Home Blog Page 54

বিশ্রামগঞ্জে জমি যুদ্ধ! নগর পঞ্চায়েত বিতর্কে মুখোমুখি প্রশাসন–তিপ্রা মথা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিশ্রামগঞ্জ নগর পঞ্চায়েত গঠনকে ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার নতুন মোড় নিল। টিটিএএডিসি (Tripura Tribal Areas Autonomous District Council) এলাকার জমি দখলের অভিযোগে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিতে সরকারি স্তরে মানচিত্র যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্রামগঞ্জ ডাকবাংলোতে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মহকুমা শাসক (এসডিএম) জানান, নগর পঞ্চায়েতের সীমানা নির্ধারণে কোনওভাবেই এডিসি এলাকার জমি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এসডিএম জানান, তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে একত্রিত করেই বিশ্রামগঞ্জ নগর পঞ্চায়েত গঠন করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আইনানুগ ও সরকারি বিধি মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে তিপ্রা মথা দলের পক্ষ থেকে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ভূমি ও বন্দোবস্ত দপ্তরের মানচিত্রের সঙ্গে টিটিএএডিসির নথি মিলিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এসডিএমের বক্তব্য, “যদি কোথাও কোনও অসঙ্গতি ধরা পড়ে, তবে সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অন্যদিকে, তিপ্রা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মন প্রশাসনের এই দাবি মানতে নারাজ। তিনি ১৯৯৪ সালের বন্দোবস্ত মানচিত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই মানচিত্রে এডিসি এলাকার সীমানা লঙ্ঘনের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, প্রয়োজনে আইনি পথে যাবে তিপ্রা মথা। তিনি বলেন, “তিপ্রাসা মানুষ জানে তাদের জমি কোথায়।”

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন টিটিএএডিসির মুখ্য নির্বাহী সদস্য পূর্ণ চন্দ্র জামাতিয়া, চরিলাম বিধায়ক এবং তিপ্রা মথার শীর্ষ নেতৃত্ব। দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি। পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা মাথায় রেখে বিশ্রামগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় এখন সরকারি মানচিত্র যাচাইয়ের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে এলাকাবাসী। সেই রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করবে বিশ্রামগঞ্জ নগর পঞ্চায়েত সংক্রান্ত বিতর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ।

“পরীক্ষার ভয় ভাঙালেন মোদি! ‘নিজের ওপর ভরসা রাখো’—ছাত্রদের বার্তা”

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নবম সংস্করণের জনপ্রিয় কর্মসূচি ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাস ও মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি পরীক্ষার সময় মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কাটিয়ে ওঠার নানা দিক নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর শেখার ধরন আলাদা। তাই অন্যের অনুকরণ না করে নিজের প্রস্তুতির ধরনে পূর্ণ আস্থা রাখা জরুরি। একই সঙ্গে শিক্ষক, অভিভাবক ও মেন্টরদের পরামর্শ মন দিয়ে শুনে নিজের মতো করে তা কাজে লাগানোর কথাও বলেন তিনি।

তিনি জানান, শুধু গাইড-বুক, ‘শিওর-শট’ প্রশ্ন বা প্রশ্নব্যাংকের ওপর নির্ভর করলে প্রকৃত শিক্ষা হয় না। ভালো শিক্ষকরা পুরো সিলেবাস বোঝাতে গুরুত্ব দেন এবং পাঠ্য বিষয়কে বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে শেখান। এতে পরীক্ষার পাশাপাশি সার্বিক বিকাশ ঘটে।

শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর শেখার গতি আলাদা। শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের থেকে মাত্র এক ধাপ এগিয়ে থাকতে হবে—যাতে পড়াশোনা ভয় ধরানো না হয়ে সহজবোধ্য ও অনুপ্রেরণামূলক হয়। তিনি শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে কৃষিকাজের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, যেমন কৃষক জমি প্রস্তুত করে বীজ বপন করেন, তেমনি শিক্ষকদেরও ধৈর্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের মন প্রস্তুত করতে হয়।

এক ছাত্রের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নম্বর নয়, দক্ষতার উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখাই সাফল্যের চাবিকাঠি। তিনি জানান, দক্ষতা দুই ধরনের—জীবনদক্ষতা ও পেশাগত দক্ষতা—দুটিরই বিকাশ প্রয়োজন।

