Home Blog Page 549

পশ্চিম আসনে হাত চিহ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান মানিক সরকারের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-বিধানসভা নির্বাচনের চেয়ে লোকসভা নির্বাচন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশ ঠিক রাখা না গেলে রাজ্য কি করে ঠিক থাকবে। রাজ্যে চলছে অরাজকতা। সভায় আসতে পর্যন্ত মানুষ ভয় পায়। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে দিল্লিতেও পরিবর্তন করতে হবে। সাহস করে বের হতে হবে।

পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী আশিস কুমার সাহার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় একথা বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। শনিবার বিকেলে প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্রের বনকুমারী নেতাজী সংঘের মাঠে হয় নির্বাচনী জনসভা ইন্ডিয়া জোটের।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার, পশ্চিম আসনের প্রার্থী আশীষ কুমার সাহা সহ অন্য দলের নেতৃত্ব। জনসভায় আলোচনা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সিপিএম কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেউ যদি পশ্চিম আসনে হাত চিহ্নে ভোট দেবেন না মনে করে ঘরে বসে থাকেন তাহলে ভুল করবেন। এতে সুবিধা হবে বিজেপির।

রাজনীতিতে সঙ্কীর্ণতার কোন সুযোগ নেই। শেষ বলে কোন কথা নেই। তিনি বলেন, বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। সংকীর্ণ দৃষ্টিতে নিজেদেরকে আবদ্ধ না রাখার আবেদন মানিকের। সিপিএম-র তরফে যে লিফলেট ছাপা হয়েছে সেগুলি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিলি করার জন্য সিপিএম কর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান রাখলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

 

মানুষ আর ইভিএমকে বিশ্বাস করে না : প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :-শনিবার জয়পুরের বিদ্যাধর নগর স্টেডিয়ামে ‘ন্যায়পত্র মহাসভা’য় ভাষণ রাখতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছিলেন যে আজ দেশে বেকারত্ব চরমে, বিজেপি সরকার ১০ বছর ধরে এই সমস্যার জন্য কিছুই করেনি। বিজেপি এবং মোদী সরকার বেকারত্ব দূর করতে কী করেছে? প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করেননি। অগ্নিবীর সেই স্কিম নিয়ে এসেছিলেন যা যুবকদের আশাকে ভেঙে দিয়েছে। প্রতিটি রাজ্যে কাগজপত্র ফাঁস হচ্ছে। কৃষকরা রাস্তায় প্রতিবাদ করছে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী তাদের কথা শুনতে প্রস্তুত নন।

আপনারা যে ভোট দিতে যাচ্ছেন তা দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করবে। আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন আমাদের গণতন্ত্র কতটা বিপদে পড়েছে। কারণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য যেসব বড় প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল সেগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং অপব্যবহার হচ্ছে। আজকে পরিস্থিতি এমন যে, ইভিএমে মানুষের আর আস্থা নেই। জনগণের আর ইভিএমে আস্থা নেই। তারা জানে না যে তারা যাকে ভোট দেবে সে একই ব্যক্তির কাছে যাবে কি না।

বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারকে লক্ষ্য করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ‘তরুণরা কঠোর পড়াশোনা করে, কিন্তু কাগজপত্র ফাঁস হয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি চরমে, নারীদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। কৃষকরা প্রতিবাদ করলেও শোনেন না প্রধানমন্ত্রী মোদী। সব কিছুর ওপর জিএসটি আছে, পেট্রোল-ডিজেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। গত ১০ বছর ধরে দেশের সম্পদ বড় শিল্পপতিদের হাতে চলে যাচ্ছে। শিল্পপতিদের কোটি কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করা হলেও গরিবদের এক টাকাও মাফ হয় না। কংগ্রেস রাজস্থানে চিরঞ্জীবী স্কিম নিয়ে এসেছিল, যা বিজেপি সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। তারপরও টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্রে এসব দেখতে পাবেন না। দেশের আজ এই অবস্থা।

