Home Blog Page 512

জনজাতিরা ক্ষুধা,অপুষ্টি,রোগ ব্যাধি গায়ে মেখে জীবন রক্ষার রসদ খুঁজছেন : জিতেন্দ্র 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-উপজাতি জনপদগুলিতে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি, সরকার কোথায়?কাজের জন্য উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার মানুষ দেশের বিভিন্ন অংশে এমন কি বাংলাদেশে গিয়ে কাজ করছেন। রাজ্যের সরকার বেখবর। মঙ্গলবার এই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী। রাজ্যের বিভিন্ন দাবি বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অগ্নিমূল্য, জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বিমানের অস্বাভাবিক ভাড়া, বহিঃরাজ্যের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সপ্তাহব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিপিআই এম মঙ্গলবার আগরতলার ওরিয়েন্ট চৌমহনীতে এক বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠিত করে।

সভার আগে গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে শহরে হয় মিছিল। সিপিএম পশ্চিম জেলা অফিসের সামনে থেকে বের হয় মিছিল । শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে শেষ হয়। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন ত্রিপুরার ছামনু ব্লকের গোবিন্দবাড়ী,গাছতলা উপজাতি জনপদ,ক্ষুধা,অপুষ্টি,রোগ ব্যাধি গায়ে মেখে জীবন রক্ষার রসদ খুঁজছেন।

বাংলাদেশের সীমান্ত ডিঙিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গল থেকে বনজ ওষুধ(গন্ধক) সংগ্রহ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনশো টাকা মজুরিতে।তিনি বলেন গত ডিসেম্বর থেকে রেগার কাজও নেই।প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে বলেন বামফ্রন্ট সরকারের হয়ে ভৃগুদাসবাড়ীতে অন্তত পনেরো দিনের পণ্যের জ্বালানী সহ পন্য মজুত করার মত গোডাউন ও তেলের ডিপো তৈরির কাজ হাতে নিয়েও তা করা যায়নি মথা ও আই পি এফ টির জন্য।

 

 

 

বাংলায় সিন্ডিকেট রাজ, কাটমানি,অনুপ্রবেশ,বোমা বিস্ফোরণ বন্ধ করতে পারবেন না মমতাদিদি : অমিত 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- জানুয়ারি মাসে জাঁকজমক করে উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের। যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শামিল হননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাহুল গান্ধীর মতো বিরোধী নেতারা। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে সেই ইস্যুতেই তাঁদের নিশানা করলেন অমিত শাহ। একযোগে বিঁধলেন রাহুল-মমতাকে। ভোটব্যাঙ্কের ভয়েই তাঁরা রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বলে অভিযোগ করলেন তিনি।

এদিন মতুয়া-অধ্যুষিত বনগাঁর সভা থেকে অমিত শাহ বলেন, “৭০ বছর ধরে কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, তৃণমূল কংগ্রেসরা রামমন্দিরকে আটকে রেখেছিল। আপনারা মোদিকে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী করেছেন। ৫ বছরেই উনি মামলা জেতেন, ভূমিপুজো করেছেন আর ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা করে জয় শ্রী রাম করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধীকে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু, কেউ রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠায় যাননি। কেন যাননি ? কারণ, ওঁরা ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে ভয় পান ।” তাঁর সংযোজন, “ওদের ভোট ব্যাঙ্ক অনুপ্রবেশকারীরা। আমাদের ভোট ব্যাঙ্ক মতুয়ারা। মোদিজি কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করেছেন। বাংলায় সিন্ডিকেট রাজ, কাটমানি , অনুপ্রবেশ, বোমা বিস্ফোরণ বন্ধ করতে পারবেন না মমতাদিদি। শুধু মোদিজির নেতৃত্বে এই সব বন্ধ হওয়া সম্ভব।

