Home Blog Page 47

ত্লাওং নদীর উপর ‘ফেইথ ব্রিজ’ উদ্বোধন করলেন লালদুহোমা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক:- লালদুহোমা বুধবার ত্লাওং নদীর উপর নির্মিত লেংটেকাই সেতুর উদ্বোধন করেন। ‘ফেইথ ব্রিজ’ নামে আনুষ্ঠানিকভাবে নামকরণ করা এই সেতুটি রাজধানী আইজল শহরকে একমাত্র লেংপুই বিমানবন্দর এবং ত্রিপুরা সীমান্তঘেঁষা মামিত জেলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করেছে।

কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের অর্থায়নে ৪৩.৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর দৈর্ঘ্য ১০০ মিটার, প্রস্থ ৭.৫ মিটার এবং উভয় পাশে ১.৫ মিটার প্রশস্ত ফুটপাথ রয়েছে। সেতুটি সর্বোচ্চ ৩৮৫ মেট্রিক টন পর্যন্ত ভার বহনে সক্ষম, ফলে অঞ্চলে পরিবহণ নিরাপত্তা ও সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সেতু স্থাপনের সময় পুলি বিকল হয়ে বড় ধরনের বিলম্বের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে দীর্ঘ প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির পর ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পুনরায় লঞ্চিং প্রক্রিয়া শুরু করা হয় এবং সফলভাবে সেতুটি স্থাপন করা সম্ভব হয়। সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ সংযোগ সড়কসহ অন্যান্য সমাপ্তি কাজ শেষ হওয়ায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পথ সুগম হয়।

তিনি বলেন, প্রায় ৮৫ হাজার মানুষের বসবাসকারী ও প্রায় ৯০টি গ্রামের সমন্বয়ে গঠিত মামিত জেলার জন্য এই সেতু একটি কৌশলগত করিডর হিসেবে কাজ করবে। সময়মতো ও গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, মিজোরামের সড়ক ঘনত্ব বর্তমানে প্রতি ১০০ বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৪৬.৩৭ কিলোমিটার, যা জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেকটাই কম। তাই পরিকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।

মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা ও ইতিবাচক ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদি-র

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে সপরিবারে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তারেক রহমানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মোদি দুই দেশের বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং দুই দেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। উভয় দেশের উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকারের মধ্যে যে দৃঢ় সাযুজ্য রয়েছে, তা ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথপ্রদর্শক হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনে জয়লাভের জন্য তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি মন্তব্য করেন, এই গণরায় দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার তাঁর ভাবনার প্রতি জনসমর্থনেরই বহিঃপ্রকাশ।

মোদি আরও জানান, সংযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং সাংস্কৃতিক ও জন-জন যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা রাখেন তিনি। পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের গুরুত্বও তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, গতকাল তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। প্রায় ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের পর, যা পরিচালনা করেছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস, দেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামরিক কর্মকর্তারা।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলটি ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়ে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে। ১৩ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য বরদাস্ত নয়: মুখ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা মঙ্গলবার উনকোটি জেলার ডেমডুমে এক দলীয় কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় দুই বিধায়ক ও একাংশের সংবাদমাধ্যমের মধ্যে চলা সাম্প্রতিক বিরোধ প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি নিজেদের পদমর্যাদার অপব্যবহার করে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অশালীন, অসভ্য ও মিথ্যা মন্তব্য করছেন, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, জনসমক্ষে সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। “এটি আমাদের সংস্কৃতি নয়, বরদাস্তও করা হবে না। আমরা ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর আদর্শে বিশ্বাসী। সরকার গঠনের পর থেকেই আমরা মিডিয়া-বান্ধব সরকার হিসেবে কাজ করে চলেছি,”—বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সম্প্রতি প্রবীণ সাংবাদিক শানিত দেবরায় ও প্রণব সরকারকে ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়। অভিযোগ, রঞ্জিত দেববর্মা প্রণব সরকারকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। অন্যদিকে, রামপ্রসাদ পালের সমর্থকদের বিরুদ্ধে শানিত দেবরায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে। যদিও শানিত দেবরায় শালীনতার খাতিরে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে এই ধরনের ঘটনার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, সংবাদমাধ্যমের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থান নিতেই প্রস্তুত।

‘তিপ্রাল্যান্ডের নামে বিভ্রান্তি’— ডেমডুমের সভা থেকে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে সামনে রেখে উনকোটি জেলার ডেমডুমে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হলো এক সুবিশাল জনজাতি সমাবেশ ও যোগদান সভা। ‘এডিসিকে সঙ্গে নিয়ে বিকশিত ত্রিপুরা’ গড়ার অঙ্গীকারকে সামনে রেখেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে ২১৫ জন ভোটার ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘তিপ্রাল্যান্ড’ ও ‘গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ড’-এর মতো ইস্যুকে সামনে রেখে সহজ-সরল জনজাতি ভাই-বোনদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এসব স্লোগানের আড়ালে প্রকৃত উন্নয়নের কাজ থমকে ছিল।

