Home Blog Page 539

পূর্ব আসনের বিজেপি প্রার্থীর নাম থেকে শুরু করে সমস্ত হলফনামায় ব্যাপক গড়মিল রয়েছে : সুদীপ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- লোকসভার পূর্ব ত্রিপুরা আসনের বিজেপি প্রার্থী কৃতিদেবীর নাম ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তথ্য প্রকাশ করে ইন্ডিয়া জোটের ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের অন্যতম আহ্বায়ক বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ বলেন সমস্ত তথ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ করার।

তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ব আসনের বিজেপি প্রার্থীর নাম থেকে শুরু করে সমস্ত হলফনামায় ব্যাপক গড়মিল রয়েছে। সুদীপবাবু বলেন এই প্রার্থী ২০১৮ সালে ছত্তিশগড়ের এক নির্বাচনে লড়েছিলেন সেখানে তাঁর হলফনামা অনুসারে তাঁর নাম কৃতি দেবী সিং। তিনি ত্রিপুরায় কৃতি দেববর্মন বলে যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন তা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ঘোষণা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

সেটা করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই সাথে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২০১৮ সালের হলফনামায় ১৯৯২ সালে লোরেটো কনভেন্ট দশম শ্রেণীর ছাত্রী। আর এ বছরের হলফনামা বলছেন ১৯৯০ সালে একই স্কুলে এইচ এস এল পড়তেন। সুদীপ বাবু বলেন কিভাবে একজন পরিবর্তিত পদবি আবার পরিবর্তন করলেন কেন উপজাতিদের পদবি ত্যাগ করে আবার উপজাতি পদবিতে ফেরত এলেন এবং একই মানুষের এক এক নির্বাচনে ব্যালট পেপারে এক এক ধরনের নাম কি করে থাকে সেটা নির্বাচন কমিশনকে প্রকাশ্যে জানানোর দাবি জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে অন্য আহ্বায়ক বিরোধী দল নেতা জিতেন চৌধুরী রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর মন্তব্য টেনে এনে বলেন মন্ত্রী বলেছেন জুন মাসে ভোটের ফল প্রকাশের পর জিতেন চৌধুরী বিরোধী দলনেতা থাকবেন না আর কংগ্রেসের সদস্য সংখ্যা দুজন কমে যাবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী ব্যাখ্যা করে বলুন এই ক্ষেত্রে ইলেকটরাল বন্ডের টাকা ব্যবহার হবে নাকি অন্য প্রক্রিয়া ব্যবহার হবে?

ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে SC, ST, OBC দের জন্য সংরক্ষণের ৫০ শতাংশের বাধ্য বাধকতা দূর করা হবে : কংগ্রেস নেতৃত্ব

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে ৫ টি ন্যায়ের মাধ্যমে ২৫ টি প্রতিশ্রুতি সমাজের সব অংশের মানুষের জন্য পূরণ করা হবে। এই ৫ টি ন্যায়ের মধ্যে একটি হল অধিকার ন্যায়। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে অধিকারের ন্যায় নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

এদিন প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে নেতৃত্ব বলেন, ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে জাতি গণনার মাধ্যমে সব অংশের মানুষের অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা হবে। তারা বলেন, জাত গণনা হলে স্পষ্ট চিত্র সামনে উঠে আসবে কোন জাতির কত শতাংশ লোক আছেন। সেই মতো বাজেট করা হবে।

জাত গণনা হলে আর্থিক- সামাজিক উন্নয়ন হবে। তারা বলেন, এস সি,এস টি, ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণের ৫০ শতাংশের বাধ্য বাধকতা দূর করা হবে। যারা অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে আছে তাদের সংরক্ষণের বিষয়টি দেখা হবে।

 

সংবিধান বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মানুষ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে : আশীষ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দুর্বল অংশের মানুষকে বিভাজনের মধ্যদিয়ে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে দেশে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটের মাধ্যমে লড়াই শুরু হয়েছে। সংবিধান বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মানুষ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে ডঃ বি আর আম্বেদকরের ১৩৪ তম জন্মজয়ন্তীতে একথা বললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা।

