জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি দ্রৌপাদি মুর্মু শুক্রবার রাজস্থানের জয়সলমেরে এক ঐতিহাসিক নজির গড়লেন। স্বদেশে নির্মিত হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার হাল প্রচন্ডএ বিশেষ উড়ান দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি জয়সলমেরে ভারতীয় বায়ুসেনার বৃহৎ সামরিক মহড়া বায়ু শক্তি ২০২৬ প্রত্যক্ষ করতে যান। সেখানে পৌঁছে ‘প্রচণ্ড’ হেলিকপ্টারে তিনি ফ্লাইং হেলমেট ও ফ্লাইট ড্রেস পরে বিশেষ সোর্টি সম্পন্ন করেন। দুইটি ‘প্রচণ্ড’ হেলিকপ্টারের ফরমেশনে এই উড়ান পরিচালিত হয়। অন্য হেলিকপ্টারে উপস্থিত ছিলেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এ.পি. সিং।
উল্লেখ্য, ‘প্রচণ্ড’ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি-সজ্জিত হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার, যা কঠিন যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উচ্চ পার্বত্য এলাকায় কার্যকরভাবে অভিযান চালাতে সক্ষম। রাষ্ট্রপতির এই উড়ানকে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতি মুর্মু স্বদেশে নির্মিত কালভারি শ্রেণির সাবমেরিন INS Vaghsheer-এ সওয়ার হন কর্ণাটকের কারওয়ার নৌঘাঁটি থেকে। সেই অভিযানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল দীনেশ কুমার ত্রিপাঠি।
এছাড়া গত অক্টোবরে তিনি অম্বালা এয়ার ফোর্স স্টেশনে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান Dassault Rafale-এ উড়ান দেন। তারও আগে ২০২৩ সালের ৮ এপ্রিল অসমের তেজপুরে Sukhoi Su-30MKI যুদ্ধবিমানে সোর্টি সম্পন্ন করেছিলেন তিনি।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন ও হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টারে রাষ্ট্রপতির ধারাবাহিক উড়ান ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনের অগ্রগতির প্রতীক। শুক্রবারের এই ঐতিহাসিক সোর্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভারতীয় বায়ুসেনার দক্ষতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পরাক্রমকে কুর্নিশ জানান।


Leave feedback about this