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ব্যায়াম, যোগাভ্যাস, পুষ্টিকর খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানসিক শক্তি বজায় রাখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, জীবন শুধু পরীক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা মানুষের জীবন গঠনের মাধ্যম, আর পরীক্ষা কেবল নিজেকে যাচাই করার একটি উপায়।

শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বপ্নহীন জীবন এগোয় না। বড় স্বপ্ন দেখো, ভয় কমাও এবং মহৎ মানুষের জীবনকথা থেকে অনুপ্রেরণা নাও। তিনি আরও বলেন, নিজের শখকে বাস্তব কাজে রূপান্তর করলে সৃজনশীলতা বাড়ে এবং প্রতিক্রিয়া থেকেই সাফল্যের পথ তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষাকে আতঙ্ক নয়, উৎসব হিসেবে গ্রহণ করার বার্তা দেওয়া হয়। চলতি বছর দেবমোগরা, কোয়েম্বাটুর, রায়পুর, গুয়াহাটি এবং দিল্লির ৭ লোক কল্যাণ মার্গে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মত বিনিময় হয়। শিক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, মাইগভ পোর্টালের মাধ্যমে এবছর সাড়ে চার কোটির বেশি ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবক এই কর্মসূচিতে নাম নথিভুক্ত করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, এই কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

“জম্মু সীমান্তে অমিত শাহের পরিদর্শন, জওয়ানদের মনোবল বাড়াতে বড় উদ্যোগ”

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দু’দিনের জম্মু ও কাশ্মীর সফরের সূচনায় আজ আন্তর্জাতিক সীমান্তের জম্মু অঞ্চলের হিরানগর সেক্টরের অগ্রবর্তী সীমান্ত পোস্ট পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কাথুয়া জেলার গুরনাম ও বোবিয়ান সীমান্ত পোস্টে গিয়ে তিনি অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ)-এর নেওয়া ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন এবং দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন।

এই সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএসএফ জওয়ানদের জন্য একাধিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের ই-উদ্বোধন ও ই-ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সীমান্তে কর্মরত আধিকারিক ও জওয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের মতামতও নেন তিনি।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করা, জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র-মাদক পাচার রুখতে কেন্দ্রের তৎপরতা জোরদার হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উল্লেখ্য, গত দুই সপ্তাহে কাথুয়া, উদমপুর ও কিশতওয়ার জেলায় প্রায় এক ডজন সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের চারজন কট্টর জঙ্গি নিহত হয়েছে।

সীমান্ত পরিদর্শন শেষে আজই লোক ভবন, জম্মুতে উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিক, বিভিন্ন আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এদিন তিনি শহিদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং সহানুভূতিশীল নিয়োগপত্র (Compassionate Appointment) প্রদান করবেন। আগামীকাল জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়ন সংক্রান্ত পৃথক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা, উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিক ও রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

“চিকেন নেকের দুর্বলতা কাটাতে আন্ডারগ্রাউন্ড রেল টানেল—অসম সরকারের বড় আশা”

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শিলিগুড়ি করিডোরের মধ্য দিয়ে প্রস্তাবিত ভূগর্ভস্থ রেল টানেল প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। একে তিনি ‘গেম-চেঞ্জিং’ উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পূর্ব ভারত ও দেশের বাকি অংশের মধ্যে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ নির্বিঘ্ন হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্থল যোগাযোগের জন্য শিলিগুড়ি করিডোরের ওপর নির্ভরশীল, যা সাধারণভাবে ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, এই দূরদর্শী প্রস্তাব জাতীয় ঐক্য এবং ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের প্রতি কেন্দ্র সরকারের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তিনি বলেন, শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে প্রস্তাবিত ভূগর্ভস্থ রেল টানেল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করবে এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন সংযোগ গড়ে তুলবে।

মুখ্যমন্ত্রী আগেও শিলিগুড়ি করিডোরের কৌশলগত দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন। এটি মূল ভূখণ্ড ভারতের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগকারী একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ স্থলপথ। তিনি একে শুধু লজিস্টিক লাইফলাইন নয়, বরং একটি সংবেদনশীল জাতীয় নিরাপত্তা অঞ্চলেও পরিণত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র একটি স্থল করিডোরের ওপর নির্ভরতা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনও বাধার সময় বড় ঝুঁকি তৈরি করে, যার ফলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। তাই তিনি বিকল্প যোগাযোগপথ ও আধুনিক অবকাঠামো সমাধানের পক্ষে বরাবরই সওয়াল করেছেন—যার মধ্যে টানেল, উন্নত রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক অন্তর্ভুক্ত।