এদিন সকালে কংগ্রেস ভবনে আম্বেদকরের জন্মদিন উদযাপন করা হয়। প্রথমে সংবিধান প্রনেতার প্রতিকৃতিতে ফুলমালা দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ, ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা সহ অন্যরা।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এদিন অভিযোগ করেন, বর্তমানে সংবিধানকে বিলুপ্ত করার জন্য দুর্বল করে দিয়ে একটা বিরাট অংশের মানুষের যে পশ্চাদপদতা অতিক্রম করার সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতা বলে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি বিলুপ্ত করে দুর্বল অংশের মানুষকে বিভাজনের মধ্যদিয়ে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে দেশে।

দাম যতই হোক বছরের প্রথম দিন ইলিশেই মজেছেন ক্রেতারা 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর মধ্যে অন্যতম একটি হল বাংলা নববর্ষ। এদিনে প্রতিবছর উৎসব প্রেমী বাঙালিদের ঘরে ঘরে থাকে ভুরিভোজের আয়োজন। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে সকলেই এদিনে ভালো খাবারের আয়োজন করার চেষ্টা করে থাকেন। স্বাভাবিক ভাবেই সকাল থেকে বাজারে থাকে ক্রেতা- বিক্রেতার ভিড়।

মাছ-মাংস থেকে শুরু করে মিষ্টির দোকানেও একই ছবি।অন্যান্য বছরের মতো এবারো বাংলা নববর্ষের দিনে রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ভিড় চোখে পড়ে। রবিবার সকাল থেকে রাজধানীর বটতলা, মহারাজগঞ্জ , তুলসিবতী, মঠ চৌমুহনী, লেক চৌমুহনী সহ বিভিন্ন বাজারে ক্রেতারা ভিড় করেন মাছ-মাংসের দোকানে। আর নববর্ষের দিনে ভোজন রসিক বাঙালী ইলিশ মাছ কিনতে ভিড় করেছেন মাছের বাজারে।

তবে এবছর ইলিশের দাম বেশ চড়া। কাঁচা ইলিশ বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি প্রায় ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা। আর ফ্রিজের মাছ কিছুটা কম। অনেকেই দাম যতই হোক বছরের প্রথম দিন ইলিশেই মজেছেন। এছাড়া অন্য মাছের দামও একটু বেশি ছিল। একই অবস্থা মাংসের বাজারেও। এর পরেও বছরের এই একটি বিশেষ দিনের জন্য ভোজন রসিক বাঙালী সাধ ও সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটা করেছেন পরিবারের সকলে একসঙ্গে বসে পেটপুড়ে খাওয়ার জন্য।

এদিন মাছ-মাংসের বাজারের পাশাপাশি মিষ্টির দোকান গুলিতে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শুভেচ্ছা বিনিময়ে মিষ্টি মুখ কিংবা দুপুরের খাবারের পাতে মাছ- মাংসের পরে মিষ্টি- দই না হলে কি হয়? তাই মিষ্টি কিনতেও দোকানে দোকানে ভিড় করেছেন ক্রেতারা।

 

প্রধানমন্ত্রী চাইছেন ভারতের অখণ্ডতাকে রক্ষা করা, সমাজের অস্পৃশ্যতাকে দূর করা : রাজীব 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চাইছেন ভারতের অখণ্ডতাকে রক্ষা করার। সমাজের অস্পৃশ্যতাকে দূর করার। পাশাপাশি এক ভারত শ্রেষ্ঠ নির্মাণের বি আর আম্বেদকরের দেখানো পথকে স্মরণ করে নরেন্দ্র মোদীও সেই পথে পরিচালিত করছেন।সংবিধান প্রণেতা ডঃ বি আর আম্বেদকরের জন্ম জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে একথা বললেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। রবিবার আম্বেদকরের জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করা হয় ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি এস সি মোর্চার উদ্যোগে।

এদিন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে হয় শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি ছাড়াও ,সহ- সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য, এস সি মোর্চার রাজ্য সভাপতি অরবিন্দ দাস সহ অন্য কার্যকর্তারা। এদিন উপস্থিত নেতৃত্ব সংবিধান প্রনেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। পরে রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, ডঃ বি আর আম্বেদকরের প্রতি তখনই প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে যখন উনার দেখানো পথে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

 

 

