Tag:
রাজনৈতিক
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- তিপ্রাসাদের স্বার্থ সংক্রান্ত কোনো বিষয় আসলে সমস্ত জাতীয় দল এক হয়ে যায়। কংগ্রেস সিপিএম বিজেপি কোনো দলইতো রোমান লিপিতে ককবরক চালু করেনি। আগে তিপ্রাসাদের স্বার্থ, তাদের সঙ্গে আমি প্রতারণা করতে পারবো না। কথাগুলি বলেছেন তিপ্রা মথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যুৎ কিশোরে দেববর্মন। রোমান লিপিতে ককবরক ভাষা চালুর দাবিতে শুক্রবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করে টিপরা মথার ছাত্র সংগঠন টিপরা স্টুডেন্টস ফেডারেশন।
এর মধ্যে আগরতলায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকাতেও পথ অবরোধ করা হয়। টায়র পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনকারীরা । এদিন তাদের সঙ্গে যোগ দেন প্রদ্যুৎ কিশোরও। তিনি এই আন্দোলনকে পূর্ন সমর্থন করেন। অনেকটা সময় ছিলেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। বিধানসভাতেও রঞ্জিত দেববর্মা রোমান লিপিতে ককবরকচালুর বিষয়টি উথ্যাপন করবেন বলে জানান তিনি।
বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে আন্দোলন চলবে বলে জানান প্রদ্যুৎ। তিনি বলেন, ছাত্র ছাত্রীরা রোমান লিপিতে লিখতে চায়। তাতে কি অসুবিধা সরকারের? শিক্ষার্থীদের আগে পাশ করতে দিতে হবে। তারা যদি পাশ না করে বিপথে চালিত হয় তখন বলবে তীপ্রসারা উগ্রপন্থী হয়েগেছে। যে দলের সাথেই জোট থাকুক না কেন আগে তিপ্রাসাদের স্বার্থে কথা বলবেন বলে সাফ জানিয়েদেন প্রদ্যুৎ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নওজোয়ান ভারত সভার ১০০ বছর ও বিপ্লবী ভগৎ সিং, সুখদেব, রাজগুরুর ১৫ তম শহীদ দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এর ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি এবং উপজাতি যুব ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগ শুক্রবার আগরতলা টাউন হলে এক আলোচনা সভা হয়। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোমনাথ ভট্টাচার্য।
বিপ্লবী ভগৎ সিং এর ভারত, দক্ষিণ পন্থার বিপদ ও বামপন্থার দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। বিপ্লবী ভগৎ সিং এর জীবনী নিয়ে আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বলেন আমাদের কোন দিকে যেতে হবে কোন রাস্তা পরিহার করতে হবে তা জানার জন্যে ভগৎ সিং কে জানতে হবে। ভগৎ সিং ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশেই শহীদের মর্যাদা পান। বিপ্লবীদের চিন্তা চেতনাকে বদলে দেন। তাদের দিক নির্দেশ করেছিলেন ভগৎ সিং।
আমাদের জীবনে এগিয়ে চলার জন্যে সার্চ লাইটার মতো আলো ফেলতে পারে যারা তাদের মধ্যে একজন ভগৎ সিং। অনুষ্ঠানে ডি ওয়াই এফ আই এর রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব, সভাপতি পলাশ ভৌমিক সহ টি এস এফের নেতৃত্ত উপস্থিত ছিলেন। আগরতলা টাউন হলে আয়োজিত এই আলোচনাচক্র উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের অনেকটাই সমৃদ্ধ করে তোলে। ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ শহীদ হয়েছিলেন ভগৎ সিং।
টিএসএফের রোমান হরফ আন্দোলনের নামে হেনস্থার শিকার পরীক্ষার্থী থেকে রোগী, সরকারি কর্মচারীসহ বিভিন্ন অংশের মানুষ
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ছাএদের স্বার্থে আন্দোলনের নামে ছাএদেরকেই বিপাকে ফেলল টিএসএফ নামধারী তিপ্রা মথার ছাএ সংগঠনটি। বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করে ত্রিপুরাকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। শুক্রবার বোর্ডের পরীক্ষা ছিল। আর এই দিনই রোমান লিপিতে ককবরক চালুর দাবিতে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নামে টিএসএফ। বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করে এরা। তাদের এই আন্দোলনে সরাসরি নেমে পরেন তিপ্রা মথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মা।
