Home Blog Page 24

‘মন কি বাত’ কর্মসূচির মাঝেই কল্যানপুরে বিজেপির ঝুলিতে ৩৫ নতুন সদস্য

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কল্যানপুর-প্রমোদনগর মন্ডলের ২৮ নম্বর বুথে রবিবার এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন স্থানীয় বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, মন্ত্রী টিঙ্কু রায়সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব এবং জনজাতি কার্যকর্তারা একসাথে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১৩২তম পর্বটি শ্রবণ করেন।

কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসাহ ও উদ্দীপনার পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের যে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে উপস্থিত নেতৃবৃন্দও নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন।

এদিন একইসঙ্গে রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। কল্যানপুর-প্রমোদনগর মন্ডলে ১১টি পরিবারের মোট ৩৫ জন ভোটার ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। মন্ত্রী টিঙ্কু রায় নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানান।

নবাগতদের উপস্থিতিতে দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নেতৃত্ব। পাশাপাশি, আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষিতে এই যোগদান বিজেপির পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করবে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

অমরপুরে সাংগঠনিক বৈঠকে প্রাণজিৎ সিংহ রায়, লক্ষ্য ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন TTAADC নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে বিজেপি। এই প্রেক্ষাপটে অমরপুর মন্ডল কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক শ্রী রঞ্জিত দাস, সংখ্যালঘু কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শ্রী জসিম উদ্দিন, TTAADC নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী অবীন্দ্র রিয়াং ও সম্রাট জমাতিয়া, মন্ডল সভাপতি সহ জেলা ও মন্ডল স্তরের অন্যান্য নেতৃত্ব।

বৈঠকে মূলত আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভোট কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা ও জনসংযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

এদিন অর্থমন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিশানির্দেশনা এবং মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার নেতৃত্বে রাজ্যের জাতি-জনজাতির মানুষ TTAADC-তেও ‘ট্রিপল ইঞ্জিন’ সরকার গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি সকল কর্মী-সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করতে পারে।

 

ত্রিপুরার সৌর সাফল্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বীকৃতি, বললেন বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ত্রিপুরার দুর্গম জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় সৌর মাইক্রোগ্রিড এখন আশা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকামি আরডি ব্লকের কর্ণারাম পাড়ায় এই পরিবর্তনের স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে, যা আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।

রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শোনার পর মোহনপুর মণ্ডলের অভিচরণ এলাকায় সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে এই তথ্য জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিদ্যুৎ যোজনা’-র সুফল পৌঁছাচ্ছে। ত্রিপুরার রিয়াং জনজাতি অধ্যুষিত বহু গ্রামে আগে বিদ্যুতের সমস্যা ছিল, কিন্তু এখন সৌর মিনি-গ্রিডের মাধ্যমে ঘরে ঘরে আলো পৌঁছেছে। ফলে শিশুরা এখন সন্ধ্যার পরেও পড়াশোনা করতে পারছে, মোবাইল চার্জ করতে পারছে এবং গ্রামগুলির সামাজিক জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

পরবর্তীতে বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, রাজ্যের পাহাড়ি এলাকায় সৌর মিনি-গ্রিডের মাধ্যমে ৩৪৭টি এলাকায় মোট ১২,১০৩টি পরিবারকে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর’ প্রকল্পের অধীনে ২,৭৫৩টি পরিবার সোলার প্যানেল স্থাপন করেছে। এছাড়া ৭,৯৯১টি কৃষক পরিবার সোলার পাম্প পেয়েছে, যার ফলে প্রায় ৪০,০০০ কানি জমিতে সেচের সুবিধা হয়েছে। ‘পিএম ডিভাইন’ প্রকল্পে ২৪৭টি এলাকায় ৯,৭২৫টি বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে এবং ‘পিএম জনমান’ প্রকল্পে ৩০টি এলাকায় ১,৭০৩টি পরিবার উপকৃত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আজ ত্রিপুরায় সূর্যের আলো শুধু ঘর আলোকিত করছে না, মানুষের স্বপ্নকেও আলোকিত করছে। ‘মন কি বাত’-এ এই উদ্যোগের প্রশংসা করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, অন্ধকার থেকে আলোর এই যাত্রা শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ নয়, আত্মনির্ভরতার নতুন সূচনা। তিনি আরও যোগ করেন, “ত্রিপুরা এখন সৌরশক্তির মাধ্যমে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।”