তিনি আরও বলেন, এডিসির ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। কখনও গাড়িতে হামলা, কখনও বাড়িতে আক্রমণ, কখনও দলীয় পতাকা নামিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে বিজেপির অগ্রযাত্রা থামানোর চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী দৃঢ় কণ্ঠে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র নেতৃত্বে ‘বিকশিত ভারত’-এর যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে দেশ এগোচ্ছে, সেই যাত্রা কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত হবে না। এডিসি এলাকাতেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই আশ্বাস দেন তিনি।

সমাবেশে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে ঘিরে সংগঠন শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনজাতি এলাকায় উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে বিজেপি জোরদার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

কর্মীদের আদর্শগত প্রশিক্ষণে জোর, রাজ্য বিজেপির কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ‘দীনদয়াল উপাধ্যায় ট্রেনিং মহা অভিযান ২০২৬’-কে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও সুসংহত করতে রাজ্যস্তরে প্রস্তুতি শুরু করল ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি। মঙ্গলবার আগরতলার কৃষ্ণনগরস্থিত দলীয় প্রাদেশিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, দলের মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব।

বৈঠকে মূলত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কাঠামো, বিষয়বস্তু ও রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য জানান, দলীয় কর্মীদের আদর্শগতভাবে আরও দৃঢ় ও সংগঠিত করে তুলতেই এই উদ্যোগ। তাঁর কথায়, “বিজেপি শুধু নির্বাচনী রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়, আদর্শভিত্তিক এক সামাজিক আন্দোলনের নাম। নতুন কর্মীদের দলীয় দর্শনের সঙ্গে পরিচিত করা এবং প্রবীণ কর্মীদের পুনরায় উদ্বুদ্ধ করাই এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, রাজ্য থেকে শুরু করে জেলা, মণ্ডল ও বিধানসভা স্তর পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে কর্মীদের নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসংযোগের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই প্রশিক্ষণ শিবিরে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’-এর দর্শন বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও জাতীয় অগ্রগতির বার্তা কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই হবে অন্যতম লক্ষ্য।

শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, বুথস্তরে সংগঠনকে আরও মজবুত করা, কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আগামী নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সব মিলিয়ে, তৃণমূল স্তরে কর্মী গড়ে তোলার মাধ্যমে আদর্শ ও সংগঠনের সমন্বয়ে এক সুসংগঠিত রণকৌশল গ্রহণ করল ত্রিপুরা বিজেপি।

বাল্যবিবাহমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে ত্রিপুরায় সচেতনতা অভিযান শুরু

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাল্যবিবাহমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ত্রিপুরা শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের উদ্যোগে আগরতলায় বিশেষ সচেতনামূলক প্রচার অভিযানের সূচনা হলো। সোমবার আগরতলার মেলার মাঠে, মহিলা কমিশন কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সূচনা করেন ত্রিপুরা শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান জয়ন্তী দেববর্মা। তিনি পতাকা নাড়িয়ে এই সচেতনতা অভিযানের শুভ সূচনা করেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝর্না দেববর্মা। এছাড়াও শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের অন্যান্য সদস্য ও আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি, যা কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক, মানসিক ও শিক্ষাগত বিকাশে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এই কুপ্রথা রোধে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

এই প্রচার অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সচেতনতা কর্মসূচি, প্রচার র‍্যালি ও আলোচনাসভা আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শিশুদের অধিকার রক্ষা ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সমাজকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

ভাতা ও সরকারি ঘর না পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সরাসরি আবেদন ৮৫ বছরের হুসেন মিয়ার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সরকারি সহায়তার প্রতিশ্রুতি বারবার মিললেও বাস্তবে কোনো সুবিধা না পেয়ে চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ৮৫ বছরের প্রবীণ হুসেন মিয়া। তিনি বিশ্রামগঞ্জ বড়জলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডিএম ও এসপি অফিস সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।

হুসেন মিয়া জানান, তিনি বিপিএল রেশন কার্ডধারী হওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত বৃদ্ধ ভাতা কিংবা সরকারি আবাসন সুবিধা পাননি। বার্ধক্যের কারণে কাজ করার সামর্থ্য নেই, স্থায়ী আয়ের কোনো উৎসও নেই। ফলে নিত্যদিনের খরচ জোগাড় করাই তাঁর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কেবল আশ্বাস ছাড়া আর কিছু মেলেনি। সমস্যার কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি বলেই দাবি তাঁর।

এই পরিস্থিতিতে তিনি সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন, যেন দ্রুত তাঁর বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রবীণের স্পষ্ট দাবি, জীবনের এই শেষ পর্যায়ে অন্তত বৃদ্ধ ভাতা ও একটি সরকারি ঘরের ব্যবস্থা করে সরকার মানবিকতার পরিচয় দিক।

জনজাতি কল্যাণে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা জনজাতি সম্প্রদায়ের জন্য গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনায় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে জনজাতি কল্যাণ সংক্রান্ত চলমান পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকাভিত্তিক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জনজাতি সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, শুধু আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নই নয়, পাশাপাশি তাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ডা. মানিক সাহা আরও বলেন, একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ভাবনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য জনজাতি সমাজের জীবনমানের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনার নির্দেশ দেন এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর মনিটরিং জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সরকারের এই উদ্যোগ জনজাতি সমাজের টেকসই উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।