Home Blog Page 542

শান্তি – সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে সারা বিশ্বের সঙ্গে ত্রিপুরায়ও পালিত হলো ইদ-উল-ফিতর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শান্তি-সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে সারা বিশ্বের সঙ্গে ত্রিপুরায়ও পালিত হয় মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের উৎসব ইদ-উল- ফিতর। বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয়ভাবে নামাজ আদায় করা হয় রাজধানীর শিবনগর গেদু মিয়ার মসজিদ প্রাঙ্গণে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া।

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুটি উৎসব হল ইদ উল ফিতর ও ইদ-উল আযহা।প্রতিবছর মুসলিম ধর্মাবলম্বীর লোকজন মহাসমারোহে এসব উৎসব পালন করে থাকেন। এই দুটি উৎসবের মধ্যে একটি হল ইদ উল ফিতর। দীর্ঘ এক মাস রোজা শেষে আসে খুশির ইদ। নতুন জামা কাপড়, রকমারি খাবারের আয়োজন করা হয়ে থাকে এই উৎসবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে।

উৎসবে শামিল হন সকল অংশের মানুষ। প্রতিবছরের মতো এবারো এই উৎসব পালন করা হয় রাজ্যে। বৃহস্পতিবার সকালে মসজিদে মসজিদে চলে নামাজ আদায়। এদিন সকালে আগরতলায় কেন্দ্রীয়ভাবে নামাজ আদায় করা হয় শিবনগর গেদু মিয়ার মসজিদে। সেখানে বিভিন্ন জায়গায় থেকে মুসলিম ধর্মাবলম্বীর লোকজন নামাজ আদায় করেন।নামাজ আদায় শেষে একে অপরের সঙ্গে আলিঙ্গন করে ইদ মোবারকের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রচুর লোক এতে শামিল হন। কেন্দ্রীয় ভাবে সেখানে নামাজ আদায় করান মৌলানা আব্দুর রহমান। তিনি রাজ্য ও দেশের সকলকে ইদের শুভেচ্ছা জানান।শান্তি- সম্প্রীতির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া বলেন, এদিনটি মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এদিনে বলেন, বর্তমান সরকার সকলের জন্য, সবার পাশে থাকার চেষ্টা করে।

 

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজ্যেও পালিত হলো সারা ভারত কৃষক সভার ৮৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস

0

 

 

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সারা ভারত কৃষক সভার ৮৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজ্যেও উদযাপন করা হয় শ্রদ্ধা- শপথে। ১৯৩৬ সালের ১৬ জানুয়ারি মীরাটে সমভাবাপন্ন নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হন। সিদ্ধান্ত হয় কর্মসূচির ভিত্তিতে একটি পৃথক সংগঠন গড়ে তোলা হবে।

১৯৩৬ সালে লক্ষনৌতে এ আই সি সির অধিবেশনের সময় ১১ এপ্রিল কৃষকদের একটি পৃথক সংগঠন গড়ে তুলতে পৃথক কৃষক সম্মেলন করে গঠন করা হয় সারা ভারত কিষান কংগ্রেস।পরবর্তী সময়ে এই কৃষক সংগঠনের নাম হয় সারা ভারত কৃষক সভা। বৃহস্পতিবার সারা ভারতকৃষক সভার ৮৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস মেলারমাঠ সংগঠনের রাজ্য কার্যালয়ে পালন করা হয়।

এই সংগঠন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ব্যক্ত করে রাজ্য কৃষকসভার সহ সভাপতি মতিলাল সরকার বলেন কৃষকদের জমিতে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে লড়াই শুরু হয়েছিল তা আজও অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। এখন সরাসরি রাষ্ট্রশক্তি কৃষকদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে।তিনি অভিযোগ করেন ন্যুনতম সহায়ক মূল্য সমস্ত দাবি দিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেবার পরও মোদি সরকার তাঁর দেওয়া কথার খেলাপ করেছেন।

