Home Blog Page 511

রাজ্যের প্রধান রেফারেল জিবি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সরব হল এসইউসিআই

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সরব হল এসইউসিআই। বুধবার দলের তরফে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয় জিবি ও আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের মেডিক্যাল সুপারের কাছে। এদিন ১০ দফা দাবি সনদ তুলে ধরেন তারা। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের আগরতলা জেলা সাংগঠনিক কমিটির সম্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী, মলিন দেববর্মা, ছাত্র নেতা মৃদুল কান্তি সরকার সহ অন্যরা।

সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন রোগ মুক্তির জন্য এই রেফারেল হাসপাতালে আসেন।তাঁর অভিযোগ জরুরি পরিষেবা গুলি পর্যন্ত এই হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না।হাসপাতালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোগীদের বসে থাকতে হয় চিকিৎসকের জন্য। অভাব রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের।

এই অবস্থায় এসইউসিআই-র দাবি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সব সময় সক্রিয় রাখা, রোগীদের প্রয়োজন ভিত্তিক জীবন দায়ী ওষুধ হাসপাতাল থেকেই সরবরাহ, সকল প্রকার পরীক্ষা-নিরিক্ষার ব্যবস্থা ও সময়মতো রিপোর্ট দেওয়া, বিশুদ্ধ পানীয় জল সবসময় সরবরাহ করা, টিকিট দেওয়ার কাউন্টারের সংখ্যা আরও বাড়ানো সহ বিভিন্ন দাবি তাদের।

 

 

বাঙালীদের উপর অমানবিক নির্দয় আচরনের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন আমরা বাঙালীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার আমরা বাঙালী দল। কাঞ্চনপুর মহকুমার সুভাষনগর, কাশীরামপুর, আশাপাড়া সহ তেরটি গ্রামের ৫১টি পরিবারের ২১৭ জন পানিসাগরের পেকুছড়া গ্রামে বনের মধ্যে এসে আশ্রয় নিয়েছে। ৫দিন ধরে তারা শিশু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা নিয়ে খোলা আকাশের নীচে অসহায়ভাবে থাকলেও অমানবিক প্রশাসন, এখন পর্যন্ত তাদের জন্যে খাবারের ব্যবস্থা দূরে থাক্ পানীয়জলের ব্যবস্থাটুকুও করেনি বলে অভিযোগ আমরা বাঙালী দলের সচিব গৌরাঙ্গ রুদ্রপালের।

বুধবার দলের তরফে রাজ্য কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, উল্টো উদ্বাস্তু পরিবারগুলিকে পেকুছড়া থেকে উচ্ছেদ করার জন্যে পুলিশ ও প্রশাসনের লোক মিলে জোরজবরদস্তি করে চলেছে। এমনকি এলাকায় পানীয় জল ঢুকতে বাধা দিয়ে মেরে ফেলার ব্যবস্থা করছে। অভিযোগ বার বার প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে জায়গা ছেড়ে দেবার জন্যে। অথচ ঘটনাস্থলের খানিক দূরে বনদপ্তরের আরও একটি জায়গায় প্রায় একশ পরিবার বসবাস করলেও তাদের উচ্ছেদের ব্যাপারে প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরব। এই সাংবাদিক সম্মেলনে আমরা বাঙালি দলের পক্ষ থেকে দাবি রাখা হয়, বিকল্প ব্যবস্থা না করে পেকুছড়ায় আশ্রিত কোন পরিবারকে পেকুছড়া থেকে উচ্ছেদ করা চলবে না। অবিলম্বে পেকুছড়া অঞ্চলে আশ্রিত উদ্বাস্তু পরিবারগুলিকে সরকারী উদ্যোগে খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ও থাকার জন্যে ঘর নির্মানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার।

 

 

