Home Blog Page 55

‘ব্যক্তি গঠন থেকে জাতি গঠন’—বিজেপির প্রশিক্ষণ মহাভিযানে নিতিন নবীনের বার্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভারতীয় জনতা পার্টি বিশ্বের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত। দলটির মূল শক্তি প্রতিটি স্তরের নিবেদিতপ্রাণ কার্যকর্তা। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও জনমুখী করে তুলতেই নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে বিজেপি।

এই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রীয় কার্যালয়ে মাননীয় সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী নিতিন নবীনের পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত হয় “পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহাভিযান–২০২৬”। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ও ত্রিপুরা বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, প্রাক্তন মন্ত্রী ভগবান দাস, বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, বিজেপি মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী-সহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যকর্তারা।

বৈঠকে দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও মজবুত করা, বুথ স্তর থেকে শুরু করে জেলা ও রাজ্য স্তরে কার্যক্রমকে গতিশীল করার রূপরেখা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আসন্ন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কীভাবে কার্যকর্তাদের আরও দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও প্রস্তুত করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণ শিবিরে দলীয় আদর্শ, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘একাত্ম মানববাদ’ দর্শন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, কার্যকর জনসংযোগ এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিগুলি সাধারণ মানুষের কাছে আরও ভালোভাবে পৌঁছে দেওয়ার কৌশল নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

এদিন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি শ্রী নিতিন নবীন বলেন,

“সাংগঠনিক ফিটনেস প্রশিক্ষণের ভূমিকা ও তার গুরুত্ব নিয়ে আজ অর্থপূর্ণ সংলাপ হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ মহাভিযান ‘ব্যক্তি গঠন থেকে সংগঠন গঠন এবং সংগঠন গঠন থেকে জাতি গঠন’-এর মূল উদ্দীপনাকে চিহ্নিত করবে। এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নত ভারতের সংকল্প বাস্তবায়নের পথে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।”

বৈঠক শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দল আরও সুসংগঠিত হবে এবং আগামী দিনে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি ও জনভিত্তি আরও বিস্তৃত ও মজবুত হবে।

নির্ভরযোগ্য তথ্যেই টেকসই উন্নয়ন: প্রজ্ঞা ভবনে শিল্প উৎপাদন সূচক কর্মশালা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শিল্পোন্নয়নের সঠিক মূল্যায়নে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য পরিসংখ্যান যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আরও একবার তুলে ধরা হলো আগরতলায় অনুষ্ঠিত শিল্প উৎপাদন সূচক (IIP) বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালায়। শিল্প পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় ও আধুনিক করে তোলার লক্ষ্যে আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের অভিজ্ঞ আধিকারিকরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মাধ্যমে শিল্প পরিসংখ্যান সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আধুনিক পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, “কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত অভিজ্ঞ আধিকারিকদের অংশগ্রহণ জ্ঞান বিনিময় ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণই টেকসই উন্নয়নের মজবুত ভিত্তি। শিল্প উৎপাদন সূচকের ভিত্তিবর্ষ সংশোধন ও এর কারিগরি দিক নিয়ে এ ধরনের আলোচনা ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করে তুলবে।”

মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা জানান, নির্ভরযোগ্য তথ্য, সুসংগঠিত পরিকল্পনা এবং সমন্বিত উদ্যোগ—এই তিনের সমন্বয়েই একটি উন্নত ও আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব। শিল্পক্ষেত্রে সঠিক পরিসংখ্যানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজ্যের শিল্পোন্নয়নকে আরও গতিশীল করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই কর্মশালার মাধ্যমে শিল্প পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণে আরও তথ্যভিত্তিক ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

লোক ভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ, কৃষককল্যাণে আলোচনা পর্যটন মন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি জিরানীয়া মহাকুমার কৃষকদের সুবিধার্থে জিরানীয়ার মাধববাড়িস্থিত আন্তঃরাজ্য ট্রাক টার্মিনাসে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাজ্যের মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লুকে সাদর আমন্ত্রণ জানান রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। আজ লোক ভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে মহামহিম রাজ্যপালের সানুগ্রহ উপস্থিতি ও মূল্যবান সময় কামনা করেন তিনি।

এই সাক্ষাৎকারের সময় বর্তমান রাজ্য সরকারের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় পর্যটন, পরিবহন, খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের আওতায় গৃহীত বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি ও চলমান উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা সম্পর্কে রাজ্যপালকে সবিস্তারে অবগত করেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

বিশেষ করে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়সহ জনকল্যাণমুখী উদ্যোগগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন মন্ত্রী। রাজ্যপাল মহোদয় এই সকল দপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মন্ত্রীকে মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করেন এবং কৃষক স্বার্থে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন।

বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত: ভারত–জিসিসি ফ্রি ট্রেড ডিলের পথে বড় পদক্ষেপ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারত ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC)-এর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরের পথে বড় অগ্রগতি হল। আজ নয়াদিল্লিতে উভয় পক্ষের মধ্যে ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের টার্মস অফ রেফারেন্স (ToR) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল বলেন, ছ’টি জিসিসি দেশের সঙ্গে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আরেকটি বড় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডোর খুলে দেবে। তিনি জানান, ভারত খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির প্রথম পর্যায়ের ঘোষণা করবে। পীযূষ গোয়ালের কথায়, ভারত–আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি হবে ভারতের নবম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)।

মন্ত্রী বলেন, ভারত ও জিসিসি দেশগুলোর মধ্যে এখন আনুষ্ঠানিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে প্রবেশের উপযুক্ত সময় এসেছে। তাঁর মতে, ভারত–জিসিসি এফটিএ ভারতের শক্তি উৎসের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি, দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিরাপত্তা জোরদার এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

পীযূষ গোয়াল জানান, বর্তমানে ভারত ও জিসিসি দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, এবং প্রায় ১ কোটি ভারতীয় নাগরিক জিসিসি দেশগুলিতে বসবাস ও কাজ করেন। তিনি আরও বলেন, এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে ভারতের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পরিকাঠামো, পেট্রোকেমিক্যাল ও আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) খাত বিশেষভাবে লাভবান হবে এবং দু’পক্ষের সম্পর্ক আরও উচ্চতর পর্যায়ে পৌঁছাবে।

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিং নির্বাচন কমিশনের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আসাম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হতে চলা সাধারণ, পুলিশ ও ব্যয় পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্যে আজ ব্রিফিং বৈঠকের আয়োজন করল নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই ব্রিফিং বৈঠকে মোট ১,৪০০-র বেশি আধিকারিককে ডাকা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৭১৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ২৩৩ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৪৯৭ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক।

পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, তাঁদের নির্বাচন কমিশনের “দিশারী” হিসেবে কাজ করতে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সকল পর্যবেক্ষকের প্রধান দায়িত্ব হল স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

জ্ঞানেশ কুমার আরও জানান, এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি ৮২৪টি বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় ও গতিশীল করে তুলবে।

নতুন অধ্যায়ে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, বড় ঘোষণা বিদেশমন্ত্রীর

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর আজ বলেছেন, ঐতিহাসিক ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি এখন বিস্তারিত আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং খুব দ্রুত তা সম্পন্ন হবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর মার্কিন সফরকে উৎপাদনশীল ও ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

যোগাযোগ মাধ্যমে ড. জয়শঙ্কর বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি নতুন ধাপে নিয়ে যাবে, যেখানে সম্পর্কটি আরও বিস্তৃত সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।

জয়শঙ্কর আরও জানান, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা দ্রুত এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, আগামী দিনে কৌশলগত বিষয়, প্রতিরক্ষা ও শক্তি নিরাপত্তা-র ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দু’দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব তৈরি হবে।

১.৪ বিলিয়ন ভারতীয়ের শক্তি নিরাপত্তাই সরকারের প্রথম লক্ষ্য: বিদেশ মন্ত্রক

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারত সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে দেশের ১.৪ বিলিয়ন মানুষের শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আজ যৌথভাবে শনিবার দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রন্ধীর জৈস্বাল সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় শক্তি উৎসের বিবিধকরণই ভারতের শক্তি নীতির মূল ভিত্তি।

বক্তৃতায় জৈস্বাল বলেন, “যেখানে শক্তি নিরাপত্তা বা শক্তি উৎসের বিষয় বিবেচিত, সরকার বহুবার প্রকাশ্যে জানিয়েছে যে ১.৪ বিলিয়ন মানুষের শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাজারের বাস্তবতা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শক্তি উৎসকে বৈচিত্র্যময় করা সরকারের নীতির মূল ভিত্তি।”

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ভারতের শক্তি সম্পর্কের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে শক্তি খাতে ভারতের অন্যতম অংশীদার — এখানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উভয় ক্ষেত্রেই তাদের সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে ২০১৯–২০ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে ক্রুড তেল আমদানি হত, কিন্তু তখনকার সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষে কিছু সময় আবার আমদানি শুরু হলেও পুনরায় নিষেধাজ্ঞার প্রভাবের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।

জৈস্বাল আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তি উৎস নির্বাচন করার বিষয়ে ভারত সবসময়ই বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা বিবেচনায় নেয় এবং সেই ভিত্তিতেই ভেনেজুয়েলা বা অন্য কোনো উৎস থেকে তেল সংগ্রহের সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করতে আগ্রহী।