দেশকে অটুট রাখতে দেশের মানুষ কোমর বেঁধেছে, লোকসভা নির্বাচনে মানুষ জবাব দেবে বিজেপিকে : জিতেন্দ্র 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সমস্ত সামাজিক আইন শৃঙ্খলা ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে এখন সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর ছলনা করে আবার বোকা বানানোর চেষ্টা হচ্ছে।রবিবার রাজধানীর সিটি সেন্টারের সামনে ডঃ বি আর আম্বেদকরের জন্মদিনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা সি পি আই এম রাজ্য কমিটির সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন সম্প্রতি রাজস্থানে এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন স্বয়ং আম্বেদকর নাকি জীবিত থাকলেও এই সংবিধান পাল্টাতে পারতেন না। এদিন ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির তরফে স্মরণ করা হয় সংবিধান প্রণেতা ডঃ বি আর আম্বেদকরকে জন্মদিনে। এর উপলক্ষে হয় সংবিধান রক্ষায় বিজেপিকে পরাস্ত করার আহ্বান জানিয়ে সভা হয়।

সেখানে আলোচনা করতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী বলেন দেশকে অটুট রাখতে দেশের মানুষ কোমর বেঁধেছে। আর এস এস-বিজেপি এই সংবিধানের বিরোধী জন্মলগ্ন থেকে। তারাই সি এএ এনেছে দেশ থেকে একটি অংশের মানুষকে, ধর্মনিরপেক্ষতাকে ছেঁটে ফেলতে। বেআইনিভাবে ইলেকটরাল বন্ড করে টাকা লুট করলো কে? তিনি প্রশ্ন তোলেন। এবারের নির্বাচনে জবাব দিতে ইন্ডিয়া জোটকে জয় যুক্ত করতে আহ্বান জানান জিতেন বাবু।

পশ্চিম আসনে লোকসভার ভোটে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী আশিস কুমার সাহা বলেন দেশ এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের মুখে পড়েছে। বিজেপি আর এস এস আম্বেদকরের করা সংবিধানের বিরোধী। এরা সমস্ত অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। এই নির্বাচনে সমস্ত দেশের মানুষ এক ছাতার তলায় এসেছে ইন্ডিয়া জোটের মাধ্যমে।

আম্বেদকরের স্বপ্ন দেখে ছিলেন অখণ্ড ভারতের, সেই ভারতকে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে। তাই এই বিজেপিকে হারানোর শপথ নিতে তিনি আহ্বান জানান। বক্তব্য রাখেন তফশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির সভাপতি রতন ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক সুধন দাস।এর আগে ডঃ বি আর আম্বেদকরের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নেতৃবৃন্দ।

 

 

১৩৪ তম জন্ম জয়ন্তীতে আম্বেদকরের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ত্রিপুরা রাজ্যপালের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের জন্য সংবিধানে অধিকারের কথা লিখে গেছেন ডঃ বি আর আম্বেদকর। এখনও যারা অর্থনৈতিক ভাবে সমাজে পিছিয়ে আছেন তাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া জন্য চেষ্টা জারি রাখার আহ্বান রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লুর। প্রতিবছর সংবিধান প্রণেতা ডঃ বি আর আম্বেদকরের জন্মদিন যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয় সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও।

এবছর আম্বেদকরের ১৩৪ তম জন্ম জয়ন্তী। রবিবার সকালে তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে আম্বেদকর স্মরণ অনুষ্ঠান হয় ত্রিপুরা স্টেট মিউজিয়ামের সামনে। সেখানে আম্বেদকরের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডী নাল্লু, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক সহ বিশিষ্টজনেরা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়ারাও অংশ নেন।

 

 

বছরের প্রথম দিনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ীরা যাত্রা করান হাল খাতা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসলেও বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন এখনও ব্যবসায়ীরা হাল খাতার যাত্রা করে থাকেন। এদিনে বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে এসে হাল খাতার পূজা দেন তারা। এবছরও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। রবিবার সকাল থেকে রাজধানীর লক্ষ্মি নারায়ণ বাড়িতে ভিড় জমান পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধি ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় তারা হাল খাতার যাত্রা করানোর পাশাপাশি পূজা দেন। প্রচুর ব্যবসায়ী এদিন ভিড় জমান। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তারা যাত্রা করান হাল খাতার। লক্ষ্মি নারায়ণ বাড়ি চত্বরে প্রতি বছরের মতো এবছরও বসেছে মেলা। দোকানীরা রকমারি পসরা নিয়ে মেলায় বসেছেন।হালখাতা হলো বছরের প্রথম দিনে দোকানপাটের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া।

