জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ক্ষমতা দখলের অভিপ্রায় নিয়ে, সন্ত্রাসবাদকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ আদায়ে ব্যবহার করে কংগ্রেস ও কমিউনিস্টরা রাজ্যের সৌভ্রাতৃত্যে ফাটল ধরানোর ঘৃণ্য প্রয়াস করেছিল l ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় উন্নয়ন উপেক্ষিত একাংশ জনজাতিদের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্ত করে ও স্পর্শকাতর বিষয়ে উস্কে দিয়ে বিপথে চালিত করা হয়েছিল l কিন্তু বর্তমানে মোদীজির আন্তরিকতায় দেশের সার্বিক উন্নয়ন স্রোতে যুক্ত হয়েছে প্রতিটি প্রান্তিক অঞ্চল l ছামনু বিধানসভার অন্তর্গত জন সংকল্প সমাবেশে বিশাল স্বতঃস্ফূর্ততা যেন, মোদীজির প্রতি স্বস্তি ও বিশ্বাসের নজির ছামনু বিধানসভা কেন্দ্রে জনসমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বললেন, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
Tag:
রাজ্য
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সোমবার রাজ্যে আসছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেই তৃণমূল কংগ্রেস রবিবার ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশ করলো ঢাউস ইশতেহার। এতে রয়েছে দশটি অঙ্গীকার। এদিন দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ইশতেহারের মলাট উন্মোচনে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু , স্বাস্থ্যমন্ত্রী শশী পাজা , রাজ্যের ইনচার্জ রাজিব বন্দ্যোপাধ্যায় , সাংসদ সুস্মিতা দেব এবং প্রদেশ সভাপতি পীযূষ বিশ্বাস। এতে বলা হয়েছে এই ১০ টি অঙ্গীকার রাজ্যবাসীর সীমাহীন প্রবৃদ্ধি এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। সহানুভূতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনের মডেলটি বাস্তবায়ন করতে চাই যা একটি দুর্দান্ত প্রশাসনিক সাফল্য হবে। রাজিব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ত্রিপুরার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচনী ভোট প্রচারে এখন পর্যন্ত বিরোধীদের টেক্কা দিয়ে যেন কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছে শাসকেরা। দলের মনোনীত প্রার্থীরা কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রতিদিন পালা করে ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটের দরজায়। লক্ষ একটাই গণদেবতাদের আশীর্বাদ নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হওয়া। রাজ্যের অন্যান্য বিধানসভা গুলির সাথে সঙ্গতি রেখে সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে আগরতলা বনমালীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যও। এই বনমালীপুর কেন্দ্রটি বরাবরই বাম বিরোধী। গত বিধানসভা নির্বাচনের রেকর্ড সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন বিপ্লব কুমার দেব। যিনি বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ। সাংসদ শ্রী দেবের কেন্দ্রে এবার দল প্রার্থী করেছে রাজীব বাবুকে। রাজিব বাবুর প্রধান প্রতিপক্ষ হলেন বাম কংগ্রেস জোটের এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়। তাই গতবারের জয়ের ব্যবধান আরো বাড়িয়ে জয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিদিনই কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে এখন বাড়ি বাড়ি ছুটে বেড়াচ্ছেন রাজিব বাবু। মন্ডল সভাপতি দীপক কর সহ কর্মীদের সাথে নিয়ে প্রচারে নেমে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি। জয় সম্পর্কে ১০০ ভাগ নিশ্চিত তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা হাইকোর্টের বার কাউন্সিল নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছে বিজেপি লিগেল সেলের আইনজিবী রতন দত্ত। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে বার কাউন্সিল নির্বাচনে বিজেপির এই জয়কে ঐতিহাসিক বলে তুলনা করা হয়েছে। বিধানসভায়ও বিজেপি পুনর্বার ক্ষমতায় ফিরবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন বার কাউন্সিলের সদস্যরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভোটের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই যেন প্রচারেতে যেভাবে আনার চেষ্টা করছেন প্রার্থীসহ তাদের কর্মী-সমর্থকরা। একদিকে মিছিল সভা, অন্যদিকে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে এখন জমজমাট রাজ্যের ভোট পরিবেশ। দ্বিতীয়বারের মতো রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন। কখনো নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে, আবার কখনো কখনো সতীর্থ দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে গোটা রাজ্য জুড়ে চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। আর মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই যেন উৎসাহিত দলের মনোনীত প্রার্থী থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকরা। রবিবার সরকারি ছুটির দিন ফের আরো একবার এমনটা দেখা গেল চার বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গোয়ালাবস্তি এলাকায়। এই কেন্দ্রে এবারও বিজেপির মনোনীত প্রার্থী হলেন বর্তমান বিধায়ক ডক্টর দিলীপ কুমার দাস। তাই সতীর্থ দলীয় প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত এর পাশাপাশি ভোট ব্যবধান আরো বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে এদিন খোদ ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রার্থী ডক্টর দিলীপ কুমার দাসকে সাথে নিয়ে এদিন গোয়িলাবস্তি এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে গিয়ে ভোট চাইলেন তিনি। বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উন্নয়ন এবং বর্তমান সরকারের সময়কালে এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে ফের বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য গণদেবতাদের কাছে আহ্বান রাখেন মুখ্যমন্ত্রী।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারের পাশাপাশি চলছে এখন প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে মিটিং মিছিল। আর এই কর্মসূচিতে যেন পিছিয়ে নেই রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রও। রামনগর কেন্দ্রে এবারো শাসক দল বিজেপির মনোনীত প্রার্থী হলেন বর্তমান বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত। ২০১৩ বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের কাছে পরাজিত হলেও, তা যেন ক্ষণস্থায়ী ছিল। ২০১৩ ব্যতীত টানা বেশ কয়েকবার এই রামনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন সুরজিৎ দত্ত। শারীরিকভাবে তিনি এখন অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়লেও, জয় ধরে রাখতে এবারও বিজেপির হাই কমান্ড এই কেন্দ্র থেকে টিকিট দিলেন সুরজিৎ দত্তকে। তাই হাই কমান্ডের আস্থা ধরে রাখতে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে নামতে না পারলেও জনসংযোগ কিন্তু অব্যাহত রেখেছেন তিনি। তা আরো একবার দেখা গেল রবিবার। এদিন সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় সুবিশাল বাইক মিছিল সংঘটিত করলেন রামনগর কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত এই প্রার্থী। সাড়া জাগানো বাইক মিছিল এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। মিছিল থেকে দলের কর্মীরা আওয়াজ তুলে ফের সুরজিত দত্তকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমান বিধায়কের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন বাম কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী মানবাধিকার কর্মী রাজ্যের বিশিষ্ট আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন। প্রচারে নেমে শ্রী রায় বর্মনও ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। জয় সম্পর্কের তিনিও ১০০ ভাগ আশাবাদী। এখন দেখার বিষয় এই রামনগর কেন্দ্রের ভোটাররা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কাকে নির্বাচিত করেন। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২রা মার্চ পর্যন্ত।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে আগামী সোমবার খোয়াই বিমানবন্দরে মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই জনসভার স্থানটি পরিদর্শনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। আসন্ন ২০২৩ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় জনতা পার্টির তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামী সোমবার ৬ই ফেব্রুয়ারি দুপুরে খোয়াই বিমানবন্দর মাঠে দলীয় ২৫ খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি দলের প্রার্থী সুব্রত মজুমদারের সমর্থনে একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করতে আসছেন। ঐদিন জনসভায় অমিত শাহ ছাড়া জনসভায় উপস্থিত থাকবেন