কংগ্রেসের ইস্তেহারকে মিথ্যার গুচ্ছ বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শনিবার রাজস্থানের আজমিরে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেখানে কংগ্রেস থাকে সেখানে উন্নয়ন হতে পারে না। কংগ্রেস কখনও দরিদ্রদের কথা চিন্তা করেনি বা বঞ্চিত ও শোষিত যুবকদের কথা ভাবেনি। কংগ্রেসের জন্য এতটুকুই বলা যায় যে একটি করলা এবং অন্যটি নিম। একটি পরিবারভিত্তিক দল এবং অন্যটি সমানভাবে দুর্নীতিবাজ দল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেসের ইস্তেহারকে মিথ্যার গুচ্ছ বলে বর্ণনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন যে কংগ্রেস পার্টি তার ইশতেহার প্রকাশ করেছে, মিথ্যার এক বান্ডিল। প্রতিটি পাতা থেকে ভারতকে টুকরো টুকরো করার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কংগ্রেসের ইশতেহারে সেই একই চিন্তাধারার প্রতিফলন রয়েছে যা স্বাধীনতার সময় মুসলিম লীগে প্রচলিত ছিল। কংগ্রেস তৎকালীন মুসলিম লীগের চিন্তাধারা আজ ভারতের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেসের আমলে গ্রাম, দরিদ্র, কৃষক, শ্রমিক, যুবক ও মহিলাদের জন্য বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছিল। প্রতিদিন পত্রিকায় হয় কেলেঙ্কারি বা সন্ত্রাসী হামলার খবর প্রকাশিত হত। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস দল নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য মিছিল করছে না, দুর্নীতিবাজদের বাঁচাতে সমাবেশ করছে। তিনি যতই বলুন না কেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মোদির লড়াই চলবেই।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে ফল ঠিক হয়। আজ গ্রামের মেয়েরা ড্রোন উড়ছে। আমাদের মেয়েরা খেলার মাঠে বিস্ময়কর কাজ করছে। আজ মহিলারা ইসরোর বড় বড় প্রকল্পগুলি পরিচালনা করছেন। বর্তমানে ভারতে বিশ্বের সর্বোচ্চ শতাংশ নারী পাইলট রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে কখনো কখনো এমন ঘটনা আসে, যখন দেশের নাগরিকদের একটি সিদ্ধান্ত আগামী শত বছরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয়। ২০২৪ সালের এই নির্বাচন এমনই একটি সুযোগ।

সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় মোদি বলেছিলেন যে বিজেপি ৬ এপ্রিল নিজেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই কাকতালীয় দেখুন আজ নিজেই পুষ্কর এলাকায় আসার সৌভাগ্য হয়েছে। ব্রহ্মাজি স্রষ্টা এবং বিজেপিও নতুন ভারত গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দেশের ইতিহাসে কখনো কখনো এমন ঘটনা আসে, যখন দেশের নাগরিকদের একটি সিদ্ধান্ত আগামী শত বছরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয়। ২০২৪ সালের এই নির্বাচন এমনই একটি সুযোগ। আজ মনে আছে, আমাদের দেশে কত দশক কারচুপির সরকার চলেছিল। জোটের বাধ্যবাধকতা এবং সবার নিজের স্বার্থ। এসবের মধ্যে দেশের স্বার্থকে পেছনে ফেলে রাখা হয়েছিল।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, গণতন্ত্র আজ হুমকির মুখে : সোনিয়া 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কংগ্রেস শনিবার জয়পুরের বিদ্যাধর নগর স্টেডিয়ামে ‘ন্যায় পত্র মহাসভা’র আয়োজন করেছিল, যেখানে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গে , সোনিয়া গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উপস্থিত ছিলেন। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্যসভার সাংসদ সোনিয়া গান্ধী সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র নিশানা করেন।

তিনি বলেন, ‘বীর ও দেশপ্রেমিকদের এই মহান রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে এই কর্মসূচিতে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত। আমাদের সকলের সংকল্প থাকা উচিত যে আমরা অন্যায়ের এর বিরুদ্ধে লড়াই করব এবং ন্যায়ের আলো খুঁজে বের করব।

এদিন,বিজেপিকে আক্রমণ করে সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘এই দেশ গুটিকয়েক মানুষের সম্পত্তি নয়। দেশের চেয়ে বড় কেউ হতে পারে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণতন্ত্র আজ হুমকির মুখে, সংবিধান পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বেকারত্বের কারণে তরুণদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। বিজেপির ১০ বছরের শাসনামলে মুদ্রাস্ফীতি শীর্ষে। আজ প্রতিদিনের উপার্জন থেকে খাওয়া-দাওয়ার খরচ মেটানো কঠিন, রান্নাঘরের জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে আমাদের মা-বোনদের জন্য।

দুর্ভাগ্যবশত, আজ এমন নেতারা আমাদের দেশে ক্ষমতায় আছেন, যারা গণতন্ত্রকে ছিন্নভিন্ন করছেন। নিজেকে মহান ভেবে মোদীজি দেশ ও গণতন্ত্রের মর্যাদা নষ্ট করছেন। বিরোধী নেতাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