এবার সকলের সামনে এই সরকারকে হারিয়ে নতুন সরকারকে বসানোর সুযোগ এসেছে তাই বিশ্বাসঘাতকদের হটিয়ে মুখের মতো জবাব দিতে আহ্বান জানান মতিলাল সরকার। এর আগে মতিলাল সরকার সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন।উপস্থিত ছিলেন এই সংগঠনের নেতা তপন দাস ও খেত মজুর ইউনিয়নের সম্পাদক শ্যামল দে সহ অন্যান্য সদস্যরা।

শেষ হাসি কে হাসবে সেটা বলবে ফলাফল, প্রচারে কোন প্রার্থী কারো থেকে পিছিয়ে নেই 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পুরোদমে বেজে গেছে ভোটের বাদ্দি , একদিকে লোকসভা নির্বাচন অপরদিকে ৭ রামনগর বিধানসভার উপনির্বাচন। প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র দীপক মজুমদার ও সিপিআইএমের রতন দাস। জয়ের হাসি কে হাসবে সেটা বলবে ফলাফল। আগরতলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধানসভা কেন্দ্র ৭ রামনগর।

এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বরাবরই জয়ী হয়ে এসেছিলেন প্রয়াত সুরজিত দত্ত। মাঝে একবার রতন দাসের ভাগ্য খুলে বিধায়ক হয়ে গিয়েছিলেন। সে সময় ভোটের ফলাফল পুনরায় গণনা করার প্রস্তাব উঠেছিল। কিন্তু সুরজিৎ দত্ত নিজেই এই গণনা থেকে হয়তোবা অন্তর আত্মার ডাকে সরে এসে পড়েছিলেন। সেই পাঁচ বছর বিধায়ক ছিলেন রতন দাস। তারপরের নির্বাচনেই এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে সরজিত দত্ত জয়ী হয়ে আসেন।

তারপর থেকেই এই কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন বিধায়ক সুরজিত দত্ত। তার প্রয়াণে হঠাৎই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। আর এই নির্বাচনেই প্রয়াত সুরজিত দত্তের সহধর্মিনীর আশীর্বাদ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নেমে পড়েছেন মেয়র দীপক মজুমদার। এদিকে আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদারের পুরো নখ দর্পণে রয়েছে রামনগর এলাকা। যেমন মেয়র হিসেবে পূর্ব পরিচিতি রয়েছে তেমনি এই এলাকার স্থানীয় ক্লাব সম্পাদকও রয়েছেনযার।

ফলে প্রচারে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। পাশাপাশি বামফ্রন্ট প্রার্থী রতন দাসও মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সমতলে প্রচারে ট্যাককা দিয়ে চলেছে। তবে শেষ জয়ের হাসি কে হাসবে সেটাই কিন্তু এখন লক্ষ টাকার প্রশ্ন। মেয়র নিজেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে দাবি করছেন এই কেন্দ্র থেকে অনায়াসেই জয়ী হবেন তিনি।

প্রসঙ্গত রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রটিতে মূলত সংখ্যালঘু ভোটাররাই কোন প্রার্থীর জয় পরাজয়ের নির্ণায়ক শক্তি। প্রচারে কোন প্রার্থী কারো থেকে পিছিয়ে নেই। তবে ফলাফল প্রকাশ পেলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কার ভাগ্য খুলেছে।

 

 

ভারতে মোদির একটি শক্তিশালী সরকার রয়েছে, এ কারণে ঘরে ঢুকে সন্ত্রাসীদের হত্যা করা হচ্ছে : মোদী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী মোদী উত্তরাখণ্ডে পৌঁছেছেন এই দ্বিতীয়বার। আজ তিনি ঋষিকেশের আইডিপিএল স্পোর্টস গ্রাউন্ডে একটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, কংগ্রেস উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের বিরোধী। প্রভু রামের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসই প্রথম রামমন্দিরের বিরোধিতা করেছিল। আদালতে প্রতিবন্ধকতাও সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু রাম মন্দির নির্মাণকারীরা তার সমস্ত পাপ ক্ষমা করে তাকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানালেও তিনি সেই সুযোগও প্রত্যাখ্যান করেন। হিন্দু ধর্মের শক্তি এই অশুভকে ধ্বংস করবে। সম্পূর্ণ হতে দেবে না। তিনি বলেন, কংগ্রেস এখন গঙ্গার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তবে জনগণ অবশ্যই তাদের শিক্ষা দেবে। আমরা যদি উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই তবে আমাদের পদ্মফুল ফুটতে হবে। বাকিটা করার নিশ্চয়তা আমার।

