Home Blog Page 541

পশ্চিম ও পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শান্তিরবাজারে পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে বাইক রেলি। রেলি শেষে হয় নির্বাচনী সভা। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে বিজেপি মনোনিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে শুক্রবার শান্তিরবাজার যুব মোর্চার উদ্দ্যোগে সুবিশাল মোটর বাইক রেলি হয়। শান্তিরবাজার মহকুমার পতিছড়ি ড্রপগেইট এলাকা থেকে বাইক রেলিটি শুরু হয়।

দীর্ঘ প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে রেলি। এর সামনে ছিলেন হুড খোলা গাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মণ, শান্তিরবাজারের বিধায়ক সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। শান্তিরবাজার পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সামনে এসে বাইক রেলি শেষ হয়। রেলি শেষে হয় বিজেপি শান্তিরবাজার মণ্ডলের উদ্যোগে সভা।উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা, প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী , শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক সহ অন্যান্যরা।

এদিন রেলি ও সমাবেশ থেকে আহ্বান রাখা হয় ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বলেন, রেলিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। পশ্চিম ও পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে আশাব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিলোনিয়া এলাকায় রোড শো ঘিরে ব্যাপক সাড়া

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিলোনিয়ায় সাড়া জাগানো রোড শো পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেবের। শুক্রবার বনকর উত্তর পাড় থেকে শুরু হয় দলীয় কর্মী- সমর্থকদের উৎসাহ- উদ্দীপনাময় রোড-শো।

শুরুতেই হুড খোলা গাড়িতে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। এদিন রোড শোতে ব্যাপক সংখ্যায় বিজেপি কর্মী- সমর্থক অংশ নেন।

রোড শো যেদিকে গেছে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে শত শত মানুষ সমর্থন জুগিয়েছেন। বিলোনিয়া এলাকায় রোড শো ঘিরে ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়।রোড শো শেষে পশ্চিম ত্রিপুরা আসনের প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব আবেদন রাখেন নরেন্দ্র মোদীকে শক্তিশালী করতে বিলোনিয়ার ভোটাররা যাতে ১০০ শতাংশ মতদান করেন।

 ১৬ এপ্রিল ত্রিপুরায় প্রচারে আসছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১৬ এপ্রিল রাজ্যে আসছেন সর্বভারতীয় কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর দুটোয় আগরতলা বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

এখান থেকে একটি রোড শো এর মাধ্যমে আগরতলা শহরে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী আশীষ কুমার সাহা এবং রাজেন্দ্র রিয়াং এবং রামনগর উপনির্বাচনে প্রার্থী রতন দাসের হয়ে প্রচার করবেন।

বিমানবন্দর থেকে রাজবাড়ীর উত্তর গেইট হয়ে কর্নেল চৌমুহনী পরবর্তীতে কামান চৌমহনী হয়ে বটতলা থেকে সোজা দুর্গা চৌমুহনীতে গিয়ে শেষ হবে এই রোড শো। মাঝে সূর্য চৌমুহনীতে এক পথ সভায় বক্তব্য রাখবেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরেছেন কংগ্রেস নেতা সুদীপ রায় বর্মন।

 

 

 

বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে হয় সুবিশাল সুসজ্জিত মোটর বাইক রেলি

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- হাতে মাত্র আর ৪-৫ দিন ।১৯ এপ্রিল পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের নির্বাচন। বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টি ও শাখা সংগঠন গুলির প্রচার চলছে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত । ঝড়ো প্রচারে পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব। শুক্রবার প্রতাপগড় বিধানসভা এলাকায় বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে হয় সুবিশাল সুসজ্জিত মোটর বাইক রেলি।

প্রতাপগড় মন্ডল যুব মোর্চার উদ্যোগে হয় এ রেলি। এদিন যোগেন্দ্রনগর রেলস্টেশন চত্তর থেকে সুসজ্জিত যুবদের বাইক রেলি বের হয়। বিধানসভায এলাকার বিভিন্ন পদ পরিক্রমা করে ।উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য, পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনে প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব, যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি তথা বিধায়ক সুশান্ত দেব সহ অন্যান্যরা ।এদিন প্রতাপগড় বিধানসভা এলাকায় রেলি যেদিকে গেছে সাধারণ মানুষের সমর্থন কুরিয়েছে।

রেলি শেষে পশ্চিম ত্রিপুরার লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী যুবদের কাছে আহবান রাখেন আর যে কয়টি দিন আছে নির্বাচনের আরো বেশি করে পরিশ্রম করার জন্য। পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই বলে তিনি জানান। রেলি থেকে বিপুল ভোটে পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়।

