Home Blog Page 36

মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে মুম্বইয়ে পৌঁছালেন যীষ্ণু দেববর্মা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহারাষ্ট্রের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে সোমবার মুম্বই পৌঁছালেন যীষ্ণু দেববর্মা। মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ ইন্টেরন্যাশনাল এয়ারপোর্টে তাঁকে স্বাগত জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফরনাভিস ।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, উপমুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার , মহারাষ্ট্র বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান রাম শিন্ডে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, প্রশাসনিক আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। পরে মুম্বইয়ের রাজ ভবনে পৌঁছালে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে যীষ্ণু দেববর্মাকে আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। যীষ্ণু দেববর্মাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন বম্বে হাই কোর্টএর প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায়।উল্লেখ্য, ত্রিপুরার প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এবং দায়িত্ব গ্রহণের জন্যই তিনি মুম্বইয়ে পৌঁছেছেন।

রাইমাভ্যালীতে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি, ৩৮ জনের যোগদান

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাইমাভ্যালী বিধানসভার অন্তর্গত গঙ্গানগরের জগবন্ধু পাড়ায় এক বাজার সভার আয়োজন করল ভারতীয় জনতা পার্টি । সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে ১৩টি পরিবারের মোট ৩৮ জন ভোটার বিজেপিতে যোগদান করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন আয়োজিত সভায় নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে বরণ করে নেন বিজেপির প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা । উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রদেশ সম্পাদক ও এমডিসি ভূমিকা নন্দ রিয়াং সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ জানান, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ও নীতিতে আস্থা রেখেই সাধারণ মানুষ বিজেপির প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন। নতুনভাবে দলে যোগ দেওয়া কর্মী-সমর্থকদের স্বাগত জানিয়ে তারা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

এদিনের এই যোগদান কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকায় বিজেপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলেও দলীয় নেতৃত্ব আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ, শিক্ষার গুরুত্বে জোর মন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা সোমবার গন্ডাছড়া উপবিভাগের আনন্দ রোয়াজা এসটি বয়েজ ও গার্লস হোস্টেল পরিদর্শন করেন। এদিন তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজও করেন। মন্ত্রী জানান, নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা জনজাতি সমাজের ভবিষ্যৎ শক্তির প্রতিফলন।

ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিকাশ দেববর্মা বলেন, শিক্ষা মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনার শক্তি। একসময় জনজাতি সমাজের বহু শিশু বিভিন্ন কারণে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তিনি বলেন, ছেলে-মেয়েরা যদি শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়, তবে তারা শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎই গড়ে তুলবে না, পুরো সমাজকে নতুন দিশাও দেখাবে।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হোস্টেলের পড়াশোনার পরিবেশ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মানও খতিয়ে দেখেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার খাওয়ার মাধ্যমে তারা কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে তা সরাসরি জানতে চেয়েছেন বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, হোস্টেলে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুস্থ, নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার যৌথ দায়িত্ব। জনজাতি সমাজের উন্নয়নের জন্য শিক্ষাই সবচেয়ে শক্ত ভিত্তি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি শিশুর কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের স্বপ্নপূরণের পথ সহজ করে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী, শিক্ষিত ও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত করে তুলতে তিনি একই দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন বলেও জানান।

মন্ত্রীের এই সফরকে হোস্টেলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। তাদের আশা, মন্ত্রীর এই উৎসাহ ও উদ্যোগ জনজাতি এলাকাগুলিতে শিক্ষার উন্নয়নে আরও গতি আনবে।

উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগতমান বজায় রেখে দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ সুশান্ত চৌধুরীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে পরিবহন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে একাধিক উন্নয়নমুখী প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে এই প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এর মধ্যে আগরতলায় ট্রান্সপোর্ট কমিশনারেটের নতুন অফিস নির্মাণ, বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলা পরিবহন অফিস (ডিটিও) স্থাপন এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আধুনিক মোটর স্ট্যান্ড নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই সমস্ত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, নির্ধারিত সময়সীমা এবং আর্থিক দিকগুলি পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের লক্ষ্যে সোমবার সচিবালয়ে এক উচ্চ-পর্যায়ের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

