Home Blog Page 540

দেশকে লুটে পুটে নিয়ে গিয়ে দেশের সর্বনাশ করছে বিজেপি : প্রবীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের অর্থনীতির হাল বেহাল। দেশের সাধারণ, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত অংশের মানুষ ঋণের জালে জড়িয়ে গেছে। জীবন ধারনের জন্য মানুষ ঋণ নিয়ে এর জালে জড়িয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে। উপা সরকারের সময়ের চেয়ে মোদী জমানায় বেড়ে গেছে জ্বালানির মূল্য।

শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তুলে ধরে বর্তমান কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন কংগ্রেস মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী। এদিন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে হয় সাংবাদিক সম্মেলন। মুখপাত্র এদিন অভিযোগ করেন, ১০ বছর ধরে দেশে চলছে প্রতারকের সরকার। এই সরকার প্রতারণা করে চলছে মানুষের সঙ্গে। সমস্ত ঠকবাজ একসঙ্গে মিলিত হয়েছে। দেশকে লুটে পুটে নিয়ে গিয়ে দেশের সর্বনাশ করছে।

প্রবীর চক্রবর্তী বলেন, জিনিসের দাম বেড়ে গেলেও মানুষের আয় বাড়েনি। বরং অনেক কমে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী বন্ডের নামে নরেন্দ্র মোদী ইডি, সিবি আই, ইনকাম ট্যাক্সকে ব্যবহার করে বিজেপির তহবিলে হাজার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মুখপাত্র এদিন বলেন, লুটেরা, জনগণের দুশমন এই সরকার মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য নানা পন্থা অবলম্বন করছে।

 

 

প্রতিবছরের মতো এবছরও আগরতলা প্রতাপগড় এলাকায় চড়ক পূজার আয়োজন করা হয়

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাংলা বছরের শেষ দিনে চিরাচরিত চড়ক মেলা অনেক কমে গেলেও তা হারিয়ে যায়নি। চৈত্র মাসের শেষদিনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চড়ক মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এবছরও সেই ছবি দেখা গেল আগরতলা প্রতাপগড় ইংরেজি মাধ্যম হাই স্কুল মাঠে। প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে মেলায়। বাংলা বছরের শেষদিনটি চৈত্র সংক্রান্তি হিসেবে পালন করে থাকেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

আর এদিনে প্রথা রীতি নীতি মেনে চড়ক পূজার আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রতিবছরের মতো এবছরও আগরতলা প্রতাপগড় এলাকায় এদিন চড়ক পূজার আয়োজন করা হয়। সেখানে হয় পূজার্চনা। চড়ক পূজাকে শিবের গাজনও বলা হয়ে থাকে। এই চড়ক পূজা ও মেলায় পায়ে ভক্তরা আগুনের মধ্য দিয়ে হাঁটা-চলা করেন, পিঠে বিশাল আকারের বরশি গেথে চড়ক গাছে ঝুলে থাকা সহ বিভিন্ন জিনিস দেখানো হয়।

এবছর এই চড়ক মেলায় বিভিন্ন জায়গা থেকে আবাল- বৃদ্ধ বনিতা ভিড় করেন। এদিকে চড়ক মেলায় বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্রেতারা রকমারি পসরা নিয়ে মেলায় বসেন। চলে রাত পর্যন্ত কেনাকাটা। এ এক বছর শেষে অনাবিল আনন্দে মেতে উঠেন মানুষ।

 

 

যান দুর্ঘটনায় আহত এক মহিলা, অল্পেতে রক্ষা পায় এক শিশু

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- যান সন্ত্রাস অব্যাহত রাজ্যে। রাজধানীতেও থামছে না পথ দুর্ঘটনা। অভিযোগ একাংশ যান চালকদের অসতর্কতার কারণে ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। শনিবার আগরতলা বটতলা এলাকায় যান দুর্ঘটনায় আহত এক মহিলা। অল্পেতে রক্ষা পায় এক শিশু। অভিযোগ এদিন নেশাগ্রস্ত এক অটোচালক রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলাকে ধাক্কা দেয়।