হাতে কাস্তে আর ঝলসে যাওয়া বিকেল, এই স্টাইলে নারীদের মাঝে পৌঁছে গেলেন হেমা মালিনী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বিজেপি সাংসদ এবং মথুরা আসনের প্রার্থী হেমা মালিনী, যিনি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন, সম্প্রতি উত্তর প্রদেশের একটি গম ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন।

X-এ তার অ্যাকাউন্টে নিয়ে, মিসেস মালিনী স্থানীয় কৃষকদের সাথে তার মিটিং থেকে কয়েকটি ছবি বাদ দিয়েছিলেন। মাঠে কাজ করা মহিলাদের দিকে হাত দেওয়া থেকে শুরু করে ছবির জন্য তাদের সাথে পোজ দেওয়া পর্যন্ত, হেমা মালিনীকে খামারে খুব খুশি দেখাচ্ছিল।

তিনি নিজের X-এ বলেন, “আজ আমি খামারে গিয়েছিলাম সেই কৃষকদের সাথে আলাপ করতে যাদের সাথে আমি এই ১০ বছর ধরে নিয়মিত দেখা করে আসছি। তারা আমাকে তাদের মাঝে থাকতে পছন্দ করত এবং জোর দিয়েছিল যে আমি তাদের সাথে পোজ দেব যা আমি করেছি,” তিনি লিখেছেন।হেমা মালিনী মথুরা লোকসভা আসন থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রার্থী হয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

১৯৯১ থেকে ১৯৯৯পর্যন্ত, মথুরা চারবার বিজেপির শক্ত ঘাঁটি ছিল।.২০০৪ সালে মথুরা কংগ্রেসের খাতায় যায়। ২০০৯সালে, আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরী মথুরা থেকে সাংসদ হন।

২০১৪ সালে, বিজেপি হেমা মালিনীকে প্রার্থী করেছিল যিনি জিতেছিলেন। ২০১৯ সালের নির্বাচনে, হেমার স্বামী, অভিনেতা ধর্মেন্দ্রও তার পক্ষে প্রচার করেছিলেন এবং তার পক্ষে বিশাল জনসমাগম করেছিলেন। ডাবল ইঞ্জিন সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কারণে, ২০১৯ সালে আবারও মথুরায় পদ্ম ফুটেছিল এবং হেমা মালিনী এমপি হয়েছিলেন।

উত্তরপ্রদেশ, যেটি সংসদে সর্বাধিক সংখ্যক ৮০ জন সাংসদ পাঠায়, সাতটি ধাপে ভোট দেবে৷ প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৯ এপ্রিল এবং ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে৷ পরবর্তী, রাজ্যে আবারও তিন ধাপে ভোট হবে৷ এবং ৮ মে এবং ১৩ মে চারটি৷ উত্তরপ্রদেশের নির্বাচকমণ্ডলীও যথাক্রমে ২০ মে, ২৩ মে এবং ১জুন পর্যায় পাঁচ, ছয় এবং সাতটিতে ভোট দেবে৷ মথুরায় সাধারণ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৬ এপ্রিল।

বিজেপি সরকার রাজ্যে আসার পরে বেকারত্বে রেকর্ড করে দিয়েছে : যুব কংগ্রেস

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- যুব কংগ্রেসের কর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা থেকে জোর করে বিজেপি অফিসে নিয়ে পতাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যা কিনা লজ্জাকর ঘটনা। বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করলেন যুব কংগ্রেস সভাপতি নীল কমল সাহা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতৃত্বও উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের রাজ্য সভাপতির অভিযোগ রাজ্যের এতই বেহাল অবস্থা যে মা সন্তান বিক্রি করে দিচ্ছেন। তিনি বিপ্লব কুমার দেবের নাম না করে অভিযোগ করেন প্যারাস্যুট দিয়ে উড়ে আসা নেতারা সন্তান বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করছেন। যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিযোগ করেন ২০১৮ সালের আগে বিজেপি নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ক্ষমতায় এলে বছরে ৫০ হাজার চাকরি দেওয়ার।

কিন্তু বছরে ৫ হাজারো চাকরি দেয়নি। যাও চাকরি হয়েছে অনেক চাকরি বাইরের যুবরা পেয়েছে। টি এস আরে চাকরিতে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। বিজেপি সরকার রাজ্যে আসার পরে বেকারত্বে রেকর্ড করে দিয়েছে। ত্রিপুরায় বেকারত্বের হার ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