সভায় পরিবহন দপ্তর, পূর্ত দপ্তর, গ্রামোন্নয়ন দপ্তর এবং হাউজিং বোর্ডের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে চলমান প্রকল্পগুলির কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এদিন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও নির্মাণকারী সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন যাতে কাজের গুণগতমান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়। পাশাপাশি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর যথাসময়ে ‘ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যের পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সুসংগঠিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যজুড়ে একাধিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের পরিবহন পরিষেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য সুবিধা মিলবে।

স্বাস্থ্য পরিষেবা গ্রামে পৌঁছে দিতে জোর, পোস্ট-বাজেট ওয়েবিনারে বার্তা মোদীর 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- গত কয়েক বছরে দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ – মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ’ শীর্ষক পোস্ট-বাজেট ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা শুধু আলোচনার বিষয় নয়, বরং তা কেন্দ্রীয় বাজেটের মূল ভিত্তি এবং সরকারের অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশ এখন প্রতিরোধমূলক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। এই লক্ষ্য পূরণে দেশের বহু জেলায় শতাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আয়ুষ্মান ভারত যোজনা এবং আরোগ্য মন্দিরের মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলেও স্বাস্থ্য পরিষেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভারতের ঐতিহ্যবাহী যোগ ও আয়ুর্বেদ বিশ্বজুড়ে ক্রমশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

‘কেয়ার ইকোনমি’র প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে কেয়ারগিভারের চাহিদা বাড়ছে, যার ফলে দেশে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর জন্য নতুন দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

এদিন তিনি STEM (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) ক্ষেত্রে নারীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের জন্য গর্ব প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতের প্রযুক্তিখাতে মেয়েদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

গবেষণার ক্ষেত্রেও আরও শক্তিশালী পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি গবেষণা ইকোসিস্টেম তৈরি করতে হবে যেখানে তরুণ গবেষকেরা বাধাহীনভাবে নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন।

শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী Animation, Visual Effects, Gaming, and Comics (AVGC) sector খাতের প্রসারের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভারত ধীরে ধীরে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। সেই লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে গবেষণা ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে আহ্বান জানান তিনি।

জ্বালানির দাম ও অর্থনীতি নিয়ে সংসদে আলোচনা চাইলেন রাহুল গান্ধী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকট নিয়ে সংসদে আলোচনা দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেন, এই সংকট ভারতের অর্থনীতির উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তবুও সরকার বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছে।

দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে এবং এর প্রভাব ভারতের অর্থনীতির উপর পড়তে পারে। তিনি দাবি করেন, ইতিমধ্যেই শেয়ার বাজারে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতির মতো বিষয়গুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কংগ্রেস নেতা আরও অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন, যার ফলে দেশের অর্থনীতি বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে। তাই এই বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

রাহুল গান্ধীর দাবি, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব—এসবই জনস্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই সংসদে এ নিয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি। তবে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাইছে না বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, সংসদে এই বিষয়ে আলোচনা হলে অনেক বিষয় সামনে আসতে পারে বলেই সরকার তা এড়িয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংসদে এই বিষয়ে মুখোমুখি হতে চান না বলেও মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।

পশ্চিম এশিয়া ইস্যুতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ না পাওয়ায় অসন্তোষ শশী থারুরের 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে আলোচনার সুযোগ না দেওয়ায় কেন্দ্র সরকারের সমালোচনা করলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনি বলেন, শুধুমাত্র একটি বিবৃতি পড়ে শোনানো হলেও সংসদ সদস্যদের প্রশ্ন তোলার বা মতামত জানানোর সুযোগ না দেওয়া সংসদের প্রতি ন্যায্য আচরণ নয়।

