Home Blog Page 494

বিদ্যুতের দাবিতে খোদ রাজধানীতে পথ অবরোধ স্মার্ট সিটির নাগরিকদের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিদ্যুতের দাবিতে খোদ রাজধানীতে পথ অবরোধ স্মার্ট সিটির নাগরিকদের। ক্ষুব্ধ লোকজনের প্রশ্ন এটাই কি স্মার্ট সিটি? বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তির শিকার বয়স্ক অসুস্থ রোগীরা। ঘূর্ণিঝড় রেমালের জেরে রাজধানীতেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা। মঙ্গলবার অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ চলে এলেও দুই দিন অতিক্রান্ত হলেও দেখা মিলেনি বিদ্যুতের। এতে সমস্যায় পড়েন বয়স্ক ও শিশুরা। বিশেষ করে অসুস্থ রোগীরা।

এমনই ঘটনা ঘটে রাজধানীর উজান অভয়নগর পশু হাসপাতাল রোডে।সেখানে একাংশে নেই বিদ্যুৎ। অভিযোগ প্রায় দুই দিন ধরে এলাকায় নেই বিদ্যুৎ। ফলে সমস্যায় লোকজন। বিশেষ করে কিডনি, হার্টের রোগীদের নিয়ে সমস্যায় পড়েন পরিজনেরা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ বিদ্যুতের জন্য স্থানীয় অফিসে যোগাযোগ করলেও কোন সুরাহা হয়নি।

কোন সময় পরিষেবা স্বাভাবিক হবে তা বলতে পারছেন না লোকজন। অবশেষে বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে অভয়নগর জিবি রাস্তা অবরোধ করেন ভুক্তভোগী শতাধিক পরিবারের লোকজন। স্থানীয়রা হুমকি দেন পরিষেবা স্বাভাবিক না হলে রাস্তা অবরোধ চলবে।

রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ১৫টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে,  ত্রাণ শিবিরগুলিতে ৭৪৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন : খাদ্যমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ঘূর্ণিঝড়ের জেরে ব্যাপক বৃষ্টিতে হাওড়া, মুহুরি, কাঁকড়ি, ধলাই ও খোয়াই নদীর জলস্তর বিপদ সীমার কাছাকাছি বইছে। নদীগুলির জলস্তরের উপর নজর রাখা হচ্ছে। ৪৬৭ টি বসত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ টি বাড়ি। মঙ্গলবার বিকেলে মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

তিনি জানান ঝড়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ১৮৫ টি বাড়ির। আংসিক ক্ষতি হয়েছে ২৭৬ টি বাড়ির। বন্যা দেখা দেওয়ায় রাজ্যের ১৫ টি শরণার্থী শিবির খোলা হয়েছে। শিবিরে সাত শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী। তিনি এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, সকলের সক্রিয় ভুমিকার কারনে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রাজ্যে কোন প্রান হানির ঘটনা ঘটে নি। আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী মঙ্গল ও বুধবার সকলে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কারন এই দুই দিন বৃষ্টি সহ বজ্রপাত হতে পারে।

এই সময়ের মধ্যে মাছ শিকার করতে কাউকে জলাশয়ে যেতে বারন করা হয়েছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ ও দমকল বাহিনীর কর্মীরা সক্রিয় ভাবে কাজ করেছে। তিনি আরও জানান গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে গড়ে বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে ২১৫.৫ মিলি লিটার। সর্বাধিক বৃষ্টি হয়েছে ঊনকোটি জেলায়। রেকর্ড করা হয়েছে ঊনকোটি জেলায় ২৫২.৪ এম.এম। সর্ব নিম্ন বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে দক্ষিন জেলায় ১৬৮ এম.এম।

 

 

 

ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা অনেক বিপর্যস্ত হয়েছে,বিদ্যুৎ পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করতে রাজ্যের মানুষের সার্বিক সহযোগিতা চাই : রতন 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-রেমালের জেরে ক্ষতি হওয়া রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবাকে দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য প্রতিটি মহকুমায় ৩-৪ টিম তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে বিদ্যুৎ কর্মীসহ ঠিকাদার সংস্থার চার-পাঁচজন সদস্য রয়েছেন। তারা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী রত্ন লাল নাথ।