এতো বেকারত্ব ত্রিপুরা রাজ্যে কখনও ছিল না। অথচ বিজেপি নেতারা মাইকে বড়ো বড়ো কথা বলছেন। এদিকে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে যুব কংগ্রেস নেতারা সকলের কাছে আবেদন রাখেন ইন্ডিয়া জোট প্রার্থীদের জয়ী করার জন্য। তারা তুলে ধরেছেন ইন্ডিয়া জোট এর ২৫ টি গ্যারান্টির কথা।

প্রদেশ বিজেপির সহ-সভাপতি পাপিয়া দত্তের নেতৃত্বে বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে পদযাত্রা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিম ত্রিপুরার লোকসভা আসনের ভোটগ্রহণ ১৯ এপ্রিল। শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি ও তার শরিক দলগুলি ইতিমধ্যেই প্রচারে ব্যাপক ঝড় তুলেছে। প্রচারে বিভিন্ন জায়গায় নেমে সাড়া পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা,পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা।

সব জায়গায় ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হচ্ছে।আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রদেশ বিজেপির সহ-সভাপতি পাপিয়া দত্তের নেতৃত্বে চলছে বিভিন্ন জায়গায় সভা_ পদযাত্রা ।বৃহস্পতিবার আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ৮ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে হয় পদযাত্রা। এদিন ওয়ার্ড এলাকায় সুবিশাল এই পদযাত্রা পরিক্রমা করে।

ভোটারদের কাছে দলীয় প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে ভোট চান কার্যকর্তারা। পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপির সহ-সভাপতি পাপিয়া দত্ত ,৮ নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর সম্পা সেন সরকার , বুথ সভাপতি, ওয়ার্ড সভাপতি সহ বিভিন্ন মোর্চার নেতৃত্ব।

 

 

ভোটা দান প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য : পুনিত আগরওয়াল

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটদান করার জন্য প্রতিটি ভোটারের কাছে আহ্বান জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুনিত আগরওয়াল। ভোটদান সকলের গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগে যাতে কেউ পিছপা না হন সেজন্য ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্যেও বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।

নতুন ভোটার সহ সকলকে ভোটদানে উৎসাহিত করা ও বেশি মাত্রায় এগিয়ে আসার জন্য আল্পনা আঁকার কর্মসূচী নেওয়া হয়। পশ্চিম জেলা নির্বাচনী আধিকারিক কার্যালয়ের উদ্যোগে এই আল্পনা আকারর ব্যবস্থা করা হয় পশ্চিম জেলা শাসক অফিসের সামনে। ভোটা দান প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।

সেসবই শিল্পীরা ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের শিল্প নৈপুণ্যে। বৃহস্পতিবার সেখানে হয় অনুষ্ঠান। পরিবেশিত হয় সংগীত নৃত্য। উপস্থিত থেকে উৎসাহ দেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুনিত আগরওয়াল, পশ্চিম ত্রিপুরা আসনের রিটার্নিং অফিসার ডঃ বিশাল কুমার সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। ভোটারদের সচেতন করার এ ধরণের প্রয়াস সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে।

 

ক্ষমতায় এলে দ্রুত দেশের গরিবের হাল মিটিয়ে দেবো : রাহুল 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- বৃহস্পতিবার রাজস্থানের বিকানের লোকসভা কেন্দ্রে একটি নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। অনুপগড়ে আয়োজিত এই সভায় জনসাধারণের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী বলেন বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলি নিয়েছিলেন। বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এসব বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণের সামনে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। রাহুল গান্ধীও নির্বাচনকে ধনী বনাম গরীব করার চেষ্টা করেছিলেন।

রাহুল গান্ধী বলেন, ভারত জোড়ো যাত্রার সময় আমি হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি শুনেছি সবচেয়ে বড় সমস্যা বেকারত্ব। এর পর ছিল মুদ্রাস্ফীতি।কংগ্রেস নেতা বলেন, ভারতের মানুষকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলবে বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি সবচেয়ে বড় সমস্যা। যাইহোক, আপনি যদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে কোনো মিডিয়া আউটলেটকে জিজ্ঞাসা করেন,তাই তারা আম্বানির বাসভবনে হওয়া বিয়েগুলো কভার করতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। যে মিডিয়া আউটলেটগুলি ২৪/৭ চালায় শুধুমাত্র মোদী এবং তার কার্যকলাপের উপর ফোকাস করে।

