যায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার দিনের পর দিন বিভিন্ন প্রকারের জনহিতকর প্রকল্প রূপায়ণের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের আর্থসামাজিক ব্যবস্থার মান উন্নয়নের জন্য নিরন্তর ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। কিন্তু একাংশ চুনুপুটি সমর্থক বা যারা নিজেদের নিজ নিজ এলাকায় বড় নেতৃত্ব বলে দাবি করে তাদের দৌলতে বিভিন্ন জায়গায় শুধুমাত্র সরকারি প্রকল্পগুলো মুখ থুবড়ে পড়ছে ঘটনা তা না, অনেক জায়গায় দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে এই প্রকার প্রকল্পের সুযোগ পাইয়ে দিতে গিয়ে বাঁকা পথে পয়সা রোজগারে নেমেছে একাংশ নেতৃত্ব।

এরকমই এক ঘটনা সামনে এসেছে রাজ্যের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার নির্বাচনী ক্ষেত্র কৃষ্ণপুর থেকে।অভিযোগ কৃষ্ণপুর এলাকার আমতলী গ্রামে বিজেপি দলের ২ সিকি নেতা শিশু নম দাস এবং সুভাষ সরকার (ইন্দ্রজিৎ) বাঁকা পথে পয়সা রুজি করতে গিয়ে আয়ুষ্মান যোজনা শীর্ষক প্রকল্পকে হাতিয়ার করেছে। যেখানে গোটা রাজ্যের মধ্যে বা বলা যায় গোটা দেশের মধ্যে আয়ুষ্মান কার্ড বিনামূল্যে করা হচ্ছে এ জায়গায় দাঁড়িয়ে সংশ্লিষ্ট দুই সি কি আর আধুলি মিলে তুই সিন্দ্রাই এলাকার কোন এক ব্যক্তিকে (যার নাকি আবার একটা সিএসসি সেন্টার রয়েছে) এলাকায় আমদানি করে রীতিমতো শিবির করে ৫০ টাকার বিনিময়ে আয়ুষ্মান কার্ড করাচ্ছেন।

গ্রামের সাধারণ সহজ সরল মানুষরা সিকি নেতাদের কথায় বিশ্বাস করে বিনামূল্যের এই সরকারি প্রকল্পের সুযোগ গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছেন টাকার বিনিময়ে। গোটা ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকা জুড়ে যেমন বিস্ময় তৈরি হয়েছে ঠিক পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় কেন দিনের পর দিন এরকম বিভিন্ন প্রকারের ঘটনাগুলো সামনে আসছে, যেগুলো ক্রমান্বয়ে রাজ্য সরকারকে কালিমা লিপ্ত করছে। এই সংবাদ পরিবেশন হওয়ার পর কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এখন এটাই দেখার।

ভারতরত্ন সংঘ ক্লাবের সেক্রেটারি দুর্গা প্রসন্ন দেব হত্যাকাণ্ডে মাস্টার মাইন্ড প্রেমিকা আটক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভারতরত্ন সংঘের সম্পাদক হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ধৃত প্রদ্যোত ধর চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পশ্চিম ভুবনবন এলাকার সুস্মিতা সরকার নামে এক যুবতীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে শুক্রবার পুলিশ আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে। বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত যুবতীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে শুক্রবার তিনদিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ফের আদালতে তোলা হয় উষাবাজার ভারতরত্ন সংঘের সম্পাদক দুর্গা প্রসন্ন দেব ওরফে ভিকি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত প্রদ্যোত ধর চৌধুরীকে ফের ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে। তাকে ১ মে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। একথা জানান সরকার পক্ষের আইনজীবী ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত মহিলা খুনের ঘটনায় একজন মাস্টার মাইন্ড।

পশ্চিম বাংলায় বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে ঝড় তুলছেন মন্ত্রী সুধাংশু দাস

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিমবাংলায় নির্বাচনী প্রচারে গেছেন ত্রিপুরা থেকে প্রায় ৩০ জনের মতো মন্ত্রী-বিধায়ক ও প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব। এদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী সুধাংশু দাস। শুক্রবার তিনি বাড়ি বাড়ি জনসম্পর্ক অভিযানে বের হন।সেখানকার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বের হন মন্ত্রী। লোকসভার সপ্তম দফার ভোট ১ জুন।

শেষ দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গের দমদম লোকসভা ও বরানগর বিধানসভার উপনির্বাচনের।পশ্চিমবঙ্গের দমদম লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত ও বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী সজল ঘোষ। দুইজনের সমর্থনে শুক্রবার প্রচারে বের হন মন্ত্রী সুধাংশু দাস।