তিনি আশা ব্যক্ত করেন আগরতলা ডিভিশনে বিদ্যুৎ সারাইয়ের কাজ সোমবারের মধ্যে ৮০ শতাংশ এবং মফস্বলে ৫০ শতাংশ করা যাবে। ঘূর্ণিঝড় রেমালে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষতি নিয়ে এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন মন্ত্রী। তিনি রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবাকে দ্রুত স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে রাজ্যের মানুষের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন।

মন্ত্রী ছাড়াও সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস সরকার, জেনারেল ম্যানেজার স্বপন দেববর্মা। মন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জানান ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা অনেক বিপর্যস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের এই তাণ্ডবের মধ্য বিদ্যুৎ কর্মী থেকে শুরু করে ঠিকেদার সংস্থা, ইঞ্জিনিয়ারগণ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে । তিনি জানান ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী আগরতলা সহ সারা রাজ্যে ৬৮৬ টি বিদ্যুতের খুঁটি, ২৩৪ কিলোমিটার পরিবাহী তার ও ৮২ ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে গেছে। এছাড়াও এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বিদ্যুৎ মন্ত্রী বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। আগামী দিনে স্মার্ট মিটার বসানো সহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন সাংবাদিক সম্মেলনে।

 

 

ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে ক্ষতি হয়েছে মানুষেরদেওয়া হবে সম্পত্তি, দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ : জেলা শাসক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রেমালের জেরে ব্যাপক প্রভাব পড়লো রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে রাজধানী আগরতলায়ও। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব মঙ্গলবার রাতভর চলে। বৃষ্টি ও তুমুল ঝড়ো হাওয়ার দাপট লক্ষ্য করা যায় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। ঝড়ের দাপটে বিশাল বিশাল বহু পুরনো গাছ ভেঙে পড়েছে পশ্চিম জেলার বিভিন্ন জায়গায়। আগরতলার রাধানগর, ভি আই পি সড়কে সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকা, কুমারীটিলা, জয়নগর সহ বিভিন্ন এলাকায় ভেঙ্গেছে গাছ।

শুধু বড় বড় গাছ নয়, উপরে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি, চিড়ে গেছে গাছের ঢাল ভেঙে বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইন। ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে ক্ষতি হয়েছে মানুষের সম্পত্তি। বিভিন্ন জায়গায় গাছ পড়ে বন্ধ যায় রাস্তা। বন দপ্তরের কর্মী সহ সংশ্লিষ্টরা গাছ সরিয়ে রাস্তায় যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন নিগমের কর্মীরা। একথা জানান পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ডঃ বিশাল কুমার। তিনি জানান, গাছ পড়ে হতাহত কেউ হয়নি। তবে যাদের সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এই ক্ষতি নিরূপণের কাজও চলছে।

 

 

৪ জুনের পর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার হবে, এটাই মোদির গ্যারান্টি : প্রধানমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ডের দুমকায় এক জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিকে, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে (জেএমএম) নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘ঝাড়খণ্ডের নেতারা যে টাকা পাচ্ছেন তা মদ কেলেঙ্কারি, টেন্ডার কেলেঙ্কারি এবং খনির কেলেঙ্কারি থেকে আসছে। সাহেবগঞ্জ জেলায় ১০০০ কোটি টাকার একটি খনির কেলেঙ্কারি ধরা পড়েছে।

ঝাড়খণ্ড সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘এই লোকেরা জমি দখলের জন্য তাদের বাবা-মায়ের নাম বদলেছে। এমনকি সেনাবাহিনীর জমিও লুট হয়েছে। এখন ঝাড়খণ্ডকে এই লোকদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। জেএমএমের লোকেরা আপনার প্লেট থেকে রেশন লুট করেছে। হর ঘর জল যোজনায় তারা কেলেঙ্কারি করেছে তাতে তারা লজ্জাবোধ করে না। সবাই জানে জেএমএম নিজে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু গরিবদের অন্ন-জল কাউকে স্পর্শ করতে দেবেন না মোদি।

প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, ‘৪ জুনের পর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার হবে, এটাই মোদির গ্যারান্টি। বিজেপি দলিত, বঞ্চিত ও আদিবাসীদের জন্য নিবেদিত। আমরা আদিবাসী কল্যাণে চার গুণের বেশি বাজেট বাড়িয়েছি। আমরা একটি আইন করেছি যাতে উপজাতীয় এলাকায় আপনার সন্তানদের জন্য খনিজ অর্থ ব্যয় করা হয়। আমাদের সরকার ভগবান বিরসা মুণ্ডার জন্মবার্ষিকীতে আদিবাসী গর্ব দিবস উদযাপন করে। কিন্তু কংগ্রেসের লোকেরা এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে।