তিনি বলেন, গাড়োয়াল হোক বা কুমায়ুন, মা-বোনেরা কাঠ আনতে ও চুলায় কাজ করে সময় কাটাতেন। আমরা প্রতিটি বাড়িতে সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়েছি। জলজীবন মিশনেও কাজ হয়েছে। আজ পরিস্থিতি পাল্টেছে। আজ, উত্তরাখণ্ডের দশটি পরিবারের মধ্যে নয়টির ঘরে কলের জল রয়েছে। এমনকি রেশন ও জিনিসপত্রের জন্যও কোনো সমস্যা নেই। বিনামূল্যে রেশন ও বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস যখন সরকারে ছিল, তখন গরিব ও বেকারদের টাকা মধ্যস্বত্বভোগীরা খেয়ে ফেলেছিল। আমাদের সরকার সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করেছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে এসব লুট হয়ে যেত। আমরা বন্ধ করে দিয়েছি তাই তাদের ক্ষোভ আকাশের দিকে। আমি যখন বলি দুর্নীতি দূর করো, তারা বলে দুর্নীতিবাজদের বাঁচাও।

প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, ‘আমাদের সরকার উত্তরাখণ্ডের সম্ভাবনাকে ক্রমাগত প্রসারিত করছে। এতে পর্যটন, ভ্রমণ ও তীর্থস্থানের বড় ভূমিকা রয়েছে। ঋষিকেশ অনেক আশেপাশের রাজ্য এবং এর জনগণের জন্য পর্যটনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একটা সময় ছিল যখন সারা বিশ্বে যোগব্যায়াম জনপ্রিয় ছিল না। তখনও বিশ্বের বহু মানুষ যোগের জন্য ঋষিকেশে আসতেন।

কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘বিজেপি সরকার উত্তরাখণ্ডে পর্যটনের প্রচার করে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে। এর জন্য আমাদের ফোকাস হল উত্তরাখণ্ডের প্রতিটি কোণায় পৌঁছানো সহজ হওয়া উচিত। তাই আমরা সড়কপথ, রেলপথ ও আকাশপথের সুবিধা বৃদ্ধি করছি। কংগ্রেস উত্তরাখণ্ডের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে শেষ গ্রাম বলে ডাকত। বিজেপি তাদের প্রথম গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করে তাদের উন্নয়ন করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হান দুক-সু রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নির্বাচনে পরাজয়ের পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হান দুক সু প্রেসিডেন্ট ইয়েন সুক ইওলের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন নেতা পদত্যাগ করেছেন। সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে পরাজয়ের মুখে পড়েছে ক্ষমতাসীন দল।

নির্বাচনের প্রাথমিক প্রবণতা নিয়ে কথা বললে, বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি এগিয়ে রয়েছে ১৬১টি আসনে। ক্ষমতাসীন পিপলস পাওয়ার পার্টি ৯০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের জন্য বুধবার ভোটগ্রহণ হয়েছে। ফলাফলের যে প্রাথমিক প্রবণতা উঠে এসেছে তাতে প্রেসিডেন্ট ইউন সুকের দল পিছিয়ে রয়েছে। পিছিয়ে পড়ছে। যেখানে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার আশা করতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী হান দুক সু সহ অনেক নেতা রাষ্ট্রপতি ইউন সুক ইওলের সাথে দেখা করেছেন এবং তার কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। আসলে ক্ষমতাসীন দল পিপলস পাওয়ার পার্টি সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়েছে। পরাজয়ের দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হান দুক সু রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

