Uncategorized
কানহাইয়া কুমার না এলেও শান্তিপূর্ণ ভাবেই ইন্ডিয়া জোট প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন বুধবার
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শান্তিপূর্ণ ভাবেই ইন্ডিয়া ও এনডিএ জোট পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলো। কংগ্রেসের কানহাইয়া কুমার না এলেও মনোনয়নের এই মিছিলে ইন্ডিয়ার মিছিলে কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র সুপ্রিয়া শিনেত ছিলেন।উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, সিপিএম নেতা পবিত্র কর, মানিক দে , বিধায়ক সুদীপ বর্মন সহ কংগ্রেস, সিপিএম সহ জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মিছিলে লোকসভা পশ্চিম আসনের প্রার্থী আশিস সাহা ও রামনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী রতন দাস ছিলেন। এদিন রাজধানীর রবীন্দ্র ভবনের সামনে থেকে পশ্চিম আসনের কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুমার সাহাকে নিয়ে বের হয় মিছিল। বিশাল মিছিল শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে অফিস লেন এলাকায় যায়। পরে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন ইন্ডিয়া জোট প্রার্থী।
এদিন সিপিআইএম রাজ্য কমিটির সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন ১৮ তম লোকসভা নির্বাচন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে যখন দেশের সরকার আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত সাথে ক্ষমতাসীন দলও। তিনি বলেন ইলেক্টোরল বন্ড প্রমাণ করে দিয়েছে না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গার দল সবচেয়ে বেশি খেয়েছেন। তিনি বলেন স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় আর্থিক দুর্নীতি হল ইলেক্টোরাল বন্ড যার সাথে পুরোপুরি বিজেপি দল জড়িত।
নিজেরা চুরি করে এখন বিরোধী দলের নেতাদের মুখ্যমন্ত্রীকে ইডি সিবিআই লেলিয়ে জেলে আটকে রেখে নির্বাচন করতে চাইছে। তিনি বলেন এখানে একজন শিখণ্ডীকে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে এই রাজ্যে ধংসাত্মকলীলা চালাচ্ছে। রাজ্যে দুই প্রার্থী দিতে কালঘাম ছুটে গেছে রাজ্য বিজেপির এই অভিযোগ করে তিনি অভিযোগ পরিযায়ী পাখির মত দুই প্রার্থী বাছাই করে এনে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করে জিততে চাইছে।
জিতেন বাবু বলেন সেটা এবার হবে না। যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করে মানুষকে ঠকানোর জবাব এবার ইন্ডিয়া জোট দেবে। তিনি অভিযোগ করেন নির্বাচন কমিশনের একটি অংশ নিরপক্ষে ভূমিকা পালন করতে পারছে না। তারা একই জায়গায় লাগানো আমাদের ও বিজেপির পতাকার মধ্যে আমাদের পতাকা খুলে নিয়ে যাচ্ছে। এটা হতে পারে না বলে জিতেন্দ্র চৌধুরী সতর্ক করে দেন।