আদিবাসীদের বিরুদ্ধে তাদের অস্ত্র হল নকশালবাদ, অনুপ্রবেশ এবং তুষ্টি। যতদিন কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল, ততদিন দেশজুড়ে নকশালবাদ বাড়তে থাকে। নকশালবাদের আড়ালে অধিকাংশ আদিবাসী পরিবারকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে আদিবাসী কন্যারা। ৫০ টুকরো করে কেটে খুন করা হচ্ছে কন্যাসন্তানদের। এক আদিবাসী কন্যাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। আদিবাসীদের টার্গেট করছে কারা? লাভ জিহাদ শব্দটি প্রথম প্রকাশ পায় ঝাড়খণ্ডে।

এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে দাড়িয়ে যথাসম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে জিরানীয়া ও রাণীরবাজার এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে দাঁড়ালেন এলাকার বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী এবং তাদের সাথে কথা বলেন তিনি। ঘুরে দেখেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীদের যথাসম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন মন্ত্রী।

এদিনের সফরকালে উপস্থিত ছিলেন, মজলিশপুর মন্ডলের সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস, জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস-চেয়ারম্যান প্রীতম দেবনাথ, মহকুমা শাসক শান্তি রঞ্জন চাকমা, রাণীরবাজার পুর পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার দাস সহ অন্যান্যরা।

তবে এই দুঃসময়ে এলাকার বিধায়ককে পাশে পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীরা ব্যাপক খুশি ছিল।

গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাতে ত্রিপুরা গত ৬৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলো 

0
Oplus_0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গত ২৪ ঘন্টায়, ত্রিপুরায় অভূতপূর্ব বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ৬৭ বছরে দেখা যায়নি, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মতে, ত্রিপুরায় গত২৪ ঘণ্টায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা ৬৭ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে।

ত্রিপুরায় ৬৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৪-ঘন্টা বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ২০০ মিমি ছাড়িয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় রেমাল ইতিমধ্যেই ত্রিপুরার পাশ দিয়ে চলে গেছে, এবং আমরা একটি কমলা সতর্কতা জারি করেছি,” একজন কর্মকর্তা বলেছেন। আধিকারিক আরও যোগ করেছেন যে ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার গভীর রাতে প্রায় ১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বাতাসের গতিতে ত্রিপুরা অতিক্রম করেছিল।

অসংখ্য গাছ উপড়ে গেছে, এবং বেশ কয়েকটি এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা বর্তমানে রাজ্যজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞের তথ্য সংগ্রহ করছি। যদিও ঘূর্ণিঝড়টি কেটে গেছে, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে,” তিনি উল্লেখ করেছেন।

IMD আগরতলা অনুসারে, ২৭ তারিখ সকাল ০৮.৩০ AM থেকে ২৮ তারিখ সকাল ০৮.৩০ AM পর্যন্ত, উনাকোটিতে সর্বোচ্চ ২৫২.৪ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, তারপরে ধলাই জেলায় ২৪৮.৩ মিমি, উত্তর জেলায় ২৪২ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মিমি, পশ্চিম জেলায় ২২৯.০ মিমি, সিপাহিজালা জেলা ১৮৭.২ মিমি, খোয়াই জেলা ১৯৯ মিমি, গোমতি জেলা ১৯৮.২ মিমি এবং দক্ষিণ জেলা ১৬৮ মিমি।

সরকারি ড্রেইনের উপর বেআইনি ভাবে নির্মাণ করা সিঁড়ি ও স্লেভ গুলি ভেঙে ফেলা হবে : মেয়র

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে রাজধানী আগরতলায়। বিভিন্ন জায়গায় জমে গেছে জল। মানুষের বাড়ি ঘরে ঢুকেছে জল। জল দ্রুত সরানোর কাজে পুর নিগমের পাম্প মেশিন গুলি কাজ করে চলেছে। বনমালীপূর এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় সোমবার রাতের বৃষ্টিতে জমে গেছে জল। তবে এই জল জমার জন্য স্থানীয় কতিপয় লোকজনকে দায়ী করলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।

মঙ্গলবার সকালে তিনি বনমালীপুর এলাকায় পাম্প মেশিন পরিদর্শনে যান। ঘুরে দেখেন সেখানকার রাস্তাও। মেয়রের সঙ্গে ছিলেন পুর নিগমের কমিশনার ডঃ শৈলেশ কুমার যাদব, কর্পোরেটর সুখময় সাহা, ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য সহ অন্যরা। মেয়র জানান, বনমালীপুর এলাকার বহু মানুষ সরকারি ড্রেইন দখল করে বাড়ির সিঁড়ি ও স্লেভ নির্মাণ করে রেখেছে। যার কারণে সেসব এলাকায় জল জমে গেছে। আগরতলা পুর নিগমের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারি ড্রেইনের উপর বেআইনি ভাবে নির্মাণ করা সিঁড়ি ও স্লেভ গুলি ভেঙে ফেলা হবে।

পাশাপাশি পুর নিগমের মেয়র জানান আগরতলা শহরে যেন জল না জমে তার জন্য পাঁচটি ডিজেল চালিত জল নিকাশি পাম্প হয়েছে। এছাড়াও বিদ্যুৎ চালিত একাধিক পাম্প মেশিন রয়েছে। বৃষ্টির সময় বজ্রপাত না হলে এই পাম্প গুলিও জল নিষ্কাশনের জন্য কাজ করে।

 

 

(NDRF), বিদ্যুৎ কর্মীগণ, অগ্নি নির্বাপক দপ্তর ও অন্যান্য জরুরি পরিসেবার সাথে সংযুক্ত কর্মীদের প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা জানিয়েছেন যে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবের কারণে সৃষ্ট হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারী সংস্থাগুলি চব্বিশ ঘন্টা কাজ করছে, যা ইতিমধ্যে রাজ্যের পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন অংশে এর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

যেকোনো ধরনের ঘটনা মোকাবিলায় নিয়োজিত সংস্থাগুলির প্রচেষ্টার প্রশংসা করে, সিএম মানিক সাহা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে বলেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে স্বাভাবিক জনজীবন কিছুটা ব্যাহত হলেও প্রশাসন সব ধরনের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

এই দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতেও নিরলস ভাবে কাজ করে যাওয়া দূর্যোগ মোকাবিলা দল (NDRF), বিদ্যুৎ কর্মীগণ, অগ্নি নির্বাপক দপ্তর ও অন্যান্য জরুরি পরিসেবার সাথে সংযুক্ত কর্মীদের আমি কুর্নিশ জানাই। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসন ও সরকারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে সকল অংশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

 

 

 

মানুষ ভোগান্তির শিকার হবে, এইটা কোন অবস্থায় মেনে নেওয়া হবে না, পরিবহণ শ্রমিকদের সতর্ক করলেন পরিবহনমন্ত্রী 

0
Oplus_0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পরিবহণ শ্রমিকদের কোন সমস্যা হলে খোলামেলা আলোচনার জায়গা রয়েছে। দপ্তর, মন্ত্রী রয়েছে। কিন্তু যানবাহন বন্ধ করে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি কোন ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। রাজধানীর রাধানগর স্ট্যান্ডে এক শ্রমিককে মারধর ঘটনা নিয়ে বি এম এসের শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

রাধানগর স্ট্যান্ডে ২৫ তারিখ রাতে এক শ্রমিককে মারধর করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদ জানিয়ে রবিবার যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে পশ্চিম থানা ও মুখ্যমন্ত্রীর বাস ভবনের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখান বি এম এসের শ্রমিকরা। এই সমস্যা নিয়ে সোমবার পরিবহণমন্ত্রী অফিসে কক্ষে বৈঠক হয়। রাধানগর স্ট্যান্ডের সোসাইটির দায়িত্ব প্রাপ্ত পদাধিকারি, পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার, ট্রাফিক এসপি, পরিবহণ দপ্তরের সচিব, অতিরিক্ত সচিব,পরিবহন কমিশনার, টি আর টি সি চেয়ারম্যান,মহকুমা শাসক সহ অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে।

এনিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের জন্য সাধারন মানুষ ভোগান্তির শিকার হবে, এটা কোন অবস্থায় মেনে নেওয়া হবে না আগামী দিনে। যারা সমস্যা সৃষ্টি করবে প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। শুধু তাই নয়, কথায় কথায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভেরও সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী এদিন গণ্ডাতুইসা মহকুমায় বিরোধী দলনেতার সন্তান বিক্রির অভিযোগ খণ্ডন করে বলেন, এই অভিযোগ সঠিক নয়। এই অভিযোগ অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক। তিনি জানান জেলা প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করে জানিয়েছে অভিযোগ ঠিক নয়।