৪২ পরিবারের ১৮০ জন ভোটার সিপিআইএম- কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিমের পাশাপাশি পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীর সমর্থনে ঝড়ো প্রচার চলছে। প্রতিদিন বিজেপির বিভিন্ন স্তরের কার্যকর্তারা প্রচারে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়। কোথাও হচ্ছে সভা, আবার কোথাও রোড শো। এসব কর্মসূচীতে এসে বিরোধী দল ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন অনেকেই।

শনিবার পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে হয় নির্বাচনী সভা। এদিন ধলাই জেলার কমলপুর মহকুমার সুরমা বিধানসভা কেন্দ্রে হয় নির্বাচনী কর্মসূচী। সুরমা বিধানসভা কেন্দ্রের মেনদি গোলক বাজারে হয় যোগদান সভা। সেখানে মোট ৪২ পরিবারের ১৮০ জন ভোটার সিপিআইএম- কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।

তাদের বিজেপিতে বরণ করে নেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল সহ অন্যরা।সভায় প্রদেশ বিজেপি সভাপতি বিরোধী সিপিএম-কংগ্রেসের সমালোচনা করেন বিভিন্ন ইস্যুতে। তিনি সকলের কাছে আহ্বান জানান দুই লোকসভা কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টির দুইজন প্রার্থীকে জয়ী করে মোদীজিকে দুটি পদ্মফুল উপহার দেওয়ার জন্য।

ত্রিপুরায় লোকসভা ও উপনির্বাচনে জন্যে ইভিএম কমিশনিং শুরু

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৭৯৩। শনিবার থেকে রাজধানীর উমাকান্ত একাডেমীতে শুরু হয়েছে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট কমিশনিং।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চলছে এই কাজ। দুই দিন চলবে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট কমিশনিং।

এই ইভিএম ও ভিভিপ্যাট কমিশনিং এর পরে তা স্ট্রং রুমে রেখে দেওয়া হবে। সেগুলি ভোটের জন্য পাঠানো হবে। পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের রিটার্নিং অফিসার ডঃ বিশাল কুমার জানান, কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হচ্ছে এই কাজ। আর ও জানান, সব ইভিএম গুলি ভালো।

তিনি আশা প্রকাশ করেন ভোট সুন্দর ভাবেই হবে। প্রায় ১ হাজারের মতো ইভিএম রয়েছে। তিনি জানান ২৫ শতাংশ ইভিএম রিজার্ভ রাখা হবে। ভোট কেন্দ্রে কোন সমস্যা হলে এই ইভিএম গুলি কাজে লাগানো হবে। উল্লেখ্য, পশ্চিম লোকসভা ভোটের দিনেই রামনগর বিধানসভার উপনির্বাচন।

 

 

রামনগর মানুষ কাজ করার সুযোগ দেবেন আমাকে : দীপক 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগারতলা প্রতিনিধি :-প্রধান ইস্যু হচ্ছে উন্নয়ন। একে সামনে রেখেই মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন রামনগর উপ-নির্বাচনের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী দীপক মজুমদার। তিনি বলেন মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া। মানুষ সাদরে গ্রহণ করছেন বিজেপির রামনগরের উপভোটের প্রার্থীকে। রামনগর মানুষ কাজ করার সুযোগ দেবেন বলে আশাব্যক্ত করেন তিনি।

দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে ভোট চাইছেন দীপক মজুমদার।প্রতিদিনই আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা প্রার্থী দীপক মজুমদার গণদেবতাদের কাছে যাচ্ছেন। সকাল থেকে বাড়ি বাড়ি প্রচারে বের হচ্ছেন তিনি। ভোটারদের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইছেন। শনিবার সকালেও তিনি বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে বের হন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে। প্রার্থীর সঙ্গে প্রচুর কর্মী- সমর্থক অংশ নেন। বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে দারুণ সাড়া পড়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায়।

 

 

ড্রাগসের কুখ্যাত রানী কালা দেবী ৪ লক্ষ টাকার ড্রাগসসহ গ্রেপ্তার 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জামিনে মুক্ত থাকা কালা দেবী ফের ড্রাগস কারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে আরও কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছে এন সি সি থানার পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে গোপন খবরের ভিত্তিতে এন সি সি থানার পুলিস অভিযান চালায় গোয়ালাবস্তি এলাকায়। তারা কালা দেবী নামে এক মহিলার বাড়িতে তল্লাশি চালায়।

