Connect with us

Uncategorized

জিএসটির সংস্কারে সব রাজ্যের সঙ্গে ঐকমত্য চায় কেন্দ্র

Published

on

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পণ্য ও পরিষেবা করের (জিএসটি) সার্বিক সংস্কারে সবুজ-সঙ্কেত দিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। বাদল অধিবেশন সমাপ্ত হবে আগস্টের ২১ তারিখে। তার পরেই জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হবে। সেখানেই এই কর-কাঠামোর সার্বিক সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে জিএসটির সার্বিক সংস্কারের আগে রাজ্যগুলির সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছোতে চায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। প্রস্তাবিত সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রক পর্যায়ের আলোচনাও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক সূত্রে দাবি করা হয়েছে, জিএসটির কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি বিভিন্ন পদ্ধতিগত সংস্কার করে বিষয়টিকে আরও সহজ ও সরল করে তোলার চেষ্টা করা হবে। জিএসটি কাঠামো পরিবর্তনের জন্য একটি মন্ত্রিগোষ্ঠী তৈরি করা হলেও, তারা এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রের তরফে জিএসটির কাঠামো, পদ্ধতিগত সংস্কারের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন দলের সাংসদেরাও জিএসটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকে দরবার করেছেন। বর্তমান স্তর-কাঠামোয় জিএসটিতে রয়েছে ৫টি স্তর: ০ শতাংশ, ৫ শতাংশ, ১২ শতাংশ, ১৮ শতাংশ এবং ২৮ শতাংশ। অর্থ মন্ত্রক এবং জিএসটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৫ শতাংশ কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত ২১ শতাংশ পণ্য। ১২ শতাংশের আওতায় রয়েছে ১৯ শতাংশ পণ্য, ১৮ শতাংশের আওতাধীন ৪৪ শতাংশ পণ্য। তবে জিএসটির সর্বোচ্চ কাঠামো ২৮ শতাংশের আওতায় রয়েছে মোট ৩ শতাংশ পণ্য। অর্থ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ শতাংশ কাঠামো তুলে দিয়ে পণ্য বিবেচনা করে সেগুলিকে ৫ অথবা ১৮ শতাংশের আওতাভুক্ত করা হবে।

সূত্রের দাবি, জিএসটি কাঠামোর সংস্কার করা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ স্তরের বৈঠক হয়েছে। এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর অর্থ মন্ত্রক এবং জিএসটি বিভাগের আধিকারিকদের বক্তব্য, জিএসটির সরলীকরণ করা হলে দেশের অর্থনীতির ওপর তার সদর্থক প্রভাব পড়বে। জিএসটি কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব এবং সেগুলি নিয়ে আলোচনা এবং ১২ শতাংশ কাঠামো প্রত্যাহার করা হলেও, কোন্ পণ্য কত শতাংশ কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে-সব বিষয়ে এখনও কোনও খসড়া-প্রস্তাব তৈরি হয়নি। তবে অর্থ মন্ত্রকের একটি সূত্রের দাবি, যে-সমস্ত দৈনন্দিন পণ্য-সামগ্রী রয়েছে, সেগুলিকে ৫ শতাংশ কর-কাঠামোয় নিয়ে আসা হবে। যদিও এই সমস্ত কিছুই এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের আলোচনার মধ্যেই রয়েছে।

Continue Reading