আধিকারিকদের মতে, প্রস্তাবিত ভূগর্ভস্থ রেল টানেল শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে একটি নিরাপদ ও সারাবছর ব্যবহারযোগ্য পথ তৈরি করবে, ফলে বর্তমান দুর্বলতাগুলি অনেকটাই কমে যাবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পণ্য ও কাঁচামাল পরিবহণ আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য হওয়ায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাণিজ্য, পর্যটন ও শিল্পোন্নয়নে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তর-পূর্বে যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করার উপর কেন্দ্র সরকারের জোর ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি ও ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যপূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযোগের ক্ষেত্রে উত্তর-পূর্ব ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ গেটওয়ে হয়ে উঠতে পারে।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই হাইওয়ে, রেলপথ, সেতু ও জলপথে বড় মাপের বিনিয়োগ চলছে। প্রস্তাবিত এই ভূগর্ভস্থ রেল টানেলকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের অর্থনৈতিক মূলধারার সঙ্গে আরও দৃঢ়ভাবে যুক্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অসম সরকার মনে করছে, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার ফলে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে এবং একই সঙ্গে ‘চিকেন নেক’ করিডোর ঘিরে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও কৌশলগত উদ্বেগের সমাধানও সম্ভব হবে।

১.১৩ লক্ষ কোটির বাজেটে কাশ্মীরে উন্নয়নের ঝড়! স্বাস্থ্য-শিক্ষা-চাকরিতে বড় ধামাকা উমর আবদুল্লার

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শুক্রবার জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য ১.১৩ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী উমর আবদুল্লা। বাজেটের লক্ষ্য হিসেবে তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য শক্ত ভিত গড়ে তোলা। বাজেটকে উন্নয়নের ‘রোডম্যাপ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন তিনি।

স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী করতে রাজ্যে দুটি নতুন আয়ুষ হাসপাতাল চালু করার ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজৌরি, বারামুলা ও ডোডায় ক্যাথ ল্যাব খোলা হবে। উরি ও পুঞ্চে চালু হবে জরুরি হাসপাতাল। ২০২৬ সালের মধ্যেই চালু হবে এইমস কাশ্মীর। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির জন্য বুলেটপ্রুফ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাও চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ হিসেবে ৫৫৪টি স্কুলে ভোকেশনাল এডুকেশন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবম শ্রেণি থেকে কলেজ স্তর পর্যন্ত পড়ুয়াদের সম্পূর্ণ ফি মুকুবের ঘোষণাও করা হয়েছে। পাশাপাশি অনাথ শিশুদের শিক্ষা ও থাকার খরচ মেটাতে মাসিক স্পনসরশিপ সহায়তা দেওয়া হবে। আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য স্কলারশিপ এবং আদিবাসী জীবিকায় সহায়তার ব্যবস্থাও থাকবে।

পরিবহণ ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে ২০০টি নতুন ই-বাস চালানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন কালচারাল সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়েছে।

রিসার্চ, এন্টারপ্রেনারশিপ ও উচ্চমানের বৈজ্ঞানিক কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠুয়া ও হান্দওয়ারা বায়োটেক পার্ক পুনরায় চালু করা হবে। উমর আবদুল্লা জানান, সরকারি ছাড় ও সুবিধা পাওয়া শিল্পগুলিতে স্থানীয় যুবকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়া হবে।

কৃষকদের জন্য সোলার পাম্পের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি ভবনগুলিকে সৌরশক্তি চালিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ছোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং আদিবাসী এলাকায় ‘সোলার গ্রাম’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিরাপত্তা, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং তীর্থযাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে শ্রী অমরনাথ যাত্রার পরিকাঠামো আধুনিকীকরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

যোগ্য পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে একাধিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছে।

“এই বাজেট শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি ভবিষ্যতের দিশা দেখানো এক আর্থিক দিকনির্দেশক। এই পরিকল্পনা টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং দীর্ঘস্থায়ী সমৃদ্ধির জন্য শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলবে।”