পুর নিগমের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে আশাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করলেন কর্পোরেটর অভিজিৎ মল্লিক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-সাধারণ মানুষ যাতে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সহজে পেতে পারেন সেজন্য কেন্দ্রীয় নির্দেশানুসারে রাজ্যেও শুরু হচ্ছে আভা কার্ড তৈরি। সকলে যাতে করতে পারেন সেজন্য শিবির করার পরিকল্পনা রয়েছে আগরতলা পুর নিগমের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে। চেষ্টা থাকবে সকলে যাতে আভা কার্ডের আওতায় আসেন।

ইতিমধ্যেই করা হবে শিবির। এসব বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠক হয় আগরতলা পুর নিগমের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে। এদিন ওয়ার্ড অফিসে হয় বৈঠক এলাকার আশাকর্মীদের নিয়ে। উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ডের কর্পোরেটর অভিজিৎ মল্লিক সহ অন্যরা। তিনি জানান, আশা কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে থাকেন। এলাকার কারো বাড়িতে অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী মহিলাদের খোঁজ খবর নেন। সময়ে সময়ে এসব নিয়েও পর্যালোচনা সভা করা হয়ে থাকে।

 

 

জেল থেকে পালালো খুনের সাজাপ্রাপ্ত আসামী স্বর্ণ কুমার ত্রিপুরা

0

 

 

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ফের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে আসামী পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। এবার খুনের সাজাপ্রাপ্ত আসামী স্বর্ণ কুমার ত্রিপুরা জেল থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছুটে যান জেলা পুলিশ সুপার, আইজি প্রিজন সহ বিশালগড় থানার বিশাল পুলিশ। পালিয়ে যাওয়া আসামীর বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করলো বিশালগড় থানার পুলিশ।

জানা যায় স্বর্ণকুমার ত্রিপুরার বাড়ি দক্ষিণ মনুবাজার ছোট শাকবাড়ি এলাকায়। ২০১৪ সালে একটি চুরির মামলায় দক্ষিণ মনুবাজার কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা কাটানোর সময় সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ কর্মীকে খুন করেছিল পলাতক আসামী।সেই খুনের মামলায় সাহা হয় স্বর্ণ কুমার ত্রিপুরার। দীর্ঘদিন ধরে বিশালগড় কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা কাটানোর সময় ৪ বছর আগে দ্বিতীয় বার পালিয়ে যায় এই আসামী।

পরবর্তী সময় তাকে বহিঃরাজ্যের থেকে ত্রিপুরা পুলিশ গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংশোধানাগরে নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার বিশালগড় অ্যাটেনডেন্স নেওয়ার সময় দেখা যায় আসামী স্বর্ণ কুমার ত্রিপুরা অনুপস্থিত। শুরু হয়ে যায় দৌড়ঝাঁপ। মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয় খোঁজাখুজি। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছুটে আসেন জেলা পুলিশ সুপার ভি জে রেড্ডি, আইজি প্রিজন সহ বিশালগড় থানার পুলিশ।

পালিয়ে যাওয়া আসামীর বিরুদ্ধে বিশালগড় থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছে এতো নিরাপত্তার মধ্যেও কি করে একজন আসামী এভাবে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। যে কিনা এর আগেও পালিয়েছে তাকে নিয়ে কেন বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়নি? কোথায় গলদ? দাবি উঠেছে ঘটনার তদন্তক্রমে পলাতক আসামিকে খুঁজে বের করা ও কারোর দায়িত্বে গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়ার।

চাহিদা থাকলেও দামের জন্য তেমন বিক্রি নেই রসালো ফল আনারস

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- চাহিদা থাকলেও দাম বেশি। তাই বিক্রি এখনই তেমনটা নেই। গ্রীষ্মের রসালো ফলগুলির মধ্যে রাজ্যের উৎপাদিত আনারস অন্যতম। সুস্বাদু এই আনারস রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চাষ হয়। গ্রীষ্মের এই রসালো ফলের চাহিদা এই সময়ে থাকে তুঙ্গে।এবছর বাজারে চলে এসেছে আনারস। মঙ্গলবার রাজধানীর প্যারাডাইস চৌমুহনীতে দেখা গেল বিক্রেতারা আনারস নিয়ে বসেছেন।

