Home Blog Page 13

আইন প্রণয়নে ফলপ্রসূ সংসদ অধিবেশন, জানালেন রিজিজু

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- সংসদের বাজেট অধিবেশনকে ফলপ্রসূ ও সফল বলে উল্লেখ করেছেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সংসদ ভবনের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, এই অধিবেশনে কেন্দ্রীয় বাজেটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রস্তাব সফলভাবে পাস হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই বিবৃতি দিয়েছেন। এছাড়াও, মহিলাদের সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইন পাসের জন্য বিশেষ বৈঠকের উদ্দেশ্যে অধিবেশন তিন দিন বাড়ানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

প্রিয়াঙ্কার অভিযোগে জবাব বিজেপির, মহিলাদের অধিকার নিয়ে বাকযুদ্ধ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মহিলা সংরক্ষণ বিলকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ।

মিডিয়াকে দেওয়া বক্তব্যে রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, লোকসভা বা বিধানসভায় আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) ছাড়া কোনওভাবেই আসনের সংখ্যা পরিবর্তন সম্ভব নয়। তিনি জানান, জনগণনা (সেন্সাস) সম্পন্ন করতে সময় লাগে, তাই সর্বশেষ প্রকাশিত জনগণনার ভিত্তিতেই ডিলিমিটেশন করা যেতে পারে বলে আগে থেকেই উল্লেখ করা হয়েছিল।

অন্যদিকে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস দেশের মহিলাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা নষ্ট করেছে। ইরানি বলেন, এনডিএ সরকারের আমলে প্রথম জেন্ডার বাজেট কাঠামো চালু হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস শাসনকালে ২৫ কোটি নারী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন এবং ১১ কোটি নারী শৌচালয়ের সুবিধা পাননি।

এর আগে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা বলেন, মহিলা সংরক্ষণ বিলের পরাজয় একটি গুরুত্বপূর্ণ জয়। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্র সরকারের ফেডারেল কাঠামো পরিবর্তন ও গণতন্ত্র দুর্বল করার প্রচেষ্টা রুখে দেওয়া হয়েছে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আরও বলেন, ২০২৩ সালে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হওয়া বিলটি পুনরায় ফিরিয়ে এনে দ্রুত কার্যকর করা উচিত।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে ডিলিমিটেশন ও মহিলা সংরক্ষণকে ব্যবহার করে বিজেপি নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচনী কেন্দ্র পুনর্গঠন করতে চেয়েছিল।

এডিসি নির্বাচনে টিপরা মথার দাপট, ২৮টির মধ্যে ২৪ আসনে জয়

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (টিটিএএডিসি)-এর সাধারণ নির্বাচনে তিপ্রামথা দল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। মোট ২৮টি আসনের মধ্যে টিপরা মথা ২৪টি আসনে জয়লাভ করে পরিষদে তাদের শক্ত অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

অন্যদিকে, বিজেপি মাত্র ৪টি আসনে জয় পেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল থেকে স্পষ্ট, জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় তিপ্রামথার প্রভাব আগের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন আসনে তিপ্রামথার প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেও তারা আধিপত্য বিস্তার করেছে। বিজেপি কয়েকটি নির্দিষ্ট আসনে সীমাবদ্ধ থাকলেও সামগ্রিকভাবে নির্বাচনে তিপ্রামথা একচ্ছত্র প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ফলাফল আগামী দিনে ত্রিপুরার জনজাতি রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে, পরিষদের নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তিপ্রামথার ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

 

 

ত্রিপুরায় মাদক দমনে কড়া বার্তা, ANTF-র সঙ্গে বৈঠকে NCB প্রধান

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরায় মাদক পাচার রুখতে আরও জোরদার উদ্যোগ নিতে অ্যান্টি-নারকোটিক্স টাস্ক ফোর্স (ANTF)-এর সঙ্গে বৈঠক করলেন নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)-র মহাপরিচালক অনুরাগ গর্গ।

