জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দীর্ঘ ২৫ সাল রাজ্যে সিপিআইএম আর কংগ্রেসের ভিতরে ভিতরে ইলো ইলো চলছিল। এবার প্রকাশ্যে সাদি হয়েছে , কিন্তু বাচ্চা হয়নি। কখনোই তাদের বাচ্চা হবে না কারণ দুইও জনেরই মন কালা। কংগ্রেস সিপিএমকে প্রকাশ্যে এই ভাষায় কটাক্ষ করলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি দলের তারকা প্রচারকরা ঝর তুলছেন প্রচারে, মঙ্গলবার উত্তরে একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে ছিল বিজেপির জনসভা। তারকা প্রচারকদের মধ্যে ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্য নাথ থেকে শুরু করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ।যুবরাজনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী মলিনা দেবনাথ এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বাস শর্মা। বলেন,ত্রিপুরায় বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের দীর্ঘ বছরের ভালোবাসার পূর্নতা পেয়েছে। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, কিন্তু ত্রিপুরার মানুষ তা মেনে নেবে না।কংগ্রেস চাইলে বহু আগেই ত্রিপুরাকে বাম মুক্ত করতে পারতো কিন্তু আগরতলায় কংগ্রেস এবং বাম ফ্রন্টের নেতাদের মধ্য গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল, তার জন্য সিপিআইএমকে ছেড়ে দিয়েছিল এই রাজ্য | হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও বলেন, বিজেপি জানতো তিপ্রা মথার সাথে জোটে গেলে নির্বাচনে জয় ১০০ শতাংশ নিশ্চিত কিন্তু বিজেপি নিতির বিরুদ্ধে গিয়ে জোটে যায়নি। এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ট ত্রিপুরাতে বিশ্বাসী বিজেপি। বিজেপি ত্রিপুরাকে কখনোই ভাগ হতে দেবে না।পাশাপাশি কংগ্রেস নেতাদেরও এদিন এক হাত নিয়েছেন হেমন্ত বিশ্ব শর্মা |ত্রিপুরায় ২৫ বছর সিপি এম শুধু চাঁদা বাজি করেছে, সিপিএমকে রাজনৈতিক দল না বলে চাদাবাজির দল বললে ভালো হবে। মানুষ এবার সিপিএম এবং কংগ্রেসের জোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে তা নির্বাচনে প্রমান হয়ে যাবে। ত্রিপুরায় বিজেপি বিপুল আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসবে এবং যুবরাজনগরেও প্রার্থী মলিনা দেবনাথ বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্বসর্মা। আসামের মুখ্যমন্ত্রী দিন তীব্র আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস সিপিআইএম জোটের পাশাপাশি তিপরা মথা সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মনকে। বলেন যার বাপ দাদারা দাবি করে নেই তীপরা ল্যান্ডের ,সে দাবি করছে তীপরা ল্যান্ডের। এ অবাস্তব দাবি কখনোই মেনে নেবে না ত্রিপুরাবাসী।
Tag:
রাজ্য
ভিশণ ডকুমেন্টে যেসব কথা দিয়েছিলো তা একটাও করতে পারেনি, সম্পূর্ণ ব্যর্থ বিজেপি : গোপাল
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিধানসভা ভোট মানেই সবকটি রাজনৈতিক দলগুলির কাছে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংগ্রাম। আর এই সংগ্রামে বাজিমাত করতে এই মুহূর্তে রাজ্যের সবকটি রাজনৈতিক দল রয়েছে ময়দানে। এর থেকে যেন পিছিয়ে নেই বনমালীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বাম কংগ্রেস জোটের প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায়ও। এই বনমালীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এর আগে বেশ কয়েকবার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের বর্তমান রাজ্যসভার সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের কাছে চরম ধরাশায়ী হয়েছিলেন শ্রী রায়। তাই এবার বামেদের সাথে জোট করে ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াইয়ের ময়দানে তিনি। হারানো জমি পুনরুদ্ধার করে সরকার গঠনের লক্ষে প্রতিদিন বাম কংগ্রেস সমর্থিত নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এখন চষে বেড়াচ্ছেন ময়দান। মঙ্গলবার ফের আরো একবার এমনটা দেখা গেল। স্থানীয় বামফ্রন্টের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এদিন রোড শো করলেন তিনি। যদিও কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতির হার তেমন যেন দাগ কাটতে পারেনি সাধারণ মানুষের। এরপরেও নিজের জয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ আশাবাদী তিনি। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।এদিন কংগ্রেস প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায়ের সমর্থনে রোড শোতে অংশ নেন স্থানীয় সিপিআইএম নেতা অমল চক্রবর্তী। শ্রী চক্রবর্তী জানান, সারা রাজ্যের সাথে বনমালীপুরেও মানুষের ব্যাপক সাড়া। বর্তমান সরকার ভিশণ ডকুমেন্টে যেসব কথা বলেছিল তা একটাও করতে পারেনি। সম্পূর্ণ ব্যর্থ তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কংগ্রেস আর কমিউনিস্ট এক কাট্টা হয়েছে আবার ত্রিপুরাকে ডুবানোর জন্য। কমিউনিস্ট হচ্ছে ক্রিমিনালের দল আর কংগ্রেস হচ্ছে করাপ্ট দল। একদল ঘোটালা করে আরেকদল ঘাপলা করে। কটাক্ষ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। কংগ্রেস কমিউনিস্টদের কালো দিন কি আপনারা আবার ফিরিয়ে আনবেন ? জনতার কাছে প্রশ্ন ছুড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন গত পঞ্চাশ বছরে একাধারে এই রাজ্যে কমিউনিস্টরা শাসন করেছে ৩৫ বছর আর কংগ্রেস করেছিল বাকি ১৫ বছর। এই দুই দল মিলে সারা রাজ্যের মানুষগুলিকে সাগরে ডুবিয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে বিজেপি সরকার এই রাজ্যের আমজনতার বাক স্বাধীনতা খুলে দিয়েছে। কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশন থেকে শুরু করে, বাসস্থানের জন্য গৃহ পানীয় জলের জন্য বাড়ি বাড়ি নল পৌঁছে দিয়েছে। উগ্রপন্থী সমস্যা থেকে শুরু করে রিয়াং শরণার্থী সমস্যা সবকিছু শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে শেষ করেছে ভাজপা সরকার। খোয়াইয়ে বিজেপি আইপিএফটি প্রার্থীদের প্রচারে গিয়ে এই বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন ২০১৬ থেকে ১৮ সাল মাত্র 2 বছরে আড়াইশো বিজেপি কর্মী সমর্থক কে খুন করেছে কমিউনিস্টরা। তারা আবার রাজ্যে সেই কালো দিন ফিরিয়ে আনতে চাইছে। অমিত শাহ বলেন, ফের একবার কংগ্রেস আর কমিউনিস্ট রাজ্যে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা চালিয়েছে। তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে জনতার।কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জনসমাবেশ ও রোড শো-কে কেন্দ্র করে এদিন শান্তির বাজার থেকে খোয়াই সর্বত্র দেখা দিয়েছে জনতার উচ্ছ্বাস। জাতী উপজাতি উভয় সম্প্রদায়ের লোকরা এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখের কথা শোনার জন্য অপেক্ষায় ছিল। জনজোয়ারে ভেসেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা ও রোড শো।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কংগ্রেস সিপিএম চির প্রতিদ্বন্দ্বী তবুও আজ হাত মিলিয়েছি যুগের তাগিদে , মানুষের মুক্তির তাগিদে। সোমবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে সোমবার যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন পি সি সি সভাপতি বীর জিত সিনহা। বামফ্রন্টের পক্ষে .সি পি আই এম-এর রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী বললেন আমাদের মধ্যে মতাদর্শগত ফারাক আছে ,আগামী দিনেও থাকবে। কিন্তু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রেক্ষিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি বিজেপিকে উৎখাত করার জন্য। গত ২৫ শে জানুয়ারি সিপিআইএমের কৈলাশহরের বিধায়ক মবস্বর আলী বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছে বলে বিধানসভার সচিব বিষ্ণুপদ কর্মকার ঘোষণা করেছে। অথচ তিনি অবিষ্ণুর মত কাজ করেছেন। এদিকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত তার বেতনও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে হল আইন মন্ত্রী রতন লাল নাথের হাত। আগরতলা প্রেসক্লাবে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন সি পি আই এমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। পাঁচ বছরে কংগ্রেসের ৪৪ টি অফিস কোথাও ধুলিস্যাৎ করা হয়েছে , কোথাও দখল করে নিয়েছে বিজেপি। সি পি আই এমের ৪ শতাধিক অফিস ভাঙ্গা হয়েছে , আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, কিংবা দখল করে নেওয়া হয়েছে… যা গণতন্ত্রের জন্য বিপদজনক। গোটা রাজ্যে এক ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। মানুষ এখন তৈরি হয়ে আছে।যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজিত সিনহা। এই দুই দলেরই শাসনের অতীত রাজ্যবাসীর অজানা নয়। একদল অপর দলকে কিভাবে পাঁচ বছর এবং ২৫ বছরে রক্তাক্ত করেছিল সেই ইতিহাস স্মরণ করে আজও উভয় দলের কর্মী-সমর্থকদের ভেতরে ভেতরে নিশ্চয়ই রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কিন্তু ক্ষমতার সাধ পেতে এখন আবার উভয় দলই জোট বেঁধেছে। যেন কিছুই হয়নি। তবে মানুষ মনে করছে না তাদের মধ্যে মধুচন্দ্রিমা হবে বলে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিগত দিনে বিভিন্ন প্রকল্প সহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদানে সংকীর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে রাজ্যের মানুষকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল সিপিআইএম কংগ্রেস। অন্তিম ব্যক্তির আর্থ সামাজিক জীবনমান বিকাশ বিজেপির অঙ্গীকার। আরও নিবিড় জন সংযোগের মাধ্যমে ইতিবাচক কর্মকান্ড সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করার লক্ষ্যে প্রয়াস জারি রেখেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সোমবার মজলিশপুর বিধানসভার অন্তর্গত সাংগঠনিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করে কথাগুলি বললেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভারতীয় জীবন বীমা ও স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া জনগণের জমানো টাকার একটা বৃহৎ অংশ আদানি গ্রুপের হাতে তুলে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি।এই অভিযোগ তুলে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের নির্দেশে ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদর জেলা কমিটির উদ্যোগে জীবন বীমা নিগম অফিস ও স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে। এখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস নেতা সমীর চক্রবর্তী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি তার বন্ধুর হাতে জনগণের সুরক্ষিত টাকা তুলে দিয়েছে। জনগণের টাকা যাতে সুরক্ষিত থাকে তার গ্যারান্টি দেওয়ার জন্যই কংগ্রেসের এই আন্দোলন কর্মসূচি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি আইপি একটি জোট সরকারের আমলে ২২ থেকে ২৫ হাজার শূন্য পদ খালি হয়েছে। তারা মিথ্যা কথা বলেছিল বামফ্রন্ট আমলে পঞ্চাশ হাজার শূন্য পদ খালি ছিল। বামফ্রন্ট প্রতিবছর ১৬ থেকে ১৭ হাজার শূন্য পদ পূরণ করেছিল। বক্তা বিরোধীদল নেতা মানিক সরকার। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে, মানুষকে ভুলভাল বুঝিয়ে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার ক্ষমতা দখল করেছিল। বিশেষ করে ১০৩২৩ শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের পরিবার-পরিজনদের মন গলিয়ে ভোট আদায় করেছিল। বিভ্রান্ত হয়ে যারা তাদেরকে ভোট দিয়ে সরকারে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, তারা আজ নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমাপ্রার্থনা করছে। শূন্য পদের সংখ্যা নিয়েও এই সরকার রাজ্যের জনগণের সাথে প্রতারণা করে চলেছে। আমবাসায় সিপিআইএম কংগ্রেস জোট প্রচারে গিয়ে জনগণের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য রাখছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। মানিক সরকার বিজেপি দলকে তীব্র কটাক্ষ করে আরও বলেন , এই সরকার ঠকদের সরকার, প্রতারকদের সরকার, প্রবঞ্চকদের সরকার। মানুষকে বিভ্রান্ত করে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। শ্রী সরকার বলেন, এই সরকার নির্বাচনের আগে মানুষকে বুঝিয়েছিল বিজেপিকে ভোট দিলে হাঁসের পেটে 100 সোনার ডিম পাওয়া যাবে, কিন্তু ভোটের পর সাধারণ মানুষ দেখতে পেল একটি ডিম পাওয়া গেল না, উল্টো হাসটি কেউ হারাতে হল। আমবাসায় এদিন বিরোধী দলনেতা গিয়েছিলেন বাম কংগ্রেস জোট প্রার্থী অমলেন্দু দেববর্মার প্রচারে ঝড় তুলতে। যদিও এই কেন্দ্রে অনেক আগেই প্রচারে ঝড় তুলেছে শাসক বিজেপি দল।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত জেনারেল অবজারভার, পুলিশ অবজারভার ও মাইক্রো অবজারভারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয় সোমবার। পশ্চিম জেলার মোট ৫৭০ জন অবজারভারের প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করেছেন পশ্চিম জেলার শাসক তথা রিটার্নিং অফিসার দেবপ্রিয় বর্ধন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রিটার্নিং অফিসার জানান নির্বাচনের সব কয়টি বুথ অফিসের অবজারভারদের নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন আচরণ বিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। যাতে করে অবাধ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জয়ের চ্যালেঞ্জ নিয়েই প্রতিদিন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা ছুটে বেড়াচ্ছেন ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী পাপিয়া দত্ত। রাজ্যের ষাট সদস্য বিধানসভার অন্যতম একটি মর্যাদার আসন হল এই ছয় আগরতলা। টানা কয়েকবার এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে আসছেন কংগ্রেস দলের বিধায়ক সুদিপ রায় বর্মন। বর্তমানেও তিনি এই কেন্দ্রের বিধায়ক। এরকম একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ আসনে এবার বিজেপির হাইকমান্ড পাপিয়ার উপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখল। তাই দলীয়ভাবে টিকিট পাওয়ার পর থেকেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে প্রতিদিন মাঠ চাষে বেড়াচ্ছেন পাপিয়া দেবী। কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রত্যেক ভোটারদের বাড়ি যাবার চেষ্টা করছেন তিনি। ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যেন প্রচারে তেজী ভাব আনার ক্ষেত্রে কোন ধরনের খামতি রাখছেন না বিজেপি প্রার্থী। সোমবার স্থানীয় কর্পোরেটর মিঠুন দাস বৈষ্ণব সহ কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার পৌরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করলেন তিনি।
পুনরায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য পদ্ম চিহ্নে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান রাজীবের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই যেন গতি আসছে প্রচারে। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্র গুলির মধ্যে অন্যতম একটি নজর কাড়া কেন্দ্র নয় বনমালীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান রাজ্যসভার সাংসদ বিপ্লব দেবের এই নির্বাচনী কেন্দ্রে এবার বিজেপি দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। মনোনয়নপত্র দাখিল করার প্রক্রিয়া শেষ করেই প্রতিদিন কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি। লক্ষ্য একটাই বিগত দিনের উন্নয়নের নিরিখে জয় সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোটের ব্যবধান বাড়ানো। আর সেই লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখেই প্রতিদিন সাত সকালে ছুটে বেড়াচ্ছেন গণদেবতাদের বাড়িতে। প্রাত্যহিক এই কর্মসূচির ব্যতিক্রম ছিলনা সোমবার সকালেও। এদিন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের গণরাজ চৌমুহনী এলাকায় মন্ডল সভাপতি দীপক কর ও অন্যান্য কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করলেন তিনি। প্রচারে বের হয়ে গণদেবতাদের সামনে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গুলি তুলে ধরে রাজ্যে পুনরায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য পদ্ম চিহ্নে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান শ্রী ভট্টাচার্য।