প্রতিবছর এখানে বিভিন্ন জায়গার আনারস নিয়ে বসেন বিক্রেতারা। এই মরশুমে সবেমাত্র রসালো আনারস বাজারে এসেছে। তাই দাম বেশি বলে জানান এক বিক্রেতা। তিনি জানান, চাহিদা থাকলেও দামের জন্য তেমন বিক্রি নেই। তবে কিছুদিন পরে দাম কমে গেলে বিক্রিও ভালো হবে। বিক্রেতা আরও জানান গণ্ডাছড়া, কাকরাবন, বিশ্রামগঞ্জ এলাকা থেকে এসেছে এই রসালো আনারস। এখন ১০০, ৮০, ৬০ টাকা জোড়া বিক্রি হচ্ছে আনারস।

 

 

ই-রিক্সা শ্রমিক সংঘের নামে চাঁদা তোলতে গিয়ে আটক তিন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ই-রিক্সা শ্রমিক সংগঠনের নামে শহরে দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া চলছে। একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে। ফের শ্রমিক তহবিলের নামে ভারতীয় মজদুর সংঘের নামে ই-রিক্সা শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ। এই অভিযোগে মঙ্গলবার তিনজনকে পুরনো মোটর স্ট্যান্ড এলাকা থেকে ধরে পূর্ব থানায় দিলেন ই-রিক্সা শ্রমিক সংঘের লোকজন।

সংগঠনের পশ্চিম জেলা সভাপতি এদিন অভিযোগ করেন, প্রতারণা করে শ্রমিকদের কাছ থেকে টাকা লুটে নিচ্ছে কতিপয় লোকজন। তিনি বলেন, বছরে বি এম এসের সংগঠন থেকে ১২০ টাকার বেশি নেওয়া হয় না। কিন্তু কতিপয় লোকজন রসিদ দিয়ে ৫৭০ টাকা করে শ্রমিকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার ত্রিপুরা ইলেক্ট্রনিক্স ই-রিক্সা শ্রমিক সংঘের নাম দিয়ে চাঁদা তোলার সময় তিনজনকে আটক করা হয়। পরে পূর্ব আগরতলা থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিক্ষোভ দেখানো হয় পূর্ব থানার সামনে। ই-রিক্সা শ্রমিক সংঘের তরফে পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন রাখা হয় তদন্ত ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

 

ঘটা করে রাজবাড়িতে সম্পন্ন হলো মঙ্গলচন্ডী পূজা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা মঙ্গলচণ্ডী পূজা এবছরও হল রাজধানীর রাজবাড়ী মঙ্গল চণ্ডী মন্দিরে। প্রতি বছরের মতো ঐতিহ্য মেনে রাজবাড়ীতে মঙ্গলচণ্ডী পূজা হয় এবারো।সকাল থেকেই সমস্ত রীতিনীতি মেনে রাজবাড়ির মঙ্গলচণ্ডী মন্দিরে এই পূজা শুরু হয়। মূলত বৈশাখ মাসের সমস্ত মঙ্গলবারে দেবীর পূজা হয়। এই রূপের পূজা হয়।

দেবী মঙ্গলচণ্ডী “চণ্ডীমঙ্গল” কাব্যের বর্ণিত সেই দেবী। মঙ্গলচন্ডী হলো প্রকৃতপক্ষে একটি ব্রতের নাম। এই ব্রতে দেবী হিসেবে মা দুর্গার পূজা করা হয়। মূলত রাজ্যের মা বোনেরা মঙ্গলচন্ডী ব্রতানুষ্ঠান করে থাকেন। দেবীর কোনো মূর্তিতে পূজা না করে আবার ঘটেও পূজা করা হয়ে থাকে। পরিবারের মহিলারাই এই ব্রতের ব্রতী হন। বৈশাখ মাসের প্রতি মঙ্গলবার মা মঙ্গলচণ্ডীর আরাধনা করা হয়।