মহেন্দ্র শর্মা, মহেন্দ্র কুমার সিং, সন্দীপ পাত্রা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। উনার জনসমাবেশকে সফল করে তোলার লক্ষ্যে শনিবার বিকেল ৪ ঘটিকায় মুখ্যমন্ত্রী ডা: মানিক সাহা হেলিকপ্টারে করে খোয়াই বিমানবন্দর মাঠে সমাবেশস্থল পরিদর্শনে আসেন। মাঠ পরিদর্শনকালে উনার সাথে উপস্থিত ছিলেন জনজাতির মোর্চার সভাপতি এম পি সমীর ওরাং, রাজ্যের যুব মোর্চার সভাপতি নবাদল বণিক খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সুব্রত মজুমদার, খোয়াই জেলার তত্ত্বাবধায়ক সভাপতি সমীর দাস,তাপস দাস সহ আরো অনেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি এবং অমিত শাহ জি- এরা আমাদের অভিভাবক। ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অমিত শাহ জি শান্তিরবাজার এবং খোয়াইতে দুটি সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন করবেন। নির্বাচনী প্রচার হিসেবে প্রথমে অমিত শাহ ঐদিন প্রথমে শান্তির বাজারে জন সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন সেখান থেকে ফিরে এসে দুপুরে খোয়াই বিমানবন্দর মাঠে খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি দলের প্রার্থী সুব্রত মজুমদারের সমর্থনে জনসমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। তাই খোয়াইতে অমিত শাহের জনসভার প্রাক্কালে পুরো ব্যবস্থাপনার খোঁজখবর নিতেই তিনি খোয়াই বিমানবন্দর মাঠে এসেছেন বলে জানান। মাঠ পরিদেশন শেষে পুনরায় হেলিকপ্টারে চড়ে আগরতলায় ফিরে যান।
রাজ্যের ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রে মডেল পোলিং স্টেশন খোলা হবে ৮৮টি : মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিত্যে
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র ছাড়াও ভারতের নির্বাচন কমিশন ১২টি বিকল্প পরিচয়পত্র অনুমোদন করেছে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে। রাজ্যের প্রায় একশো শতাংশ ভোটারের স্বচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র রয়েছে। যদি কোনও ভোটার ভোটকেন্দ্রে তাদের ভোটার পরিচয়পত্র দেখাতে না পারেন তবে ভোটারগণ বিকল্প হিসেবে অন্য ১২টি পরিচয়পত্র দেখিয়েও ভোট দিতে পারবেন। এগুলি হলো আধার কার্ড, এমজিএন রেগা জবকার্ড, ব্যাঙ্ক অথবা পোস্ট অফিসের দেওয়া ছবি সম্বলিত পাসবই, শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া স্বাস্থ্যবীমার স্মার্ট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যান কার্ড, এনপিআর-এর দেওয়া আরজিআই স্মার্ট কার্ড, ভারতীয় পাসপোর্ট, ছবি সহ পেনশনের নথি, কেন্দ্রীয় সরকার / রাজ্য সরকার / পিএসইউ / পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির কর্মীদের ছবি সম্বলিত সার্ভিস আইডেন্টিটি কার্ড, এমপি / এমএলএ / এমএলসিগণকে দেওয়া অফিসিয়াল আইডেন্টিটি কার্ড এবং কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের দেওয়া ইউনিক ডিসেবিলিটি আইডি। আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসকের অফিসের কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিত্যে একথা জানান। ভারতের নির্বাচন কমিশন এই ১২টি বিকল্প পরিচয়পত্র অনুমোদন করেছে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, এবার বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য রাজ্যের ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রে মডেল পোলিং স্টেশন খোলা হবে ৮৮টি। মহিলা পরিচালিত ভোটগ্রহণ কেন্দ্র খোলা হবে ৯৭টি। তিনি জানান, এই কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা কর্মীরাও মহিলাই হবেন। দিব্যাঙ্গজন পরিচালিত ভোটকেন্দ্র খোলা হবে ২৮টি। এই ভোটকেন্দ্রগুলিতে সবাই দিব্যাঙ্গজন হবেন এমন নয়। প্রতিটি বুথে দু’একজন থাকবেন। দিব্যাঙ্গজনরাও যে সমানভাবে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারেন তা তুলে ধরতেই এই ব্যবস্থা। নবীন প্রজন্মকে নির্বাচনী কাজে উৎসাহিত করতে যুবক যুবতীদের দ্বারা পরিচালিত ভোটকেন্দ্র খোলা হবে ৩৩টি। সিইও জানান, মডেল বুথগুলিতে রাজ্যের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি উল্লেখযোগ্য স্থানগুলি তুলে ধরা হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, ইভিএম কমিশনিং, পোস্টাল ব্যালট, সার্ভিস ভোটার এবং টেন্ডার ব্যালটে ভোটদানের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি সারা রাজ্যে ইভিএম কমিশনিং করা হবে। তিনি জানান, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের নির্বাচন কমিশন ত্রিপুরা আসাম এবং মিজোরামের মুখ্যসচিব এবং পুলিশ মহানির্দেশকদের নিয়ে ভার্চুয়ালি যৌথ বৈঠক করবেন। সারা রাজ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সারা রাজ্যে ২৯ কোটি ২৫ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকার বেআইনি মদ, নেশা দ্রব্য, নগদ অর্থ সহ অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