‘রাজনীতি নয়, ঐক্য প্রয়োজন’—মন কি বাতে মোদির বার্তা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সতর্ক করে বলেন, গুজবের ফাঁদে পা না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারের দেওয়া তথ্যের উপরই ভরসা রাখা উচিত। গুজব ছড়িয়ে দেশের ক্ষতি করা হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, বিশ্বজুড়ে পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে একটি সংকট তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, এই অঞ্চল ভারতের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় কেন্দ্র হওয়ায় পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং। তবে গত এক দশকে গড়ে ওঠা ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও সক্ষমতা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহায্য করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মোদি বলেন, কোভিড পরিস্থিতির মতোই দেশ এই চ্যালেঞ্জও সফলভাবে মোকাবিলা করবে। তিনি জানান, উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী এক কোটিরও বেশি ভারতীয়কে সহায়তা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানান।

এই ইস্যুতে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ না করারও আবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৪০ কোটির দেশের স্বার্থের প্রশ্নে কোনও ধরনের স্বার্থপর রাজনীতির জায়গা নেই।

অনুষ্ঠানে ‘জ্ঞান ভারতম’ সমীক্ষার কথাও তুলে ধরেন মোদি। দেশের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণে এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। জ্ঞান ভারতম অ্যাপের মাধ্যমে পাণ্ডুলিপির ছবি ও তথ্য শেয়ার করা যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এছাড়াও যুব সংগঠন ‘মাই ভারত’-এর ভূমিকার প্রশংসা করে মোদি বলেন, দেশের উন্নয়নে যুব সমাজকে যুক্ত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। সম্প্রতি আয়োজিত ‘বাজেট কুইজ’-এ প্রায় ১২ লক্ষ যুব অংশ নেয় বলেও তিনি জানান।

ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ভারতীয়দের সাফল্যের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর দলের প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি জয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য সচেতনতার উপর জোর দিয়ে মোদি চিনি ও তেলের ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে ফিটনেসের উপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

জল সংরক্ষণ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ত্রিপুরার জামপুই পাহাড়ের ওয়াংমুন গ্রামের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, কীভাবে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে একটি গ্রাম জল সংকট কাটিয়ে উঠেছে।

এছাড়াও মৎস্যজীবী, সৌর শক্তি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় শক্তি। শেষে প্রধানমন্ত্রী সকলকে নিজেদের আশেপাশের অনুপ্রেরণামূলক গল্প শেয়ার করার আহ্বান জানান।

জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কার পাশে ভারত, ৩৮ হাজার মেট্রিক টন তেল পাঠালো দিল্লি

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- জ্বালানি সরবরাহে সংকটে পড়া শ্রীলঙ্কার পাশে দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত। এই সহায়তার জন্য ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দিসানায়েকে জানান, কয়েকদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। সেই আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি সরবরাহে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা তিনি তুলে ধরেন। এরপরই ভারত দ্রুত সহায়তা প্রদান করে।

তিনি জানান, শনিবার কলম্বোতে ৩৮ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি পৌঁছেছে। এই কঠিন সময়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করে তাঁকে ধন্যবাদ জানান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট।

এদিকে, শ্রীলঙ্কা পোদুজনা পেরামুনা (এসএলপিপি)-র সাংসদ নমল রাজাপক্ষে-ও ভারতের এই সহায়তার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ভারত সবসময়ই ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতির মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে।

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ করা পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সময়মতো ৩৮ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম সরবরাহ করে ভারত আবারও প্রমাণ করেছে যে সংকটকালে শ্রীলঙ্কার পাশে সবার আগে থাকে। জরুরি সরবরাহ থেকে আর্থিক সহায়তা—সব ক্ষেত্রেই ভারতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক উন্নয়নের জন্য দেশগুলির মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি, জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারতের মতো শুল্ক নীতির বিষয়েও ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।