বৈশাখ মাসের শেষ মঙ্গলবার আগরতলার রাজবাড়িতে মঙ্গলচন্ডী মন্দিরে ঘটা করে করা হয় মঙ্গলচন্ডী পূজা। মহিলারা প্রতিবারের মতো এবারো ভিড় করেন। সকলের মঙ্গল কামনা ও বিভিন্ন মনোবাসনা পূরণের জন্য মঙ্গল চণ্ডী মায়ের পূজা করে থাকেন বলে জানান এক মহিলা।রাজবাড়ী ছাড়াও বিভিন্ন বাড়ি ঘরে অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলচন্ডী পূজা। এছাড়া অনেকে আবার জ্যৈষ্ঠ- অগ্রহায়ন মাসেও এই পূজা করেন।

 

 

 

রাজ্যে মহিলা সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনার প্রতিবাদে  পশ্চিম মহিলা থানার সামনে বিক্ষোভ প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের 

0
Oplus_131072

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নারী সংক্রান্ত ঘটনায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে পশ্চিম মহিলা থানার সামনে বিক্ষোভ ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের। পরে থানার ওসির কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়। কর্মসূচীর নেতৃত্বে ছিলেন মহিলা কংগ্রেসের নেত্রী শ্রেয়সী লস্কর সহ অন্যরা। অভিযোগ সম্প্রতি রাজধানীর বটতলা এলাকা থেকে এক যুবতী বধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি বাধারঘাট এলাকা থেকে এক নাবালিকাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। দুটি ঘটনারই মামলা হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদ জানিয়ে সরব হয় ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস। মঙ্গলবার সংগঠনের তরফে বিক্ষোভ দেখানো হয় পশ্চিম মহিলা থানার সামনে।

পরে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। মহিলা কংগ্রেসের নেত্রী শ্রেয়সী লস্করের অভিযোগ, পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নিলে যারা অপরাধ করে তাদের উৎসাহিত করে এধরণের ঘটনা করতে। তাঁর আরও অভিযোগ রাজ্যে মহিলা ঘটিত অপরাধ বাড়ছে। অপরাধীদের মনে কোন ধরণের ভয় নেই। তারা দাবি জানান এসব ঘটনা বন্ধে যাতে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেয় এবং মহিলা সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনায় অপরাধীদের যাতে কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করে।

 

 

জনজাতিরা ক্ষুধা,অপুষ্টি,রোগ ব্যাধি গায়ে মেখে জীবন রক্ষার রসদ খুঁজছেন : জিতেন্দ্র 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-উপজাতি জনপদগুলিতে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি, সরকার কোথায়?কাজের জন্য উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার মানুষ দেশের বিভিন্ন অংশে এমন কি বাংলাদেশে গিয়ে কাজ করছেন। রাজ্যের সরকার বেখবর। মঙ্গলবার এই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী। রাজ্যের বিভিন্ন দাবি বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অগ্নিমূল্য, জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বিমানের অস্বাভাবিক ভাড়া, বহিঃরাজ্যের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সপ্তাহব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিপিআই এম মঙ্গলবার আগরতলার ওরিয়েন্ট চৌমহনীতে এক বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠিত করে।

সভার আগে গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে শহরে হয় মিছিল। সিপিএম পশ্চিম জেলা অফিসের সামনে থেকে বের হয় মিছিল । শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে ওরিয়েন্ট চৌমুহনীতে শেষ হয়। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন ত্রিপুরার ছামনু ব্লকের গোবিন্দবাড়ী,গাছতলা উপজাতি জনপদ,ক্ষুধা,অপুষ্টি,রোগ ব্যাধি গায়ে মেখে জীবন রক্ষার রসদ খুঁজছেন।

বাংলাদেশের সীমান্ত ডিঙিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গল থেকে বনজ ওষুধ(গন্ধক) সংগ্রহ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনশো টাকা মজুরিতে।তিনি বলেন গত ডিসেম্বর থেকে রেগার কাজও নেই।প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে বলেন বামফ্রন্ট সরকারের হয়ে ভৃগুদাসবাড়ীতে অন্তত পনেরো দিনের পণ্যের জ্বালানী সহ পন্য মজুত করার মত গোডাউন ও তেলের ডিপো তৈরির কাজ হাতে নিয়েও তা করা যায়নি মথা ও আই পি এফ টির জন্য।

