জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘর গোছাতে শুরু করেছে প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট গুলি। শনিবার কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস ওবিসি ডিপার্টমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। এই দিনের বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা যায়।
Tag:
রাজ্য
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিধানসভা নির্বাচনের মত গুরুত্বপূর্ণ ভোটে পারিবারিক লড়াই সম্ভবত এই প্রথম রাজ্য রাজনীতিতে। তাও আবার রাজধানী আগরতলার অন্যতম একটি বিধানসভা কেন্দ্র বাধারঘাটে। এই কেন্দ্র থেকে টানা বেশ কয়েকবার নির্বাচিত হয়েছিলেন দিলীপ সরকার। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রতিপক্ষকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বিধায়ক থাকাকালীন সময়ে তিনি প্রয়াত হওয়ায়, এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির হয়ে মিমি মজুমদার। এবছর দল মিমিকে টিকিট দেয়নি। তার জায়গায় বিজেপি প্রার্থী করে প্রয়াত বিধায়ক দিলীপ সরকারের বোন আগরতলা পৌর নিগমের কর্পোরেটর মিনারানী সরকারকে। অপরদিকে নজর কাড়া এই বাধারঘাট বিধানসভা কেন্দ্রে বাম কংগ্রেস আসন সমঝোতায় বামফ্রন্টের শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী করলো দিলীপ সরকারেরই ভাইপো আইনজীবী পার্থ রঞ্জন সরকারকে। তবে আসন সমঝোতার বাইরে গিয়ে কংগ্রেস দল দিলীপ সরকারের ভাই রাজকুমার সরকারকে টিকিট দেওয়ায়, একটা সময় এই কেন্দ্র নিয়ে গুঞ্জন চরম আকার ধারণ করে। যদিও পরবর্তী সময়ে দলের হাই কমান্ডের নির্দেশে কংগ্রেসের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া রাজকুমার সরকার তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই কেন্দ্রে এখন মূল লড়াইটা হতে চলেছে পিসি মিনারানী সরকার ও ভাইপো পার্থ রঞ্জন সরকারের মধ্যে। রাজনৈতিক মতাদর্শের দিক দিয়ে উভয়েই এখন জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া। ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যেন প্রচারে ঝড় তোলার চেষ্টা করছেন পিসি ভাইপো। বামফ্রন্টের প্রার্থী পার্থ রঞ্জন সরকার প্রতিদিনে দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন বাড়ি বাড়ি। শনিবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এদিন দলীয় কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের হাঁপানিয়া এলাকায় বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করলেন তিনি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের শাসক দল বিজেপির হয়ে ভোট প্রচারের ময়দানে নামলেন রুপালি পর্দার খ্যাতনামা সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। টানা দুই দিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে ময়দান চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। শনিবার সকালে এমনটাই দেখা গেল ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে। রাজ্যের নজর কাড়া অন্যতম একটি কেন্দ্রে এবার শাসক দল বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদিকা পাপিয়া দত্ত। শ্রীমতি দত্তের হয়ে এদিন রোড শোতে অংশ নিলেন চিত্রাভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। ইন্দ্রনগর বাজার থেকে সুসজ্জিত গাড়িতে দলীয় প্রার্থী পাপিয়া দত্তকে সাথে নিয়ে এদিন এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করেন মিঠুন। আর এভাবে মিঠুনকে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে লক্ষ্য করা গেল ব্যাপক উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা। ভোটকে কেন্দ্র করে মিঠুনের রোড শো যেন অনেকটাই বাড়তি মাইলেজ পেল শাসক দলের মনোনীত প্রার্থী। যদিও এর প্রভাব ইভিএমে কতটুকু পরে, তা বুঝা যাবে আগামী ২রা মার্চ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- স্বচ্ছতা, শান্তি ও সম্মান আমাদের ভোটদান। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটদানে সকল অংশের মানুষ যেন এগিয়ে আসেন সেই বার্তা ছড়িয়ে শনিবার আমবাসায় অনুষ্ঠিত হয় এক বাইসাইকেল র্যালি। ৪৭ আমবাসা (তপঃ উপজাতি) বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় এদিনের বাইসাইকেল র্যালি। আমবাসা টাউন হলের সামনে থেকে সকাল ৮ টায় শুরু হয় এই বাইসাইকেল র্যালি। বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে ডলুবাড়ি স্থিত ৪৭ আমবাসা ( তপঃ উপজাতি) বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার তথা আমবাসা মহকুমা শাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয় এই র্যালি। পরবর্তী সময়ে এক সাক্ষাৎকারে মহাকুমা শাসক কার্যালয়ের ডেপুটি কালেক্টর এন্ড ম্যাজিস্ট্রেট সমীরণ রায় জানিয়েছেন মূলত ভোটদানে যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকলে এগিয়ে আসেন সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সিপিআইএম কংগ্রেসের নৌকা ফুটু হয়েছে, জল ঢুকছে, তাই মানিক সরকার আর ডুবন্ত নৌকায় ওঠেনি, এবার জিতেন্দ্র চৌধুরীকে নৌকায় উঠিয়েছে ডুবিয়ে মারার জন্য বললেন পশ্চিমবাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার কমলসাগর বিধানসভার সেকেরকোট বাজারে বিজেপির জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শ্রী অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএম কংগ্রেসকে একপ্রকার তোলাধোনা করেন, বলেন, কংগ্রেস সিপিআইএমের কাছে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মত কোন এজেন্ডা নেই। তাই কংগ্রেস বলছে সিপিআইএমের সঙ্গে জোট হয়নি,, হয়েছে আসন সমঝোতা আর সি পি আই এম এক ধাপ এগিয়ে বলছে, বিজেপিকে উৎখাত করতে বাম কংগ্রেস একত্রিত লড়াই। শুভেন্দু অধিকারী এদিন আরও বলেন , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিপ্লব কুমার দেব, ড: মানিক সাহার প্রকল্পগুলির সুবিধা হিন্দু মুসলমান জাতি ধর্ম নির্বিশেষে উপলব্ধ হয়েছে রাজ্যে। সুতরাং রাজ্যের বিকাশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পুনর্বার বিজেপিকেই ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে হবে। এদিনের জনসভাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্ত মন্ডল সভাপতি সুবীর চৌধুরী ওবিসি মোর্চার সমীর রঞ্জন ঘোষ প্রার্থী অন্তরা দেব সরকার সহ কমালাসাগর মন্ডল যুব মোর্চার সমস্ত কার্যকর্তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দপ্তরের আধিকারিকদের হয়রানির শিকার হচ্ছে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকারা। অভিযোগ নিয়ে হাজির দপ্তর অধিকর্তার কাছে। পরে আশ্বস্ত হয়ে ঘরে ফিরেছে কর্মী সহায়িকারা। রাজ্য সরকারের সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের অধীন আইসিডিএস প্রকল্পের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকারা বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইতিমধ্যেই বিক্ষোভের চির ধরেছে কর্মী সহায়িকাদের মনে। শুক্রবার বাধ্য হয়ে ডেপুটেশন ও বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন ভারতীয় মজদুর সংঘের অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার এন্ড হেলপাররা। ডেপুটেশন প্রদান শেষে অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার এন্ড হেলপার ত্রিপুরা প্রদেশের সভানেত্রী অরুন্ধতী দাস ধর বলেন, সরকার টাকা বরাদ্দ করলেও দফতরের কিছু সংখ্যক কর্মী আধিকারিকদের দৌলতে সঠিক সময়ে বিভিন্ন চ্যাপ্টারে গিয়ে টাকা পৌঁছাচ্ছে না। যার পড়নায় ডেপুটেশন দিতে বাধ্য হয়েছে কর্মী সহায়িকারা।এদিন একই অভিযোগ করেছেন ভারতীয় মজদুর সংঘের স্টেট জেনারেল সেক্রেটারি উজ্জ্বল দাস।বলেন, সরকার আমাদের দিচ্ছেন সবকিছু কিন্তু কিছু সংখ্যক আমলা আধিকারিকের জন্য কর্মী সহায়িকাদের কাছে গিয়ে পৌঁছাচ্ছে না।অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকাদের এদিনের ডেপুটেশন কর্মসূচিতে সারা রাজ্য থেকে ব্যাপক সংখ্যক কর্মী সহায়িকার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
রাজ্যের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে বিজেপি প্রার্থীকে জয়যুক্ত করার জন্য আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্রে এবার মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২৫৯ জন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। আগরতলা ৮ নং টাউন বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। তাই উপনির্বাচনের জয়ের ধারা বজায় রাখতে প্রতিদিনই নিজের এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। দলীয়ভাবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার আগে থেকেই ভোট প্রচারের ময়দানে ডঃ সাহা। প্রায় প্রতিদিনই দলের স্থানীয় নেতা ও কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে এখন ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী। গণদেবতাদের বাড়িতে গিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গুলি তুলে ধরে, রাজ্যের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে বিজেপি প্রার্থীকে জয়যুক্ত করার জন্য আহ্বান জানান তিনি। শুক্রবার ফের আরো একবার এমনটা দেখা গেল ৮ নং টাউন বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কালিটিলা এলাকায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্ধারিত সংখ্যক কেন্দ্র ব্যতীত অন্যদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় জোট জট খুলে যাবার পর এবার ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট প্রচারে নামতে শুরু করলেন বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের কর্মীরা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে আসন সমঝোতার ঘোষণা হবার পর থেকেই কোন কোন কেন্দ্রে দুই দল ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচারে নেমে পড়ে। এবার তার ছোয়া পড়লো শহর আগরতলায়। শুক্রবার ফের আরও একবার এমনটাই দেখা গেল ৮ নং টাউন বড়দোয়ালী বিধানসভা কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে কংগ্রেস ও বামেদের জোট প্রার্থী এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক আশীষ কুমার সাহা। শ্রী সাহার সমর্থনে শুক্রবার ঐক্যবদ্ধভাবেই প্রচারে নামলো দুই দলের কর্মী সমর্থকরা। বড়দোয়ালী বিধানসভার অন্তর্গত নাগেরজোলা বাঁশ বাগান এলাকায় কর্মীদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করলেন আশিস বাবু। প্রচারে নেমে ভোটারদের সামনে তিনি তুলে ধরেন রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার কথা। আহবান জানান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে কংগ্রেস প্রার্থীকে জয়ী করার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সরকারি বেসরকারি মিলে আড়াই লক্ষ বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ করবে সিপিআইএম। একই সঙ্গে সাংবাদিক এবং সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণ করবে। নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করে ঘোষণা করলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী।ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে পানীয় জল সরবরাহ করবে। বিদ্যুতের বিল কমিয়ে আনবে ৫০ শতাংশ। রেগা সহ অন্যান্য দপ্তরের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজ দেওয়া হবে বছরে ২০০ দিনের। এছাড়া টুয়েপের কাজেও বৃদ্ধি করা হবে। সামাজিক ভাতা প্রাপকের সংখ্যা ও ভাতার টাকার পরিমান বৃদ্ধি করবে। ইত্যাদি বহুবিদ প্রতিশ্রুতি লিপিবদ্ধ করে ৫ টাকা মূল্যের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করলেন সিপিআইএম। শুক্রবার সিপিআইএম সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছেন দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী।এ দিল সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সংবাদ মাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন সিপিআইএম ক্ষমতায় এলে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। বলেন আমরা চাই সত্যিকারের ফ্রিডম অব দ্য প্রেস। এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান নারায়ণ কর। বলেন সিপিআইএম ক্ষমতা এলে অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে নির্বাচনী ইশতেহার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈঠকে বসেছে কংগ্রেস সভাপতি ও সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বিরজিৎ সিনহার বাসভবনে বসেছে গুরুত্বপূর্ণ এই স্ট্রেটেজি বৈঠক। প্রথমে জোট তারপরে রাম ধাক্কা। পরে আবার মিলেমিশে একাকার। ক্ষোভের বসে কংগ্রেস প্রথমে ১৯ টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে, অপরদিকে সিপিআইএম দলও ৪৭ টি উপরে আরও বেশ কিছু আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। প্রথমে ঘোষণা দেওয়া জোটের এই জট দেখে সারা সারা রাজ্যেই কংগ্রেস সিপিআইএমের দলত্যাগের হিড়িক পড়েছিল। যাইহোক মান বাঁচাতে শেষমেষ বৃহস্পতিবার দুই দলের নেতৃত্বরা যৌথভাবে পৃথক পৃথক বিবৃতি প্রকাশ করে সিপিআইএম কংগ্রেস এক এবং অভিন্ন ঘোষণা করেছে। শুক্রবার সকালেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজিত সিনহার বাড়িতে জোটের রণকৌশল ও প্রচারের স্ট্রেটিজি ঠিক করতে ছুটে আসেন সি পি আই এম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। এদিন দুই নেতার করমর্ধনে মুখে উজ্জ্বল করে উঠে হাসি। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজিৎ সিনহা জানান , মূলত প্রচারের রন কৌশল ঠিক করতেই তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রসঙ্গ জিজ্ঞেস করতেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বিরজিৎ সিনহা জানান , কংগ্রেস সিপিআইএম গভীর জলের একই নৌকায় পাঁচ দিয়েছে। দুই দলের যে সমস্ত কর্মীরা তার বিরোধিতা করবে তারাই নৌকাডুবিতে মারা যাবে। এদিকে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীর মুখেও শোনা গেল একই সুর। জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন , সিপিআইএম কংগ্রেসের আলোচনার প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে এখন চলছে দ্বিতীয় পর্বে প্রচার নিয়ে আলোচনা , আর শেষ আলোচনা তো ফাইনাল ভোট। একই মঞ্চে দেখা যাবে দুই দলের নেতৃত্বকে। এই দিন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী আরও বলেন, কিভাবে প্রচারকে আরও তৃণমূল স্তরে নিয়ে পৌঁছানো যায় সে বিষয়গুলোর উপর গ্রেফতারক করা হবে আজকের বৈঠকে। দুইদলের শীর্ষস্তরিও নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের পরেই শুক্রবার থেকে একই মঞ্চে দেখা যাবে সিপিআইএম কংগ্রেসকে। তৃণমূল স্তরের কর্মীদের বার্তা দিতেই মূলত এদিনের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।
