Home Blog Page 3

ভবানীপুরে মহামিছিলে সুশান্ত চৌধুরী, শুভেন্দুর জয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে শক্তি প্রদর্শন করল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ব্যাপক জনসমর্থন, কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ এবং রাজ্যের বর্তমান শাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভকে সামনে রেখে আজ ভবানীপুরের রাজপথ গর্জে উঠল বিজেপির বিজয় সংকল্পে।

বিজেপির প্রার্থী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে প্রচারের অন্তিম লগ্নে এক বিশাল মহামিছিলের আয়োজন করা হয়। এই মিছিলে অংশ নেন ত্রিপুরার পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। মিছিল ঘিরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসাহ।

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ বিজেপি সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য। তাঁদের উপস্থিতি মিছিলে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।

সভা ও মিছিল থেকে নেতারা শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে ব্যাপক সমর্থনের আহ্বান জানান। সুশান্ত চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিপুল জনসমর্থনই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির জয় নিশ্চিত। মিছিলে অগণিত কর্মী-সমর্থকের ঢল নামে, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

কুলতলীতে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন, ‘ভয়মুক্ত বাংলা’ গড়ার বার্তা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- রাজ্যে ‘ভয়মুক্ত বাংলা’ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সক্রিয় হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১২৯ নম্বর কুলতলী বিধানসভা কেন্দ্রে এক বৃহৎ জনসভার আয়োজন করা হয়।

এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। তাঁদের উপস্থিতিতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সভামঞ্চ থেকে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী মাধবী মহলদারের সমর্থনে জোরালো প্রচার চালানো হয়।

সভায় বক্তারা ‘পদ্মফুল’ প্রতীককে রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই বিজেপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার লক্ষ্যে দল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন নেতারা।

জনসভায় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি নজর কাড়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উপস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির সংগঠনগত শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন।

ভারত-নিউজিল্যান্ড এফটিএ ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’: মোদি, নতুন দিগন্তের ইঙ্গিত লাক্সনের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)-কে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের উন্নয়ন অংশীদারিত্বে অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করবে।

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে মোদি জানান, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে গভীর আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ ও যৌথ উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষক, যুবসমাজ, নারী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (MSME), কারিগর, স্টার্টআপ, ছাত্রছাত্রী এবং উদ্ভাবকদের জন্য এই চুক্তি নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমন্বয় আরও জোরদার করবে।

অর্থনৈতিক দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, নিউজিল্যান্ডের পক্ষ থেকে ভারতে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যা কৃষি, উৎপাদন, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াবে। তিনি বলেন, এই চুক্তি ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে শক্তিশালী করবে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে দেশের সংযুক্তিকে আরও মজবুত করবে।

চুক্তির আওতায় দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রতিভা বিনিময়ের বিষয়েও জোর দেন মোদি। তিনি জানান, এর ফলে উদীয়মান খাতে ভারতীয় পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, আয়ুষ, যোগ ও জৈব পণ্যের মতো ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানব্যবস্থাকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই এফটিএ শক্তিশালী সরবরাহ শৃঙ্খলা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য ও পরিষেবা উৎপাদনের সুযোগ বাড়াবে।

অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বড় সুযোগের দরজা খুলে দেবে। তিনি জানান, এই এফটিএর মাধ্যমে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলির একটি—ভারতের বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে।

লাক্সন আরও বলেন, চুক্তির ফলে শুরু থেকেই ভারতীয় রপ্তানিকারকরা নিউজিল্যান্ডের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন এবং ভারতীয় গ্রাহকরাও নিউজিল্যান্ডের উচ্চমানের পণ্যের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। কৃষি প্রযুক্তি ও খাদ্য উৎপাদনে নিউজিল্যান্ডের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সহযোগিতা আরও গভীর হবে বলেও তিনি জানান।

বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার সময়ে এই চুক্তি নিয়মভিত্তিক ও স্থিতিশীল বাণিজ্যের প্রতি দুই দেশের অঙ্গীকারকে তুলে ধরে বলেও মন্তব্য করেন লাক্সন। পাশাপাশি, দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত করতে ভারতীয় প্রবাসীদের ভূমিকাকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উভয় নেতা এই চুক্তিকে শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং ভারত-নিউজিল্যান্ড সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন, যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর হবে।