মানবিকতার বার্তা, শান্তিসংঘ ক্লাবের রক্তদান শিবিরে রাজ্যপাল

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রক্তদান হল জীবন দান। এর চেয়ে মহৎ দান আর কিছু হতে পারে না। আজ সকালে এডি নগর এলাকার চারিপাড়ার শান্তিসংখম ক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষ উদযাপন উপলক্ষো রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু একথা বলেন। তিনি বলেন, রক্তদান শুধুমাত্র একজনের জীবন রক্ষা করা নয়, এর মধ্য দিয়ে সমাজের ভিত শক্তিশালী হয়। পারস্পারিক সৌভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হয়। রক্তদানের পাশাপাশি অঙ্গদানেও আরও বেশি করে এগিয়ে আসার জনা সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাজ্যপাল বলেন, অঙ্গদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে। শান্তিসংঘ ক্লাবের ভূয়সী প্রশংসা করে রাজাপাল বলেন, খেলাধুলা ও শিক্ষার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলা, নারী ও শিশুদের ক্ষমতায়ণের মাধ্যমে এই ক্লাব একটি শক্তিশালী, সহনশীল এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ নির্মাণ করছে।

অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিধায়ক মিনারাণী সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শান্তিসংঘের চেয়ারম্যান সুজিত আচার্য। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্লাবের সম্পাদক রাজেন্দ্র দত্ত। অনুষ্ঠানে শান্তির বার্তা হিসেবে রাজাপাল একটি সাদা কবুতর উড়িয়ে দেন। লোক ভবন থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

“সুশাসনে দেশের প্রথম সারিতে ত্রিপুরা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা”

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সুশাসন মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো পরিচালনা নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের জীবনমান উন্নত করার একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া—এই বার্তা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। মঙ্গলবার আগরতলার হোটেল পোলো টাওয়ার্সে নীতি আয়োগের স্টেট সাপোর্ট মিশন (এসএসএম)-এর অধীনে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে নিয়ে আয়োজিত তৃতীয় আঞ্চলিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, দক্ষতা ও জনমুখী প্রশাসনই আধুনিক শাসনব্যবস্থার মূল স্তম্ভ। ছোট রাজ্য ও প্রতিষ্ঠানও উদ্ভাবন এবং সুশাসনের মাধ্যমে জাতীয় স্তরে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। বর্তমান রাজ্য সরকার সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে।

তিনি আরও বলেন, বিচ্ছিন্ন কোনও উদ্যোগ নয়, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারই প্রকৃত উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যে সুশাসন দপ্তর গঠন করা হয়েছে এবং নীতি আয়োগের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে ত্রিপুরা ইনস্টিটিউশন ফর ট্রান্সফরমেশন (টি.আই.এফ.টি.)। বর্তমানে টি.আই.এফ.টি. দেশের প্রথম সারির সাতটি রাজ্য প্রতিষ্ঠানের অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

স্টেট সাপোর্ট মিশনকে ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্যের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হয়েছে। রাজ্যের এস.আই.টি. শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে নীতি আয়োগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

রাজ্যের প্রশাসনিক সাফল্যের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা বর্তমানে দেশের একমাত্র রাজ্য যেখানে মন্ত্রিসভা থেকে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত সম্পূর্ণ পেপারলেস প্রশাসন কার্যকর রয়েছে। সামাজিক কল্যাণমূলক ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে

৮টি জাতীয় সড়ক, তবু ভোগান্তি! রাজ্যসভায় ত্রিপুরার রাস্তার দুরবস্থা নিয়ে সরব রাজীব

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মঙ্গলবার রাজ্যসভায় ত্রিপুরার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিকাঠামো নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বিজেপির প্রদেশ সভাপতি ও রাজ্যসভা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। তিনি NH-8 (মুঙ্গিয়াকামি–আম্বাসা), NH-108B, NH-208B এবং NH-208A সহ একাধিক জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরেন।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য জানান, ২০১৪ সালের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। ত্রিপুরায় আগে যেখানে মাত্র একটি জাতীয় সড়ক ছিল, বর্তমানে সেখানে মোট আটটি জাতীয় সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি সম্পূর্ণ হয়েছে এবং দুটি নির্মাণাধীন রয়েছে।

তবে এই অগ্রগতির পাশাপাশি সড়কের রক্ষণাবেক্ষণে একাধিক ঘাটতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ যাত্রী, কৃষিপণ্য পরিবহণকারী কৃষক, অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা এবং পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এর ফলে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাযোগ ও যাতায়াতে বড় ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।”

রাজীব ভট্টাচার্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রককে পিএম গতিশক্তি প্রকল্পের আওতায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলির বিস্তারিত সমীক্ষা করার পাশাপাশি দ্রুত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

ত্রিপুরার সড়ক পরিকাঠামোর দ্রুত সম্প্রসারণ যেমন ইতিবাচক দিক, তেমনি রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে—রাজ্যসভায় সাংসদের এই হস্তক্ষেপে সেই দ্বৈত চিত্রই স্পষ্ট হয়েছে। আগামী দিনে রাজ্য ও কেন্দ্র—উভয় সরকারের কাছেই বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।