জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার তুঙ্গে উঠেছে। শুক্রবার দুপুর দেড়টায় উত্তর জেলার ৫৭ যুবরাজ নগর বিধানসভা কেন্দ্রের কৃষ্ণপুর বাজারে সিপিআই (এম) কংগ্রেস দলের জোট প্রার্থী শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথের সমর্থনে সাড়া জাগানো এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের জনসভার মধ্যমনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সিপিআই (এম) রাজ্য কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সেলিম। এদিনের জনসভার মধ্যমনি মোহাম্মদ সেলিম বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি দলকে এক হাত নেন। তিনি বলেন, ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পর গুন্ডা রাজ চালাচ্ছে।৫৮ মাসের এই সরকারের শাসনে রাজ্যবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।তাই মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে জনবিরোধী এই সরকারকে উৎখাত করতে একজোট হয়েছেন।আর এই সরকারকে গদিছ্যুত করতে যুবরাজ নগর বিধানসভা কেন্দ্রের বামগ্রেস প্রার্থী শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান রাখেন। এদিনের নির্বাচনী জনসভায় মহম্মদ সেলিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সিপিআইএম জেলা সম্পাদক অমিতাভ দত্ত,প্রার্থী শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ, কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।
Tag:
রাজ্য
রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে চষে বেড়াচ্ছেন বিজেপির এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে রাজ্য শীর্ষ নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই বিজেপির এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে এসে প্রার্থীদের হয়ে ঝড়োপ্রচার সংঘটিত করছেন। দিকে দিকে চলছে এখন প্রকাশ্য জনসভা। আর এই জনসভা গুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গুলি তুলে ধরে পুনরায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। কিন্তু এতেও যেন স্বস্তি পাচ্ছেন না তারা। তাই এবার সরাসরি ভোটারদের দরজায় নেমে পড়লেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। শুক্রবার সাতসকালে এমনটাই দেখা গেল চার বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নতুন নগর ও গোয়ালাবস্তি এলাকায়। এই কেন্দ্রে এবার লড়াই হবে দিমুখী। শাসক দল বিজেপির হয়ে এবারও লড়ছেন বর্তমান বিধায়ক ডক্টর দিলীপ কুমার দাস। কিন্তু লড়াইটা যেহেতু দ্বিমুখী তাই অনেকটা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন শাসকপ্রার্থী। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে বেশ কয়েকটি প্রকাশ্য জনসভা সংঘটিত হয় এই কেন্দ্রে। এরপরেও যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছেন না ডক্টর দাস। তাই এবার কেন্দ্রীয় নেতাদের সরাসরি রাস্তায় নামালেন তিনি। ডক্টর দাসের হয়ে এবার বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে নামলেন দলের এসি মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি লালসিং আরিয়া। প্রার্থীর ডক্টর দাস ও কর্মীদের সাথে নিয়ে শুক্রবার সকালে নতুন নগর ও গোয়ালাবস্তি এলাকায় ভোটারদের বাড়িতে ছুটে যান তিনি। ভোটারদের কাছে গিয়ে বিনম্র চিত্তে তিনি আহ্বান জানান দলীয় প্রার্থীকে বিপুল ভোটে পুনরায় জয়যুক্ত করার জন্য।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নতুবা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ ও ত্রিপুরা রাজ্য নমশূদ্র সমাজকল্যাণ পরিষদ। শুক্রবার আগরতলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে ত্রিপুরা রাজ্য সমাজ কল্যাণ পরিষদের কর্মকর্তাগণ অভিযোগ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মতুয়াদের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়াদের শ্রীশ্রী গুরুদেব হরিচাঁদ গুরুচাঁদ দেবদের ব্যাঙ্গাত্মক ভাষায় বিকৃতভাবে উচ্চারণ করেছেন। তার জন্য অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। নতুবা আন্দোলন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠন কর্মকর্তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রতিশ্রুতির ঢালী নিয়েই রাজ্যে সবকটি রাজনৈতিক দল এখন ভোট প্রচারের ময়দানে।