শুধু তাই নয়, মহিলার পায়ের উপর দিয়ে অটো চালিয়ে নিয়ে যায়। এতে রাস্তায় পড়ে যান শিশু কোলে মহিলা। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা সাহায্যে এগিয়ে আসেন। আটক করা হয় অটোচালককে। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন পুলিস ও দমকল কর্মীরা। তারা আহত মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনা ঘিরে অটো চালকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয়রা। লোকজন অটো চালককে বটতলা ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

 

 

২৩ পরিবারের ১৫৭ জন যুবক বিভিন্ন দল ছেড়ে বিজেপি যুব মোর্চায় যোগদান

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-লোকসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দলবদল চলছে। কোথাও ভাঙছে বিরোধী শিবির। আবার কোথাও শাসক দল বিজেপি। শনিবার ফের বিরোধী শিবিরের যুব অংশের মধ্যে ভাঙন। এদিন কমলাসাগর, বাধারঘাট, আগরতলা সহ ৬ টি মণ্ডলে বিরোধী শিবির ছাড়লেন ২৩ পরিবার। এদিন প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে হয় বিজেপি যুব মোর্চার তরফে যোগদান সভা।

উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রানা ঘোষ সহ অন্যরা। ছটি মন্ডলের ২৩ পরিবারের ১৫৭ জন যুবক বিভিন্ন দল ছেড়ে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চায় যোগদান করেন। পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনের ৫ দিন আগে এভাবে যুব অংশের দল ছাড়ার ফলে চিন্তার ভাঁজ বিরোধী শিবিরে।

 

 

ইলিশ প্রতি কেজি ১৭শ -১৮শ টাকা, বাজারে গিয়ে দেখলেই খাওয়া হয়ে গেলো অভিমত ক্রেতাদের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর মধ্যে একটি হল বাংলা নববর্ষ। আর এই বাংলা নববর্ষের দিনে দুপুরে প্রায় প্রত্যেকের ঘরে ঘরে চলে ভুরিভোজের আয়োজন। চলে এলাহি খানাপিনা। আর নববর্ষের মেন্যুতে মাছের রাজা ইলিশ না হলে কি হয়? তবে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে হলেই ভোজন রসিক বাঙালীর পাতে উঠে এদিন ইলিশ। প্রতিবারের মতো এবছরও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ইলিশের যোগান ভালো।

বাংলাদেশের চাদপুরের ইলিশ প্রচুর পরিমাণে এসেছে রাজ্যের বাজার গুলিতে। শনিবার এই ছবি ধরা পড়ে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার গুলিতে। তবে দাম আকাশছোঁয়া। বিশেষ করে কাঁচা ইলিশের। বিক্রেতারা জানান, মজুত থাকা ইলিশ মাছ কেজি প্রতি ১৪০০-১৫০০ টাকা। আর কাঁচা ইলিশ ১৭০০-১৮০০ টাকা কেজি প্রতি। চড়া দামেও বছরের এই একটি দিনে অনেক ভোজন রসিক বাঙালী ইলিশ দুপুরের পাতে তুলবেন বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।

ত্রিপুরায় আর কোনদিন কংগ্রেস-সিপিএম আসবে না : রতন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরায় আর কোনদিন কংগ্রেস-সিপিএম আসবে না। ১৫-২০ বছর পরে কোন পার্টি যদি আসেও কোন কারণে ক্ষমতায় নতুন নামে নতুন ঢঙ্গে আসতে পারে। তবে কংগ্রেস-সিপিএম–র ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা ত্রিপুরা রাজ্যে নেই। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপভোটের প্রার্থী দীপক মজুমদারের সমর্থনে মোটর বাইক রেলিতে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ।

শনিবার সকালে রাজধানীর প্রগতি স্কুল মাঠ থেকে বের হয় সু সজ্জিত বাইক রেলি দীপক মজুমদারের সমর্থনে। রেলির সামনে হুড খোলা কয়েকটি গাড়িতে ছিলেন নেতৃত্ব। তাদের মধ্যে ছিলেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ, সুশান্ত চৌধুরী, প্রার্থী দীপক মজুমদার, প্রদেশ বিজেপির সহসভাপতি পাপিয়া দত্ত, পুর নিগমের ডেপুটি মেয়র মণিকা দাস দত্ত, বিজেপি সদর শহর জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য সহ অন্যরা।