বরানগর বিধানসভার বিথি দে কলোনী ২০ নং ওয়ার্ডে বিজেপি কার্যকর্তাদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি জনসম্পর্ক করেন ত্রিপুরার মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারক সুধাংশু দাস। দলীয় প্রার্থীদের হয়ে তিনি ভোট চান ভোটারদের কাছে।মোদীজির হাতকে শক্তিশালী করতে বিজেপিকে নিজের মূল্যবান ভোট প্রদানের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন সূর্যোদয় ঘটাতে সবার প্রতি আহ্বান রাখেন মন্ত্রী।

 

 

পরীক্ষার্থী শূন্য টিআরটিসি বাস শিলচরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা সড়ক পরিবহণ নিগম থেকে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল সমবায় ব্যাঙ্কের বহিঃরাজ্যের পরীক্ষার্থীদের জন্য। শুক্রবার সকাল আট-টার সময় আগরতলা কৃষ্ণনগর টি আর টি সি থেকে পরীক্ষার্থীদের নিয়ে বাসটি ছাড়ার কথা ছিল শিলচরের উদ্দেশ্যে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে কোন পরীক্ষার্থী শিলচরে পরীক্ষার জন্য টিআরটিসিতে আসেননি। অথচ কয়েকজন পরীক্ষার্থীর যাওয়ার কথা ছিল।

পরীক্ষার্থী না আসায় অবশেষে খালি গাড়ি শিলচরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। তবে দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান আমবাসা কিংবা ধর্মনগর থেকে যাদের বাসে করে যাওয়ার কথা ছিল তারাও যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। কারণ অনেকেই সেখান থেকে ট্রেনে যাবেন। তিনি জানান, ডিমা হাসাওয়ে বাস দুর্ঘটনার জন্যই হয়তো কেউ আর টিআরটিসি দিয়ে যেতে রাজি হননি। তবে আদৌ পরীক্ষার্থীরা কেন যাননি তা জানা যায়নি।

 

 

নারী নিপীড়ন বাংলায় একটি বড় সমস্যা, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছেন মমতা : মোদী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- সন্দেশখালীতে নারীদের প্রতি হয়রানি ও প্রতারণার বিষয়টি বাংলায় বেশ কিছুদিন ধরেই খবরে ছিল। এই ঘটনা গোটা দেশের নজর কেড়েছে। এখন এই বিষয়ে নিজের মতামত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এ সময় তিনি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকেও তীব্র আক্রমণ করেছেন।

 

পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা, সন্দেশখালিতে নারীদের হয়রানি এবং কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তীব্র নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সন্দেশখালীতে নারী নিপীড়নের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, নারী হিসেবে জীবনযাপন করতে গিয়ে নারী নিপীড়ন বাংলায় একটি বড় সমস্যা। তিনি বলেছিলেন যে বাংলায় একজন মহিলা ক্ষমতায় আছেন এবং তা সত্ত্বেও সেখানে অশান্তি ঘটছে, তাহলে জনগণ এর জবাব দেবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গে একটি বড় পরিবর্তন হবে এবং এটি সময়ের ব্যাপার মাত্র।

সাক্ষাৎকারে বাংলায় অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, মমতা জি সংসদে কাগজপত্র উড়িয়ে দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ঝড় তুলেছিলেন, এখন তিনি সেই অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছেন। এখন যেন সোনার থালা। ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখে তাঁর জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “বাংলা আবারও বিশ্বের দরবারে সেরা অবস্থান অর্জন করতে পারে, কিন্তু তার জন্য বাংলাকে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি থেকে বের করে আনতে হবে। ভারতের উন্নয়নে বাংলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ভারতকে নিন। বিশ্বমঞ্চে বাংলার ভূমিকা অনস্বীকার্য, দুর্ভাগ্যবশত এই মহান ঐতিহ্যকে ধ্বংস করেছে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ।

তিনি আরও বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বাংলার একটি নতুন জাগরণ প্রয়োজন, কিন্তু দুঃখের বিষয় হল তারা ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করে। আপনি বিজেপিকে যতই গালাগালি করুন না কেন, বিপুল পরিমাণ টাকার নোট কোথায় লুকাবেন। সবার চোখের সামনেই গোটা দেশে বিদ্বেষের মোকাবিলা করছে মোদী সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতকে যদি উন্নয়ন করতে হয়, তবে দেশের কিছু রাজ্যের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা আছে এমন রাজ্যগুলির মধ্যে বাংলা অন্যতম। ভারতের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় যে, বাংলাকে সামাজিক অগ্রগতি হয়েছে ভারতের বিপ্লবী আন্দোলনের অগ্রভাগে দেখা গেছে।

