Home Blog Page 58

ইন্দো-বাংলা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা, দুই বাংলাদেশি আটক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইন্দো-বাংলা সীমান্তের জয়পুর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিএসএফের ৪২ নম্বর ব্যাটালিয়ন এই অভিযান চালায়।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, আটক হওয়া দুই যুবকের নাম জাহাঙ্গীর মিয়া ও হৃদয় সরকার। তাঁরা দু’জনেই বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন তাঁরা।

ঘটনার পর বিএসএফ ও ত্রিপুরা পুলিশ যৌথভাবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্য ও পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ওয়েস্ট থানার ওসি রানা চ্যাটার্জি জানান, আটক দু’জনকে শনিবার আদালতে তোলা হবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

স্বাস্থ্য পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে এইমসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ, মুখ্যমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আধুনিক ও রোগীবান্ধব করতে একগুচ্ছ সংস্কারমূলক উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু করেছে ত্রিপুরা সরকার। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা আরও শক্তিশালী করা, আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো, অপারেশন থিয়েটার চালু করা, পিপিপি মডেলে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম যুক্ত করা এবং হাসপাতালের সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার কাজ চলমান রয়েছে।

রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই ‘মেরা হসপিটাল’ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার শুরু হয়েছে রাজ্যে। পাশাপাশি রোগীদের কাছ থেকে নিয়মিত মতামত সংগ্রহ ও পরিষেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এইমস-এর ‘সন্তুষ্ট’ অ্যাপ চালুর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা এইমস, নয়া দিল্লি ও ত্রিপুরা সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (MoU)-এর ভিত্তিতে গৃহীত পদক্ষেপগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিক এবং এইমস কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালের অক্টোবরে স্বাক্ষরিত MoU এবং ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারির পরবর্তী আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (ATR) বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবা ও মেডিক্যাল শিক্ষার মান উন্নয়নে এইমস-এর সঙ্গে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতা গড়ে তোলা।

চুক্তি অনুযায়ী প্রশাসনিক সংস্কার, শিক্ষক উন্নয়ন কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে ত্রিপুরায় একটি স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দিকেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মাধ্যমে মেডিক্যাল শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে জানানো হয়, আইটি-নির্ভর ব্যবস্থা চালু, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ, নতুন বিভাগ গঠন এবং পরিষেবা বিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মতো একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যাতে চুক্তির বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হয়। এসব উদ্যোগের ফলে হাসপাতাল পরিষেবা, মেডিক্যাল শিক্ষার মান এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য প্রশাসনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এইমস, নয়া দিল্লির সঙ্গে যৌথভাবে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ও মেডিক্যাল শিক্ষা পরিকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

এই ভার্চুয়াল বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্তে (আইএএস), স্বাস্থ্য পরিষেবা অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা, পরিবার কল্যাণ ও রোগ প্রতিরোধ অধিকর্তা ডা. অঞ্জন দাস, মেডিক্যাল শিক্ষা অধিকর্তা অধ্যাপক (ডা.) এইচপি শর্মা, যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. রাজেশ অনিল আচার্য, আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডা. বিধান গোস্বামী এবং এজিএমসি-র অধ্যক্ষ অধ্যাপক (ডা.) তপন মজুমদার।

২৭ জনের মৃত্যুতেও ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি! মমতাকে কটাক্ষ অমিত শাহের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- জ্যেষ্ঠ বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ অভিযোগ করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার মাতুয়া এবং নামাসুদ্র সম্প্রদায়কে হুমকির মুখে ফেলছে। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠে গত কর্মী সম্মেলনে তিনি বলেন, মাতুয়া ও নামাসুদ্র সম্প্রদায়ের কোনো ভয় থাকা উচিত নেই।

শ্রী শাহ আরও বলেন, তৎপরতা কীভাবে প strain প্রসেসের বিরোধী হোক না কেন, তা রাজ্যে চালু হবেই এবং রুখে দিতে পারবে না। তিনি অভিযোগ করেন যে রাজ্য সরকারের সহায়তার অভাবের কারণে সীমান্ত এলাকায় বেড়া—ফেন্সিং স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের নাজিরাবাদে অস্তিত্বে থাকা একটি গুদামে আগুনে ২৭ জনের পুড়ে মৃতু্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে অমিত শাহ বলেন, এই দুর্ঘটনা রাজ্য শাসিত দলের দুর্নীতির ফল। তিনি বলেন, এমন মৃত্যুতেও মুখ্যমন্ত্রী ভোট ব্যাংক রাজনীতিতে লিপ্ত রয়েছেন।

