Home Blog Page 25

জেওর বিমানবন্দর উদ্বোধনে মোদির তোপ: সপা-কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-গৌতম বুদ্ধ নগরের জেওরে নয়ডা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি (সপা) ও কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, আগে সপা নয়ডাকে “লুটের এটিএম” বানিয়ে রেখেছিল এবং কংগ্রেস ও আগের রাজ্য সরকারগুলো বছরের পর বছর এই বিমানবন্দরের কাজ শুরুই হতে দেয়নি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, “এই বিমানবন্দর এমনভাবে তৈরি হচ্ছে, যেখানে প্রতি দুই মিনিটে একটি করে বিমান উড়ান দেবে। আগে সপা নয়ডাকে লুটের কেন্দ্রে পরিণত করেছিল, আর আজ বিজেপি সরকারের অধীনে সেই নয়ডাই উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের শক্তিশালী ইঞ্জিন হয়ে উঠছে। জেওর বিমানবন্দর ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের কাজের সংস্কৃতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ।”

তিনি আরও জানান, ২০০৩ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকার এই প্রকল্প অনুমোদন করলেও পরবর্তী কংগ্রেস ও রাজ্যের আগের সরকারগুলি এটি এগোতে দেয়নি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত প্রকল্পটি ফাইলেই আটকে ছিল। পরে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর এবং উত্তরপ্রদেশে সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং আজ তা বাস্তবায়িত হয়েছে।

মোদি অভিযোগ করেন, আগে কুসংস্কারের কারণে অনেক নেতা নয়ডায় আসতে ভয় পেতেন। তিনি বলেন, “আমি যখন এখানে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আমি বলেছিলাম, এই মাটির আশীর্বাদ নিতে আসছি।”

তিনি আরও বলেন, আজ এই অঞ্চল বিশ্বের সামনে নিজেদের তুলে ধরার জন্য প্রস্তুত এবং আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দর শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি উন্নয়নের গতিকেও ত্বরান্বিত করে। ২০১৪ সালের আগে দেশে মাত্র ৭৪টি বিমানবন্দর ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে ১৬০-রও বেশি হয়েছে। এখন শুধু বড় শহর নয়, ছোট শহরগুলিতেও বিমান পরিষেবা পৌঁছে যাচ্ছে। আগে বিমানযাত্রা কেবল ধনীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু বিজেপি সরকার সাধারণ মানুষের জন্যও তা সহজলভ্য করে তুলেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় তেল সংকটের আশঙ্কা, জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন পদক্ষেপ আলবানিজ সরকারের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার অস্ট্রেলিয়াতেও পড়তে শুরু করেছে। সম্ভাব্য তেল সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বে দেশটির সরকার নতুন জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

সরকার জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি, সারসহ অন্যান্য জরুরি সামগ্রীর আমদানি নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ এবং জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন সিডনিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, সোমবার ফেডারেল পার্লামেন্টে একটি নতুন বিল পেশ করা হবে।

এই বিলের মাধ্যমে ‘এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স অস্ট্রেলিয়া’-কে বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে জ্বালানি ও অন্যান্য জরুরি পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আর্থিক গ্যারান্টি দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হবে। এর ফলে বিদেশ থেকে জাহাজে করে আসা জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

আলবানিজ বলেন, এই সহায়তা সাধারণ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে উপলব্ধ অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্যই এটি ব্যবহার করা হবে। এতে আমদানিকারকদের আর্থিক ঝুঁকিও কমবে।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানির দাম ব্যাপক হারে বেড়েছে এবং বিশেষ করে আঞ্চলিক এলাকাগুলিতে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। জ্বালানি মন্ত্রী বোয়েন জানান, দেশটির মজুদে এখন প্রায় ৩৯ দিনের পেট্রোল, ৩০ দিনের ডিজেল এবং ৩০ দিনের জেট ফুয়েল রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, স্বল্পমেয়াদে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আগামী মাসগুলোতে সংকট আরও তীব্র হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার দিন-রাত কাজ করছে যাতে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী পরিকল্পনা তৈরি করা যায়।