এদিন শাহের বক্তব্যে আরও একবার উঠে আসে এরাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “এদের মন্ত্রীর ঘর থেকে ৫০ কোটি উদ্ধার হয়েছে। আপনাদের টাকা লুঠ করে মন্ত্রীদের দিয়েছেন মমতাদিদি। শিক্ষক নিয়োগ, পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি, গরুপাচারকারী, অর্থের বদলে প্রশ্ন করেছে যারা সকলকে জেলে যেতে হবে। বিনামূল্যে রেশন দেন মোদিজি, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেন মোদিজি। ৭ কোটি গরিবকে এই সব সুবিধা দেন মোদিজি। বাংলায় শুধু কাটমানি, অনুপ্রবেশ, সিন্ডেকেটকে উৎসাহ দিয়েছেন মমতাদিদি।

ইভিএম নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কার প্রশ্নে পাল্টা জবাবও দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, “মমতাদিদি ইভিএমে গন্ডগোলের কথা বলছেন, এই ইভিএমেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন উনি। এখন মানুষ ওনার বিপক্ষে তাই উনি ইভিএমে গন্ডগোল দেখছেন।” EVM নিয়ে আশঙ্কার কথা বলতে গিয়ে এদিন কল্যাণীর সভা থেকে মমতা বলেন, “এরা যে কী করতে পারে কল্পনাও করতে পারবেন না। এরা জানে হারছে , তাই শেষ মুহূর্তে শেষ কামড় দেওয়ার জন্য… ইভিএম যেখানে থাকবে যাতে কোনও রকম আলো বন্ধ করতে না পারে, কোনও রকম মেশিন বদলাতে না পারে, যাঁরা অর্গানাইজার আছেন তাঁদেরও দায়িত্ব, পুলিশেরও দায়িত্ব। মানুষ ভোট দেবেন। তাঁর ভোটটা যেন সযত্নে রক্ষা হয়।

মনোনয়ন জমা দিযলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাণসী থেকে তৃতীয়বারের মতো মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মনোনয়নের জন্য জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অনেক রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং অনেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদির মনোনয়নের সময় অনেক এনডিএ দলের নেতারাও এসেছিলেন।

তরুণরা কর্মসংস্থান নিয়ে চিন্তিত কিন্তু সরকার শুধু ভোট নিয়ে চিন্তিত : প্রিয়াঙ্কা 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আমেঠিতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী লাগাতার প্রচার চালাচ্ছেন। মঙ্গলবার জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি জনগণের সংগ্রাম বাড়াচ্ছে। জনসাধারণের সমস্যা নিয়ে তারা চিন্তিত নয়। কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মঙ্গলবার কংগ্রেস প্রার্থী কিশোরী লাল শর্মার সমর্থনে নির্বাচনী সমাবেশে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। বলেন, গত পাঁচ বছরে এখানে নতুন রাজনীতি এসেছে। স্থানীয় সাংসদকে আক্রমণ করে তিনি বলেছিলেন যে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য রাহুল গান্ধীকে পরাজিত করা এবং জনসাধারণের সেবা করা নয়।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, আজ যখন তিনি এখানে এসেছিলেন, তখন তাঁর ২০ বছর আগের নির্বাচনের কথা মনে পড়েছিল। ১৯৯৯ সালের নির্বাচনের কথা মনে পড়ে গেল। আমার মা যখন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তখন তারও আমার বাবার মনের মতো একই অনুভূতি ছিল যে তাকে আমেঠির সেবা করতে হবে। ছোটবেলায় যখন আসতাম তখন এখানকার জমি সাদা দেখাত। বাবাকে জিজ্ঞেস করতাম মাটি সাদা কেন আর বলতেন তাতে লবণ আছে। এটি অনুর্বর, এটি উর্বর নয়, কিন্তু আজ যখন আমি এখানে তাকাই, দেখি সমগ্র জমি উর্বর হয়ে গেছে।