তিনি আরও বলেন, “ভারতের নাম বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে বাংলার বড় ভূমিকা রয়েছে। এক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশাপাশি বিবেকানন্দ, জগদীশ চন্দ্র বসুর নামও নিতে পারেন, কিন্তু বামপন্থীরা এই ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বাংলাকে যদি এগিয়ে যেতে হয়, বাংলার পুনরুজ্জীবন দরকার।

দাবার কয়েকটি চাল বাকি আছে, একটু অপেক্ষা করুন : সুপ্রিয়া

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- রাহুল গান্ধী আমেঠি থেকে নির্বাচনে লড়ছেন না তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী মোদি সহ বিজেপির অনেক নেতাও অনেক প্রশ্ন তুলেছেন। এবার রায়বেরেলি থেকে রাহুল গান্ধীর লড়াইয়ের পিছনে কৌশল ব্যাখ্যা করলেন কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেট।

কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেটও সোশ্যাল মিডিয়ায় এগিয়ে এসে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন। সুপ্রিয়া শ্রীনেট বলেছেন যে যখন থেকে রাহুল জি রায়বরেলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার খবর এসেছে, তখন থেকেই চারদিক থেকে প্রচুর মন্তব্য আসছে। ভুলে যাবেন না, রাহুল জি একজন দক্ষ দাবা খেলোয়াড়। মাত্র একটি পদক্ষেপে, বিজেপি এবং তার পা অজ্ঞান হয়ে গেছে।

সুপ্রিয়া আরও লিখেছেন যে রায়বেরেলি কেবল সোনিয়া জির নয়, ইন্দিরা গান্ধীর নিজের আসন ছিল। এটি উত্তরাধিকার নয়, এটি একটি দায়িত্ব, এটি একটি কর্তব্য। গান্ধী পরিবারের শক্ত ঘাঁটির কথা, শুধু আমেঠি-রায়বরেলি নয়, উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত গোটা দেশই গান্ধী পরিবারের শক্ত ঘাঁটি। রাহুল গান্ধী উত্তরপ্রদেশ থেকে তিনবার এবং কেরালা থেকে একবার এমপি হয়েছিলেন, কিন্তু মোদীজি কেন বিন্ধ্যাচল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস সঞ্চয় করতে পারলেন না?

কংগ্রেস নেত্রী আরও বলেছিলেন যে আজ স্মৃতি ইরানির একমাত্র পরিচয় হল তিনি আমেঠি থেকে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবার সেই খ্যাতিও ছিনিয়ে নেওয়া হল স্মৃতি ইরানির কাছ থেকে। এখন অর্থহীন বিবৃতি দেওয়ার পরিবর্তে, স্মৃতি ইরানির স্থানীয় উন্নয়ন সম্পর্কে উত্তর দেওয়া উচিত, যা বন্ধ হাসপাতাল, স্টিল প্ল্যান্ট এবং আইআইআইটি – সেখানে উত্তর থাকবে। দাবার কয়েকটি চাল বাকি আছে, একটু অপেক্ষা করুন।

রাহুল গান্ধীর পেছনে পাকিস্তানের সমর্থন রয়েছে, কংগ্রেসের জয়ে পাকিস্তান খুশি : যোগী আদিত্যনাথ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিরোধী কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করছেন। শুক্রবার মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, সিএম যোগী কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করে একটি বড় বিবৃতি দিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর পাকিস্তানের সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর সাথে, সিএম যোগী দাবি করেছেন যে দেশের শত্রুরা লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, যার কারণে দেশের মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময় সিএম যোগী বলেন, যে নির্বাচন আজ চরমে পৌঁছেছে। স্বাভাবিকভাবেই, যারা দেশের শত্রু তারা নির্বাচনের সময় মোদীজির পক্ষে পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, কিছু বিষয় আছে যা জনগণের দেখা ও বোঝা উচিত।

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছেন, পাকিস্তান রাহুল গান্ধীকে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। যে ব্যক্তি নির্লজ্জভাবে পুলওয়ামা ঘটনাকে সমর্থন করেছিল, পাকিস্তান সরকারের একজন প্রাক্তন মন্ত্রী, তিনি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে সমর্থন করছেন। তা থেকে বুঝা যায় মোদী জি জিতলে ভারতে দীপাবলি হবে, তবে কংগ্রেস যদি কোথাও সাফল্য পায়, তবে পাকিস্তান তাতে খুশি হবে।

