জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কৈলাসহরের মনু নদীর বাঁধ নির্মাণে ব্যাপক কারচুপি। দপ্তরের নির্দিষ্ট গাইডলাইন না মেনে মর্জি মাফিক কাজ করছে ঠিকেদার। কাজের গুনগত মান নিয়ে শুরুতেই প্রশ্ন উঠেছে। রহস্যজনক কারনে শাসক দলের নেতা কর্মীরা নীরব দর্শকের ভূমিকায়। ৫ দফা দাবি নিয়ে সিপিএমের ডেপুটেশন।
বন্যা কবলিত কৈলাসহরকে রক্ষা করতে সাম্প্রতিক কালে কৈলাসহরের মনু নদীর পাড়ের বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজের শুরুতেই দপ্তরের নির্দিষ্ট গাইডলাইন মানা হচ্ছে না। কাজের শুনগত মান নিয়ে গোটা কৈলাসহরবাসী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও সরব হয়েছেন।
এরই পাশাপাশি বামপন্থীরাও মাঠে নেমে বাঁধের নিম্নমানের কাজের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। শনিবার দুপুরে সি.পি.আই.এম কৈলাসহর মহকুমা কমিটির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধি দল ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক দিলিপ কুমার চাকমার নিকট এক ডেপুটেশনে মিলিত হয়। উল্লেখ্য, কৈলাসহর মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় মনু নদীর পাড়ের বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হয়নি।
২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে কৈলাসহরের দুর্গাপুর এলাকায় মনু নদীর পাড়ের বাঁধ ভেঙে গিয়ে প্রায় সাতদিন শহরবাসীরা জলমগ্ন ছিলো। দীর্ঘ তালবাহানার পর সাম্প্রতিক কালে বাঁধের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজটি খুবই নিম্নমানের হচ্ছে। দপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী বাঁধের উপর ছাব্বিশ সেন্টিমিটার মাটি ফেলে সেই মাটির উপর জল ঢেলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন দিয়ে ভাইব্রেটিং করে ফের ছাবিবশ সেন্টিমিটার মাটি ফেলে জল ঢেলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন দিয়ে ভাইব্রেটিং করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।
ডেপুটেশন শেষে সি.পি.আই.এম কৈলাসহর মহকুমা কমিটির সম্পাদক অঞ্জন রায় সংবাদ প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন সঠিকভাবে বাঁধের কাজ না হলে আগামী বর্ষায় গোটা কৈলাসহর জলমগ্ন হয়ে যাবে। গাইড লাইন মোতাবেক বাঁধের উপর পিচ রাস্তা এবং ইট সলিং রাস্তার ইট তোলে কাজ করার কথা থাকলেও ইট না তোলে কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজের সাইডে গিয়ে প্রতিবাদকরলেও ঠিকাদার কারোর কথা শোনছেন না বলে অভিযোগ।