“২০২৬-২৭-এর মধ্যে ১১ কোটি কৃষকের ফার্মার আইডি—রাজ্যসভায় জানালেন কৃষিমন্ত্রী”

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দেশে এখনও পর্যন্ত ৮ কোটি ৪৭ লক্ষের বেশি কৃষক পরিচয়পত্র (Farmer Identification Card) ইস্যু করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে দেশের ১১ কোটি কৃষকের ফার্মার আইডি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্র সরকার। আজ রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

কৃষিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১৯টি রাজ্যে কৃষক পরিচয়পত্র তৈরির কাজ চলছে। এর মধ্যে উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার, ছত্তিশগড়, গুজরাট, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটক, কেরল, পাঞ্জাব, ওড়িশা ও তেলেঙ্গানা উল্লেখযোগ্য।

তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে ২ কোটি ৯০ লক্ষ কৃষককে জাতীয় ফসল বিমা পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ফসল বিমা সংক্রান্ত পরিষেবা পেতে কৃষকদের সুবিধা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকারের কৃষিনীতি মূলত কৃষকের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ—এই তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি জানান, খাদ্যশস্য উৎপাদন বাড়ানো, উৎপাদন খরচ কমানো, কৃষকদের ন্যায্য ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেন, কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির সর্বাধিক ব্যবহার করছে মোদি সরকার। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকদের সুবিধা আরও বাড়ানো হচ্ছে।

মান্ধানার ব্যাটে ইতিহাস, দ্বিতীয়বার WPL চ্যাম্পিয়ন আরসিবি

0

জনতার কলম স্পোর্টস ডেস্ক :- উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ (WPL) ফাইনালে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। টানটান উত্তেজনার এই ফাইনালে অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানার বিধ্বংসী ব্যাটিংই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

প্রথমে ব্যাট করে দিল্লি ক্যাপিটালস ৪ উইকেটে ২০৩ রান তোলে। অধিনায়ক জেমিমাহ রড্রিগেস খেলেন ঝকঝকে ৫৭ রান (৩৭ বলে)। শেষদিকে চিনেল হেনরির ১৫ বলে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস দিল্লিকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়। এছাড়াও লরা উলভার্ডট অপরাজিত ৪৪ ও লিজেল লি করেন ৩৭ রান।

জবাবে খেলতে নেমে শুরুতেই গ্রেস হ্যারিসের উইকেট হারালেও স্মৃতি মান্ধানা ও জর্জিয়া ভলের অনবদ্য ১৬৫ রানের জুটি ম্যাচে আরসিবিকে ফিরিয়ে আনে। মান্ধানা ৪১ বলে দুর্দান্ত ৮৭ রান করেন, অন্যদিকে ভল করেন ৫৪ বলে ৭৯ রান। দু’জনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরু, হাতে থাকে আরও ২ বল।

এই জয় WPL ও আইপিএল ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল আরসিবি। দ্বিতীয়বার ট্রফি জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে সফল দল হয়ে উঠল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

টানা চতুর্থবার ফাইনাল খেলেও শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অধরাই রইল দিল্লি ক্যাপিটালসের। স্মৃতি মান্ধানার নেতৃত্বে আরসিবির এই ঐতিহাসিক জয় নারী ক্রিকেটে নতুন অধ্যায় যোগ করল।

বিশ্বমঞ্চে দাপট দেখাতে প্রস্তুত ভারত, তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির পথে দেশ: মোদি

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার জন্য ভারত এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে দেশ। দৃঢ় নীতিগত সংস্কার ও সিদ্ধান্তমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে ভারত আজ ‘রিফর্ম, পারফর্ম ও ট্রান্সফর্ম’-এর পথে এগিয়ে চলেছে। সংসদের বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ইতিমধ্যেই ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’-এ চেপে উন্নয়নের পথে দ্রুত এগোচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গে তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত ৯টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। পাশাপাশি ২৭টি দেশের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ‘মাদার অফ অল ডিলস’ সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মোদি বলেন, দেশে একটি শক্তিশালী উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে এবং উদ্যোক্তাদের সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভারতের তরুণ প্রতিভা ভাণ্ডারের দিকে বিশ্ব আশাভরে তাকিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিশ্ব দ্রুত একটি নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে এবং এই প্রেক্ষাপটে ভারত বহু দেশের কাছে একটি বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের যৌথ অধিবেশনে তাঁর ভাষণে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গত এক বছরে দেশের দ্রুত অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বড় অর্থনীতিগুলির মধ্যে ভারতের বৃদ্ধি হার অত্যন্ত উঁচু এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে—যা দেশের অর্থনীতির শক্ত ভিতের প্রমাণ।

পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের আগে ভারত ছিল ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’ অর্থনীতির তালিকায়, আর এখন দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস সরকারের আমলে উন্নয়নের ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গি ও দৃঢ়তার অভাব ছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসের ২৮ তারিখ সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

এর আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিজেপি সাংসদ মায়া নারোলিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে দেশ ধারাবাহিকভাবে এগোচ্ছে। তিনি জানান, এক লক্ষের বেশি আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলেও স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে পিএম কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পে প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন ৩৩০ মিলিয়ন টন ছাড়িয়েছে এবং ভারত বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ।

অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির সাংসদ সন্দীপ কুমার পাঠক অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অপব্যবহার করা হচ্ছে। তেলুগু দেশম পার্টির সাংসদ কে আর সুরেশ জিএসটি-তে আনা সংস্কারকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্যসীমার বাইরে তুলে আনা এবং জল জীবন মিশনের মাধ্যমে বাড়িতে বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

দিল্লিতে বড় সিদ্ধান্ত! ইস্টার্ন নাগাল্যান্ডের জন্য ফ্রন্টিয়ার অথরিটির অনুমোদন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কেন্দ্রীয় সরকার, নাগাল্যান্ড রাজ্য সরকার এবং ইস্টার্ন নাগাল্যান্ড পিপলস’ অর্গানাইজেশন (ENPO)-এর মধ্যে ফ্রন্টিয়ার নাগাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অথরিটি (FNTA) গঠনের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় অমিত শাহ বলেন, নাগাল্যান্ডবাসীর জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংঘাতমুক্ত, সহিংসতামুক্ত ও উন্নত উত্তর-পূর্ব ভারতের যে স্বপ্ন, তার পথে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকরা ENPO ও নাগাল্যান্ড সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করেছেন, যার ফলেই এই সমাধান সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ইস্টার্ন নাগাল্যান্ডের জনগণের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও বলেন, এই ঐতিহাসিক চুক্তি রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলে সমান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলির উন্নয়নে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

মাদক কারবারে বড় ধাক্কা! প্রগতি স্কুল এলাকায় ধরা পড়ল দুই হেরোইন পাচারকারী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রগতি স্কুল সংলগ্ন এলাকায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে দুইজন অভিযুক্ত মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে ওয়েস্ট থানার পুলিশ। অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকারও বেশি মূল্যের হেরোইন উদ্ধার হওয়ায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ধৃতদের নাম বান্টি নায়েক ও সুজিত রায়। দু’জনেই রাধানগরের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ জানতে পারে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় মাদক কারবার চালাচ্ছিল এই চক্র। বিশেষ করে স্থানীয় যুবকদের টার্গেট করে হেরোইন ও অন্যান্য নিষিদ্ধ মাদক সরবরাহ করছিল তারা।

বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে পুলিশ প্রথমে নজরদারি চালায়। এরপর পরিকল্পিতভাবে হানা দিয়ে দু’জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে একটি বড়সড় মাদক চক্রের পর্দাফাঁসের পথ খুলল।

ওয়েস্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জ রানা চট্টোপাধ্যায় জানান, ধৃতদের জেরা করে ইতিমধ্যেই মাদক সরবরাহের চেন ও চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তদন্ত এগোলে খুব শিগগিরই আরও গ্রেপ্তার হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

বৃহস্পতিবার ধৃতদের আদালতে পেশ করা হয় এবং পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরে বাড়তে থাকা মাদকাসক্তির রাশ টানতেই এই অভিযানসহ ধারাবাহিকভাবে মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে।

প্রগতি স্কুল এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের এই সাফল্যে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, গত কয়েক মাস ধরেই এলাকায় মাদক সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড বেড়ে যাচ্ছিল। পুলিশের এই তৎপরতায় তাঁরা আবারও নিরাপত্তা ও আস্থার অনুভূতি ফিরে পেয়েছেন।