Home Blog

মোহনপুরে চিন্ময়ী মূর্তি প্রতিষ্ঠা, মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে কুম্ভাভিষেক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মঙ্গলবার মোহনপুরে এক আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক আবহে অনুষ্ঠিত হল মা সৌন্দর্য চিন্ময়ীর মূর্তি প্রতিষ্ঠা ও পবিত্র কুম্ভাভিষেক অনুষ্ঠান। চিন্ময় মিশন স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শ্রদ্ধেয় সরসঙ্ঘচালক শ্রী মোহন ভাগবত জীর গৌরবময় উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বৃদ্ধি করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা।

চিন্ময় মিশনের প্রাঙ্গণে ১৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একক-শিলা গ্রানাইট পাথরে নির্মিত মা সৌন্দর্য চিন্ময়ীর মনোমুগ্ধকর মূর্তি স্থাপন করা হয়। পবিত্র মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় কুম্ভাভিষেক।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা তাঁর বক্তব্যে বলেন, উন্মুক্ত ও মনোরম পরিবেশে স্থাপিত এই মূর্তিকে ঘিরে শ্রী আদি শংকরাচার্যের রচিত অমর ‘সৌন্দর্য লহরী’র শ্লোক ও মূল্যবান বাণী সমন্বিত ২৭টি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্তম্ভগুলি মানুষের শুভ চিন্তার বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি মহাজাগতিক সংযোগ সম্পর্কে ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও জানান, এই পবিত্র স্থান আগামী দিনে শিক্ষা, আধ্যাত্মিকতা, চিন্তন, ভক্তি এবং সাংস্কৃতিক চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ, তিপ্রা মথা সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর মানিক্য দেববর্মা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। পুরো আয়োজনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল গভীর উৎসাহ ও ভক্তিমূলক আবহ।

ঘর পুড়িয়ে লুট, পরিবারকে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর—নতুন বাড়ি দেবে সরকার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কচুবাড়িতে নির্বাচনের পর হিংসার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযোগ, বিজেপি কার্যকর্তা রাজ কুমার দেববর্মার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে তা আগুনে পুড়িয়ে দেয় তিপ্রা মথার কর্মীরা। শুধু তাই নয়, ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত নতুন বসতঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থাও করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও স্পষ্ট ভাষায় জানান, নির্বাচন-পরবর্তী কোনো ধরনের হিংসা সরকার বরদাস্ত করবে না। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের পরিচয় যাই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দোষীদের খুঁজে বের করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

গড়িয়া পূজার উৎসবে মুখর ত্রিপুরা, নাজিরপুকুরে মেয়রের মঙ্গল কামনা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মঙ্গলবার ত্রিপুরা জুড়ে ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া পূজা উৎসবের আনন্দে মুখর হয়ে উঠেছে সমগ্র রাজ্য। জাতি-জনজাতি নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পালিত হচ্ছে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যা বিশেষত জনজাতি ও জমাতিয়া সম্প্রদায়ের কাছে গভীর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভক্তরা নিষ্ঠার সঙ্গে বাবা গড়িয়ার আরাধনা করছেন। পূজা মণ্ডপগুলোতে দেখা গেছে ভক্তদের ভিড়, পাশাপাশি চলেছে প্রথাগত আচার-অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এই উৎসবের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র।

এদিন গড়িয়া পূজার পুণ্যলগ্নে আগরতলার কৃষ্ণনগর এলাকার নাজিরপুকুর পাড়ে আয়োজিত পূজায় উপস্থিত হন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। তিনি বাবা গড়িয়ার নিকট রাজ্যের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। মেয়রের উপস্থিতিতে পূজাস্থলে উৎসবের আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

প্রতি বছরের মতো এবারও গড়িয়া পূজা ত্রিপুরার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে ধরা দিয়েছে, যা ভ্রাতৃত্ববোধ ও মিলনের বার্তা বহন করে রাজ্যবাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

সুখ-সমৃদ্ধির প্রার্থনায় গারিয়া পূজায় মেতেছে ত্রিপুরাবাসী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরাজুড়ে আজ গারিয়া পূজা উদযাপিত হচ্ছে উৎসাহ ও ভক্তিভরে। আদিবাসী ও অনাদিবাসী—সব সম্প্রদায়ের মানুষ এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

আগরতলার বিভিন্ন এলাকায়, যেমন প্রগতি স্কুল ময়দান, কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব, নেতাজি ক্লাব ও কসমোপলিটন ক্লাবসহ একাধিক স্থানে কমিউনিটি পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা বাঁশের খুঁটি পাতা, রঙিন সুতো ও কাপড় দিয়ে সাজিয়ে, ফুল ও ফল নিবেদন করে বাবা গারিয়াকে সন্তুষ্ট করার প্রার্থনা করছেন।

রাজ্যস্তরের প্রধান পূজার আয়োজন করা হয়েছে তেলিয়ামুড়ার গর্জনতলিতে, জামাতিয়া হোদার উদ্যোগে। বিভিন্ন জনজাতির মানুষ গভীর আস্থার সঙ্গে পূজার্চনা করে সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছেন। এই উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা এবং বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

জাপানে প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার, নীতিতে বড় পরিবর্তন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন এনে জাপান সরকার প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির উপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। চীন ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মন্ত্রিসভা নতুন নির্দেশিকা অনুমোদন করায় যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান, ড্রোনসহ বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র রপ্তানির পথ খুলে গেল। এতদিন পর্যন্ত জাপান অস্ত্র রপ্তানিতে কড়া বিধিনিষেধ মেনে চলত।

জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি মিনোরু কিহারা জানিয়েছেন, দেশের চারপাশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাওয়ায় এই নতুন নীতি জাপানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে।