তিনি বলেছিলেন যে আমার বাবা সেই মিশনটি সম্পন্ন করেছিলেন এবং আমার মা তা এগিয়ে নিয়েছিলেন। আমেথির জমিকে উর্বর করতে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, গত নির্বাচনে আমাদের পরিবারকে নিয়ে কত মিথ্যা বলা হয়েছিল, আল্লাহই জানে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, আপনার পূর্বপুরুষদের সঙ্গে আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিবাচক রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল, এটা ছিল কাজের রাজনীতির সম্পর্ক। আমি আপনাকে কাজ এবং রাজনীতির মধ্যে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বলছি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চ্যালেঞ্জ করলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বলতে হবে, তিনি কি তার সংসদীয় এলাকায় কারও বাড়িতে গেছেন বা কারও সঙ্গে দেখা করেছেন? আজ বিজেপি নেতারা নিজেরাই বাজে কথা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন সাবধান, কংগ্রেসের লোকেরা মঙ্গলসূত্র চুরি করবে। গাড়ি নিয়ে যাবে। জমি নেবে। আগে জনগণ সরকার পরিবর্তন করত এবং আমাদের সরকার পছন্দ না হলে তারা আরেকটি নির্বাচন করত, কিন্তু আজ ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা ভয়ভীতি দেখিয়ে সরকার পতন ঘটাচ্ছে। বিধায়কদের কিনে নিচ্ছে । দেশের প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের একটা কথা বলতে পারেন না।

তিনি বলেন, আজ বিজেপি সর্বত্র কর্মসংস্থান বন্ধ করে দিয়েছে। সেনাবাহিনীর চাকরি কমিয়ে ৪ বছর করা হয়। ৩০ লাখ পদ শূন্য, নিয়োগ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭০ বছরে কোনো কাজ হয়নি। সত্যি কথা হল কংগ্রেস 70 বছরে যা করেছে, বিজেপি তা তার শিল্পপতি বন্ধুদের কাছে বিক্রি করেছে। জনস্বার্থের চিন্তাও নেই যার কারণে জনগণের সংগ্রাম বাড়ছে। কৃষক চিন্তিত। তরুণরা কর্মসংস্থান নিয়ে চিন্তিত কিন্তু সরকার শুধু ভোট নিয়ে চিন্তিত।

জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তার নিকট ডেপুটেশন বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের এক প্রতিনিধি দলের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কয়েক বছরে গোটা রাজ্য নেশায় ডুবে আছে। যুব সমাজ নেশায় আক্রান্ত হচ্ছে। তাদের অনেককে পরিবারের লোকজন সুস্থ করে তুলতে বেসরকারি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ সেই নেশা মুক্তি কেন্দ্রে আরও বড় সমস্যায় পড়ছে নেশা আক্রান্তরা। অভিযোগ নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলিতে চলছে অকথ্য নির্যাতন নেশাক্রান্ত যুবদের উপরে।

এই অবস্থায় বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তার কাছে ডেপুটেশন দেন চারটি বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের তরফে এক প্রতিনিধি দল।ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন,উপজাতি যুব ফেডারেশন, ভারতের ছাত্র ফেডারেশন ও উপজাতি ছাত্র ইউনিয়নের তরফে ডেপুটেশন দেওয়া হয়।বাম ছাত্র যুব নেতৃত্বের অভিযোগ রাজ্যের প্রতিটি অলিগলিতে নানা ধরনের নেশা সামগ্রী বিক্রি চলছে রমরমিয়ে।

এমনকি স্কুলগুলির সামনে বিভিন্ন ধরনের নেশা সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। কম বয়সি ছেলে-মেয়েরাও তাতে আসক্ত হচ্ছে।পরিবার, সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ এর বিরুদ্ধে প্রশাসনের কোন কঠোর পদক্ষেপ নেই। এই অবস্থায় নেশার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি বাম চারটি ছাত্র-যুব সংগঠনের।তারা দাবি জানায় জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের উদ্যোগে ব্যাপক ভাবে জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচী গ্রহন করার।