এনসিবি সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে মাদক সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যাতে রাজ্যে মাদক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক এনফোর্সমেন্ট কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অবৈধ গাঁজা চাষ নির্মূল এবং মাদক চক্রের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, অভ্যাসগত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘প্রিভেনশন অফ ইলিসিট ট্রাফিক ইন নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্ট্যান্সেস (PITNDPS) আইন’ প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স গ্রিড (NATGRID)-এর ব্যবহার করে আর্থিক তদন্তসহ ৩৬০ ডিগ্রি তদন্ত পরিচালনার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

এনসিবি আরও জানায়, ত্রিপুরার ANTF-কে আরও দক্ষ করে তুলতে সক্ষমতা বৃদ্ধির (capacity building) প্রয়োজনীয়তার কথাও আলোচনায় উঠে আসে। পাশাপাশি, নারকো কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (NCORD)-এর ফলাফলভিত্তিক বৈঠক এবং রাজ্যস্তরের জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন কমিটির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

গ্যাস সংকট নেই দেশে, ৫০ লক্ষ সিলিন্ডার সরবরাহ একদিনেই

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকটের মধ্যেও দেশে এলপিজি (LPG) সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আজ নয়াদিল্লিতে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সচিব সুজাতা শর্মা জানান, দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি এবং কোথাও গ্যাসের ঘাটতির খবর পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৫০ লক্ষ এলপিজি সিলিন্ডার গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৮ শতাংশ বুকিং অনলাইনে হচ্ছে এবং ৯৩ শতাংশ ডেলিভারি ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোডের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হচ্ছে।

বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ সরবরাহ পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং গতকাল প্রায় ৮,২০০ টন বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে। গত মাসের ১৪ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত ৭৯ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। এছাড়া অটো এলপিজি বিক্রিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে—ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক ১৭৭ টন থেকে এপ্রিল মাসে তা বেড়ে প্রায় ২৯৬ টনে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সঙ্গে ৫ কেজির ছোট সিলিন্ডারও ১৬.৫ লক্ষের বেশি বিক্রি হয়েছে।

অন্যদিকে, বন্দর, জাহাজ পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গল জানান, সমুদ্রপথে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে এবং নাবিকদের সুরক্ষায় মন্ত্রক নিয়মিতভাবে বিদেশ মন্ত্রক ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করছে। তিনি জানান, ওই অঞ্চলে থাকা সব ভারতীয় নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতীয় পতাকাবাহী কোনও জাহাজের সঙ্গে কোনও দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ডিজিশিপিং কন্ট্রোল রুম চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬,৭০০-র বেশি ফোনকল এবং প্রায় ১৪,০০০ ইমেল সামলানো হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৭টি কল এবং ২৭৬টি ইমেল এসেছে। ইতিমধ্যে ২,৪০০-র বেশি ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন রয়েছেন।

এদিকে, বিদেশ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব (গালফ) আসেম আর. মহাজন জানান, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে এবং সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং তথ্য আদান-প্রদান চলছে।

তিনি আরও জানান, বিদেশ মন্ত্রকের বিশেষ কন্ট্রোল রুম ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে এবং ভারতীয় দূতাবাসগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রবাসীদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন সংগঠন, পেশাজীবী গোষ্ঠী ও ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

আগামীকাল টিটিএএডিসি নির্বাচনের ভোটগণনা, ১৭টি কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (টিটিএএডিসি) নির্বাচনের ভোটগণনা আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের মোট ২৮টি আসনের জন্য ১৭টি গণনা কেন্দ্রে ভোটগণনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব অনুরাগ সেন আজ জানান, গণনা কেন্দ্রগুলিকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita) অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, রাজনৈতিক দলের কর্মীদের জমায়েত নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে, যাতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকে।

তিনি আরও জানান, প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হবে, এরপর ইভিএমে প্রদত্ত ভোট গণনা শুরু হবে। দ্রুত ফলাফল ঘোষণার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, আজ এডিসি নির্বাচনে তিনটি বিধানসভা এলাকায় চারটি ভোটকেন্দ্রে পুনঃভোট গ্রহণ করা হয়েছে। পুনঃভোট হওয়া কেন্দ্রগুলি হল— পেকুয়ারছড়া-জন্মেজয়নগর এলাকার হীরাপুর এস.বি. স্কুল, কুলাই-চাম্পাহৌর এলাকার ভাটিময়দান এস.বি. স্কুল ও রামদেব ঠাকুর পাড়া, এবং মহারানী-তেলিয়ামুড়া এলাকার নন্দকুমার পাড়া জে.বি. স্কুল।

সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, চারটি কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সর্বত্র পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন ছিল।

তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফা ভোটে EVM–VVPAT কমিশনিং শুরু

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটকে সামনে রেখে তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) এবং ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেইল (VVPAT)-এর কমিশনিং প্রক্রিয়া আজ থেকে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ECI)।

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল যেসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে, সেখানে প্রার্থীদের উপস্থিতি, তাঁদের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের এবং সাধারণ পর্যবেক্ষকদের সামনে এই কমিশনিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। কমিশন আরও জানায়, কমিশনিং শেষে প্রার্থীদের দ্বারা নির্বাচিত ৫ শতাংশ EVM-এ ১,০০০ ভোটের মক পোল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রার্থীরাও সরাসরি অংশ নিতে পারবেন।

কমিশনিংয়ের আগে দুই ধাপে র‍্যান্ডমাইজেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে EVM-গুলো নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে জেলা স্তরের গুদাম থেকে এলোমেলোভাবে বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে EVM বরাদ্দ করা হয় এবং দ্বিতীয় ধাপে সেই কেন্দ্রগুলো থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যায়ে পুনরায় এলোমেলোভাবে মেশিন বরাদ্দ করা হয়।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম ধাপের র‍্যান্ডমাইজেশন জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের (DEO) মাধ্যমে জাতীয় ও রাজ্য স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের র‍্যান্ডমাইজেশন রিটার্নিং অফিসারদের মাধ্যমে প্রার্থী, তাঁদের এজেন্ট এবং সাধারণ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী EVM ও VVPAT-এর তালিকা সংশ্লিষ্ট জেলা সদর দপ্তরে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সকল প্রার্থীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তামিলনাড়ুতে মোট ৭৫,০৬৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল মোট ৪৪,৩৭৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

১৭৩ বছরে ভারতীয় রেল: প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেনের ঐতিহাসিক যাত্রা স্মরণে অশ্বিনী বৈষ্ণব

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আজ দেশের প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের ১৭৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি বিশেষ উদ্যোগ নেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে ঐতিহাসিক থানে রেলওয়ে ব্রিজ এবং প্রাচীন ট্রেনের একটি ছবি শেয়ার করে এই দিনটিকে স্মরণ করেন।

উল্লেখ্য, ১৮৫৩ সালের ১৬ই এপ্রিল ভারতের প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন মুম্বাইয়ের বোরি বান্দর (বর্তমান ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস) থেকে থানে পর্যন্ত যাত্রা করেছিল। এই দিনটি ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা পোস্টে রেলমন্ত্রী বলেন, “এই যাত্রা এখনও অব্যাহত রয়েছে,” যা ভারতীয় রেলের দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরে। পাশাপাশি তিনি একটি কোলাজও প্রকাশ করেন, যেখানে ঐতিহাসিক থানে রেল ব্রিজের সংরক্ষিত আর্কাইভ ছবি এবং আধুনিক ‘অমৃত ভারত এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ছবি একসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় রেলের এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্যবহৃত আর্কাইভ ছবি সম্পূর্ণভাবে ঐতিহাসিকভাবে সঠিক। এর ফলে পূর্বে প্রচলিত ভুল বা বিভ্রান্তিকর ছবির বিষয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ দূর হয়েছে।

ইতিহাসবিদ রাজেন্দ্র আকলেকর জানান, সংশোধিত এই ছবি ভারতীয় রেলের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং তথ্যভিত্তিক নথিপত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।

এই বর্ষপূর্তি ভারতীয় রেলের গৌরবময় অতীতের পাশাপাশি তার ক্রমাগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের দিকটিকেও সামনে তুলে ধরেছে।

জাতি গঠনে যুবকদের প্রস্তুত করতে অসম রাইফেলসের পদক্ষেপ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের যুবসমাজকে শারীরিকভাবে সক্ষম, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে অসম রাইফেলস আগরতলায় এনসিসি ক্যাডেটদের জন্য একটি বিস্তৃত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণদের জাতি গঠনে অনুপ্রাণিত করা এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগিয়ে তোলা।