শেষ বলে চার মেরে গুজরাটকে জয় এনে দেন রশিদ খান

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আইপিএল ২০২৪ এর ২৪ তম ম্যাচে, গুজরাট টাইটান্স একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে। প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান ১৯৬ রান করে, জবাবে গুজরাট শেষ বলে লক্ষ্য অর্জন করে। শেষ ওভারে গুজরাটকে ১৫ রান করতে হয়েছিল এবং রশিদ খান শেষ বলে চার মেরে গুজরাটকে জয় এনে দেন। রাজস্থানের হয়ে শেষ ওভার বল করছিলেন আভেশ খান কিন্তু থামাতে পারেননি তেওয়াতিয়া ও রশিদ খানকে।

গুজরাটের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল অধিনায়ক শুভমান গিলের। ৪৪ বলে ৭২ রান করেন তিনি। তবে শেষ ওভারে রাহুল তেওয়াতিয়া ও রশিদ খান অসাধারণ হিটিং করে গুজরাটের জয় নিশ্চিত করেন। তেওয়াতিয়া ১১ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলেন, আর রশিদ ১১ বলে অপরাজিত ২৪ রান করেন।

ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের কোন নীতি আদর্শ নেই : সুশান্ত

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের কোন নীতি আদর্শ নেই ।তাদের উপর আস্থা রাখতে পারছে না সাধারণ মানুষ। ত্রিপুরায় বিভিন্ন জায়গায় বিরোধী শিবির ছেড়ে মানুষ যোগ দিচ্ছেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। পূর্ব ও পশ্চিম ত্রিপুরা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করার জন্য ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছেন বিজেপি কর্মী সমর্থক সহ সাধারণ মানুষ।

বুধবার আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে এক যোগদান সভায় এ কথা বললেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী । এদিন বিধায়ক সুদিপ রায় বর্মনের ঘরে ভাঙ্গন ধরায় বিজেপি। রাধানগর বিজেপি কার্যালয়ে হয় যোগদান সভা। সেখানে কংগ্রেসের আটজন যুবক বিজেপিতে শামিল হন ।তাদের স্বাগত জানান মন্ত্রি সুশান্ত চৌধুরী ,বিজেপির প্রদেশ সহ সভাপতি পাপিয়া দত্ত সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

রাজ্যের মানুষকে বোকা বানিয়ে বিজেপি ৬ বছর আগে ত্রিপুরার ক্ষমতায় বসে : জিতেন্দ্র 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি কেন্দ্রে আবার ক্ষমতায় এলে ভারতবর্ষ থেকে ভোট শব্দটাই উঠে যাবে। প্রতারণার হাত ধরে রাজ্যের মানুষকে বোকা বানিয়ে বিজেপি ৬ বছর আগে ত্রিপুরার ক্ষমতায় বসে। বুধবার নির্বাচনী জনসভায় এই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী। পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের ইন্ডিয়া জোট সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং এর সমর্থনে জনসভা হয় ঋষ্যমুখের মতাইয়ে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা ছাড়াও পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং, সিপিএম নেতা তাপস দত্ত সহ অন্যান্যরা। সভায় বিরোধী দলনেতা রাজ্যের বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে দিয়েছিল সেসব পূরণ করেনি। দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, দেশের যৌবনরা আজ দিশেহারা।

দেশের উন্নতি ক্রমশ পেছনের দিকে চলে যাচ্ছে। সভায় সিপিএম প্রার্থী রাজেন্দ্র রিয়াং বলেন, বিজেপি চায় এক ভোট এক ভারত। হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্থান করতে চায় বিজেপি। ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে পূর্ব আসনের সিপিএম প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান রাখেন তিনি।

 

 