এর আগে জাপান সীমিত কিছু ক্ষেত্রে—যেমন উদ্ধারকাজ, পরিবহন, সতর্কীকরণ, নজরদারি ও মাইন অপসারণ—সংক্রান্ত সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমতি দিত। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই সীমাবদ্ধতা তুলে দিয়ে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ডেস্ট্রয়ার রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এতদিন জাপান ইউক্রেনকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, গ্যাস মাস্ক ও বেসামরিক ব্যবহারের যানবাহন এবং ফিলিপাইনকে নজরদারি রাডার সরবরাহ করেছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি বৈশ্বিক অস্ত্রবাজারে জাপানের উপস্থিতি আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জার্মানির বার্লিনে পৌঁছালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, পেলেন সামরিক সম্মান

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- তিন দিনের জার্মানি সফরে গিয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার বিকেলে বার্লিনে পৌঁছেছেন। আগমনের পর তাঁকে জার্মান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি জানান, মিউনিখ থেকে বার্লিন যাওয়ার পথে তাঁকে জার্মান বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানে আনা হয় এবং যাত্রাপথে ফাইটার জেট দিয়ে এসকর্ট করা হয়।

এর আগে দিনের শুরুতে তিনি জার্মানির মিউনিখে পৌঁছান। সফরকালে তিনি তাঁর জার্মান সমকক্ষ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হবে।

সূত্রের খবর, দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল কো-অপারেশন রোডম্যাপ’ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। পাশাপাশি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের লক্ষ্যে জার্মান প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন রাজনাথ সিং।

ভারত ও জার্মানির মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার প্রতি অঙ্গীকারের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা এই সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠেছে।

বাংলাকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করার ডাক মানিক সাহার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে আজ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার রায়পুর কেন্দ্রে জোরদার রাজনৈতিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ভারতীয় জনতা পার্টির মনোনীত প্রার্থী শ্রী ক্ষেত্র মোহন হাঁসদার সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, খুন, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কবল থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে হলে বিজেপিকে শক্তিশালী করা জরুরি। তিনি জোর দিয়ে জানান, দলের কর্মীদের উৎসাহ, নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রমই আগামী দিনে বিজয় নিশ্চিত করবে।

এদিন সভায় উপস্থিত দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মূলমন্ত্রকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, রায়পুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্যও অনুরোধ করেন।

সভায় ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায় এবং কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনাও ছিল চোখে পড়ার মতো।

জটিলতা দূর করে এনএইচ-৮ কাজ এগিয়ে নিতে নির্দেশ পর্যটন মন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-খয়েরপুর থেকে চম্পকনগর পর্যন্ত নির্মাণাধীন জাতীয় মহাসড়ক (এনএইচ-৮) সম্প্রসারণ প্রকল্পের অগ্রগতি ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হল সচিবালয়ে। আজ পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর দপ্তরে আয়োজিত এই বৈঠকে পূর্ত দপ্তরের সচিব, নির্মাণকারী সংস্থা এনএইচআইডিসিএল, পূর্ত দপ্তরের আধিকারিক এবং জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে যুক্ত সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে যে সমস্ত সমস্যা ও জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি, কাজের গতি বাড়ানো, সমন্বয় আরও জোরদার করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বৈঠকে জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্প দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমস্যার কার্যকর সমাধান বের করে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বাধা দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

খোয়াইয়ে বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চা সভাপতির বাড়িতে হামলা, নিন্দায় সরব রাজীব ভট্টাচার্য

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-খোয়াই জেলায় বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি রশীদ মিঞার বাড়িতে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তিপ্রা মথার দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই নৃশংস হামলার ঘটনাকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

সোমবার প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য দলীয় কার্যকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে রশীদ মিঞার বাসভবনে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং পুরো ঘটনার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি তিনি আক্রান্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থী।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মহিলা নেত্রী নিগ্রহে সরব রঞ্জিত দেববর্মা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-ত্রিপুরার নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা সাবরুমে এক মহিলা রাজনৈতিক নেত্রীর উপর নিরাপত্তা বাহিনীর হামলার অভিযোগ তুলে ত্রিপুরা মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তার দায়ের করা আবেদনে দেববর্মা উল্লেখ করেন, গত ১২ এপ্রিল সাবরুম এসডিএম অফিস চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিপ্রা মথা পার্টি ও তিপ্রা উইমেন ফেডারেশনের জেলা পর্যায়ের নেত্রী সুপ্রিয়া চৌধুরীসহ কয়েকজন মহিলা প্রতিনিধি ভোট প্রক্রিয়া তদারকি ও শান্তি বজায় রাখতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ইভিএম স্ট্রং রুমে স্থানান্তরের সময় কিছু অনিয়ম চোখে পড়ে বলে দাবি করা হয়। এ নিয়ে আপত্তি জানানো হলে নিরাপত্তা বাহিনী নাকি বলপ্রয়োগ করে এবং লাঠিচার্জ করে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এক নিরাপত্তাকর্মী পিছন থেকে সুপ্রিয়া চৌধুরীকে লাথি মারেন, যার ফলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন এবং মানসিক আঘাতও পান।

বিধায়ক দেববর্মা এই ঘটনাকে “অতিরিক্ত ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলপ্রয়োগ” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আক্রান্ত নেত্রী একজন তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের সদস্য হওয়ায় বিষয়টি আদিবাসী মহলে বিশেষ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শারীরিক আঘাতের পাশাপাশি তার সম্মানহানিও হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ঘটনার পর সুপ্রিয়া চৌধুরী চিকিৎসা নেন এবং সাবরুম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যা দেববর্মা তার আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করেছেন। তিনি অভিযুক্তদের পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানান, যাতে জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা যায়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। মানবাধিকার কর্মীরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মানবাধিকার কমিশন শীঘ্রই বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।