এদিন বাইক রেলি রামনগর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। রেলিতে অংশ নিয়ে মন্ত্রী রতন লাল নাথ দাবি করেন,বিজেপি আমলে কোন রাজনৈতিক খুন হয়নি। বিজেপি ব্যতিক্রমী পার্টি। রাষ্ট্রবাদে বিশ্বাসী বিজেপি। এমন দল ভারতবর্ষে আর নেই।দীপক মজুমদার উপ-নির্বাচনে ও পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে বিপ্লব কুমার দেব বিপুল ভোটে জয়ী হবে। সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

এদিন পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, মোদী জির আপকি বার ৪০০ পার স্লোগান মানুষ গ্রহণ করেছেন। এনডিএ জোটকে ৪০০ এর বেশি আসন দিয়ে তৃতীয়বার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করবে। যার মধ্যে বিজেপি একাই পাবে ৩৭০ আসন। তিনি দাবি করেন দুটি লোকসভা ও বিধানসভার উপ-নির্বাচনে ঐতিহাসিক মার্জিনে প্রার্থীরা জয়ী হবেন। সুশান্ত বাবু বলেন, মানুষ ভোট দেবে উন্নয়নের নিরিখে, কংগ্রেস- সিপিএম এর অশুভ জোটের বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন কংগ্রেস- সিপিএম এর জোট মানুষ মেনে নেবেন না।

জালিয়ানওয়ালাবাগের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী মোদী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল, অর্থাৎ ১০৫ বছর আগে ব্রিটিশ শাসনামলে জালিয়ানওয়ালাবাগে যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল, তা সমগ্র ভারতকে হতবাক করেছিল। এই গণহত্যায় জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে নিরস্ত্র, নিরীহ মানুষের ওপর গুলি চালানো হয়। আজ এই ঘটনার কথা স্মরণ করে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং দেশের অন্যান্য নেতারা নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে পোস্ট করেছেন জালিয়ানওয়ালাবাগ ব্রিটিশ শাসনের নিষ্ঠুরতা ও অমানবিকতার জীবন্ত প্রতীক। এই হত্যাযজ্ঞ দেশবাসীর হৃদয়ে বিপ্লবের প্রচ্ছন্ন শিখাকে জাগ্রত করেছিল এবং স্বাধীনতা আন্দোলনকে গণসংগ্রামে পরিণত করেছিল। জালিয়ানওয়ালাবাগের আত্মমর্যাদাশীল মানুষের জীবন জাতির জন্য ত্যাগ ও উৎসর্গের অনুপ্রেরণার এক অক্ষয় উৎস।

মোদী সরকার বাবা সাহেবকে তার প্রাপ্য সম্মান দিয়েছে, কিন্তু বাবা সাহেবকে অপমান করেছে কংগ্রেস : অনুরাগ 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কংগ্রেস লাগাতার বিজেপির বিরুদ্ধে সংবিধান পরিবর্তনের অভিযোগ করে আসছে। এর জবাব দিতে এগিয়ে এসেছেন বিজেপির ফায়ারব্র্যান্ড নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। নাগপুরে পৌঁছে অনুরাগ ঠাকুর সংবিধান পরিবর্তনের কংগ্রেসের অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কংগ্রেসকে সংবিধানের স্রষ্টা বাবাসাহেব আম্বেদকরকে অসম্মান করার অভিযোগ করেছেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, যে কংগ্রেস তার মেয়াদে একবার বা দুবার নয়, ৬২ বার তার সুবিধামত সংবিধান সংশোধন করেছে। শুধু তাই নয়, কংগ্রেস তার শাসনামলে বাবাসাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন দিতে কখনও মাথা ঘামায়নি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাবাসাহেবকে ভারতরত্ন দেওয়া হয়, যা কংগ্রেসের দ্বৈত চরিত্র প্রকাশ করে।

তিনি আরো বলেন, যে কংগ্রেস বাবাসাহেব আম্বেদকরকে নির্বাচনে পরাজিত করে রাজনীতিতে তার ভূমিকা শূন্যে নামিয়ে এনেছে। এ ছাড়া তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি বলেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে সংবিধান সংশোধন করেছে। সংবিধান সংশোধন করেছিলেন ১৭ বার নেহরু, ৩৩ বার ইন্দিরা গান্ধী এবং ৭ বার মনমোহন সিং। এমন পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের আমাদেরকে সংবিধান লঙ্ঘন করার অভিযোগ করার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