এছাড়া, তেল সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশ মালয়েশিয়া এবং আসিয়ান অঞ্চলের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলেও জানান আলবানিজ। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সোমবার জাতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকও ডাকা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিরোধী দল সরকারের কাছে তিন মাসের জন্য জ্বালানির উপর আরোপিত শুল্ক অর্ধেক করার দাবি জানিয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কিছুটা কমানো যায়।

ইন্ডিগো বিমানের জরুরি অবতরণে সরব রেণুকা, এয়ারলাইন্সের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ইন্ডিগো বিমানের ইঞ্জিন বিকল হয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস সাংসদ রেণুকা চৌধুরী। তিনি বলেন, “সবার আগে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, সব যাত্রী নিরাপদে আছেন।”

এরপরই বিমান সংস্থাগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে সরব হন তিনি। রেণুকা চৌধুরীর অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী বিমানের A, B এবং C ধরনের বিভিন্ন পর্যায়ের পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ হওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে তা ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে দেশে রেল দুর্ঘটনা এবং বিমান সংক্রান্ত সমস্যার সংখ্যা বেড়েছে, যা উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, সংস্থাগুলি যাত্রীদের নিরাপত্তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ভাড়া বাড়ানোর দিকে।

কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, “এদের মধ্যে মানবিকতা বা দায়িত্ববোধের অভাব রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার পরিবর্তে সংকটের সময় কীভাবে বেশি লাভ করা যায়, সেটাই যেন তাদের মূল লক্ষ্য। ”ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমান সংস্থাগুলির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ত্রিপুরায় মাদক ও মানি লন্ডারিং চক্রে ইডির কড়া পদক্ষেপ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বৃহৎ পরিসরে গাঁজা পাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির আগরতলা সাব-জোনাল অফিস প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (পিএমএলএ), ২০০২-এর আওতায় বিষু কুমার ত্রিপুরা, কামিনী দেববর্মা এবং বিকাশ দেববর্মার প্রায় ২.২১ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অস্থায়ীভাবে জব্দ (প্রভিশনাল অ্যাটাচ) করেছে।

ইডি সূত্রে জানা যায়, ত্রিপুরা পুলিশে দায়ের হওয়া একাধিক এফআইআরের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। মেলাঘর থানায় ২৪৩ কেজি এবং বিশালগড় থানায় ৩,৩৯০ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরেই পিএমএলএ-র অধীনে ইডি পৃথক মামলা রুজু করে। পরবর্তীতে বিষু কুমার ত্রিপুরার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়, যার ভিত্তিতে মেলাঘর থানায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্তে ইডি জানতে পেরেছে, বিষু কুমার ত্রিপুরা ও কামিনী দেববর্মা সংগঠিতভাবে গাঁজা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সিপাহীজলা জেলা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে তা পশ্চিমবঙ্গ, বিহার-সহ বিভিন্ন রাজ্যে পাচার করা হতো। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ হাওলা বা হুন্ডি মারফত নগদে লেনদেন করে নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হতো।

পরে সেই অর্থ ব্যবহার করে জমি-বাড়ি, যানবাহন, ইটভাটা ব্যবসা এবং কলকাতায় একটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও ভুয়ো আয়-ব্যয়ের হিসাবপত্র তৈরি করে কালো টাকাকে বৈধ আয়ের রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও ইডি জানিয়েছে।

এই চক্রে সহযোগী হিসেবে বিকাশ দেববর্মা নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে অপরাধমূলক অর্থ লেনদেন ও পাচারে সহায়তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় তদন্ত এখনও চলছে বলে জানিয়েছে ইডি।

তৃণমূলের চাপে মালদায় পুলিশ পর্যবেক্ষক পরিবর্তন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মালদা জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে মানিকচক, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রে নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বিহার ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হৃদয় কান্তকে। এর আগে এই চারটি কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন জয়ন্ত কান্ত।

তৃণমূল কংগ্রেস জয়ন্ত কান্তের নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানালে কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং পরবর্তীতে এই বদলির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

উত্তরাখণ্ডে ‘রেভিনিউ লোক আদালত’ উদ্বোধন, দ্রুত বিচারেই জোর ধামির

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি রাজ্যস্তরের ‘রেভিনিউ লোক আদালত’-এর উদ্বোধন করলেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। এ উপলক্ষে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য বিচারব্যবস্থাকে আরও সহজ, সুলভ ও কার্যকর করা এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই উদ্যোগকে তিনি বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াস’-এর ভাবনাকেই প্রতিফলিত করে। তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল যেন সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সর্বদা জোর দিয়ে আসছেন।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা রাজস্ব সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত ও কার্যকর নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এই ‘রেভিনিউ লোক আদালত’ আয়োজন করা হয়েছে। এই ধরনের মামলা শুধুমাত্র প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং তা কৃষকদের জমি, পরিবারের জীবিকা এবং মানুষের সম্মানের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

রাজ্যে বর্তমানে বিভিন্ন স্তরে—রাজ্য পর্যায়ে রেভিনিউ কাউন্সিল, বিভাগীয় পর্যায়ে কমিশনার আদালত, জেলা পর্যায়ে কালেক্টর আদালত এবং তহসিল পর্যায়ে এসডিএম, তহসিলদার ও নায়েব তহসিলদারদের আদালত মিলিয়ে ৪০০-র বেশি রাজস্ব আদালত কার্যকর রয়েছে। এসব আদালতে বর্তমানে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা বিচারাধীন।

এই সমস্যার সমাধানে রাজ্য সরকার ‘সরলীকরণ, সমাধান, নিষ্পত্তি ও সন্তুষ্টি’—এই চারটি মূলনীতির ভিত্তিতে ‘রেভিনিউ লোক আদালত’ চালু করেছে।

‘দোরগোড়ায় বিচার’ ধারণার আওতায় রাজ্যের ১৩টি জেলার ২১০টি স্থানে একযোগে এই লোক আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে প্রায় ৬,৯৩৩টি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি আবগারি, খাদ্য, স্ট্যাম্প ডিউটি, সারফেসি আইন, গুণ্ডা আইন, সিআরপিসি, বিদ্যুৎ আইন, সিনিয়র সিটিজেন আইন এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন সংক্রান্ত মামলাও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘মিনিমাম গভর্নমেন্ট, ম্যাক্সিমাম গভর্ন্যান্স’-এর লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে কাজ চলছে। ‘রেভিনিউ কোর্ট কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ পোর্টালের মাধ্যমে রাজস্ব আদালতের কার্যক্রম ডিজিটাল করা হয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই মামলা দায়ের ও তার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

তিনি নির্দেশ দেন, কোনও আপত্তিহীন উত্তরাধিকার সংক্রান্ত ক্ষেত্রে জমির নামজারি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এমনকি মালিকের মৃত্যুর পর তেরো দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ করে পরিবারের হাতে হালনাগাদ খতিয়ান তুলে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি জমির পরিমাপ ও দখল সংক্রান্ত বিরোধ এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন।

লোক আদালতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে তিনি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সব পক্ষের বক্তব্য শুনে সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিচার প্রদান করা হয়। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগের ফলে নাগরিক পরিষেবা আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

ভার্চুয়াল বৈঠকে মুখ্যসচিব আনন্দ বর্ধন জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী রাজস্ব সংক্রান্ত মামলাগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জমি সংক্রান্ত মামলাগুলির জট কাটানো হবে। তিনি সমস্ত জেলা শাসকদের এক মাসের মধ্যে বকেয়া মামলাগুলি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। এদিনের বৈঠকে রাজস্ব সচিব রঞ্জনা রাজগুরুও উপস্থিত ছিলেন।

কলকাতায় ‘জনগণের চার্জশিট’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব শাহ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির প্রবীণ নেতা অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যর্থ হয়েছে এবং রাজ্যের শ্রমিকদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে উঠেছে।

শনিবার কলকাতায় ‘জনগণের চার্জশিট’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে অমিত শাহ বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের তোষণনীতির ফলেই পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকরা কম মজুরি ও খারাপ পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনকালকে “অত্যাচার ও দুর্ব্যবস্থার উদাহরণ” বলে উল্লেখ করেন।

এসআইআর (Special Intensive Revision) ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করার জন্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শাহ। তিনি দাবি করেন, তামিলনাড়ু ও কেরলের মতো অন্যান্য রাজ্যে এই প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়েনি।

রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গেও সরব হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের প্রতি সমর্থনের কারণে ৩০০-রও বেশি মানুষ খুন হয়েছেন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই বিজেপি সমর্থক। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন অমিত শাহ, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মোদি-ট্রাম্প ফোনালাপ: ইলন মাস্ক যুক্ত থাকার খবর খারিজ বিদেশ মন্ত্রকের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত টেলিফোন কথোপকথনকে ঘিরে জল্পনার অবসান ঘটাল বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ওই আলোচনা শুধুমাত্র দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

তিনি আরও বলেন, আলোচনায় টেক উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক যুক্ত ছিলেন বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এই ধরনের প্রতিবেদনকে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

মুখপাত্র জানান, এই ফোনালাপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মতামত বিনিময় করেন। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আগরতলায় নিয়ম ভেঙে জ্বালানি বিক্রি, সিল পেট্রোল পাম্প

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা শহরের গণরাজ চৌমুহনী এলাকায় অবস্থিত একটি পেট্রোল পাম্পকে সাময়িকভাবে সিল করে দিল প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছিল, ওই পাম্পে নিয়মবহির্ভূতভাবে ড্রাম, প্লাস্টিক বোতলসহ বিভিন্ন ঢিলা পাত্রে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল।

শুক্রবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাম্পে উপস্থিত গ্রাহকদের সঙ্গে কর্মীদের তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কিছু সচেতন গ্রাহক পাম্পে বেআইনি ভাবে জ্বালানি বিক্রির ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা চলতে থাকে এলাকায়।

ঘটনার ভিডিও সামনে আসার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। খাদ্য ও নাগরিক সরবরাহ দফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল শনিবার ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যায়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে পাম্প কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং পাম্পটি কয়েক দিনের জন্য সিল করে দেওয়া হয়।

এক কর্মকর্তা জানান, “গত রাতে আমরা পেট্রোল পাম্পটির বিরুদ্ধে প্লাস্টিকের পাত্রে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ পাই। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত চালানো হয়। তদন্তে বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হওয়ায় মালিকপক্ষকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং আপাতত পাম্পের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

পাম্পটি কবে পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা জানানো হয়নি। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান হলে তবেই পুনরায় পাম্পটি চালুর অনুমতি দেওয়া হবে।

টিটিএএডিসি ভোটের আগে হিংসার ছায়া, বিজেপি-তিপ্রা মথা সংঘাতে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- টিটিএএডিসি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল ১৭-পেকুয়াজলা জন্মেজয়নগর কেন্দ্রের অন্তর্গত জরুলবাছাই এলাকায়। বিজেপি ও তিপ্রা মথা—উভয় দলের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হিংসা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলই শ্রীনগর থানায় পৃথক এফআইআর দায়ের করেছে। বিজেপির অভিযোগ, তিপ্রা মথার প্রার্থী গীতা দেববর্মার নির্দেশে তাদের সমর্থকরা স্থানীয় বাজারে বিজেপি প্রার্থী মাজি দেববর্মার ছেলের দোকানে হামলা চালায় এবং দোকান ভাঙচুর করা হয়। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু তার জন্য কাউকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা উচিত নয়।

অন্যদিকে, তিপ্রা মথা পাল্টা অভিযোগ করে জানিয়েছে, বিজেপি প্রার্থীই এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তাদের দাবি, উভয় দলের প্রার্থীর নেতৃত্বে যখন মিছিল বাজার এলাকায় পৌঁছায়, তখন বিজেপি নেতা নিজের কর্মীদের তিপ্রা মথার সমর্থকদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেখে তারা আত্মরক্ষার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

তিপ্রা মথা নেতাদের আরও অভিযোগ, দলীয় কর্মসূচি শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাদের দুই কর্মীর উপর হামলা হয় এবং তাদের মোটরসাইকেল ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়। ঘটনার সময় এলাকায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।