প্রশিক্ষণ চলাকালীন ক্যাডেটদের প্রাথমিক সামরিক জ্ঞান প্রদান করা হয় এবং কঠোর শারীরিক অনুশীলনের মধ্য দিয়ে তাদের সহনশীলতা বৃদ্ধি করা হয়। বিশেষভাবে বাধা অতিক্রম (অবস্ট্যাকল কোর্স) প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়, যেখানে ক্যাডেটরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজেদের দক্ষতা, সহনশীলতা ও মানসিক দৃঢ়তা প্রদর্শন করে।

এছাড়াও, অস্ত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্যাডেটদের নিরাপদভাবে অস্ত্র পরিচালনা ও মৌলিক ফায়ারিং কৌশল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়, যা প্রশিক্ষিত কর্মীদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাডেটরা নিরাপত্তা বাহিনীর জীবনযাত্রা ও কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি আরও বিকশিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে সব কার্যক্রমে অংশ নেয়।

অসম রাইফেলসের এই ধরনের উদ্যোগ সশস্ত্র বাহিনী ও যুবসমাজের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করছে এবং দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নে তরুণদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করছে।

বিহারে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পালাবদল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বিহারের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন ঘটেছে। সম্রাট চৌধুরী রাজ্যের ২৪তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হলো।

লোক ভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইন সম্রাট চৌধুরীকে পদ ও গোপনীয়তার শপথবাক্য পাঠ করান। এরপর জেডিইউ-এর জ্যেষ্ঠ নেতা বিজয় কুমার চৌধুরী এবং বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব জোটের অংশ হিসেবে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

শপথ গ্রহণের আগে সম্রাট চৌধুরী রাজবংশী নগরের হনুমান মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেন। এটি তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রতিফলন এবং নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এই পরিবর্তন আসে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পদত্যাগের পর, যিনি রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে রাজ্যে বিজেপির সরাসরি নেতৃত্বে সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হয়।

সম্রাট চৌধুরী ১৯৯০ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৯৯ সালে বিহারের কৃষিমন্ত্রী হন। তিনি ২০০০ ও ২০১০ সালে পারবত্তা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে জয়ী হন। ২০১০ সালে তিনি বিধানসভায় বিরোধী দলের চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৮ সাল থেকে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে উঠে আসেন।

২০১৯ সালে তিনি বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি হন। পরে ২০২৩ সালে তাকে রাজ্য সভাপতি করা হয়, যা তার রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করে।

নীতীশ কুমার বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলে, সম্রাট চৌধুরী বিরোধী দলনেতা হিসেবে একটি প্রতীকী অঙ্গীকার করেন—নীতীশ কুমারকে ক্ষমতা থেকে সরানো না পর্যন্ত তিনি তার ‘মুরাইথা’ (পাগড়ি) খুলবেন না। এই অঙ্গীকার তার রাজনৈতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

পরবর্তীতে নীতীশ কুমার এনডিএ-তে ফিরে এলে, সম্রাট চৌধুরী উপমুখ্যমন্ত্রী হন এবং প্রথমবারের মতো স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব পান।

অন্যদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার চৌধুরী ১৯৫৭ সালের ৮ জানুয়ারি সমস্তিপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জগদীশ প্রসাদ চৌধুরী একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি প্রথমে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় কাজ করেন, পরে পূর্ণসময়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি দালসিংসরাই কেন্দ্র থেকে টানা তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। কংগ্রেস থেকে রাজনীতি শুরু করলেও ২০০৫ সালে জেডিইউ-তে যোগ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব, বিহারের রাজনীতিতে ‘কোশি অঞ্চলের চাণক্য’ নামে পরিচিত, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। ১৯৯০ সাল থেকে নিয়মিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি সুপৌল অঞ্চলে শক্তিশালী জনভিত্তি গড়ে তুলেছেন। বিদ্যুৎ পরিকাঠামো উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

এই নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় বিহারের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে এবং অভিজ্ঞ দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর সহায়তায় নতুন সরকার উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।