প্রশাসনিক ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে গণদেবতাদের মন জয় করতে ইতিমধ্যেই সব কঠিন রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করে। যে ইসতেহার গুলিতে রয়েছে ভোটারদের জন্য লোভনীয় নানা অফার। ডানবান থেকে শুরু করে শাসক দল ইতিমধ্যেই পৃথক পৃথকভাবে তারা তাদের ইস্তাহার তুলে ধরেন জন সম্মুখে। এবার খানিকটা দেরি হলেও ভোটের প্রাক মুহূর্তে ইস্তাহার প্রকাশ করলো আমরা বাঙালি দল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আমরা বাঙালি ২৬ টি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দলের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে জনগণের স্বার্থে কি কি কাজ করা হবে তা তুলে ধরা হয়েছে ইস্তাহারে। ইস্তাহারে মোট ২৯ টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে আমরা বাঙালির তরফে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ত্রিপুরাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা, বাঙালি জনজাতিদের রক্ষা করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ, রাজ্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি। শুক্রবার আগরতলায় দলের রাজ্য কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করলেন আমরা বাঙালি রাজ্য সচিব গৌরাঙ্গ রুদ্রপাল। তিনি এদিন নির্বাচনে দলীয় ইস্তাহারের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করে রাজ্যের গণদেবতার কাছে আহ্বান রাখেন ইসাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি গুলি বাস্তবায়নের জন্য আমরা বাঙালি দলের প্রার্থীদের জয়যুক্ত করার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নির্বাচনী প্রচার, ওপেনিয়নপোল ও এক্সিটপোলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক্স প্রিন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া, কেবল নেটওয়ার্ক প্রত্যেকের প্রতি আবেদন রেখেছেন নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন ফলো করার জন্য। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে অর্থাৎ ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটার আগে নির্বাচনের ফলাফল সংক্রান্ত কোনরূপ ওপেনিয়নপোল এবং এক্সিটপোল প্রকাশ করতে পারবেনা প্রিন্ট ইলেকট্রনিক্স, কেবল নেটওয়ার্ক ও সোশ্যাল মিডিয়া। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই নির্দেশ জারি করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিত্তে। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত ধরনের প্রচার প্রসার বন্ধ করে দিতে হবে ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটার মধ্যে। শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনক্রমে প্রিন্ট মিডিয়াগুলি নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন ছাপাতে পারবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আটচল্লিশ ঘন্টা আগেই প্রচার প্রচার বন্ধ করা হয় শুধুমাত্র ভোটারদের কথা চিন্তা ভাবনা করে।ভোটাররা যাতে সঠিক চিন্তা-ভাবনা করে তাদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার হাত ধরে উন্নত ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা সংকল্পপত্র ২০২৩-র উন্মোচন হল। প্রতিশ্রুতির সংখ্যা মাত্র ২৪ টি। পাশাপাশি রয়েছে পাঁচ বছরের শাসনের রিপোর্ট কার্ড..উন্নত ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা সংকল্পপত্র ২০২৩ আদতে ত্রিপুরাবাসীর ইচ্ছা স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। এর মাধ্যমে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে মনোনিবেশ করাই দলের একমাত্র লক্ষ্য। সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের চাহিদাও পূরণ করা হবে। শিক্ষা থেকে শুরু করে ব্যবসা , বাণিজ্য,নিরাপত্তা , অর্থাৎ সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির সুনিশ্চিত পরিকল্পনা এখানে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র ভবনে দলের ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে ২৪ টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া যে সংকল্প পত্র প্রকাশ করেন তাতেই উল্লেখ রয়েছে এসব। সংকল্প পত্রে জনজাতিদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে প্রস্তাবিত ১২৫ তম সংবিধান সংশোধনী বিলের এক্তিয়ারের মধ্যে টি টি এ এ ডি সি-কে বৃহত্তর স্বায়ত্ব শাসন এবং অতিরিক্ত আইনি , নির্বাহী , প্রশাসনিক এবং আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের লক্ষ্যে পুনর্গঠন করা হবে।. জনজাতীয় সংস্কৃতি ও অধ্যায়নের গবেষণা প্রচার ও সংরক্ষণের জন্য গন্ডা ছড়ায় মহারাজা বীর বিক্রম মানিক্য জনজাতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে ,প্রধান সমাজপতিদের সম্মানী ভাতা প্রতিমাসের ২০০০ টাকা থেকে বাড়ি ৫০০০ টাকা করা হবে ইত্যাদি। শিক্ষিত কর্মহীন বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য কর্মসংস্থানের সরকারি বেসরকারি কিংবা আত্মনির্ভর কোন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়নি। কেবল সহায়তা , কয়েকটি যোজনা , ভাতা বাড়ানো , আর্থিক সহায়তা ,ঘরে ঘরে নল বাহিত জল , কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের স্মার্টফোন প্রদান, প্রবীণ নাগরিকদের ভর্তুকিতে তীর্থযাত্রা এবং পর্যটনের উন্নয়ন ইত্যাদি ভাসা ভাসা বিষয়ের ছড়াছড়ি রয়েছে সংকল্প পত্রে। সংকল্পপত্রে পাঁচ বছরের যে সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে তার সঙ্গে ২৪ টি প্রতিশ্রুতির কথা অনেক দুর্বল বলে মনে করা হচ্ছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভোটের আগে ভোট গ্রহণ করা হল রাজধানীর শিশু বিহার স্কুলে। সদর মহকুমার আটটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বুধবার। এই ভোট গ্রহন প্রক্রিয়া চলবে ৮,৯,১০,-১১,-১২- পাঁচদিনব্যাপী। পোস্টাল ব্যালাটে যারা ভোট দেবেন অর্থাৎ ভোট কর্মী, পুলিশ, টিএসআর, ড্রাইভার, ক্লিনার প্রমুখড়া এই পাঁচদিন নির্ভীঘ্নে নিজেদের ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। প্রসঙ্গত সদর মহকুমায় প্রায় সাতশোর উপরে পোস্টাল ব্যালটের ভোটার রয়েছে। তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে তার জন্যই নির্বাচন কমিশন থেকে ভোট গ্রহণের এই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মোহভঙ্গ হয়ে গিয়েছে পৃথক তিপরা ল্যান্ডের।বোবাগ্রার উপর আস্থা বিশ্বাস হারিয়ে দলে দলে থানসা যোগ দিচ্ছে শাসক বিজেপি দলে। বিশেষ করে তিপ্রা মথার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার পর থেকে মথার নেতৃত্বরা দলের প্রতি আস্থা হারিয়ে শাসক দলের শরণাপন্ন হচ্ছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বিকাশ দেববর্মার সমর্থনে ৫০০ পরিবারের প্রায় 1600 ভোটার বিজেপির পতাকা তলে সামিল হয়েছেন। এদিন রাতেই বিজেপি প্রার্থী বিকাশ দেববর্মা তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দলত্যাগীদের শাসক বিজেপি দলের পতাকা তলে শামিল করেছেন। এদিন তিপ্রা মথা দলত্যাগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা ছিল , প্রদ্যুৎ ঘনিষ্ঠ গোবিন্দ হরি জমাতিয়া, খোয়াই জেলা সম্পাদক দেবজিৎ দেববর্মা, সভাপতি বিশপা হরি জমাতিয়া প্রমূখ।
কংগ্রেস সিপিআইএম নেতৃত্বদেরকে মাথামুণ্ড করে প্রায়চিত্ত করার নিধান দিলেন বিপ্লব
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কংগ্রেস সিপিআইএম নেতৃত্বদেরকে মাথামুণ্ড করে প্রায়চিত্ত করার নিধান দিলেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। বলেন বীরচন্দ্র মনুতে শ্রীদাম পালের শহীদ বেদীতে সিপিআইএম আর শান্তিরবাজার ও মনু বাজারে কংগ্রেসের শহীদবেদী গুলিতে কংগ্রেস গিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। কংগ্রেস সিপিআইএম এবার প্রকাশ্যে বন্ধুত্বে এসেছে।গণতন্ত্র বাঁচানোর দোহাই দিয়ে মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইছে। যাদের নিজেদের দলের ন্যূনতম নৈতিকতা নেই তারা আবার মানুষের কাছে ভোট চায় কি করে। প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। বলেন এই দুই দলের নেতৃত্বরা এতদিন লুকিয়ে লুকিয়ে এবার প্রকাশ্যে বন্ধুত্ব এসেছে। সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার আগে তাদেরকে আগে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে মাথা মুন্ডু করে। বিপ্লব দেব এ দিন কমিউনিস্টদের প্রকাশিত মেনু ফেস্টুর তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বিজেপির পাঁচ বছরের শাসনের যা যা দিয়েছে সাধারণ গরিব মানুষদেরকে শুধুমাত্র তার পেছন দিক দিয়ে লিখে দিয়েছেন আমরা আসলে তা বাড়িয়ে দেব। নতুন কোন আশার বাণী রাখতে পারেনি এই দল। বিলোনিয়ায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এদিন রীতিমতো ঝড় তুলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। সাধারণ ভোটারদের তিনি উভয় দিয়ে বলেন পুনর্বার দ্বিগুনা আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সিঙ্গুর বিধানসভায় মমতা ব্যানার্জিকে রিজেক্ট করেছে , তাই ত্রিপুরায় এসেছে ভোট চাইতে,। যিনি নিজের রাজ্যে প্রত্যাখিত ,সে আবার ত্রিপুরায় ভোট চায় কি করে, ত্রিপুরার মানুষকে এত বোকা ভাববেন না। মমতাকে কটাক্ষ করে বললেন শুভেন্দু অধিকারী। রাধা কিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্ৰনজিৎ সিংহ রায়ের সমর্থনে মঙ্গলবার উদয়পুরের টেপানিয়া স্কুল মাঠে বিজয় সংকল্প সমাবেশে ভাষণ দেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী l শুভেন্দু অধিকারী এদিন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন l মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন কার্যকলাপে তীব্র সমালোচনা করে শ্রী অধিকারী বলেন , পশ্চিমবঙ্গকে তৃণমূল সরকার শিল্প উন্নয়নে তেমন উন্নতি করেনি l এবার ত্রিপুরায় এসে তৃণমূল উন্নয়নের কি কাজ করবে l প্রশ্ন তুলেন শুভেন্দু অধিকারী l বলেন তৃণমূলের রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গে একটা শিল্প আসেনি, বরং সিঙ্গুর শিল্প কারখানাটি মমতা ব্যানার্জি ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছিল l এই কারখানা গুজরাটে চলে গিয়েছে l পশ্চিমবঙ্গের নেত্রী বলে শিল্প ভাগান গুজরাটে l এই স্লোগান সারা পশ্চিমবঙ্গে l তাই শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে একটি ভোট না দেয়ার আহ্বান রাখেন l শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার একই সঙ্গে বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে তোলো ধুনো করেনl
কংগ্রেস সিপিআইএম এর বিজেপি নেতৃবৃন্দ যেদিন বলেন সিপিআইএম সারা দুনিয়া থেকে মুছে গিয়েছে আর কংগ্রেস গোটা দেশ থেকে ধুয়ে মুছে ছাপ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। তাদেরকে ভোট দিয়ে কোন লাভ হবে না।
