Home Blog Page 52

কৃষকদের আয়ে ভরসা, জিরানীয়ায় ধান সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধন রাজ্যপালের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জিরানীয়ার আইএসটিটি কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাধববাড়ি সরকারি খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জিরানীয়া মহকুমার কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা কর্মসূচির আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু। অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে রাজাপাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান সংগ্রহ করছে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য করা হয়েছে ২৩ টাকা ৫৯ পয়সা প্রতি কেজি।

রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যের খাদ্য, গণবণ্টন ও ভোক্তাবিষয়ক দপ্তর কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে এবং কৃষকদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে। ন্যূনতম সহায়ক মূলো ধান ক্রয় করায় রাজ্যের ১ লক্ষ ২৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। খাদ্য শস্যের উৎপাদন আরও বাড়ানোর জনা রাজ্যপাল কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, কৃষকদের কল্যাণে এবং তাদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে রাজা সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান সংগ্রহ করছে। এবছর ২৮ জানুয়ারি ধর্মনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান কেনার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সারা রাজ্যে ৪১টি ধান সংগ্রহ কেন্দ্রের মাধ্যমে রাজ্য সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে।

অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ৫ জন প্রগতিশীল কৃষককে সংবর্ধনা জানান। তাদের প্রত্যেকের হাতে তিনি ১০ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কয়েকজন কৃষকের হাতে পাওয়ার ইউডার মেশিন তুলে দেন এবং ধান বহনকারী গাড়ির যাত্রার সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, গণবণ্টন ও ভোক্তাবিষয়ক দপ্তরের বিশেষ সচিব দেবপ্রিয় বর্ধন, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ফনিভূষণ জমাতিয়া, খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা সুমিত লোধ, কৃষি বিপনন দপ্তরের অধিকর্তা রতন দেববর্মা, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস প্রমুখ। লোক ভবন থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

জনমতের স্পষ্ট ইঙ্গিত! এডিসি ভোটের আগে মথা ছেড়ে বিজেপিতে ৩৮ পরিবারের ১৪০ জন ভোটার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল ১১ মহারানী এডিসি কেন্দ্রের আশারাম বাড়ি বিধানসভা এলাকার রামবাবু পাড়ায়। বিজেপি মণ্ডলের উদ্যোগে আয়োজিত যোগদান সভা কার্যত জনমতের স্পষ্ট প্রতিফলন হয়ে উঠেছে।

এদিন জানাজাতি মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার উপস্থিতিতে তিপ্রা মথা দল ত্যাগ করে ৩৮টি পরিবারের প্রায় ১৪০ জন ভোটার বিজেপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। বিরোধী শিবিরের ব্যর্থ প্রশাসন, ফাঁকা প্রতিশ্রুতি ও সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন রাজনীতির বিরুদ্ধেই মানুষের এই সিদ্ধান্ত বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

যোগদান সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, গত পাঁচ বছরে এডিসি প্রশাসনের আমলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাট, পানীয় জল, শিক্ষা সহ মৌলিক পরিষেবার ক্ষেত্রেও চরম অবহেলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার দাবি, এই ব্যর্থতার প্রতিবাদেই মানুষ আজ বিকল্প খুঁজে বিজেপির উপর আস্থা রাখছেন।

মন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাজ্য সরকারের নেতৃত্বে জনজাতি সমাজের শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি এবং সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। উন্নয়ন ও সুশাসনের এই ধারাবাহিকতাতেই আস্থা রেখে মানুষ স্থিতিশীল ও শক্তিশালী নেতৃত্বের পথে এগিয়ে আসছেন।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই যোগদান শুধু সংখ্যা নয়, বরং এডিসি নির্বাচনের আগে জনমনের স্পষ্ট বার্তা। আগামী দিনে আরও বহু মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপির পাশে দাঁড়াবেন বলে আশাবাদী দলীয় নেতৃত্ব।

চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা, মানুষের পাশে রাজ্য সরকার: মুখ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বর্তমান রাজ্য সরকার রাজ্যের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে উন্নততর স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আজ আগরতলার সোনারতরী হোটেলে অল ত্রিপুরা অপথালমোলজিক্যাল সোসাইটির ১২তম রাজ্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার মানুষের দোরগোড়ায় উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে।

মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং সরকারের বিভিন্ন জনমুখী উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের পাশাপাশি জেলা এবং মহকুমা হাসপাতালগুলিতে পরিকাঠামো উন্নয়ন, ট্রমা সেন্টার স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে টেলিমেডিসিন পরিষেবার সম্প্রসারণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ রাজ্যের মধ্যেই এখন মানুষ উন্নততর এবং সহজলভ্য চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ও মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার মাধ্যমে প্রচুর মানুষ প্রতিদিন বিনামূল্যের চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। যেসব শিশু জন্মগতভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, নিয়মিত স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং এবং পুষ্টি কর্মসূচি বিভিন্ন জায়গায় করা হচ্ছে। এরফলে রাজ্যে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, এ.জি.এম.সি. ও জিবিপি হাসপাতালে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য বিভাগ, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক, টেলিমেডিসিন সংযোগ, কিডনি প্রতিস্থাপন সহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা চালু করা হয়েছে। রাজ্যে মেডিক্যাল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে চক্ষু বিশেষজ্ঞদের ভূমিকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চক্ষু বিশেষজ্ঞগণ অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষের জীবনে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিচ্ছেন।

‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’-এর ডাক মুঙ্গিয়াকামিতে, জনজাতি কল্যাণমন্ত্রীর কড়া বার্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে আজ মুঙ্গিয়াকামি আইসিডিএস প্রকল্পের অন্তর্গত মুঙ্গিয়াকামি ব্লক ভিত্তিক বাল্যবিবাহ মুক্ত ভারত অভিযান এবং বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও শীর্ষক এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের বিএসি হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুঙ্গিয়াকামি ব্লক উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক অভিজিৎ কুমার দাস, তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ডেপুটি সিইও প্রদীপ কুমার সরকার, তেলিয়ামুড়া পুর এলাকার আইসিডিএস প্রকল্পের সিডিপিও শুবিনয় ভৌমিক, সমাজসেবী প্রশান্ত দেববর্মা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুঙ্গিয়াকামি আইসিডিএস প্রকল্পের চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসার অজিত মোহন জামাতিয়া। জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার মহিলাদের শিক্ষা থেকে শুরু করে আর্থিক দিক থেকে স্বনির্ভর করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, সমাজের প্রাথমিক শিক্ষা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকেই শুরু হয়। তাই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন। এদিন ৩ জন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও ৩ জন অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাকে এনগেজমেন্ট লেটার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি মুঙ্গিয়াকামি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফল করা ৬ জন ছাত্রীকে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনার আওতায় ৩ জন মাকে চেক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মুঙ্গিয়াকামি ব্লক এলাকার বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকা এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রহ্মকুন্ড পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনে পর্যটনমন্ত্রী, উন্নয়নে ১৪ কোটি বরাদ্দ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন ক্ষেত্রকে নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারে এমন জায়গা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ মোহনপুর ব্লকের অন্তর্গত ব্রহ্মকুন্ড পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিক নির্দেশিকা অনুসারে রাজ্যে পর্যটনের প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র ব্রহ্মকুন্ড এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

ব্রহ্মকুন্ড রাজ্যের একটি অন্যতম ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র। এই পর্যটন কেন্দ্রকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ব্রহ্মকুন্ড পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য যে কর্মকান্ড চলেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য পর্যটনমন্ত্রী আজ ব্রহ্মকুন্ড পরিদর্শন করেন। পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পর্যটন দপ্তরের সচিব উত্তম কুমার চাকমা, মোহনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক সজল দেবনাথ এবং অন্যান্য আধিকারিকগণ।

রাবার-চা-বাঁশ ঘিরে শিল্প সম্ভাবনা, আরবিএসএম-২০২৬-এ মন্ত্রীর বার্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন এবং বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আজ আগরতলার হোটেল পোলো টাওয়ার্সে রিভার্স বায়ার সেলার্স মিট অনুষ্ঠিত হয়। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। তিনি ৫০টি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প সংস্থার স্টলেরও উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর রিভার্স বায়ার সেলার্স বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাতে স্থানীয় উৎপাদকদের সঙ্গে বৃহৎ ক্রেতা সংস্থাগুলির সরাসরি ব্যবসায়িক আলোচনার সুযোগ ঘটে।