শ্রী শাহ আরও অভিযোগ করেন যে রাজ্য শাসিত দলের ঘনিষ্টদের এই ঘটনায় যুক্ত থাকার কারণে মামোন কোম্পানির মালিককে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি।

ভারত-ওমান কৌশলগত অংশীদারিত্বে নতুন গতি, জয়শঙ্কর-আলবুসাইদি বৈঠক

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডা. এস জয়শঙ্কর আজ ওমানের বিদেশমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ (ক্রিটিক্যাল মিনারেলস) এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডা. জয়শঙ্কর জানান, এই আলোচনা ভারত ও ওমানের কৌশলগত অংশীদারিত্বের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও স্বচ্ছন্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, দুই দেশ ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে একমত হয়েছে।

এই বৈঠকের মাধ্যমে ভারত-ওমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন গতি পাবে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করছে।

শিক্ষাকেই উন্নয়নের মূল ভিত্তি করে ত্রিপুরাকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শিক্ষাকে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করে ত্রিপুরাকে একটি শক্তিশালী এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান রাজ্য সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করে চলেছে—এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা।

আজ আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের প্লাটিনাম জুবিলির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাকে উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধরে রাজ্য সরকার সুসংহত ও লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই ফলশ্রুতিতে ত্রিপুরা আজ দেশের তৃতীয় পূর্ণ সাক্ষর রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। বর্তমানে রাজ্যের সাক্ষরতার হার ৯৫.৬ শতাংশ, যা এক ঐতিহাসিক সাফল্য।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ছাত্রছাত্রীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছে না, বরং তাদের মানবিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা, আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে গড়ে তুলছে।

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র গৌরব ও ঐতিহ্য রয়েছে। এটি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং চরিত্র গঠন, শৃঙ্খলাবোধ ও দেশপ্রেমের বিকাশে এক অনন্য পীঠস্থান। রাজ্যের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ এই বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরেই সমাজ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা আজ দেশ-বিদেশে সাফল্যের সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আজকের দিনটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের স্মরণ করারও দিন বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষার কোনও শেষ নেই—এটি একটি জীবনব্যাপী যাত্রা। শিক্ষা সেই সেতু, যা অজ্ঞতাকে জ্ঞানের সঙ্গে এবং অন্ধকারকে আলোর সঙ্গে যুক্ত করে।

স্বামী বিবেকানন্দের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “মানুষের অন্তর্নিহিত পূর্ণতার বিকাশই হচ্ছে শিক্ষা।” পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান নয়, বরং মূল্যবোধ, বিকাশ ও জাতি গঠনের অন্যতম হাতিয়ার।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের চিত্রও তুলে ধরেন। তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পার্সোনালাইজড অ্যাডাপটিভ লার্নিং, বিদ্যাজ্যোতি স্কুলে রূপান্তর, আইসিটি সুবিধা, স্মার্ট ক্লাসরুম, টিঙ্কারিং ল্যাব, সুপার ৩০ প্রকল্প, কন্যা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বাইসাইকেল, চিফ মিনিস্টার্স অ্যানুয়াল স্টেট অ্যাওয়ার্ড, জাতীয় শিক্ষানীতির প্রবর্তন, টি-স্কোয়াফ পদ্ধতি, বিদ্যাসেতু মডিউল, মিশন মুকুল, সহর্ষ কার্যক্রম, পি এম জনমন প্রকল্প, একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল, এমনকি ড্রোন শিক্ষার মতো আধুনিক উদ্যোগ রাজ্যে সফলভাবে রূপায়িত হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আইন-শৃঙ্খলা—সব ক্ষেত্রেই ত্রিপুরা আজ এগিয়ে চলেছে। শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা ও ছাত্রকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে গুণগত শিক্ষার প্রসারে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আজকের দিনটিকে বিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বিদ্যালয়ের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামীদিনে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা জাতীয় শিক্ষানীতিকে পাথেয় করে আরও এগিয়ে যাবে।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সম্পাদক ও প্রাক্তন বিধায়ক ডা. দিলীপ দাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মজুমদার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক তপন চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

মহাত্মা গান্ধীর শহীদান দিবসে MGNREGA পুনর্বহালের দাবিতে আগরতলায় প্রদেশ কংগ্রেসের গণবস্থান

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীর শহীদ দিবসে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠল। জাতির জনকের তিরোধান দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে চলা আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজ্যে মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট (MGNREGA) পুনর্বহালের দাবিতে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করলেন কংগ্রেস নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে আগরতলার কংগ্রেস ভবনের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা-সহ দলের প্রথম সারির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের পদাধিকারী এবং কর্মী-সমর্থকরা এতে অংশ নেন।
কর্মসূচির শুরুতে নেতৃবৃন্দ কংগ্রেস ভবনে মহাত্মা গান্ধীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর মৌন মিছিল সহকারে সকলে গান্ধী ঘাটে যান এবং সেখানে জাতির জনকের শহীদ বেদি তথা অন্যান্য দেশনায়কদের স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার MGNREGA আইন বাতিল করে নতুন একটি বিল (VB-G RAM G Bill) এনেছে, যাতে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর নাম সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে। এই প্রকল্প গ্রামীণ মানুষের জীবনরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার ছিল, যা গান্ধীজীর আদর্শের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। নতুন আইনে শুধু নাম পরিবর্তন নয়, গ্রামীণ অর্থনীতি ও মানুষের অধিকারও বিপন্ন হবে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী কংগ্রেসের আন্দোলন চলছে, আর তারই অংশ হিসেবে ত্রিপুরায় এই গণঅবস্থান পালন করা হল। আমরা দাবি করছি – পুরনো MGNREGA আইন অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে হবে।”
এই কর্মসূচি কংগ্রেসের “SAVE MGNREGA” আন্দোলনের অংশ, যা কেন্দ্রের নতুন বিলের বিরুদ্ধে গ্রামীণ শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার লড়াইকে তীব্রতর করেছে। রাজ্যের কংগ্রেস নেতৃত্ব জানিয়েছে, এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সুখবর, সেরে ওঠার পথে ওয়াশিংটন সুন্দর; আশাবাদী নির্বাচকরা

0

জনতার কলম স্পোর্টস ডেস্ক :- আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির খবর। চোট কাটিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর। নির্বাচক কমিটির সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপে তাঁর খেলার ব্যাপারে আপাতত কোনও সংশয়ের কারণ নেই।

২৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার গত ১১ জানুয়ারি বরোদায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর থেকে মাঠের বাইরে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্স (CoE)-এ রিহ্যাব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচকরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন।

ভারত তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে, প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টি-টোয়েন্টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ শেষ হবে ৩১ জানুয়ারি। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় দল মুম্বইয়ে একত্রিত হবে এবং ৪ ফেব্রুয়ারি ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একটি ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই ম্যাচে ওয়াশিংটন সুন্দরের খেলা এখনও নিশ্চিত না হলেও, বিশ্বকাপের জন্য তাঁকে নিয়ে আশাবাদী নির্বাচকরা।

এর আগে বিসিসিআই এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, বরোদায় প্রথম ওয়ানডে চলাকালীন বোলিং করার সময় ওয়াশিংটন সুন্দরের বাঁ দিকের নিচের পাঁজরের অংশে অস্বস্তি অনুভূত হয়। পরবর্তী স্ক্যান ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে তাঁর চিকিৎসা ও রিহ্যাব শুরু হয়।

এদিকে, তিলক বর্মাকে নিয়েও আশার আলো দেখছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সামান্য অস্ত্রোপচারের কারণে মাঠের বাইরে থাকা এই হায়দরাবাদ ব্যাটার ৪ ফেব্রুয়ারির ওয়ার্ম-আপ ম্যাচে খেলার জন্য প্রস্তুত হতে পারেন বলে জানা গেছে। বিসিসিআই জানিয়েছে, তিলক ধীরে ধীরে শারীরিক অনুশীলন এবং স্কিল-ভিত্তিক ট্রেনিংয়ে ফিরছেন।

অন্যদিকে, চলতি সিরিজে ব্যর্থতা সত্ত্বেও সঞ্জু স্যামসনকে বিশ্বকাপ দলে রাখার সিদ্ধান্তে অনড় নির্বাচকরা। ওপেনার হিসেবে তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স (১০, ৬, ০ ও ২৪ রান) খুব একটা আশাব্যঞ্জক না হলেও, তাঁকে দলে রাখার বিষয়ে আপাতত কোনও পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই। যদিও বিশ্বকাপে ওপেনার হিসেবে ঈশান কিষান তাঁকে টপকে যেতে পারেন।

বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়া শুভমন গিলকে নিয়ে বিতর্কও তুঙ্গে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, শুভমন গিলের ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলে থাকা উচিত ছিল। তাঁর মতে, গিল একজন অসাধারণ অলরাউন্ড ব্যাটসম্যান এবং সব ফরম্যাটেই কার্যকর।

ভারতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল:

সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), তিলক বর্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), রিঙ্কু সিং, জসপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা, অর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী, ওয়াশিংটন সুন্দর, ঈশান কিষান (উইকেটকিপার)।

চলতি অর্থবছর শেষের আগেই প্রকল্পের কাজ সম্পন্নের নির্দেশ মৎস্যমন্ত্রী সুধাংশু দাসের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই বাজেটে বরাদ্দপ্রাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দিলেন প্রাণীসম্পদ বিকাশ ও মৎস্যমন্ত্রী সুধাংশু দাস। মঙ্গলবার খোয়াই জেলাশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তর, মৎস্য দপ্তর এবং প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে গিয়ে তিনি এই নির্দেশ দেন।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা গেলে ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্প গ্রহণের জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া সহজ হয়। এর ফলে সমাজের অন্তিম প্রান্তের মানুষ পর্যন্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। তিনি এই তিনটি দপ্তরের রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি করে সচেতন করার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের পর্যালোচনায় মন্ত্রী নির্দেশ দেন, শিক্ষার্থীদের স্টাইপেন্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যেন কোনও ধরনের জটিলতা বা বিলম্ব না হয়, সে বিষয়ে দপ্তরের আধিকারিকদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

মৎস্য দপ্তরের কাজকর্ম নিয়ে আলোচনাকালে মৎস্যমন্ত্রী জলাশয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি, পুরনো জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মাছচাষ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন জলাশয়ে অধিক হারে মাছের পোনা ছাড়ার উপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি মৎস্যচাষিদের বিজ্ঞানসম্মত মাছচাষের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এলাকাভিত্তিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার এবং সময়ের কাজ সময়মতো শেষ করার ওপর বিশেষ জোর দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী সুধাংশু দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা সিংহ রায় (দত্ত), সহকারী সভাধিপতি সত্যেন্দ্র চন্দ্র দাস, বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা, খোয়াই জেলার জেলাশাসক রজত পন্থ সহ প্রাণীসম্পদ বিকাশ, তপশিলি জাতি কল্যাণ ও মৎস্য দপ্তরের সচিব দীপা ডি. নায়ার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা ভাস্কর ভট্টাচার্য, খোয়াই জেলার ছয়টি ব্লকের বিডিও, খোয়াই ও তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধিরা।

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে আরও এক ধাপ: প্রজ্ঞাভবনে এআই সচেতনতা কর্মশালা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লির ভারত মন্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। এই আন্তর্জাতিক স্তরের গুরুত্বপূর্ণ সামিটকে সামনে রেখে মঙ্গলবার প্রজ্ঞাভবনে আয়োজন করা হয় এক আঞ্চলিক সচেতনতামূলক কর্মশালার।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব জে কে সিনহা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আসন্ন এআই সামিট সম্পর্কে সকলকে সম্যক ধারণা দিতেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী যুবসমাজকে রাজ্য ও দেশের অন্যতম বড় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে মুখ্যসচিব বলেন, আগামী দিনে উন্নত প্রযুক্তির হাত ধরেই যুবসমাজ দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। বর্তমানে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ক্রমশ প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠছে। এই কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও প্রয়োগ সম্পর্কে আরও সমৃদ্ধ হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও প্রযুক্তি দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে বলেন, দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়া এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর প্রস্তুতি পর্ব হিসেবেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধুমাত্র একটি আধুনিক প্রযুক্তি নয়, বরং এটি প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। কর্মশালায় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কীভাবে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য এআই ব্যবহৃত হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তিনি রাজ্যের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের এই প্রযুক্তি বিপ্লবে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযানের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করার বার্তা দেন। পাশাপাশি, এধরণের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি দপ্তরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও প্রযুক্তি দপ্তরের অধিকর্তা সুপ্রকাশ জমাতিয়া। কর্মশালায় এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক দুটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিতদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মহাত্মা গান্ধীর প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দু’মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

শহীদ দিবসে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা, গান্ধীজীর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান রাজ্যপালের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আজ ৩০ জানুয়ারি, মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যু দিবস। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে আত্মবলিদানকারী সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু আজ সার্কিট হাউজ সংলগ্ন মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে জাতির জনকের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি গান্ধীঘাটে অবস্থিত গান্ধীবেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রাজ্যপালের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা উপস্থিত থেকে গান্ধীজীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্যও জাতির জনকের স্মৃতির প্রতি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, মহাত্মা গান্ধী সত্য, অহিংসা ও স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর জীবনদর্শন অনুসরণ করেই দেশকে স্বনির্ভর ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি দেশবাসীর প্রতি স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

লোক ভবন সূত্রে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।