এদিন যুব নেতৃত্ব অভিযোগ করেন নেশা মুক্তির নামে চলছে লুট বানিজ্য।নেশা মুক্তি কেন্দ্রগুলিতে সরকারি নিয়ম অনুসারে যেসকল পরিষেবা থাকার কথা তার কোন কিছুই নেই। বরং তার উল্টো চলে অকথ্য মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন। ইতিমধ্যে নেশা মুক্তিকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অনেকের অকথ্য মানসিক ও শারিরীক আক্রমনের শিকার হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রতিটি নেশা মুত্তি কেন্দ্র কঠোর ভাবে প্রশাসনের নজরদারি রাখা, কোন নেশা মুক্তি কেন্দ্রে কোন কোন চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, কাউন্সিলর, নার্স, আয়া পরিষেবায় যুক্ত আছে তাদের নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই নেশা মুক্তি কেন্দ্রে আসা আক্রান্তের পরিবারের কাছে দেওয়ার। এদিন প্রতিনিধি দলে ছিলেন যুব নেতা নবারুণ দেব, জয়দ্বীপ রাউত, কুমুদ দেববর্মা, ছাত্র নেতা সন্দীপন দেব, সুজিত ত্রিপুরা সহ অন্যরা।

 

 

শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি প্রদান সহ চার দফা দাবিতে CITU-এর গণ অবস্থান

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের বিভিন্ন ইটভাটায় কাজ করা পরিযায়ী শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না। ফলে সমস্যা তারা। এসব সুরাহার দাবিতে অফিস লেন শ্রম ভবনের সামনে বিক্ষোভ- গণ অবস্থান ত্রিপুরা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের। প্রতিবছর শীতের মরশুমে বিহার, ঝাড়খণ্ড সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে শ্রমিকরা ত্রিপুরায় আসেন বিভিন্ন ইটভাটায় কাজ করতে।

কাজ শেষে বর্ষার মরশুমে তারা যখন বাড়ি যান তখন মালিক পক্ষ শ্রম আধিকারিকদের সামনে তাদের সমস্ত হিসেব বুঝিয়ে দেন। এমনকি শ্রমিকদের নিজ রাজ্যে যাওয়ার যানবাহনের খরচও দিয়ে দেওয়া হতো। এটাই নিয়ম। কিন্তু এবছর কিছু ইটভাটায় ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ মালিকরা শ্রমিকদের বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিকদের হিসেব করে মজুরি মিটিয়ে দিচ্ছেন না।

এতে সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। নিজেদের অর্থ খরচ করে থাকতে হচ্ছে অনেক শ্রমিককে। তাই ইটভাটা শ্রমিকদের সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনে নামল সি আই টি ইউ অনুমোদিত ত্রিপুরা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়ন। সোমবার সংগঠনের তরফে আগরতলা অফিস লেন শ্রম ভবনের সামনে বিক্ষোভ-গণঅবস্থান সংগঠিত করা হয়।

উপস্থিত ছিলেন সিআইটিইউ রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর প্রসাদ দত্ত, সম্পাদক সমর চক্রবর্তী, ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তপন দাস, জয়া বর্মণ সহ অন্যরা। তাদের অভিযোগ বিজেপি সরকার আসার পর থেকেই শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে তালবাহান চলছে।

অবিলম্বে শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি মিটিয়ে দেওয়া, শ্রম দপ্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি হিসেব চূড়ান্ত করা, শ্রমিক নিজ রাজ্যে যাওয়ার পরিবহণ খরচ, যাওয়ার পথে খাওয়া, পানীয় জল ওষুধের খরচ মালিক কর্তৃপক্ষকে দেওয়া সহ ৪ দফা দাবি সংগঠনের।

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে আহত এক যুবক 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পরিবারের লোকজনের সঙ্গে উদয়পুর মাতাবাড়িতে যাওয়ার পথে ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত এক যুবক। আহত যুবক বর্তমানে রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি সোমবার ঘটে বিশ্রামগঞ্জ আদিবাসী কলোনি এলাকায়। আগরতলা রাধানগর এলাকার বাসিন্দা সন্দীপ আচার্য। বয়স ২১-র যুবক পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এদিন ট্রেনে করে উদয়পুর যাচ্ছিল। জানা গেছে সে ট্রেনের দরজার সামনে বসে ছিল।

মাতাবাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে বিশ্রামগঞ্জ রেল স্টেশন সংলগ্ন আদিবাসী কলোনি এলাকায় আচমকা চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যায়।তখন পরিবারের লোকজন নেমে এসে দেখেন রেলপথের পাশে জঙ্গলে পড়ে আছে। এগিয়ে আসেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে বিশ্রামগঞ্জ দমকল কর্মীরা ছুটে গিয়ে আহত যুবককে বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পড়ে আঘাত গুরুতর হওয়ায় জিবিতে রেফার করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চলছে যুবকের চিকিৎসা।

 

 

নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- লোকসভা নির্বাচনে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু। একই সঙ্গে সোমবার ভোট দিয়েছেন ত্রিপুরার ফার্স্ট লেডি। এদিন নিজ ভোট কেন্দ্র হায়দ্রাবাদের মালাকপেটের সেলিমনগর এলাকার অধীনে জিএইচএমসি কমিউনিটি হলের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন রাজ্যপাল।

ত্রিপুরার প্রথম মহিলা রেণুকা নাল্লুও মালাকপেটে ভোট দেন। নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু বলেন, ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, প্রত্যেকেরই এটাকে দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে ভোটের বাধ্যতামূলক অধিকার প্রয়োগ করা প্রয়োজন।

উন্নয়নের নামে সরকারী স্কুল থেকে কোন রকম চাঁদা আদায় করা চলবেনা : AIDSO

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ছাত্র স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষা ভবনে ডেপুটেশন-বিক্ষোভ এআইডিএসও-র।সোমবার সংগঠনের তরফে শিক্ষা অধিকর্তার কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন এআইডিএসও-র নেতৃত্ব রাম প্রসাদ পাল ও মৃদুল কান্তি সরকার।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে শিক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয়ে ছাত্র-শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া, মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা, বিদ্যাজ্যোতি স্কুলগুলোতে প্রথম শ্রেণীর থেকেই ইংরেজি বিষয়কে গুরুত্ব সহকারে পড়ানো।

বিদ্যাজ্যোতি স্কুলগুলোতে নবম শ্রেণী থেকে আচমকা ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাদান সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দেওয়া, ডেভেলপমেন্ট-র নামে সরকারি স্কুল থেকে কোনরকম ফি আদায় না করা সহ বিভিন্ন দাবি সংগঠনের। এদিন এসব দাবিতে সংগঠনের সদস্যরা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ সংগঠিত করে।

পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ জওহর নগর বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায়

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আবারো পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধের ঘটনা সামনে এলো, এবারের ঘটনা জওহর নগর বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ বিগত তিন মাস ধরে পানীয় জলের অভাবে ভুগছে স্থানীয়রা, গ্রাম পঞ্চায়েতের নিকট জানানো হলেও কোন প্রকার ভূমিকা নেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে।

এলাকায় একটি জলের পাইপ থাকলেও সেটিও দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। সেটিকে সারাই করার উদ্দেশ্যে ডিডাব্লিউএস দপ্তরে জানানো হলেও দপ্তরের পক্ষ থেকে সেটিকে সারাই করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয়। তারপর আবার পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হলে জলের গাড়ি দিয়ে জলের যোগান দেওয়া হবে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন অবধি কোন প্রকার হেলদুল নেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে।

তাই বাধ্য হয়ে নদীর জল খেয়ে দিন যাপন করতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়ে আজকের এই রাস্তা অবরোধ বলে জানিয়ে দেন এক এলাকাবাসী। বলা বাহুল্য এই অবরোধের ফলে জাতীয় সড়কের দু’পাশে শত শত গাড়ি লাইন লেগে গেছে। এখন এখন দেখার এলাকাবাসীর এই সমস্যা মেটাতে কি পদক্ষেপ নেই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং ডিডাব্লিউ.এস দপ্তর।