বিভিন্ন জায়গায় অবরোধ আন্দোলনের নামে হেনস্থা করা হয় পরীক্ষার্থী থেকে রোগী, সরকারি কর্মচারীসহ বিভিন্ন অংশের মানুষকে। অনেক জায়গায় টিএসএফ’র এই আন্দোলনে মাঝ বয়সী ও প্রৌড়রাও আন্দোলনে নেমে পড়েন। ককবরক ভাষায় রোমান হরফের ব্যবহারের দাবিতে তিপরা মথা ছাএ সংগঠনের ডাকা বনধের রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব পড়েছে। সড়ক অবরোধের কারণে আইসিএসই বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা চরম নাজেহাল।
পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছেছে। সময়মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে যাবার প্রশ্নে পুলিশ ও প্রশাসন কারো কাছ থেকে সহায়তা পায়নি বহু পরীক্ষার্থী। এর ফলে অনেকে পরীক্ষার্থীই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। জনজাতি ছাএ-ছাত্রীদের রোমান লিপির দাবি ন্যায্য দাবি। বাম আমল থেকে এই দাবি উপেক্ষিত। বর্তমান এবং পূর্বতন বিজেপি ৩থা জোট সরকারের আমলেও এই দাবি উপেক্ষিত।
শুক্রবার এ কথাগুলো বললেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। বিধানসভা অধিবেশনে যাওয়ার মুখে অবরোধ কারীদের আন্দোলন প্রত্যক্ষ করার পর সাংবাদিকদের তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। এদিন তিনি আরো বলেন, জনজাতির ভাবাবেগ সরকার কে উপলব্ধি করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা নায্য দাবি জানিয়ে আসছে। তাঁদের দাবিতে বিভিন্ন কারণে রয়েছে। কিন্তু পূর্বতন এবং বর্তমান সরকারের তালবাহানা শেষ হচ্ছে না।
কংগ্রেসের তরফ থেকে সরকারের নিকট অতিসত্বর ককবরক ভাষায় রোমান হরফে চালুর দাবি জানিয়েছেন তিনি। সুদীপের এই বক্তব্যে স্পষ্ট তিগ্রা মথার তথা টিএসএফ’র এই দাবিকে পূর্ণ সমর্থন করছে কংগ্রেস। আর তাদের এই দাবি ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট। তিপ্রা মথা সরকারে থেকেও এই দিনের এই আন্দোলনে সমর্থনে নামে।
এদিকে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে কংগ্রেস যে তিপ্রা মথাকে সমর্থন করবে সেটাই স্পষ্ট। অথচ প্রদ্যুৎ বলেছেন কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপি সমস্ত জাতীয় দলগুলি তিপ্রাসাদের ইস্যুতে এক হয়ে যায়। কংগ্রেস এবং সিপিএমের আমলেও এই দাবি পূরণ করা হয়নি বলে প্রদ্যুৎ কটাক্ষ করেছেন।
রোমান স্ক্রিপ্ট-এর সমস্যা সমাধান পর্যায়ে আসুক এমনটাই চায় সরকার: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। ককবরক ভাষার রোমান স্ক্রিপ্ট নিয়ে ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী জানান সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সমাধানের পর্যায়ে আসুক সরকার এমনটাই চায়।
ককবরক ভাষার রোমান হরফ চালু করার দাবিতে পূর্ব ঘোষণা মতো শুক্রবার টিএসএফ তথা তিপরা স্টুডেন্টস ফেডারেশন রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন সংঘটিত করে। রাজ্যের প্রায় সব কটি জাতীয় সড়কেই তারা অবরোধ সৃষ্টি করে। ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যুক্ত হয় কিছু সামাজিক সংগঠনও। আগরতলায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় টিএসএফ সমর্থিত ছাত্রছাত্রীরা পথ অবরোধে বসে। বিষয়টি শুক্রবার বিধানসভায় উত্থাপিত হয়।
তিপ্রা মথা বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিধানসভায় জানান, সিবিএসই এবং টিবিএ ই পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় প্রশ্ন হওয়ায় জনজাতি অংশের ছাত্র-ছাত্রীরা লিখতে পারেনি। কিছু পরীক্ষা কেন্দ্রে ইনভিজিলেটার ছিলেন না। তাই প্রশ্ন না বোঝায় ছাত্রছাত্রীরা খালি উত্তরপত্র জমা দিয়ে পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট বিষয়টি অবিলম্বে সমাধানের দাবি জানান তিনি।
বিষয়টি নিয়ে এদিন বিধানসভায় বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা জানান, পার্শ্ববর্তী রাজ্য মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ,মেঘালয় এবং এমনকি ত্রিপুরাতে রোমান স্ক্রিপ্ট নিয়ে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু পরীক্ষার ক্ষেত্রে কেন রোমান স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করা যাবে না সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা। মথা বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা এবং মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা জানান ,ককবরক ভাষার রোমান স্ক্রিপ্ট নিয়ে বিগত বিধানসভায় প্রচুর আলোচনা হয়েছে।
বিষয়টি একটি সমস্যার পর্যায়ে আসুক এমনটাই চায় সরকার। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান, ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন আপোষ করা যাবে না। হরফ প্রসঙ্গে না গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান ,ছাত্রছাত্রীরা যেন প্রশ্নপত্র বুঝতে পারেন সরকার সেই কাজ করবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, রাজধানীর ভিআইপি রোডের সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় এদিন টিএসএফ সমর্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের রাস্তা অবরোধে গোটা শহরেই ব্যাপক জ্যামের সৃষ্টি হয় ।এতে বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার্থী সহ-সাধারণ জনগণ সমস্যায় পড়েন।এই নিয়ে বিভিন্ন মহলেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়।
বিকশিত ত্রিপুরার লক্ষ্যকে সামনে রেখে রচিত হলো ২০২৫-২৬ এর ত্রিপুরা বাজেট: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিকশিত ত্রিপুরার লক্ষ্যকে সামনে রেখে রচিত হলো ২০২৫-২৬ এর ত্রিপুরা বাজেট। এই বাজেটে জোর দেওয়া হয়েছে দক্ষতা উন্নয়ন টেকসই বৃদ্ধি ব্যবসা করার সহজতা প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং নাগরিক কেন্দ্রিক শাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
এই বাজে প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা বলেন এই বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও সংস্কার সাধন দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন এবং ব্যবসায়িক সরলীকরণের পাশাপাশি উন্নত পরিকাঠামো নির্মাণ জনগণের জন্য সুশাসন কারিগরি ক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে। তাছাড়া এই বাজেট রাজ্যের অগ্রগতির পথ প্রশস্ত করবে এবং সমৃদ্ধ স্বনির্ভর ত্রিপুরা গড়তে আমাদের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করবে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ককবরক ভাষার হরফ নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দায়সারা মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তিপরা স্টুডেন্টস ফেডারেশন। আগামীকাল সকাল থেকেই রাজ্যের সবকটি জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই ছাত্র সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এই কথা জানান টিএসএফ এর সাধারন সম্পাদক হামলু জমাতিয়া।
ককবরক ভাষার হরফ নিয়ে ফের বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। চলতি বছরের সিবিএসই এবং ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রকে কেন্দ্র করে এই বিতর্ক মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। ককবরক ভাষার ছাত্রছাত্রীদের জন্য রোমান হরফে প্রশ্নপত্র করার দাবিতে সিবিএসই এবং ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আধিকারিকদের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছিল।
কিন্তু এর পরও বিষয়টি নিয়ে দুই পর্ষদ কর্তৃপক্ষ চিন্তাভাবনা করেনি বলে অভিযোগ টিএসএফের। এর ফলে দুই বোর্ডের পরীক্ষাতেই ককবরক ভাষাভাষীর ছাত্র-ছাত্রীদের বেশ বিপাকে পড়তে হয়েছে। বাংলা হরফে প্রশ্ন হওয়ায় ইংরেজি মাধ্যমে পাঠরত বোর্ড পরীক্ষার্থীরা অনেকেই প্রশ্নপত্র পর্যন্ত পড়তে পারেনি বলে অভিযোগ।
ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে কিনা এই প্রশ্নটিই এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ককবরক ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরাও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। এই অবস্থায় শুক্রবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে তিপরা স্টুডেন্টস ফেডারেশন। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলন করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হামলু জমাতিয়া এই কথা জানান।
তিনি জানান ,ডেপুটেশন প্রদান ধাচের আন্দোলন অনেক হয়েছে।কিন্তু কর্তৃপক্ষ কথা দিয়েও কথা রাখেনি। এই কারণেই এই ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে টিএসএফ বাধ্য হয়েছে বলে জানান তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনের তিনি আরো জানান ,এবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের সাথে কথা বলতে হবে।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে টিএসএফ সাধারণ সম্পাদক হামলু জামাতিয়া আরো জানান, শুক্রবার থেকে রাজ্যে সব কটি জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। এই ক্ষেত্রে এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার জন্য সকল অংশের ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি জানান, টিএসএফ নেতৃবৃন্দ আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে শুক্রবার থেকেই শুরু হচ্ছে রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। এই বিষয়টি নিয়ে বাজেট অধিবেশনেও ঝড় উঠতে পারে বলে রাজনৈতিক তথ্যবিজ্ঞ মহলের অভিমত। কারণ ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিপ্রা মথাদলের সুপ্রিমো মহারাজ প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এই অবস্থায় টিএসএফ এর এই আন্দোলন নিয়ে সরকার কর্তৃপক্ষ কি ভূমিকা গ্রহণ করে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দাবীতে রাজধানির রাজপথে মিছিল সংগঠিত করলো সদর জেলা কংগ্রেস। এদিনের মিছিলটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আগরতলা পুর নিগমের সামনে এসে মিলিত হয় এবং পরে দলের কয়েকজন প্রতিনিধি পুর নিগমের মেয়রের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করেন। 
এদিন দলের একজন কর্মী সংবাদ মাধ্যমের মুখুমুখি হয়ে বলেন দেখা যাচ্ছে দিন দুপুরে মন্দির, মসজিদ, বিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে মশার উপদ্রব , এই মশার উপদ্রবে নাজেহাল রাজধানীবাসী , তাই এই মশার উপদ্রব নির্মূল করতে পুর নিগমকে শক্ত হাতে ব্যবস্থা গ্রহন করার আবেদন রাখেন।
তাছাড়া প্রতি বছরই চৈত্র মেলার সময় পুর নিগমের পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার জন্য জায়গা দেওয়া হয় , কিন্তু প্রতিবারই শাসক দল বিজেপির কিছু মাফিয়ারা সেই জায়গা দখল করে নেয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সেই জায়গা চড়া দামে দেওয়া হয় ব্যবসা করার জন্য তাই নিগমের মেয়রকে এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেন সঠিকভাবে ব্যবসা করতে পারে সে বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য আহবান রাখেন ।
তার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, নিয়মিত আবর্জনা সাফাই, জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতিসহ বছরে ২০০দিন টুয়েপের কাজ ও মজুরি বৃদ্ধির দাবী জানান। এদিনের কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয় ।
চাষীদের স্বার্থে ৮ দফা দাবিতে সোচ্চার হয়েছে সারা ভারত কৃষক সভার পশ্চিম জেলা কমিটি
written by janatar kalam