বছরের প্রথম দিনে ব্যবসায়ীরা তাদের দেনা-পাওনার হিসাব সমন্বয় করে এদিন হিসাবের নতুন খাতা খোলেন। এই উপলক্ষে নববর্ষের দিন ব্যবসায়ীরা তাদের খদ্দেরদের মিষ্টিমুখ করান। খদ্দেররাও তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পুরোনো দেনা শোধ করে দেন। আগেকার দিনে ব্যবসায়ীরা একটি মাত্র মোটা খাতায় তাদের যাবতীয় হিসাব লিখে রাখতেন। এই খাতাটি বৈশাখের প্রথম দিনে নতুন করে হালনাগাদ করা হতো।

বাংলাদেশ , ভারতের ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ছোট বড় মাঝারি যেকোনো দোকানেই এটি পালন করা হয়ে থাকে। আগেকার দিনে হালখাতা অনেক ধূমধাম করে উদযাপন করা হত। এখনকার দিনে অবশ্য হালখাতা ঘিরে ধূমধাম অনেকটাই কমে এসেছে। আগে অনেক দোকানদার রীতিমত নিমন্ত্রণ পত্র ছাপিয়ে হালখাতার উত্সাবের আয়োজন করতেন। লোকজন নেমন্তন্ন করে এলাহি আয়োজন করে তাঁদের খাওয়ানো হত।

এখনকার দিনে বিভিন্ন অ্যাপ ও অনলাইন শপিং-এর কারণে হালখাতার সেই প্রাচীন দিনের জৌলুস কমে এসেছে। তবে অনেকেই এখনও পুরনো ঐতিহ্য- সংস্কৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।

 

 

গত ১০ বছরে দুর্নীতি মুক্ত করছে দেশের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী : মুখ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই। বিজেপি হচ্ছে কার্যকর্তার পার্টি। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর হাত শক্তিশালী করতে পারলে আগামী প্রজন্ম ভারতের যা উন্নয়ন হবে এর সুফল পাবে। তৃতীয় বারের জন্য নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চায় সকলে। সেই দিশায় কাজ করতে হবে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শান্তিপাড়ায় এক নির্বাচনী সভায় একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

এদিন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে হয় নির্বাচনী সভা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, টাউন বড়দোয়ালি মণ্ডল সভাপতি সহ অন্যরা। আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি যে কোন নির্বাচনকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখে। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ হল ভোটের হার কত বাড়বে। এছাড়া অন্য কোন চ্যালেঞ্জ নেই।

গতবারের তুলনায় যাতে ভোটের হার বেশি হয় সেই দিশায় কাজ করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মোদীজি গ্যারান্টির ও গ্যারান্টি দিচ্ছেন। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার গ্যারান্টি দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সারা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিয়েছেন দুর্নীতি ছাড়াও একটা সরকার চলতে পারে।

১০ বছরে কোন ধরণের দুর্নীতি হয়েছে কেউ বলতে পারবেন না। তিনি অভিযোগ করেন নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে দেশ জুড়ে একটা অস্থির পরিবেশ ছিল। বিভিন্ন দাঙ্গা হতো। পূর্বতন কেন্দ্রের সরকার বিভাজনের রাজনীতি করে গেছে। এদিনের সভা থেকে বিজেপি প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।

 

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা সফল করতে বৈঠক বিজেপি সহ শরিক দলের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা সফল করতে বৈঠক বিজেপি সহ শরিক দলের। রাজ্যের দুটি লোকসভা আসনে শাসক দলের তরফে ঝড়ো প্রচার চলছে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় চলছে মিছিল-সভা-রেলি। নির্বাচনী প্রচারের পালে আরও গতি আনতে ত্রিপুরায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ১৭ এপ্রিল রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি রাজধানীর স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে সমাবেশে ভাষণ রাখবেন দুই আসনের প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব ও কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে। এর আগে ১৫ এপ্রিল ত্রিপুরায় আসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে কুমারঘাটে পূর্ত দপ্তরের মাঠে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখবেন।এই দুই কর্মসূচী নিয়ে শনিবার আগরতলা মানিক্যকোটে হয় সভা।

ভারতীয় জনতা পার্টি, আই পি এফ টি ও তিপ্রা মথার নেতৃত্বদের নিয়ে হয় বৈঠক। এতে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিঙ্কু রায়, মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায়, তিপ্রা মথার সভাপতি বিজয় কুমার রাংখল, দলের প্রধান প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ সহ অন্যরা। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী টিঙ্কু রায় বলেন, সফল রেলি হবে এবং দুই প্রার্থীর ঐতিহাসিক বিজয় হবে।