সিকিমে মোদির দুই দিনের সফর শুরু, আজ রোড শোতে ভিড় উপচে পড়ল

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ সন্ধ্যায় সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকে এক জাঁকজমকপূর্ণ রোড শো-তে অংশ নেন। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং (গোলায়) এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি ডি আর থাপার সঙ্গে তিনি এই রোড শো-তে অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সফরকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে তাঁকে স্বাগত জানান।

গাঞ্জু দ্বার থেকে লোক ভবন পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত উচ্ছ্বসিত জনতা প্রধানমন্ত্রীর এক ঝলক দেখার জন্য ভিড় জমায়। প্রধানমন্ত্রী মোদিও হাত জোড় করে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন জানান।

এর আগে, লিবিং হেলিপ্যাডে পৌঁছালে রাজ্যপাল ওম প্রকাশ মাথুর, মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভার স্পিকার এবং মন্ত্রিসভার সিনিয়র সদস্যরা তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী সিকিমের রাজ্যত্বের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের সমাপনী অনুষ্ঠানে পলজোর স্টেডিয়ামে অংশ নেবেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি রাজ্যজুড়ে চার হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, শিলান্যাস ও সূচনা করবেন।

এই প্রকল্পগুলির মধ্যে অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎ, নগর উন্নয়ন, পরিবেশ, পর্যটন এবং কৃষি—বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ, শেষ মুহূর্তে জোরকদমে প্রচার সব দলের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার প্রচার আজ শেষ হয়েছে। ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই দফায় সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। শেষ মুহূর্তে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে সব রাজনৈতিক দলই জোরকদমে প্রচার চালায়।

প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির শীর্ষ নেতা নরেন্দ্র মোদি উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়ায় একটি জনসভায় ভাষণ দেন। পাশাপাশি বিজেপির আরেক শীর্ষ নেতা অমিত শাহ হুগলির চন্দননগরে একটি রোড শো করেন। এছাড়াও যোগী আদিত্যনাথ, অশ্বিনী বৈষ্ণবসহ দলের অন্যান্য নেতারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সভা ও রোড শো-তে অংশ নেন।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় একটি রোড শো করেন। দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুগলির আরামবাগে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখেন এবং পরে মহেশতলায় একটি রোড শো-তে অংশ নেন।

শেষ দফার ভোটকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে, এবং এখন নজর ২৯ তারিখের ভোটগ্রহণের দিকে।

বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক আজ ঘোষণা করেছে যে, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ত্রিবেদী কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং ড. মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ত্রিবেদী ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে সাংসদ ছিলেন। এর আগে তিনি একাধিকবার রাজ্যসভার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬-১৭ সালে তিনি ‘আউটস্ট্যান্ডিং পার্লামেন্টেরিয়ান অ্যাওয়ার্ড’-এ সম্মানিত হন। এছাড়াও, ইন্দো-ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টারি ফোরামসহ একাধিক সংসদীয় ফোরামের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেছেন। ২০২১ সালে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন।

রাজ্যসভায় সমীকরণ বদল, বিজেপির দখলে ১১৩ আসন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- রাজ্যসভায় বিজেপির সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১৩। আজ এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, উচ্চকক্ষের চেয়ারম্যান সি.পি. রাধাকৃষ্ণন আপ (আম আদমি পার্টি) থেকে দলত্যাগ করা সাতজন সাংসদের একীভবন অনুমোদন করেছেন।

এই সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন রাঘব চাড্ডা, ড. অশোক কুমার মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, স্বাতী মালিওয়াল এবং হরভজন সিং-সহ আরও কয়েকজন। এই একীভবনের পর রাজ্যসভায় আপের সাংসদ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে তিনে।

রিজিজু এই সাংসদদের বিজেপিতে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে তাঁরা দেশ গঠনের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

ত্রিপুরা ওয়েব মিডিয়া ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে দাবীসনদ পেশের সিদ্ধান্ত

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা ওয়েব মিডিয়া ফোরামের উদ্যোগে রবিবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বাপি রায়। সংগঠনের সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতিতে বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের পক্ষ থেকে শীঘ্রই রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের নিকট একটি দাবীসনদ পেশ করা হবে। এর মাধ্যমে ওয়েব মিডিয়ার স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হবে।