খুন, সন্ত্রাস, লুটতরাজ মহিলাদের উপর অত্যাচার এগুলি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা সিপিআইএম আমলে : মুখ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ৩৫ বছরে কমিউনিস্ট রাজনীতিতে মানুষের জীবন বিষাক্ত হয়ে উঠেছিল। শুধু তাই নয় মাঝে পাঁচ বছর দেখেছে শুধু খুন সন্ত্রাস রাহাজানি লুটতরাজ এই মানুষ দেখেছিল। বললেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। কমিউনিস্ট রাজনীতিতে মানুষ কখনোই শান্তির পরিবেশ দেখেনি। খুন সন্ত্রাস রাহাজানি লুটতরাজ মহিলাদের উপর অত্যাচার এগুলি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।

বুধবার বিলোনিয়া রাজ নগর মাঠে বিপ্লব দেবের সমর্থনে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা তীব্র খুব প্রকাশ করে আরো বলেন , সিপিআইএমের ৩৫ বছরের রাজত্বে যে দুর্নীতি হয়েছিল তাকেও ছাড়িয়ে গেছে কংগ্রেসের পাঁচ বছর। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জোর দিয়ে বলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী বারবার একটি কথা বলেন যে নর্থ ইস্ট এর উন্নয়ন না হলে ভারতের উন্নয়ন হবে না।

যার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যে দশটি জাতীয় সড়কের অনুমোদন দিয়েছেন। ইন্টারনেট গেটওয়ে আগরতলা। আন্তর্জাতিক স্তরে দুদিক দিয়েই ত্রিপুরার সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত। ৩৪ রাজনগর মন্ডল আয়োজিত এদিনকার জনসভায় রীতিমতো জনঢল নেমেছিল। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় মন্ডল সভাপতি সহ বিজেপির নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সমবেতভাবে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করার আহবান রাখেন।

 

 

 

কংগ্রেস – সিপিআইএম এক হলেই দিল্লির সরকার হারে : নরেশ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দিল্লির সরকারকে হারানোর জন্য যখন বিরোধীরা এক হয় তখন দিল্লির সরকার হারে। কমিউনিস্ট কংগ্রেস এক হলে স্বাধীনতার যুদ্ধ হয় , কমিউনিস্ট কংগ্রেস এক হওয়ার ফলেই রেগা হয়েছিল। বক্তা প্রাক্তন মন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া। জম্পুইজলায় কংগ্রেস তথা ইন্ডিয়া জোট মনোনীত প্রার্থী আশীষ সাহার সমর্থনে প্রাক্তন মন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া জনগণের কাছে ভোট চেয়েছেন, বলেন এবার আর মোদী সরকার গঠিত হবে না কেন্দ্রে।

রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে, আগামী কিছু দিনের মধ্যেই বেশ কয়েকজন বিধায়ক আশীষ সাহার শরণাপন্ন হবেন বলেও দাবি করেন। বলেন দেশে কমিউনিস্ট কংগ্রেস এক হলে বিপদজনক অবস্থা হয়। অটল বিহারীর সময়েও কমিউনিস্ট কংগ্রেস এক হয়ে যাওয়ার ফলে অটলবিহারী সরকার পড়ে গিয়েছিল। কেন্দ্রে গঠন হয়েছিল ইউপিএ সরকার। তখন উপজাতিদের বন আধিকার আইন পাস হয়। দেশে রেগা চালু হয়েছিল। তাই আপনাদের সতর্ক করছি, এবার মোদি সরকারের পতন হবে।

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা আশীষ সাহা বলেন , মথার সমর্থিতরা এই রাজ্যের বিরোধীদের সাথে থাকবে। কেননা মথা বিরোধীদের সমর্থন করবে। আজকের সভায়ও মথা কর্মীরা এসে কংগ্রেস সিপিআইএম জোটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বলেছে আমরা আপনাদের পূর্ণ সমর্থন করি। কিল্লার জম্পুই জলায় আয়োজিত জনসমাবেশে জনজাতি অংশের মানুষের উপস্থিতি ব্যাপক হারে পরিলক্ষিত হয়েছে।

প্রাক্তন মন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া তথ্য সহকারে বিজেপির হার নিশ্চিত করে দিয়েছে। বলেন যখনই সব রাজনৈতিক দল জোট বেঁধেছে তখনই বিজেপি জোটের পরাজয় হয়েছে।