রাহুল গান্ধী বলেন যে মিডিয়ার কাজ হল জনগণের আওয়াজ তোলা, কিন্তু তাদের কোটিপতি মালিকরা তাদের তা করতে দেবেন না। তারা (বিজেপি) বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতির কথা বলে না। তাদের কাজ হল আপনার দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়া। তারা চায় না পিছিয়ে পড়া শ্রেণী, কৃষক ও দরিদ্রদের সমস্যা জাতীয় ও আঞ্চলিক মিডিয়ায় দেখানো হোক।

তিনি বলেন, যে ভারতে, প্রায় ৫০% অনগ্রসর শ্রেণী থেকে, ১৫% তফসিলি জাতি থেকে, ৮% উপজাতি থেকে, ১৫% সংখ্যালঘু এবং ৫% দরিদ্র সাধারণ শ্রেণি থেকে। সামগ্রিকভাবে, তারা জনসংখ্যার ৯০% গঠন করে। তবুও এই সম্প্রদায়গুলি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এবং বড় কোম্পানিতে এমনকি মিডিয়াতেও বিশিষ্টভাবে প্রতিনিধিত্ব করে না।

রাহুল গান্ধী বলেন,যে পশ্চাৎপদ শ্রেণীর একজন ব্যক্তিও কোনও জনপ্রিয় মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট পদে অধিষ্ঠিত নয়। মিডিয়ার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর স্বার্থ চরিতার্থ করা নয়। এর উদ্দেশ্য হল দরিদ্র মানুষের পক্ষে প্রশ্ন উত্থাপন করা এবং সমাজের সকল শ্রেণীর পক্ষে কাজ করা।
কংগ্রেস নেতা বলেছিলেন যে নরেন্দ্র মোদী কিছু শিল্পপতির ঋণ মকুব করেছেন। এই পরিমাণ ২৪বছরের MNREGA স্কিমের সমান।

রাহুল গান্ধী বলেন,যে ভারতের ২০ জন ধনী ব্যক্তির কাছে দেশের ৭০কোটি মানুষের সমান সম্পদ রয়েছে। এই ৭০ কোটি মানুষের মধ্যে রয়েছে এমএসপি দাবি করা কৃষক, কর্মসংস্থানের সন্ধানকারী যুবক এবং মুদ্রাস্ফীতির সাথে লড়াই করা মহিলারা, কিন্তু কেউ তাদের কথা শোনে না। প্রধানমন্ত্রী মোদী সরাসরি বলেছেন যে তিনি কৃষকদের এমএসপি দেবেন না এবং দাবি করেছেন যে কৃষকরা সন্ত্রাসী।

তিনি বলেন, যে মোদী প্রতি বছর ২ কোটি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে আপনার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা আসবে, কিন্তু বাস্তবে জিএসটি এবং নোটবন্দীকরণের নামে আপনার পকেট থেকে ১৫ লক্ষ টাকারও বেশি লুট করা হয়েছে।

রাহুল গান্ধী বলেন,যে এটি গণতন্ত্র এবং সংবিধান বাঁচানোর নির্বাচন। এটি পিছিয়ে পড়া মানুষ, দলিত, আদিবাসী ও সাধারণ শ্রেণির দরিদ্র মানুষের নির্বাচন। তিনি বলেন, একদিকে বিজেপি নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বড় শিল্পপতিদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, অন্যদিকে কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এটি নির্বাচিত কোটিপতি এবং দেশের দরিদ্র জনগণের মধ্যে একটি নির্বাচন।

 

ঈদ যেন সকলের জীবনে সুখ সমৃদ্ধি নিয়ে আসে : দীপক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পুরো রামনগরের উন্নয়ন যাতে করতে পারেন সকলের পাশে থেকে সেই দোয়া চান ইদ উৎসবে উপ-নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী দীপক মজুমদার মুসলিম ধর্মাবলম্বি লোকজনের কাছে। পাশাপাশি তিনি এদিন কামনা করেন সকলের সুখ, সমৃদ্ধির। বৃহস্পতিবার পবিত্র ইদ-উল-ফিতর পালন করা হয় রাজ্যে। সকাল থেকেই চলে বিভিন্ন জামে মসজিদে নামাজ আদায়।

রাজধানীর রামনগরের মসজিদ গুলিতেও নামাজ আদায় করেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীর লোকজন।এদিন দক্ষিণ রামনগরের জামে মসজিদ সহ তিনটি মসজিদে যান রামনগর উপ- নির্বাচনের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী দীপক মজুমদার। তিনি মুসলিম ধর্মাবলম্বি লোকজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাদের দোয়া চান। তিনি বলেন ঈদ যেন সকলের জীবনে সুখ সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।