রিভার্স বায়ার সেলার্স মিটের উদ্বোধন করে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, রাজ্যে উৎপাদিত রাবার, বাঁশ, চা, আগর, কুটির শিল্প এবং মরশুমি ফলকে ভিত্তি করে শিল্প কারখানা গড়ে উঠার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলিতে পরিকল্পিত ভাবে কাজ করলে রাজ্যের ব্যবসায়ীগণ লাভবান হবেন এবং রাজ্যের অর্থনৈতিক ভিত্তিও শক্তিশালী হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তিনি তুলে ধরেন। এই ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সম্প্রতি পেশ করা কেন্দ্রীয় বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করার প্রস্তাব রয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যে শিল্পের প্রসারে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সব ধরণের প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭সালের মধ্যে ভারতকে শ্রেষ্ঠ দেশ এবং মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহার নেতৃত্বে ত্রিপুরাকে দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ রাজ্যে পরিণত করার জন্য সব ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিতো, রাবার বোর্ডের জয়েন্ট রাবার কমিশনার এন সালিক, ত্রিপুরা টি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সমীর রঞ্জন ঘোষ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের অধিকর্তা দীপক কুমার। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব সুভাষ চন্দ্র দাস।

কেন্দ্রীয় সরকারের এমএসএমই মন্ত্রক এবং শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের উদ্যোগে আজ রিভার্স বায়ার সেলার্স মিট-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। আরবিএসএম-২০২৬ এ দেশের ৩০টি শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা সংস্থা অংশ নিয়েছে। অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সিইএটি টায়ার্স, জেকে টায়ার্স, এমআরএফ টায়ার্স, আইটিসি, জেট ব্লেক, রিল্যাক্সো, প্রাণ বেভারেজ (ইন্ডিয়া), অন্নদা স্পাইসেস ইন্ডাস্ট্রি এবং জয়শ্রী টি এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রভৃতি।

বেতাগায় সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের সূচনা করলেন সমবায়মন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে আজ থেকে শান্তিরবাজার মহকুমার বেতাগা এগ্রি গোডাউন মাঠে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার কাজ শুরু হয়েছে। সমবায়মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ধান ক্রয়ের সূচনা করেন। বেতাগা এগ্রি গোডাউন মাঠে কৃষক সমাবেশে সমবায়মন্ত্রী বলেন, কৃষকরা হলেন অন্নদাতা, তাই ভগবান সমতুল্য কৃষকদের মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে বর্তমান সরকার। কৃষকরা যাতে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পান সে উদ্দেশ্যে সরকার সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা করেছে। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সরকার থেকে কৃষকদের হাতে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি,

সার, কীটনাশক ও বীজ তুলে দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের আয় বাড়লেই দেশের অর্থনীতি মজবুত হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শান্তিরবাজার পুর পরিষদের চেয়ারাপর্সন স্বপ্না বৈদ্য,

জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত, বেতাগা পঞ্চায়েতের প্রধান উত্তম বৈদ্য। বকাফা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান কৃষ্ণা রিয়াং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত ভাষণ দেন শান্তিরবাজার মহকুমার মহকুমা শাসক সঞ্জীব চাকমা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বকাফা এগ্রি মহকুমার তত্ত্বাবধায়ক রাজীব সেন। বেতাগা থেকে এবার ৮৪০ এমটি ধান ক্রয় করা হবে। প্রতি কেজি ধানের দাম ধার্য করা হয়েছে ২৩টা ৬৯ পয়সা।

টপ অর্ডার ভাঙলেও সূর্যের ঝোড়ো ইনিংসে ভারতের জয়

0
Mohammed Siraj of India celebrates the wicket of Andries Gous during Match 3 of the ICC Men’s T20I World Cup 2026 between India and the USA at Wankhede Stadium, Mumbai, on February 7, 2026.Photo: Deepak Malik / CREIMAS for BCCI

জনতার কলম স্পোর্টস ডেস্ক :- টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী দিনে চরম নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে অভিযান শুরু করল ভারত। মুম্বইয়ের মন্থর উইকেটে যুক্তরাষ্ট্র (USA)-র বিরুদ্ধে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে টিম ইন্ডিয়া। পাওয়ারপ্লেতেই ৪৬ রানে চার উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। অভিষেক শর্মা শূন্য রানে ফেরেন, ঈশান কিষান ও তিলক বর্মা দ্রুত সাজঘরে ফেরায় চাপে পড়ে যায় ব্যাটিং লাইন-আপ। শিবম দুবেও গতি বদলের ফাঁদে পড়ে আউট হন।