অভিযোগ এলাকায় নিজের দোকানে ড্রাগস বিক্রি করে থাকেন মহিলা। পুলিশ সেই মতো মহিলার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নেশা সামগ্রী ব্রাউন সুগার, ড্রাগস ভর্তি ১০০ কৌটা, খালি ড্রাগসের কৌটা প্রায় ৮ হাজার উদ্ধার করে। পুলিশ মহিলাকে এন সি সি থানায় নিয়ে আসেন। পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার কে কিরণ কুমার জানান উদ্ধার হওয়া ড্রাগসের বাজার মূল্য আনুমানিক ৪ লাখ টাকা।

তিনি জানান বহুদিন ধরে মহিলা ড্রাগসের ব্যবসা করে আসছে। পুলিশ সুপার জানান তদন্তে আরও যাদের নাম এসেছে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে অচিরেই।

 

টর্চ লাইট চিহ্নে ভোট দেওয়ার আহবান অরুনের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- এস ইউ সি আই কে ভোট দেওয়ার আহবান রাখলেন অরুণ কুমার ভৌমিক। শ্রী ভৌমিক বলেন কংগ্রেস জোট ও বিজেপি জোট দুটি আমাদের দেশের ধনিক শ্রেণীর জোট। সুতরাং এই জোটকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার কোন মানে হয় না। এই দুই জোট দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে এই দুই জোটকে বর্জন করতে হবে।

তবেই দেশে সুস্থির গণতন্ত্র গঠন হবে। দেশের মধ্যে আর ধনী গরিব বিভাজন থাকবে না। গঠন হবে একটা শান্তিপ্রিয় সরকার। ভোট প্রচারে বের হয়ে রাজ্যের মানুষের কাছে এই আহ্বান রাখলেন অরুন কুমার ভৌমিক। শ্রীভৌমিক টর্চ লাইট চিহ্নে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করার আহবান রাখেন।

ভারতীয় জনতা পার্টির ৪৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে নির্বাচনী কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের যিনি একজন সবচেয়ে বড় লিডার তিনি যখন নিজেকে একজন সবচেয়ে ছোট কার্যকর্তা বলে পরিচয় দেন। সেখানে তখন আমি রাজা উনি মহারাজা এইসব গর্ববোধ করার কোন কারণ নেই। বলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। যে লোকটি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনীতিবিদ সেই লোকটি যখন নিজেকে একজন সবচেয়ে ছোট কার্যকর তা বলে পরিচয় দেয় তখন অন্যান্য নেতৃত্বের আমি সবচেয়ে বড় নেতা বলে গর্ববোধ করাটা হীনমনষ্কতার প্রমাণ।

যেখানে অমিত ভাই সহ বলেন আমরা কেউ যাতে নিজেদেরকে সবচেয়ে বড় নেতা বলে মনে না করি। কেননা দেশের শত শত লোকের আত্ম বলিদানই আজকের ভারতীয় জনতা পার্টি। তাই ভারতীয় জনতা পার্টির একেবারে নিচুস্তরের কর্মী থেকে শুরু করে উঁচুস্তরের কর্মী প্রত্যেককেই সম্মান করতে হবে। প্রতিটি পার্টি কর্মীর সমমর্যাদা দিতে হবে। ১৯৮০ সালে বিজেপি পার্টির স্থাপনা হয়েছিল। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ি এই পার্টির স্থাপনা করেছিলেন। বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক।

শ্রীমতি ভৌমিক এদিন বলেন এমন একটা সময়ে আমরা স্থাপনা দিবস পালন করছি যখন আপকি বার ৪০০ পার। অর্থাৎ ৩৭০ আমাদের লক্ষ্যমাত্রা। আমাদের সকল সরিক দলগুলি মিলে ৪০০ সিট এ বছর মোদীজি কে উপহার দিতে হবে। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি প্রভারি অবিনাশ রায় খান্না একই সুরে বলেন আপকি বার ৪০০ পার। অর্থাৎ এই নির্বাচনে বিজেপি দল ৪০০ সিট পার করবেই। তার জন্য সমস্ত নেতৃবৃন্দ এক সুরে কথা বলছে।

স্থাপনা দিবসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রদেশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেন ১৯৮০ সালের ৬ এপ্রিল আজকের দিনে ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ি বিজেপি দলের স্থাপনা করেছিলেন। সেই দিন থেকে আমরা আজকের দিনটিকে সারা দেশে প্রতিটি মন্ডলে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে থাকি।

৬ এপ্রিল বিজেপির সদর কার্যালয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন মহামন্ত্রী ভগবান দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বরিষ্ঠ নেতৃবৃন্দ।