এছাড়াও, রাজ্যের নতুন ওয়েব মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলিকে সংগঠনের আওতায় এনে সদস্যপদ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগ্রহী ওয়েব মিডিয়া প্রতিনিধিদের সদস্যপদ গ্রহণের জন্য সংগঠনের সহ-সম্পাদক দ্বীপজীত আচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সম্পাদক অভিষেক দে জানান, ত্রিপুরায় ওয়েব মিডিয়ার বিকাশ ও সংগঠনের শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বাঁশ শিল্পে প্রধানমন্ত্রীর জোর, গর্বিত ত্রিপুরা: মানিক সাহা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’-এর ১৩৩তম পর্ব পশ্চিমবঙ্গের ৮৫ দক্ষিণ কৃষ্ণনগরের বুথ নম্বর ৮২-তে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বসে শোনেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানটি শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মাসিক ভাষণ দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি বলেন, “প্রতিটি পর্বেই প্রধানমন্ত্রী এমন সব অনুপ্রেরণামূলক গল্প ও তথ্য তুলে ধরেন, যা সমাজের প্রতিটি অংশকে উদ্বুদ্ধ করে।”

ড. সাহা উল্লেখ করেন, এবারের ‘মন কি বাত’ ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের বাঁশ শিল্পের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্বের বাঁশ খাত প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। বর্তমানে বাঁশ শিল্প যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, তা জীবিকা, স্থায়িত্ব এবং সামগ্রিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি করছে।”

তিনি আরও জানান, বাঁশভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ স্থানীয় অর্থনীতিকে মজবুত করার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের পথও প্রশস্ত করছে। “বাঁশ শিল্পের অগ্রগতি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে,” যোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কল্যাণপুরের বিধায়ক পিনাকী রায় চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

দিলীপ ঘোষও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রিপুরার বাঁশশিল্পের প্রশংসা রাজ্যে কুটির শিল্প, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

‘মন কি বাত’ থেকে পর্যটন পর্যন্ত—ব্যস্ত দিন রাজ্যপালের বক্সানগর সফর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’-এর ১৩৩তম পর্ব উপলক্ষে বক্সানগরের বিদ্যাজ্যোতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, যিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন।

সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠানে পৌঁছালে স্থানীয় বিধায়ক তফজ্জল হোসেন ফুল ও ঐতিহ্যবাহী উত্তরীয় দিয়ে রাজ্যপালকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উৎসাহের সঙ্গে এতে অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত ছিলেন সেপাহিজলা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক, জেলা পুলিশ আধিকারিক বিজয় দেববর্মা, শিক্ষা দপ্তরের ডিরেক্টর, বক্সানগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন, ব্লক অফিসার সন্দীপ কুমার পাল এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা যশোদা চেত্রীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী বাঁশভিত্তিক কুটির শিল্পের বিশেষ উল্লেখ করা হয়। তিনি স্থানীয় কারিগরদের দক্ষতার প্রশংসা করে বলেন, তাদের তৈরি পণ্য এখন মুম্বই ও দিল্লির মতো বড় শহরেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে এই পণ্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। উপস্থিতদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ত্রিপুরার উল্লেখ রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়।

অনুষ্ঠান শেষে রাজ্যপাল নাল্লু বলেন, “আজ আমরা প্রধানমন্ত্রীর মুখে ত্রিপুরার গৌরবের কথা শুনলাম। সত্যিই ত্রিপুরার বাঁশ শিল্প বিশ্বজয়ের পথে এগোচ্ছে।” পরে তিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের পর রাজ্যপাল বক্সানগরের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ স্তূপ এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রায় দুই হেক্টর জুড়ে বিস্তৃত এই প্রত্নতাত্ত্বিক ও পর্যটন কেন্দ্রটিতে তিনটি প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে, যা ২০০২ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে উৎখনন করা হয়। বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে স্থান করে নিয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য পর্যটন দপ্তর প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি অতিথি নিবাস নির্মাণ করেছে।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে রাজ্যপাল জানান, বক্সানগরের বৌদ্ধ স্তূপকে আরও উন্নত ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। সঠিক উদ্যোগ নেওয়া হলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে এবং স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।