মাঝের ওভারগুলোতেও স্বস্তি ফেরেনি ভারতের ব্যাটিংয়ে। রিঙ্কু সিং এবং হার্দিক পান্ডিয়া প্রত্যাশামতো ছন্দে ব্যাট করতে ব্যর্থ হন। ১৩ ওভারে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কার্যত ব্যাকফুটে চলে যায় ভারত। তখন দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। অন্য প্রান্তে অক্ষর প্যাটেলকে নিয়ে ধীরে ধীরে ইনিংস গড়তে থাকেন তিনি।

শেষের দিকে সূর্যকুমারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। ১৯তম ওভারে একের পর এক চার-ছক্কায় ম্যাচের রাশ টেনে নেন অধিনায়ক। মন্থর পিচেও দারুণ টাইমিংয়ে শট খেলেন সূর্য। তাঁর ঝোড়ো ৮৪ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬১ রান তোলে ভারত।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ারপ্লেতেই ধাক্কা খায় যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতেই অ্যান্ড্রিস গাউস, মনাঙ্ক প্যাটেল ও সাইতেজা মুক্কামাল্লা আউট হয়ে গেলে ৬ ওভারে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। পরে মিলিন্দ কুমার ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি কিছুটা লড়াই দেখালেও ভারতের বোলারদের সামনে বেশিদূর টিকতে পারেননি।

ভারতের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মহম্মদ সিরাজ। দীর্ঘ বিরতির পর টি-২০ আন্তর্জাতিকে ফিরে তিন উইকেট তুলে নেন তিনি। আর্শদীপ সিং ও অক্ষর প্যাটেলও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা শেষ করে দেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানেই থেমে যায় যুক্তরাষ্ট্র।

ফলে ২৯ রানে ম্যাচ জিতে টি-২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। অধিনায়কের লড়াকু ইনিংস ও বোলারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সেই চাপের ম্যাচে দুই পয়েন্ট ঘরে তোলে টিম ইন্ডিয়া।

হেটমায়ারের ব্যাট ও শেফার্ডের আগুনে বোলিংয়ে স্কটল্যান্ড ধরাশায়ী

0

জনতার কলম স্পোর্টস ডেস্ক :- টি-২০ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে স্কটল্যান্ডকে ৩৫ রানে পরাজিত করে দাপুটে জয় পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ানদের দেওয়া ১৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারের আগেই ১৮.৫ ওভারে ১৪৭ রানে গুটিয়ে যায় স্কটল্যান্ড।

স্কটল্যান্ডের হয়ে অধিনায়ক রিচি বেরিংটন ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তিনি মাত্র ২৪ বলে ৪২ রান করেন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের দাপটের সামনে টিকতে পারেননি অন্য ব্যাটাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন রোমারিও শেফার্ড। তিনি পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পাশাপাশি জেসন হোল্ডার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন।

এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৮২ রান। দলের হয়ে ঝকঝকে ইনিংস খেলেন শিমরন হেটমায়ার। তিনি ৩৬ বলে ৬৪ রান করে ক্যারিবিয়ানদের বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেন। স্কটল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে ব্র্যাড কারি দুটি উইকেট তুলে নেন।

এদিকে, টি-২০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে নেদারল্যান্ডসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান।

অপারেশনাল প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পুঞ্চ সেক্টরে সেনাপ্রধানের সফর

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরের অগ্রবর্তী এলাকাগুলি পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। সফরকালে তিনি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি, নজরদারি ব্যবস্থা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুঁটিনাটি পর্যালোচনা করেন।

সেনাপ্রধান বাহিনীর মোতায়েন কৌশল, সীমান্তে নজরদারির পরিকাঠামো এবং সম্ভাব্য যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাদের প্রস্তুতির বিষয়টি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলির সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধান সামনের সারিতে থাকা জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কঠিন ভূখণ্ডে দায়িত্ব পালন করা সেনাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ও প্রস্তুতির প্রশংসা করেন। তিনি জানান, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সেনারা যে দৃঢ় মনোবল ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

সেনাপ্রধানের এই সফর বাহিনীর মনোবল আরও চাঙ্গা করবে বলেই মনে করছে প্রতিরক্ষা মহল।