সংসদে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস. জয় শঙ্করের বিবৃতির প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শশী থারুর বলেন, এই বিষয়ে সংসদে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা হওয়া প্রয়োজন ছিল। তাঁর মতে, বিরোধী দল মূলত এই ইস্যুতে একটি বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ চেয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের মতামত শোনা সরকারের দায়িত্ব। সংসদ এমন একটি মঞ্চ যেখানে দেশের বিভিন্ন অংশের মানুষের মতামত প্রতিফলিত হয়।

শশী থারুরের মতে, সরকার যদি সংসদে এই বিষয়ে আলোচনা আয়োজন করত, তাহলে দেশের বিভিন্ন স্তরের মতামত সামনে আসত এবং বিষয়টি আরও গঠনমূলকভাবে বিবেচনা করা যেত।

পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর জোর: জয়শঙ্কর

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমনে সংলাপ ও কূটনীতির পথেই এগোনোর ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর । আজ লোকসভায় পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষকেই সংযম বজায় রাখা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা প্রয়োজন।

বিদেশমন্ত্রী জানান, গত মাসের ২০ তারিখেই এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি জারি করেছিল এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিল। তিনি বলেন, ভারত এখনও বিশ্বাস করে যে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই উত্তেজনা কমানো সম্ভব।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিভিন্ন মন্ত্রক পারস্পরিক সমন্বয় করে কাজ করছে।

ড. জয়শঙ্কর বলেন, চলমান সংঘাতের ফলে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে অবনতি হয়েছে। সংঘাত ইতিমধ্যেই একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটছে এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই সংঘাত ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পশ্চিম এশিয়া ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চল। উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন। এছাড়াও ইরানে কয়েক হাজার ভারতীয় পড়াশোনা বা চাকরির কারণে অবস্থান করছেন। পাশাপাশি এই অঞ্চল ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানকার বহু দেশ ভারতের প্রধান তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী।

বিদেশমন্ত্রী জানান, পরিস্থিতির উপর নজরদারি ও ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রক একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৬৭ হাজার ভারতীয় দেশে ফিরে এসেছেন। উল্লেখ্য, বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলের মধ্যেই তিনি লোকসভায় এই বিবৃতি দেন। একই বিষয়ে তিনি রাজ্যসভাতেও অনুরূপ বক্তব্য রাখেন।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রভাব তেলের বাজারে, নজরে মূল্যস্ফীতি: অর্থমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের উপর এর প্রভাব কমাতে কেন্দ্র সরকার একাধিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে আর্থিক ও বাণিজ্য নীতির বিভিন্ন উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লোকসভায় আজ লিখিত উত্তরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিথারামান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি হলে তার মধ্যমেয়াদি প্রভাব মূল্যস্ফীতির উপর নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। এর মধ্যে রয়েছে মুদ্রা বিনিময় হারের ওঠানামা, বিশ্ববাজারে চাহিদা ও জোগানের পরিস্থিতি, মুদ্রানীতির প্রভাব এবং পরোক্ষভাবে দামের প্রভাব কতটা দেশের বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এবং ভারতের তেলের ঝুড়ির দাম কমতির দিকেই ছিল। তবে গত মাসের ২৮ তারিখ পশ্চিম এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, রিসার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার মুদ্রানীতি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি অপরিশোধিত তেলের দাম পূর্বাভাসের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি হয় এবং তার পুরো প্রভাব দেশের বাজারে পড়ে, তাহলে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৩০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে।

সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে নেপালকে শুভেচ্ছা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নরেন্দ্র মোদী নেপালে শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সেদেশের জনগণ ও সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে তিনি বলেন, নেপাল এর মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার উৎসাহের সঙ্গে প্রয়োগ করেছেন দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এই নির্বাচন নেপালের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইন্ডিয়া নেপালের জনগণ ও নবগঠিত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুই দেশের মধ্যে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে ভারত সবসময় সহযোগিতা করবে বলেও তিনি জানান।