তেহরানে ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রীয় অংশে একাধিক সামরিক স্থাপনায় বড়সড় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। আইডিএফ জানিয়েছে, এই অভিযানে ইরানের সামরিক অবকাঠামোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে একযোগে আঘাত হানা হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরান সরকারের সঙ্গে যুক্ত অস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎপাদন কেন্দ্রগুলি। পাশাপাশি অস্থায়ী কমান্ড সেন্টার, যেখানে শীর্ষ কমান্ডাররা অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে, সেগুলিও ধ্বংস করা হয়েছে।

এই হামলায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নজরদারি পোস্টগুলিও টার্গেট করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের শিক্ষা ও ঐতিহ্যবাহী স্থানে হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, ইউএসএস ট্রিপোলি পৌঁছাল ৩,৫০০ সেনা নিয়ে

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ইরানকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইউএসএস ট্রিপোলি যুদ্ধজাহাজে করে প্রায় ৩,৫০০ মেরিন ও নৌসেনা সদস্য ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে।

আমেরিকা-শ্রেণির এই অ্যাম্ফিবিয়াস অ্যাসল্ট শিপটি ট্রিপোলি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ এবং ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে কাজ করছে। এতে পরিবহণ ও স্ট্রাইক ফাইটার বিমান, অ্যাম্ফিবিয়াস আক্রমণ সক্ষমতা এবং বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এই মোতায়েনকে বৃহত্তর সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত। একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) মধ্যপ্রাচ্যে আরও প্রায় ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে।

যদিও এই অতিরিক্ত সেনা কোথায় মোতায়েন করা হবে তা স্পষ্ট নয়, তবে সূত্রের দাবি—এই বাহিনীকে এমন স্থানে রাখা হতে পারে, যেখান থেকে ইরান এবং তার গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করা সম্ভব।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

‘নো কিংস’ স্লোগানে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন ও বিদেশ নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ‘নো কিংস’ ব্যানারে একত্রিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদে সামিল হন।

আয়োজকদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত জাতীয় আন্দোলনের অংশ, যার আওতায় গোটা দেশে ৩ হাজারেরও বেশি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিনেসোটার সেন্ট পলে স্টেট ক্যাপিটলে অনুষ্ঠিত প্রধান সমাবেশে প্রায় ২ লক্ষের বেশি মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

প্রতিবাদকারীরা রাস্তায় মিছিল বের করে, স্লোগান দেয় এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে পোস্টার ও ব্যানার প্রদর্শন করে। বিশেষ করে কঠোর অভিবাসন নীতি এবং ইরানকে ঘিরে মার্কিন অবস্থানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো এবং সান ফ্রান্সিসকোসহ বড় শহরগুলিতেও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বহু জায়গায় প্রতিবাদকারীরা প্রধান সড়কে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

সেন্ট পলের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। গভর্নর টিম ওয়ালজ সমাবেশে ভাষণ দেন এবং সংগীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংস্টিন একটি গান পরিবেশন করেন। এছাড়া সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, ক্রিস্টিন গিলিব্র্যান্ড, জোন বেজ, ম্যাগি রজার্স ও জেন ফন্ডার মতো পরিচিত মুখও বিক্ষোভে অংশ নেন।

প্রতিবাদকারীরা জানান, এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করা। হিউস্টনে বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের একটি বড় প্রতিকৃতি নিয়ে মিছিল করেন, যা গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।

প্রতিনিধি জন লারসন বলেন, “আমেরিকায় কোনও রাজা নেই”—এই বার্তা দিতেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। অন্যদিকে সিনেটর গিলিব্র্যান্ড বলেন, সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেওয়া, ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্ষমতার ব্যবহার নয়।

সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সও বলেন, “২০২৬ সালে আমাদের বার্তা স্পষ্ট—আর কোনও রাজা নয়। আমরা এই দেশকে স্বৈরতন্ত্রের দিকে যেতে দেব না।”