তিনি আরো বলেন, যে দেশের মানুষকে এই বিবৃতিগুলি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত এবং সেগুলি বোঝা উচিত। যে কংগ্রেস স্বাধীনতার পর থেকেই বিপথে চলে গেছে, তারা প্রথমে নিজের স্বার্থের জন্য দেশকে বিভক্ত করেছিল এবং তারপরে তার রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য, যেভাবে দেশের মধ্যে তুষ্টির নীতিগুলিকে এগিয়ে নিয়েছিল, তার ফল ছিল দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদ।

রায়বেরেলি লোকসভা আসন থেকে মনোনয়ন জমা দিলেন রাহুল গান্ধী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের রায়বেরেলি লোকসভা আসন থেকে মনোনয়ন জমা দেন রাহুল গান্ধী। এ সময় সোনিয়া ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ অনেক বড় নেতা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিপুল সংখ্যক কার্যকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার সকালে রাহুল গান্ধী তার মা সোনিয়া এবং বোন প্রিয়াঙ্কার সাথে রায়বেরেলির ফুরসাতগঞ্জ বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও। শুক্রবার সকালেই, দল রায়বেরেলি এবং আমেঠি থেকে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিল।

রায়বেরেলি ছিল রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়ার নির্বাচনী এলাকা। রাহুল গান্ধী আমেঠি বা রায়বেরেলি আসন থেকে নির্বাচনে লড়বেন বলে অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কিশোরী লাল শর্মা আমেঠি লোকসভা আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন। সাত দফা লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে ২০ মে যে আসনগুলির জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে তার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আজ। রায়বেরেলি এবং আমেঠি আসনের জন্য ভোট হবে শুধুমাত্র ২০ মে। ভোট গণনা হবে ৪ জুন।

মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও পরীক্ষা সেন্টার ত্রিপুরা রাজ্যে করার দাবিতে বিক্ষোভ পদর্শন AIDSO,AIDYO-এর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় রাজ্য সরকারকে বহন করার দাবি জানাল AIDSO,AIDYO ।শুক্রবার দুই ছাত্র-যুব সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর বটতলায় বিক্ষোভ কর্মসূচী সংগঠিত করা হয়। উপস্থিত ছিলেন দুই সংগঠনের নেতৃত্ব ভবতোষ দে, মৃণাল কান্তি সরকার সহ অন্যরা।

তারা বিক্ষোভ কর্মসূচী থেকে দাবি জানান, দুর্ঘটনায় নিহত দ্বীপরাজ দেববর্মার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও পরীক্ষা সেন্টার ত্রিপুরা রাজ্যে করার। উল্লেখ্য ত্রিপুরা রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্কের পরীক্ষা আসামে দেওয়ার জন্য যাওয়ার পথে বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় রাজ্যের ছেলে দ্বিপরাজ দেববর্মা, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।ঘটনায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহল সরব।

 

 

দ্বীপরাজের নিথর দেহ কফিন বন্দি অবস্থায় এলো নিজ গ্রামে, শোকের ছায়া এলাকায় 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাস দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু দ্বীপরাজ দেববর্মার কফিন বন্দি দেহ নিজ গ্রামে নিয়ে আসার পরে শোকের ছায়া নেমে আসে। মা-বাবা, স্ত্রী সহ পরিজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠে আকাশ বাতাস।বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় সমাধিস্থ করা হয় প্রয়াত দ্বীপরাজ দেববর্মাকে। ত্রিপুরা রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্কে লোক নিয়োগের জন্য অনলাইনে পরীক্ষা নিতে আসামের কয়েকটি জায়গায় সেন্টার করা হয়।

সেখানে পরীক্ষা দিতে ১ মে নাইট সুপারে আসামে যাওয়ার পথে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে যাত্রীবাহী বাস। এতে মারা যান কমলপুর মহকুমার মহারানী এলাকার বিবাহিত যুবক দ্বীপ রাজ দেববর্মা। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। পরিবারের তরফে শুক্রবার সকালে দ্বীপরাজের নিথর দেহ কফিন বন্দি অবস্থায় নিজ গ্রামে নিয়ে আসা হয়। মৃতদেহ নিয়ে আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজনেরা। ভিড় জমান গ্রামের মানুষ। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।