মানিকবাবু আগেই বুঝে গেছে সিপিএম এইবার চূড়ান্তভাবে হাড়িতেছে : মাহফুজা খাতুন
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কংগ্রেস এবং সিপিআইএম দুই ফেইল মার্কা ছাত্র এক জায়গায় জোট হয়েছে। দুইদলের খুনা খুনি এখনও মানুষ ভুলেনি, কথায় আছে ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এই হচ্ছে কংগ্রেস সিপিআইএমের আসল রূপ, তির্যক মন্তব্য করলেন সংখ্যালঘু মোর্চার কেন্দ্রীয় নেত্রী মাহফুজা খাতুন। বিশালগড় ঘনিয়ামারা স্কুল মাঠে বিজেপির এক বিজয় সংকল্প জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।শনিবার দুপুরে ঘনিয়ামারা স্কুল মাঠে বিজেপির মনোনীত প্রার্থী সুশান্ত দেবর সমর্থনে বিজয় সংকল্প জনসভায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাহফুজা খাতুন , সিপিআইএমও কংগ্রেসকে তির্যক আক্রমণ করেন। সংখ্যালঘু মোর্চার নেত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়িকা মাহফুজা খাতুন, ১৬ই ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন ,সেই নির্বাচনে বিশালগড়ের যুব আইকন সুশান্ত দেবকে পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য আহ্বান রাখন। বিশালগড়ের বিধায়ক ভানু লাল সাহাকেও এদিন একহাত নিয়েছেন মাহফুজা খাতুন। বলেন করোনার দুই বছর এখানকার বিধায়ক পালিয়ে বেরিয়েছেন এলাকার মানুষের উন্নয়নে কোন ভূমিকা নেই তার। মাহফুজা খাতুনএদিন তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারকে। বলেন মানিকবাবু আগেই বুঝে গেছে সিপিএম এইবার চূড়ান্তভাবে হাড়িতেছে। তাই তিনি আগে থেকেই নির্বাচন থেকে পালিয়ে বেরিয়েছেন। উক্ত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি শাহ আলম মিয়া মজুমদার, সংখ্যালঘু মোর্চার মন্ডল সভাপতি ফেরদৌস মিয়া, সংখ্যালঘু মোর্চার সিপাহীজলা উত্তরের সভাপতি স্বপন মিয়া সহ বিশালগড়ের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী সুশান্ত দেব ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নৈতিকতার কাছে পরাজিত হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তার জন্য চার বারের বিধায়ক হয়েও এবারের নির্বাচনে ধনপুর থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। কংগ্রেস সিপিআইএম জোট মন থেকে মেনে নিতে পারেননি মানিকবাবু বক্তা সংসদ বিপ্লব কুমার দেব। ধনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না চারবারের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বর্তমান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। নৈতিকতার কাছে চূড়ান্তভাবে হেরে গেছেন মানিক সরকার। কেননা কংগ্রেস সিপিআইএম জোট কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না রাজ্যস্তরের বলিষ্ঠ সিপিআইএম নেতৃবৃন্দ। শনিবার ধনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী প্রতিমা ভৌমিকের উদ্যোগে আয়োজিত দলের পৃষ্ঠা প্রমুখ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। শ্রীদেব এদিন আরও বলেন, ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনের পর মানিক সরকার ওই এলাকার কোন উন্নয়ন করেনি। তার বিধায়ক থাকাকালীন সময়েও ধনপুরের প্রত্যন্ত পাহাড়পুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন গ্রামের উন্নয়নে মাথা ঘামাননি। সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব মানিক সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত প্রতিভা ভৌমিকের উপর আশীর্বাদ করার জন্য। যাতে করে প্রতিমা ভৌমিক এই এলাকার উন্নয়ন করে সাধারণ মানুষের মঙ্গল সাধন করতে পারে। এ দিনের পৃষ্ঠা প্রমুখ সম্মেলনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং উপজাতি অংশের নারী পুরুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিপ্লব দেব এদিন সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রতিমা ভৌমিককে ভোট দান করার জন্যও আহ্বান রাখেন।