এই বিক্ষোভে মার্কিন রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ—বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ঝড়, এক সপ্তাহেই ১০৮৮ কোটির রেকর্ড

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-আদিত্য ধর পরিচালিত এবং রণবীর সিং অভিনীত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে নজির গড়েছে। মাত্র আট দিনে ছবিটি বিশ্বব্যাপী মোট ১,০৮৮ কোটি টাকা গ্রস আয় করে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ব্লকবাস্টার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

জিও স্টুডিওস এবং বি৬২ স্টুডিওসের তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি ভারতে আয় করেছে ৮১৪ কোটি টাকা গ্রস, আর বিদেশে সংগ্রহ করেছে ২৭৪ কোটি টাকা। দেশে ছবিটির নেট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬৯০ কোটি টাকা।

প্রযোজনা সংস্থার দাবি, মুক্তির প্রথম সপ্তাহের প্রতিটি দিনেই ছবিটি নতুন রেকর্ড গড়েছে। সবচেয়ে দ্রুত ১০০০ কোটি ক্লাবে প্রবেশ, সর্বোচ্চ ওপেনিং উইকেন্ড এবং সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়েও শক্তিশালী আয়—সব ক্ষেত্রেই নতুন মাইলস্টোন তৈরি করেছে এই ছবি।

মুক্তির প্রথম চার দিনেই বিশ্বব্যাপী ৭৬১ কোটি টাকা আয় করে ছবিটি শক্তিশালী সূচনা করে। এরপরও গতি বজায় রেখে সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতেও ভালো ব্যবসা করেছে—

 

সোমবার: ৬৪ কোটি

 

মঙ্গলবার: ৫৮ কোটি

 

বুধবার: ৪৯ কোটি

 

বৃহস্পতিবার: ৫৩ কোটি (ভারত)

 

এছাড়া, এই ছবিই প্রথম ভারতীয় সিনেমা যা একদিনে এক ভাষায় ১০০ কোটির বেশি নেট আয় করেছে। প্রিভিউসহ প্রথম দিনেই ছবির আয় ছিল ১৪৫ কোটি টাকা (নেট)।

গত ১৯ মার্চ মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল, কন্নড় ও মালয়ালম—পাঁচটি ভাষায় একযোগে মুক্তি পায়।

ছবিতে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছেন আর. মাধবন, অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, সারা অর্জুন এবং রাকেশ বেদী।

গল্পের পটভূমি পাকিস্তানের করাচির লিয়ারি অঞ্চল—যেখানে গ্যাং ওয়ার এবং আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংঘর্ষের ইতিহাস রয়েছে। ছবিতে রণবীর সিং অভিনীত চরিত্র হামজা আলি মাজরির উত্থান এবং তার অতীত পরিচয় জাসকিরাত সিং রাঙ্গির রূপান্তরের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন জ্যোতি দেশপান্ডে ও লোকেশ ধর।

মঙ্গলখালি খুনে বড় সাফল্য, মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মঙ্গলখালি খুনের ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে অভিযানে নেমে পাঁচ অভিযুক্তের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ধর্মনগর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাত প্রায় সাড়ে ১০টা নাগাদ রাগনা এলাকা থেকে জাহার উদ্দিন ওরফে সাব উদ্দিন (৪২)-কে আটক করা হয়। ধৃতের বাড়ি মঙ্গলখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নম্বর ওয়ার্ডে।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) ২০২৩-এর একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নম্বর ২০২৬ DMN ০১৭ অনুযায়ী ৩৫১(৩), ১২৬(২), ১০৯(১), ১১৮(২), ৩ ও ৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে, এই ঘটনায় এখনও চার অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি জোরদার করেছে পুলিশ। ধর্মনগর থানার ওসি মিনা দেববর্মা জানান, খুব শীঘ্রই বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। পাশাপাশি, এলাকাবাসীকে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ঘটনার পর থেকেই মঙ্গলখালি এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নজরদারি। তদন্ত চলাকালীন প্রশাসন পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে।