Home Blog Page 548

দেশকে যারা সর্বনাশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তাদের পরাস্ত করতে হবে : মানিক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- যত বেশি ভোটার বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া-ই হচ্ছে কাজ। এই জায়গায় সমস্ত রকম সঙ্কীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে উদার দৃষ্টিভঙ্গী নিতে হবে। রাজনৈতিক যে কৌশল নিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে তাকে বাস্তবায়নের জন্য ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। সেই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে এগিয়ে যাবেন।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম ত্রিপুরা আসনের ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুমার সাহার সমর্থনে নতুননগর স্কুম মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এই আহ্বান রাখলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। এদিনের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় এস সি ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান রাজেশ লিলোটিয়া,পশ্চিম আসনের প্রার্থী আশীষ কুমার সাহা সহ অন্যান্যরা।

আলোচনা করতে গিয়ে মানিক সরকার অভিযোগ করেন বিজেপি বিচার ব্যবস্থাকেও বগলদাবা করার চেষ্টা করছে। বিচারক বাছাইয়ের যে পদ্ধতি তা বিজেপি সরকার মানতে চাইছে না। তিনি বলেন, সঙ্কীর্ণতা ছেড়ে সিপিএম কর্মীদের ঘরে ঘরে যেতে হবে। মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে বিনয়ের সঙ্গে। মানুষকে বুঝিয়ে জয় করে আনতে হবে।

মানিক বাবু ভোটারদের কাছে আহ্বান রাখেন, বিধানসভা নির্বাচনে বড়জলা কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থীকে যত ভোটের ব্যবধানে জয়ী করেছেন তার চেয়ে আরও বেশি ভোটের ব্যবধানে ইন্ডিয়া জোট প্রার্থীকে লোকসভা ভোটে জয়ী করার। তিনি বলেন, দেশকে যারা সর্বনাশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তাদের পরাস্ত করতে হবে।

কংগ্রেস – সিপিএম এর জামানত জব্দ হবে, পশ্চিম ত্রিপুরা এবং রামনগরে আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন : দীপক 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রামনগরে উদ্দীপনাময় মোটর বাইক রেলি ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা রামনগর মণ্ডলের তরফে। এদিন সাড়া জাগানো বাইক রেলি রামনগর কেন্দ্রে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সঙ্গেই ১৯ এপ্রিল রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ- নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে রামনগর কেন্দ্রে ঝড়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী তথা আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।

বাড়ি বাড়ি প্রচারের পাশাপাশি মিছিল- সভা পদযাত্রা করছেন বিজেপি প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে রবিবার এই কেন্দ্রে হয় মোটর বাইক রেলি যুব মোর্চার উদ্যোগে।এদিন সকালে বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে বের হয় মিছিল।সাড়া জাগানো মোটর বাইক রেলি রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে।

বাইক রেলির সামনে হুড খোলা গাড়িতে ছিলেন প্রার্থী দীপক মজুমদার, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি তথা বিধায়ক সুশান্ত দেব, বিজেপি সদর শহর জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য সহ অন্যরা। রেলি এলাকার যেদিকে গেছে সাধারণ মানুষ উৎসাহ জুগিয়েছেন।

এদিন প্রার্থী দীপক মজুমদার আশাব্যক্ত করেন, পশ্চিম আসন ও রামনগর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দ্বয় বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। অন্যদিকে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি বলেন, যুব মোর্চার সদস্যরা মাঠে নেমে পড়েছেন। প্রতিটি বুথে কংগ্রেস- সিপিএম এর জামানত জব্দ হবে।

 

 

গণতন্ত্রের জন্য সাইক্লোথন, রাইড টু ভোট

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১৯ এপ্রিল ভোটাররা যাতে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন,উৎসবের মেজাজে, শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতে এতে শামিল হন সকলে। রবিবার রাজধানীতে বাই সাইকেল রেলির মাধ্যমে এই বার্তা দিলেন মুখ্য সচিন জে কে সিনহা। এদিন পশ্চিম জেলা নির্বাচনী আধিকারিক কার্যালয়ের তরফে আগরতলা শহরে হয় বাইসাইকেল রেলি। গণতন্ত্রের জন্য সাইক্লোথন, রাইড টু ভোট।

এই বার্তায় রাজধানীর উমাকান্ত একাডেমী থেকে বের হয় সাইকেল রেলি। রেলি শুরুর আগে মাঠে হয় ছোট পরিসরে অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সচিব জে কে সিনহা, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুনিত আগরওয়াল, পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের রিটার্নিং অফিসার ডঃ বিশাল কুমার, তথ্য- সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

অতিথিরা বেলুন উড়িয়ে ও পতাকা নেড়ে বাইসাইকেল রেলির সূচনা করেন। ভোটদানে মানুষকে উৎসাহ দিতে এবং অংশগ্রহণ বাড়াতেই এধরণের কর্মসূচী।শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে রেলিটি।

কংগ্রেসের ইশতেহারটি ‘তুষ্টির রাজনীতি’ : হিমন্ত 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা শনিবার কংগ্রেসের নির্বাচনী ইশতেহারের সমালোচনা করেন এবং অভিযোগ করেন যে এই ইশতেহার ভারতের চেয়ে পাকিস্তানে নির্বাচনের জন্য বেশি উপযুক্ত। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে সমাজকে বিভক্ত করাই ইশতেহারের উদ্দেশ্য।

জোড়হাট কেন্দ্রে একটি নির্বাচনী সমাবেশের ফাঁকে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময়, শর্মা বলেছিন, যে এটি তুষ্টির রাজনীতি এবং আমরা এর নিন্দা করি। ইশতেহার দেখে মনে হচ্ছে এটা ভারতে নয়, পাকিস্তানে নির্বাচনের জন্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে কোনও ব্যক্তি, হিন্দু বা মুসলিম, তিন তালাক, বহুবিবাহ এবং বাল্যবিবাহকে সমর্থন করে না। কংগ্রেসের মানসিকতা সমাজকে বিভক্ত করে ক্ষমতায় আসা।

রাজ্যের সমস্ত আসনে বিজেপির জয় দাবি করে, শর্মা বলেন, যে বিজেপি একটি ‘আন্দোলনের’ রূপ নিয়েছে, যার অর্থ দেশকে ‘বিশ্বগুরু’ করা।

বিজেপি অর্থ ও এজেন্সি ব্যবহার করে ক্ষমতায় আসতে চায় : প্রিয়াঙ্কা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বিজেপিকে নিশানা করলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তিনি বলেন, হিমাচল প্রদেশে শুধু কংগ্রেস সরকারই তৈরি হবে। রাজ্যের মানুষ সত্যের সঙ্গে আছে। তিনি বলেন, বিজেপি অর্থ ও এজেন্সি ব্যবহার করে ক্ষমতায় আসতে চায়। একই সাথে, কংগ্রেসের সংকল্প সত্য, সাহস এবং ধৈর্যের সাথে মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করা।

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচন (হিমাচল লোকসভা নির্বাচন) এবং বিধানসভা উপনির্বাচন (হিমাচল বিধানসভা উপ-নির্বাচন) হিমাচল প্রদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা হিমাচল সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেছিলেন যে রাজ্যের জনগণ দলকে সমর্থন করবে এবং রাজ্যে একমাত্র সত্যের জয় হবে।

পাশাপাশি রবিবার নিজ সামাজিক মাধ্যমে,এক্স-এ পোস্ট করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ‘আমি হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস পার্টির সব নেতার সঙ্গে দেখা করেছি। তাদেরe ঐক্য, কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ়ভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস এবং জনগণের প্রতি তাদের নিষ্ঠার জন্য আমি গর্বিত। কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক বলেছেন যে আমি আত্মবিশ্বাসী যে জনগণ আমাদের সমর্থন করবে এবং সত্যের জয় হবে।

২০২৭ সালের শুরুতে আমেরিকা এবং চীনের পরে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে : রাজনাথ 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আজ রাজস্থান সফরে গিয়ে বিকানের লোকসভা আসনের কোলায়াতে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি কংগ্রেসকে তীব্র নিশানা করেন। তিনি বলেছিলেন যে, কংগ্রেস যখন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাহসিকতা এবং বীরত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে তখন আমার খারাপ লাগে।

তিনি বলেন , ২০২৭ সালের শুরুতে আমেরিকা এবং চীনের পরে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে। এমনকি বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানরাও বলছেন, একবিংশ শতাব্দী যদি কারোর হয়, তা ভারতেরই হতে চলেছে। এর কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী মোদীর।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিশ্বে ভারতের মর্যাদা বেড়েছে। আগে যখন বিদেশে যেতাম তখন কেউ আমাদের কথা সিরিয়াসলি নেয়নি। কিন্তু আজ ভারতের মর্যাদা এত বড় হয়ে গেছে যে ভারত যখন কথা বলে তখন সারা বিশ্ব মনোযোগ দিয়ে শোনে ভারত যা বলছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের সৈন্যদের আত্মসম্মানের জন্য আমরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছি। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা সারা বিশ্ব জানে এবং প্রমাণ চাইছে। কংগ্রেসের শাসনামলে কংগ্রেসের মন্ত্রীদের জেলে যেতে হয়েছে।আমাদের সরকার 10 বছর ধরে ক্ষমতায় আছে কিন্তু কোনো মায়ের ছেলে আমাদের দুর্নীতির অভিযোগ করতে পারে না বলে জানান তিনি।

১৪০ কোটি মানুষ মোদির গ্যারান্টি বিশ্বাস করে : যোগী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-রাজস্থানের ভরতপুর লোকসভা এলাকায় অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ভাষণ রাখতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, “এটি ‘নতুন ভারত’ যে তার নাগরিক এবং আন্তর্জাতিক সীমানা রক্ষা করতে জানে। ১৯৫২ সালে কংগ্রেস কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রয়োগ করে ভারতকে ক্ষত দিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং দেশের গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ বাতিল করে ৩৭০ ধারা সন্ত্রাসবাদ চিরতরে শেষ করেছে।

এখন, ভারতে কেউ সন্ত্রাসবাদী ও নকশালদের আশ্রয় দিতে পারবে না। একদিকে দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট বলছে যে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের হত্যা করা হচ্ছে, অন্যদিকে বিশ্ব সন্ত্রাসবাদকে বোঝা হিসেবে নিচ্ছে। কংগ্রেসই ক্ষমতায় থাকার সময় সন্ত্রাসীদের বিরিয়ানি খাওয়াত।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী গত ৪ বছর ধরে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছেন এবং আগামী ৫ বছরও দিতে থাকবেন। ১৪০ কোটি মানুষ মোদির গ্যারান্টি বিশ্বাস করে।

দক্ষিণ ভারতের মানুষ এবারও বিজেপিকে বড় ধাক্কা দেবে : স্টালিন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন বলেছেন, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির দাপটে দক্ষিণ ভারত বড় ধাক্কা দিতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘনিয়ে এসেছে এবং তামিলনাড়ু থেকে জম্মু ও কাশ্মীর পর্যন্ত নির্বাচনী প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। এদিকে, ডিএমকে প্রধান এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্টালিনের এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তামিলনাড়ুতে প্রথম দফার নির্বাচনের অধীনে ১৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হতে চলেছে।

তামিলনাড়ু সেই রাজ্যগুলির মধ্যে একটি যেখানে বিজেপি লক্ষ লক্ষ চেষ্টা করেও সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। দক্ষিণ ভারতের দুর্গ জয় সবসময়ই বিজেপির জন্য কঠিন ছিল। তবে এবার বিজেপি কিছু আসনে জয়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক সাক্ষাৎকারে স্তালিনকে যখন দক্ষিণ ভারতে বিজেপির প্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন যে দেশের প্রতিটি পরিবার এই দলের দ্বারা সমস্যায় পড়েছে।

আসলে, ডিএমকে প্রধানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে বিজেপি দক্ষিণে তাদের উপস্থিতি জোরদার করার দিকে মনোনিবেশ করছে। এটা মোকাবেলা করার জন্য আপনার দল কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে? জবাবে স্ট্যালিন বলেন, “সত্য হল উত্তর ভারত থেকেও বিজেপির প্রভাব হারিয়ে যাচ্ছে। ভারতের প্রতিটি পরিবারই কোনো না কোনোভাবে জনবিরোধী মোদি সরকারের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “সমাজের সমস্ত অংশ বিশেষ করে দরিদ্র, কৃষক, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, গৃহিণী, ছাত্র, জেলে এবং যুবকরা গত ১০ বছর ধরে বিজেপির অপশাসনের যন্ত্রণা ভোগ করছে৷ ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং অভূতপূর্ব বৃদ্ধির কারণে৷ বেকারত্ব। প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিশ্বাসঘাতকতা এখন প্রকাশ পাচ্ছে। উত্তর ভারতে বিজেপির ভাবমূর্তি খুবই খারাপ।”

তিনি আরো বলেন, উত্তর ভারতে সম্ভাব্য ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিজেপি দক্ষিণের দিকে নজর দিচ্ছে। “বিজেপির অক্লান্ত পরিশ্রম এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীর বেশ কয়েকটি রোড শো সত্ত্বেও, কংগ্রেস সম্প্রতি কর্ণাটক এবং তেলেঙ্গানা উভয় দক্ষিণ রাজ্যে সরকার গঠন করেছে।”

তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুতে তথাকথিত জাফরানের উত্থান একটি কল্পনা মাত্র। তামিলনাড়ু বরাবরের মতোই একটি ধর্মনিরপেক্ষ দুর্গ থাকবে। দক্ষিণ ভারতের মানুষ এবারও বিজেপিকে বড় ধাক্কা দেবে।

বিজেপি নেতাদের আক্রমণ, জনসাধারণকে হুমকি দিয়ে, কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে নির্বাচনে জিততে পারবেন না : অগ্নিমিত্রা

0

 

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- রবিবার খড়গপুর সদর বিধানসভার ওয়ার্ড নং-১৫ এর অন্তর্গত হরিজন কলোনীর বিভিন্ন প্রান্তে জনসংযোগ কমসূচিতে অংশগ্রহণ করেন অগ্নিমিত্রা পল। এদিনের কর্মসূচি থেকে বিজেপি সাংসদ লকেট চ্যাটার্জিকে আক্রমণ করার অভিযোগে,তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী মনে করেন? তিনি কি আমাদের নেতাদের আক্রমণ করে, জনসাধারণকে হুমকি দিয়ে এবং আমাদের দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে নির্বাচনে জিততে পারেন?

বামপন্থীরা যখন ক্ষমতায় ছিল, তারা মনে করত পশ্চিমবঙ্গে তাদের কেউ ক্ষমতা থেকে সরাতে পারবে না কিন্তু বাংলার মানুষ যেকোন সময় যে কাউকে অপসারণ করতে পারে। আপনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আমাদের বেশি সময় লাগবে না বলে জানান তিনি।

লোকসভা নির্বাচনে উত্তর জেলায় ভোট প্রচারে ঝড় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলে থাকেন মা-বোনদের শক্তিশালী না করতে পারলে সমাজ কোনদিন শক্তিশালী হবে না। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে ত্রিপুরায় মাত্র ৪ হাজার স্ব-সহায়ক দল ছিল। আর এখন রাজ্যে ৫৬ হাজার স্ব-সহায়ক দল হয়েছে।এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ৫ লাখ মহিলা। মহিলারা সংসারের কাজকর্মের পাশাপাশি সামাজিক-অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতি করছেন।

সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই স্ব-সহায়ক দলের মহিলাদের সাহায্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতো বড়ো একটা সামাজিক পরিবর্তন হয়েছে। শনিবার পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় এই কথা গুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তর জেলায় ভোট প্রচারে ঝড় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা।

শনিবার কদমতলা কুর্তি বিধানসভায এলাকার কদমতলা উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থনে এক বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। সভায় বিভিন্ন জায়গা থেকে শত শত নারী- পুরুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা,পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণ, শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়, ত্রিপুরা শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান নবাদল বণিক, বিধায়ক যাদব লাল নাথ সহ অন্যরা।

সভায় কংগ্রেস- সিপিএম এর কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে কদমতলায় জনসভার আগে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থীকে নিয়ে রোড শো করেন কাঞ্চনপুরে। পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থনে কাঞ্চনপুরে সাড়া জাগানো রোড শো হয়। কাঞ্চনপুর মন্ডল কার্যালয় থেকে রোড শো শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে। প্রচুর মানুষ এতে শামিল হন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন পূর্ব আসনের প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণ, মন্ত্রী টিঙ্কু রায় সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা।