Home Blog Page 481

১৫ জুন দুদিন ব্যাপি ফিজিও কন ২৪ এর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিওথেরাপিস্ট ত্রিপুরা রাজ্য শাখা উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলনের করা হয় বৃহস্পতিবার। এই সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান বীরবল দেবনাথ। তিনি জানান ১৫ ও ১৬ জুন দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিওথেরাপিস্ট ত্রিপুরা রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে হচ্ছে দুদিন ব্যাপী এনই ফিজিও কন ২৪।

এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরা রাজ্যের অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ প্রায় পাঁচ শতাধিক ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিজিওথেরাপি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী অংশ গ্রহণ করবে। সম্মেলন উপলক্ষে ১৪ জুনbআগরতলার একটি বেসরকারি হোটেলে এক দিবসীয় ফিজিওথেরাপি কর্মশালা আয়োজন করা হবে।

কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিওথেরাপিস্ট এর কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রফেসর ডক্টর সঞ্জীব ঝা। কর্মশালায় উদ্বোধক উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের সোনার মেয়ে জিমনাস্ট, পদ্মশ্রী দীপা কর্মকার ও দ্রোণাচার্য জিমনাস্ট কোচ বিশ্বেসর নন্দী।

১৫ জুন দুদিন ব্যাপি ফিজিও কন ২৪ এর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ক্রীড়ামন্ত্রী টিঙ্কু রায় ও স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্তে সহ অন্যান্যরা। ১৬ জুন সমাপ্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু , পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

 

 

নেশার বিরুদ্ধে যুব সমাজকে দূরে থাকার বার্তা নিয়ে শহরে রেলি

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নেশার রমরমা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে যুবসমাজ। অকালে ঝড়ে যাচ্ছে বহু যুবকের প্রাণ । তাই এই মারন নেশা থেকে যুবকদেরকে রক্ষা করতে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে চলছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রাচ্য ভারতী দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় ও পশ্চিম জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কার্যালয়ের উদ্যোগে হয় সচেতনতামূলক রেলি ।এদিন স্কুল চত্বর থেকে বের হয়ে এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে।

এতে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক শিক্ষিকা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবীর দেববর্মা সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা । রেলি থেকে নেশার বিরুদ্ধে যুব সমাজকে দূরে থাকার বার্তা দেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

সিপিএম কর্মীর বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা, পরিদর্শনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাতের আঁধারে সিপিএম কর্মীর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারীর হামলা। ঘটনা শিবনগরস্থিত সিপিএম কর্মী মনিশ ঘোষের বাড়িতে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান সিপিআইএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে প্রায় ১০ জন দুষ্কৃতিকারীরা প্রথমে মনিশ ঘোষের বাড়ির সামনে গালাগাল করে।

ইটের টুকরো দিয়ে ঢিল মেরে তার বাড়ির কাচের জানালা এবং দরজা ভেঙে দেওয়া হয়। গেট লাগানো থাকায় তারা বাড়িতে ঢুকতে পারেনি। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তারা গালাগাল করে এবং রিভলবার দেখিয়ে মনিশ ঘোষকে বাইরে বের হলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়।

পরিবারের লোকজন খবর জানিয়েছিলেন পূর্ব আগরতলা থানায়। পূর্ব থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই হই হট্টগোল শুনে প্রতিবেশীরা বের হয়ে ঘটনার প্রতিবাদ করেন। স্থানীয় লোকজন বের হলে হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যায়। পরবর্তীকালে পুলিশ এসে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করে। ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুস্থ তদন্তের দাবি তুলেছিলেন।

এই হামলার খবর পেয়ে আজ সকালে ছুটে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, সিপিআইএম নেতা পবিত্র কর, মানিক দে সহ আরো অনেকে।

মানিক সরকার বলেন, এই ধরনের ঘটনা বিজেপির দুর্বলতা শক্তির লক্ষণ। কারণ, লোকসভা নির্বাচনে জনগণ অন্যায়, অত্যাচার মেনে নিতে পারেন নি। আগামী দিনে লড়াই আরও তীব্র আকার ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে বাজারের পন্য সামগ্রির অগ্নিমূলে হাতে ছ্যাঁকা লাগে জনগণের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বুধবার রাজ্যের ঘরে ঘরে পালিত হচ্ছে পারিবারিক মেলবন্ধনের পার্বণ জামাইষষ্ঠী। জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে বাজারের পন্য সামগ্রির অগ্নিমূলে হাতে ছ্যাঁকা লাগে জনগণের। এই অবস্থায় সাধ আর সাধ্যের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটিয়েই কেনাকাটা সারেন গৃহস্হরা। জৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষে ষষ্ঠী তিথিতে পালিত হয় জামাইষষ্ঠী। জামাইদের মঙ্গল কামনার জন্য শাশুড়িরা পালন করে থাকে এই ব্রত।

এবার জামাই ষষ্ঠী পড়েছে ২৯ জ্যৈষ্ঠ ,১২ জুন বুধবার। জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে বাড়ি ঘরে কেনাকাটা কিন্তু শুরু হয়ে গেছে ২-৩ দিন আগে থেকেই ।বুধবার ষষ্ঠীর দিনে ছিল গৃহস্থের হাটে বাজারের ফিনিশিং টাচ। ষষ্ঠী উপলক্ষে গত কয়েকদিনের মতো বুধবারও রাজধানীর বিভিন্ন বাজার গুলিতে ছিল নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অগ্নিমূল্য। জামাইষষ্ঠীতে আদরের জামাইকে মধ্যাহ্নবোঝনেরও এক ব্যবস্থা থাকে ।এই ক্ষেত্রে মাছের চাহিদা থাকেই।

এদিনও বাজার গুলিতে মাছের চাহিদা ছিল ।রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এদিন পাবদা মাছ বিক্রি হয় প্রতি কিলো ৪০০ টাকায়। রুই ,কাতলা ,আইর, বোয়াল প্রভৃতি মাছ বিক্রি হয় ৫০০ টাকা কেজি দরে। গোয়ালদা চিংড়ির দাম ছিল ৭০০ টাকা কিলো ।তবে সবচেয়ে বেশি দাম ছিল ইলিশ মাছের। এক কিলো ওজনের নিচের ইলিশ মাছের বিক্রি হয় ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়।

এক কিলো থেকে দেড় কিলো ওজনে ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১৫ ০০ থেকে ১৮০০ টাকা কিলো দরে। আর দুই থেকে আড়াই কিলো ওজনে ইলিশ মাছের মূল্য ছিল প্রতি কিলো ২৫০০ টাকা। এদিন এক মাছ ব্যবসায়ী জানান ,জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে হরেক রকম মাছেরই আয়োজন রয়েছে মাছ বাজারে ।কিন্তু ক্রেতার উপস্থিতি তেমন একটা নেই। বিষয়টি মাছ ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাজ ফেলেছে বলে জানান তিনি।

তবে মাছ বাজারের দাম চড়া থাকলেও মিষ্টির দরদাম এবছর তেমন একটা বৃদ্ধি পায়নি। রসগোল্লা বিক্রি হয়েছে আট বা দশ টাকায় প্রতিটি। তবে কোন কোন মিঠাই বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ১৫ টাকা দরে ।এছাড়া এদিন দই বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা কিলো দরে। এমনটাই জানালেন রাজধানীর এক মিষ্টি ব্যবসায়ী। জামাই ষষ্ঠী উপলক্ষে বুধবার সবজি বাজারেও ছিল আগুন দর। বারবাড়ন্ত ছিল কাঁঠাল, আম সহ অন্যান্য ফলের দর।

জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে অগ্নিমূল্যের এই বাজারে অধিকাংশ ক্রেতাকেই সাধ আর সাধ্যের মধ্যে সামাঞ্জস্য রেখে কেনাকাটা করতে হয়েছে। ইংরেজি মতে আগামী ১২ জুন। ষষ্ঠী তিথি কিন্তু মঙ্গলবার ১১ জুন সন্ধ্যে ৫ টা ৫৮ মিনিট থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে। এই তিথি শেষ হবে ১২ জুন রাত ৭ টা ২৪ মিনিটে।

 

 

কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে মৃত ৪০ভারতীয়, শোক প্রকাশ ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কুয়েতে বুধবার শ্রমিকদের আবাসন ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় ভারতীয়সহ ৪১ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার সকালে কুয়েতের দক্ষিণ আহমেদি প্রদেশের মাঙ্গাফ এলাকায় একটি ছয়তলা ভবনের রান্নাঘরে আগুন লাগে। বলা হচ্ছে ওই ভবনে প্রায় ১৬০ জন লোক বাস করত, যারা একই কোম্পানির কর্মচারী। সেখানে বসবাসকারী শ্রমিকদের মধ্যে অনেকেই ভারতীয় বলে জানা গেছে।

বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ৪০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জয়শঙ্কর টুইটারে বলেছেন, ‘কুয়েত সিটিতে অগ্নিকাণ্ডের খবরে গভীরভাবে মর্মাহত। ৪০ জনেরও বেশি লোক মারা গেছে এবং ৫০ জনেরও বেশি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহতদের বেশিরভাগই ভারতীয় বলে জানা গেছে।

গণবন্টন ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও সুদৃঢ় হয় : খাদ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যের জনদরদী সরকার সকল স্তরের মানুষের বিকাশে কাজ করছে। খাদ্য দপ্তরের বিভিন্ন স্টোরে নিযুক্ত শ্রমিকদের মজুরি আগামী দিনে আরও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। কিন্তু এক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিজ নিজ কাজ দায়িত্ব নিয়ে সঠিকভাবে পালন করতে হবে। রাজ্যের গণবন্টন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গণবন্টন ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও সুদৃঢ় হয়। আগরতলা অরুন্ধতীনগর খাদ্য দপ্তরের কেন্দ্রীয় মজুদ ভান্ডারে নতুন কেনা পাঁচটি ট্রাক গাড়ির যাত্রা সূচনা করে একথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

তিনি বলেন রাজ্যের গণবন্টন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য এই গাড়িগুলি কেনা হয়েছে। রাজ্যে এখন দুই হাজারের বেশি ন্যায্যমূলের দোকানের মাধ্যমে চাল- ডাল- তেলসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বন্টন করা হয়। রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে এই ট্রাকগুলি কেনা হয়েছে।এফসিআই থেকে রাজ্যের সরকারী খাদ্য গোদামে গনবন্টনের জন্য খাদ্যশস্য পরিবহন এবং ন্যায্যমূল্যের দোকানে এই খাদ্যশস্য সহ অন্যান্য রেশন সামগ্রী সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পরিবহনের কাজে খাদ্য দপ্তর টেন্ডারিং এর মাধ্যমে ট্রান্সপোর্ট কন্‌ট্রাক্টর নিযুক্ত করে থাকে।

কিন্তু ট্রান্সপোর্ট কনট্রাক্টর দ্বারা সরবরাহ করা মালবাহী ট্রাক যথেষ্ট না হওয়ায় এই কাজের জন্য খাদ্য দপ্তর প্রায়ই নিজস্ব মালবাহী ট্রাক ব্যাবহার কর থাকে। এতদিন পর্যন্ত খাদ্য দপ্তরের কাছে ১৭টি এই ধরনের ট্রাক ছিল।কয়েক বছরে রাজ্যে গনবন্টন ব্যবস্থার অধীনে ভোক্তাদের সংখ্যা একদিকে যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে অন্যদিকে নতুন নতুন সামগ্রীও যোগ করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে রেশন সামগ্রীর পরিবহন সহ সরকারী উদ্যোগে কেনা ধান মিলগুলিতে পরিবহন ও মিলিং এর পর উৎপাদিত চাল সরকারী খাদ্য গোদামে পরিবহন সম্পর্কীত কাজের লোড আগের থেকে অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

তা বিবেচনা করে খাদ্য দপ্তর প্রায় ১ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে আরো ৫টি নতুন ট্রাক কিনেছে। মঙ্গলবার আগরতলার এ ডি নগরস্থীত সেন্ট্রাল স্টোরে এই ট্রাকগুলির আনুষ্ঠানিক যাত্রা করা হয় দপ্তরের মন্ত্রীর হাত ধরে। উপস্থিত ছিলেন খাদ্য দপ্তরের বিশেষ সচিন রাভেল হেমেন্দ্র কুমার, অধিকর্তা নির্মল অধিকারী, অতিরিক্ত অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, ত্রিপুরা হর্টিকালচার কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান জওহর সাহা সহ অন্যরা।

বন দপ্তরের সিদ্ধান্ত ৫ মিনিটে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বন দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনমহোৎসব সপ্তাহে ৫ জুলাই রাজ্যে ৫ মিনিটে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ করার। এই কর্মযজ্ঞে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, প্যারামিলিটারি, ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা হয়েছে। যে কেউ এই কর্মসূচীতে অংশ নিতে পারেন। মঙ্গলবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা।

উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ছাড়াও মুখ্য বন সংরক্ষক সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, বন্য হাতির তাণ্ডব থেকে মানুষকে রক্ষা করতে তেলিয়ামুড়া ও মুঙ্গিয়াকামী রেঞ্জে ৫ টি টাওয়ার বসাবে বন দপ্তর। এই এলিপেন্ট ওয়াচ টাওয়ার বিশেষ ভাবে তৈরি করা হবে।

যেসব এলাকায় বন্য হাতির তাণ্ডব চলে সেসব এলাকা থেকে এলিপেন্ট ওয়াচার নিয়োগ করা হবে।পাশাপাশি তিনি জানান, বন দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে খোয়াই জেলায় প্রথমে একটি ফুলের বাগান তৈরি করবে। বারো মাস বাগানে ফুল থাকবে। এই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাগান হবে। পরবর্তী সময়ে রাজ্যের অন্য জেলায় এ ধরণের বাগান করা হবে।

 

 

এলজিবিটি কিউআইএ-এর সমস্যাগুলির উপর হয় সেমিনার কাম সেনসিটাইজেশন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা ট্রানজেন্ডার ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠিত হওয়ার প্রথম আলোচনা সভা হয় আগরতলায়।এলজিবিটি কিউআইএ-এর সমস্যাগুলির উপর হয় সেমিনার কাম সেনসিটাইজেশন। মঙ্গলবার সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর ও স্বাভিমান সামাজিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে হয় সেমিনার কাম সেনসিটাইজেশন কর্মসূচী। এদিন আগরতলা রবীন্দ্র ভবনে হয় আলোচনা সভা।

এতে অংশ নেন বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কলেজের অধ্যক্ষ, চিকিৎসক , নার্স, পুলিস আধিকারিক সহ সংশ্লিষ্টরা। রাজ্যের বাইরে থেকে এই সেমিনারে চারজন অতিথি এসেছেন। উপস্থিত ছিলেন ভারত সরকারের সামাজিক ন্যায় মন্ত্রনাল্যের উপ-অধিকর্তা আর গিরিরাজ, কলকাতা ট্রানজেন্ডার বোর্ডের কর্নিশ দে সরকার, ত্রিপুরা সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের সচিব তাপস রায় , দপ্তরের অধিকর্তা, টি জি ওয়েলফেয়ার বোর্ডের সদস্য নেহা গুপ্তা রায় সহ অন্যরা।

জামাইষষ্ঠীতে জামাইবাবুকে সন্তুষ্ট করতে শাশুড়িদের ভিড় বাজারে 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। আর এর মধ্যে অন্যতম একটি হল জামাইষষ্ঠী। প্রতিবছর জামাই ষষ্ঠীকে ঘিরে চলে ঘরে ঘরে এলাহি আয়োজন। জামাই বাবাজীকে সন্তুষ্ট করতে শাশুড়ি মায়েরা কিছুতেই খামতি রাখতে চান না। তবে নামে জামাই ষষ্ঠী হলেও অনেক বাড়িতে ছেলে- মেয়েদের মা- মাসিরা ঘরে ঘরে আয়োজন করে থাকেন।এবছর বুধবার ১২ জুন জামাই ষষ্ঠী।

মঙ্গলবারই রাজধানী সহ রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা- বিক্রেতার ভিড়। তবে জামাই ষষ্ঠীর বাজারেও অগ্নি মূল্যের আঁচ। ষষ্ঠীর বিভিন্ন উপকরণ থেকে শুরু করে মাছ- মাংসের বাজারে। সবেতেই দাম চড়া। মূল্য বৃদ্ধির মাঝেও ষষ্ঠী পুজো থেকে শুরু করে একেবারে ভুরিভোজ – সবেতেই আয়োজন থাকে একেবারে জমজমাট। বুধবার জামাই ষষ্ঠী। তাই, চাহিদার জোগান দিতে জামাই ষষ্ঠীর বাজার মঙ্গলবারই জমে উঠেছে।

বিক্রেতারা ষষ্ঠীর বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে বসেছেন রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায়। বাজারগুলিতে ষষ্ঠী পূজার বিভিন্ন সরঞ্জাম সহ পুজোতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা।তবে এসবের দামও চড়া। কারণ আধুনিকতার ছোঁয়ায় শহরে এখন বাড়ি ঘরে এসব উপকরণ তৈরি করা হয় খুব কম। তাই কম বেশি সকলে বাজার থেকেই এসব জিনিস কিনে আনেন।

বিক্রেতারা জানান এবছর ব্যবসা ভালই হচ্ছে। এদিকে জামাই ষষ্ঠী উপলক্ষে বাজারে এসে গেছে পদ্মার ইলিশ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেড়- দুই কিংবা এক কেজি ওজনের ইলিশের ছড়াছড়ি। তবে দামও ছড়া। এদিন রাজধানী আগরতলার বাজারে ইলিশ মাছেরও যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ইলিশ গুলি যথেষ্ট ভাল বলে অভিমত দোকানির।

বাজারে ইলিশের চাহিদাও রয়েছে বলে জানান মাছ বিক্রেতারা। এককথায় বছরের এই একটি বিশেষ দিনে জামাই বাবাজীকে খুশি করতে কিছুতেই খামতি রাখতে চান না শাশুড়িরা। এতে শ্বশুরের পকেট যতই কাটা যাক না কেন।