 

 

 

বাংলায় সিন্ডিকেট রাজ, কাটমানি,অনুপ্রবেশ,বোমা বিস্ফোরণ বন্ধ করতে পারবেন না মমতাদিদি : অমিত 

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- জানুয়ারি মাসে জাঁকজমক করে উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের। যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শামিল হননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাহুল গান্ধীর মতো বিরোধী নেতারা। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে সেই ইস্যুতেই তাঁদের নিশানা করলেন অমিত শাহ। একযোগে বিঁধলেন রাহুল-মমতাকে। ভোটব্যাঙ্কের ভয়েই তাঁরা রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বলে অভিযোগ করলেন তিনি।

এদিন মতুয়া-অধ্যুষিত বনগাঁর সভা থেকে অমিত শাহ বলেন, “৭০ বছর ধরে কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, তৃণমূল কংগ্রেসরা রামমন্দিরকে আটকে রেখেছিল। আপনারা মোদিকে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী করেছেন। ৫ বছরেই উনি মামলা জেতেন, ভূমিপুজো করেছেন আর ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা করে জয় শ্রী রাম করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধীকে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু, কেউ রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠায় যাননি। কেন যাননি ? কারণ, ওঁরা ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে ভয় পান ।” তাঁর সংযোজন, “ওদের ভোট ব্যাঙ্ক অনুপ্রবেশকারীরা। আমাদের ভোট ব্যাঙ্ক মতুয়ারা। মোদিজি কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করেছেন। বাংলায় সিন্ডিকেট রাজ, কাটমানি , অনুপ্রবেশ, বোমা বিস্ফোরণ বন্ধ করতে পারবেন না মমতাদিদি। শুধু মোদিজির নেতৃত্বে এই সব বন্ধ হওয়া সম্ভব।

এদিন শাহের বক্তব্যে আরও একবার উঠে আসে এরাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “এদের মন্ত্রীর ঘর থেকে ৫০ কোটি উদ্ধার হয়েছে। আপনাদের টাকা লুঠ করে মন্ত্রীদের দিয়েছেন মমতাদিদি। শিক্ষক নিয়োগ, পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি, গরুপাচারকারী, অর্থের বদলে প্রশ্ন করেছে যারা সকলকে জেলে যেতে হবে। বিনামূল্যে রেশন দেন মোদিজি, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেন মোদিজি। ৭ কোটি গরিবকে এই সব সুবিধা দেন মোদিজি। বাংলায় শুধু কাটমানি, অনুপ্রবেশ, সিন্ডেকেটকে উৎসাহ দিয়েছেন মমতাদিদি।

ইভিএম নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কার প্রশ্নে পাল্টা জবাবও দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, “মমতাদিদি ইভিএমে গন্ডগোলের কথা বলছেন, এই ইভিএমেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন উনি। এখন মানুষ ওনার বিপক্ষে তাই উনি ইভিএমে গন্ডগোল দেখছেন।” EVM নিয়ে আশঙ্কার কথা বলতে গিয়ে এদিন কল্যাণীর সভা থেকে মমতা বলেন, “এরা যে কী করতে পারে কল্পনাও করতে পারবেন না। এরা জানে হারছে , তাই শেষ মুহূর্তে শেষ কামড় দেওয়ার জন্য… ইভিএম যেখানে থাকবে যাতে কোনও রকম আলো বন্ধ করতে না পারে, কোনও রকম মেশিন বদলাতে না পারে, যাঁরা অর্গানাইজার আছেন তাঁদেরও দায়িত্ব, পুলিশেরও দায়িত্ব। মানুষ ভোট দেবেন। তাঁর ভোটটা যেন সযত্নে রক্ষা হয়।