কংগ্রেস বিজেপির নেওয়া অনেক পদক্ষেপকে সংবিধানের সঙ্গে খেলা বলে অভিহিত করছে। যখন কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে, কংগ্রেস এটিকে সংবিধানের সাথে কারচুপি বলে অভিহিত করে। কংগ্রেসও সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক প্রজ্ঞাপিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গে খেলা বলে অভিহিত করেছে বলে তিনি জানান।

ক্ষমতায় এলে সারা দেশে ১ কোটি সরকারি চাকরি : তেজস্বী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দেশে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটের ছয় দিন আগে, লালু যাদবের দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘পরিবর্তন পত্র’। প্রাক্তন ডেপুটি সিএম এবং লালু যাদবের ছোট ছেলে তেজস্বী যাদব এটি চালু করেছিলেন।

এই পরিবর্তন পত্রে সবচেয়ে বড় দাবি করা হয়েছে সরকারি চাকরি নিয়ে। তেজস্বী যাদব ঘোষণা করেছেন যে দেশে ভারত জোট সরকার গঠিত হলে এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে তেজস্বী যাদব বলেন, ‘আমাদের জোট ক্ষমতায় এলে আমরা সারা দেশে এক কোটি যুবককে সরকারি চাকরি দেব, আজ বেকারত্ব আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং বিজেপির লোকেরা এটা নিয়ে কথা বলে না, তারা ২ কোটি চাকরি দিয়েছে। তরুণদের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম কিন্তু আমরা যা বলি তাই করি এবং ১ কোটি চাকরি দেব।

শুধু তাই নয়, তেজস্বী যাদব বলেন যে আমরা পুরানো পেনশন স্কিম ফিরিয়ে আনব এবং বিহারকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেব। তিনি বিহারকে একটি বিশেষ প্যাকেজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন পরিবর্তনের চিঠিতে।

তেজস্বী যাদব বলেন, ‘আমরা যদি ক্ষমতায় আসি, তাহলে ১৫ আগস্ট থেকে আপনি বেকারত্বের কবল থেকে মুক্তি পেতে শুরু করবেন। রক্ষাবন্ধনে, আমরা আমাদের দারিদ্র্যপীড়িত বোনদের ১ লক্ষ টাকা সহায়তা দেব। ৫০০ টাকা দামে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাবে।

তেজস্বী যাদব বিহারে ভাল সংযোগ নিশ্চিত করতে পূর্ণিয়া, মুজাফফরপুর, গোপালগঞ্জ, ভাগলপুর এবং রাক্সৌলে পাঁচটি বিমানবন্দর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই সঙ্গে মণ্ডল কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি কার্যকর করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

দেশকে বাঁচানোর জন্য আশিস কুমার সাহাকে জয়ী করার আহ্বান সমীরের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কোন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। দেশকে একনায়কতন্ত্রের পথে পরিচালিত করার যে ষড়যন্ত্র রচিত হচ্ছে এর বিরুদ্ধে দেশের মানুষের লড়াই।২৭ টি বিরোধী দল একজোট হয়ে এই লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই লড়াই গণতন্ত্র, দেশ ও সংবিধান বাঁচানোর লড়াই।জনগণের লড়াইকে শক্তিশালী করার জন্য জনগণের কাছে এসেছে ইন্ডিয়া জোট।

শুক্রবার বিশালগড়ে নির্বাচনী পথসভায় একথা বললেন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী আশিস কুমার সাহা। পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী আশীষ কুমার সাহার সমর্থনে বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে পদযাত্রা, সভা। এদিন বিশালগড়ে পদযাত্রার আয়োজন করা হয়।। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মন, প্রাক্তন মন্ত্রী ভানু লাল সাহা, প্রার্থী সহ অন্যান্যরা।

এদিন বিশালগড়ে হয় সাড়া জাগানো পদযাত্রা ইন্ডিয়া জোটের। পরে পদযাত্রা শেষে হয় পথসভা। নেতৃত্ব সকলের কাছে আহ্বান রাখেন ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার জন্য।সভায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেশকে বাঁচানোর জন্য আশিস কুমার সাহাকে জয়ী করার আহ্বান রাখেন।