Home Blog Page 464

ব্রিটিশদের তৈরি আইন আজ থেকে বাতিল’, নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ 

0

 

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দেশে তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর হওয়ার পরে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মিডিয়ার সাথে কথা বলেছেন এবং নতুন আইন দ্বারা আনা পরিবর্তন সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। এসময় তিনি বলেন, ব্রিটিশদের তৈরি আইন শেষ হয়ে গেছে। এখন দেশে নতুন নতুন আইন কার্যকর হচ্ছে, যাতে অভিযুক্তকে শাস্তি না দিয়ে ভিকটিমকে ন্যায়বিচার দেওয়ার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

অমিত শাহ বলেন, নতুন আইন ভারতের পার্লামেন্ট তৈরি করেছে। নতুন আইন বিচার কমিয়ে দেবে। পুরনো ধারাগুলো সরিয়ে নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে, এখন শাস্তির পরিবর্তে বিচারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রত্যেক অপরাধীকে ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হত। এই দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালে প্রণীত হয়েছিল।

একই সময়ে, এখন ভারতীয় বিচারিক কোডের অধীনে শাস্তি দেওয়া হবে, যা গত বছর সংসদের অনুমোদন পেয়েছিল। ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ৫১১টি ধারা ছিল। একই সময়ে, ভারতীয় বিচারিক কোডে (বিএনএস) ৩৫৮টি ধারা রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) ১৮৯৮ এর ৪৪৮টি ধারা ছিল। এখন ভারতীয় সিভিল সিকিউরিটি কোড (BNSS) ২০২৩-এর ৫৩১টি ধারা রয়েছে। ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২-এর ১৬৭টি বিধান ছিল। ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট ২০২৩-এ এখন ১৭০টি বিধান রয়েছে।

তিনটি নতুন ফৌজদারি আইনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “প্রথমে আমি সমস্ত দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই যে স্বাধীনতার প্রায় ৭৭ বছর পরে, আমাদের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ দেশীয় হয়ে উঠেছে৷ এটি ভারতীয় মূল্যবোধের উপর কাজ করবে৷

৭৫ বছর পর এসব আইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আজ যখন এই আইনগুলো কার্যকর হচ্ছে, তখন ব্রিটিশ আমলের আইনগুলো সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হচ্ছে। এখন ভারতীয় সংসদে প্রণীত নিয়ম কার্যকর হবে। এখন শাস্তির বদলে ন্যায়বিচার পাবেন। এখন বিলম্ব না করে দ্রুত শুনানি হবে এবং দ্রুত বিচার হবে। আগে শুধু পুলিশের অধিকার রক্ষা করা হলেও এখন ভুক্তভোগী ও অভিযোগকারীর অধিকারও সুরক্ষিত হবে।

সিবিআইয়ের গ্রেফতার ও রিমান্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে গেলেন কেজরিওয়াল

0

 

 

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। দিল্লির মদ কেলেঙ্কারি মামলায় কেজরিওয়ালকে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) গ্রেপ্তার করেছিল এবং বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছে। শনিবার শুনানির পর, দিল্লির একটি আদালত কেজরিওয়ালকে 12 জুলাই পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছিল। আদালত বিশ্বাস করেছিল যে কেজরিওয়ালের নাম কেলেঙ্কারির মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে উঠে এসেছে এবং পুরো বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন।

তিন দিনের হেফাজত শেষ হওয়ার পরে, সিবিআই কেজরিওয়ালকে আদালতে পেশ করেছিল এবং 14 দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের দাবি করেছিল। তদন্তকারী সংস্থা বলেছে যে কেজরিওয়াল তদন্তে সহযোগিতা করছেন না এবং ইচ্ছাকৃতভাবে এলোমেলো উত্তর দিচ্ছেন।

তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আরও বলেছে, কেজরিওয়াল সাক্ষী ও প্রমাণের সঙ্গে ছেঁড়াছাড়া করতে পারেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কেজরিওয়ালের কাছে ইতিমধ্যেই অনেক সাক্ষী এবং প্রমাণ প্রকাশিত হয়েছে এবং যারা এখনও তদন্তকারী সংস্থার নাগালের বাইরে রয়েছে তাদেরও ধ্বংস করা যেতে পারে।

55 বছর বয়সী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে 26 জুন তিহার জেল থেকে সিবিআই গ্রেপ্তার করেছিল। কেজরিওয়াল মানি লন্ডারিং মামলায় ইডি তদন্তের মুখোমুখি হচ্ছেন এবং বিচারবিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে রয়েছেন।

আম আদমি পার্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে দিল্লিতে ক্ষমতায় থাকাকালীন, দলের নেতারা ইচ্ছাকৃতভাবে একটি নতুন মদের নীতি তৈরি করেছিলেন এবং নির্বাচিত লোকদের সুবিধার জন্য নিয়ম পরিবর্তন করেছিলেন। অর্থের অপব্যবহার নিয়ে এই মামলার তদন্ত করছে ইডি। একই সঙ্গে, এই মামলায় ঘুষ লেনদেন এবং রাজনীতিবিদদের দুর্নীতিবাজ আচরণের তদন্ত করছে সিবিআই।

ইঞ্জিনিয়াররা হলেন সরকারের মুখ : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভারতের ইঞ্জিনিয়াররা বিদেশে গিয়ে সুন্দর ইমারত তৈরি করছে। ত্রিপুরা কিংবা ভারতে কেন হবে না। মেধার কোন অভাব নেই। ইঞ্জিনিয়াররা হলেন সরকারের মুখ। স্টেট ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন অব ত্রিপুরার রক্তদান শিবিরে আলোচনা করতে গিয়ে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

তিনি রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন,রাজ্যে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। রয়েছে নতুনভাবে গড়ে উঠা ডেন্টাল কলেজ। রাজ্যে এইমস গড়ে তোলার জন্য এবারো দিল্লিতে দাবি জানানো হয়েছে। রবিবার ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠনের তরফে হয় রক্তদান শিবির রাজধানীর ভগত সিং যুব আবাসে।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন অব ত্রিপুরার কর্মকর্তারা। এদিন অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবীদের আর্থিকভাবে সাহায্য করা হয় সংগঠনের তরফে। মুখ্যমন্ত্রী তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। একই জায়গায় দুই অনুষ্ঠান ঘিরে ভালো সাড়া পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী সহ অতিথিরা রক্তদান শিবির ঘুরে দেখেন।

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা ১১ জন বাংলাদেশী নাগরিক আটক রেল পুলিশের হাতে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মানব পাচারের করিডোরে কি পরিণত হয়ে যাচ্ছে ত্রিপুরা। ফের এই প্রশ্নের উঁকি দিল। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যাওয়ার পথে আগরতলা রেলস্টেশনে প্রায় প্রতিদিন ধরা পড়ছে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশী নাগরিক। অভিযোগ দালাল চক্রের মাধ্যমে তারা ভারতে প্রবেশ করছে।

ফের আগরতলা সরকারি রেল থানার পুলিসের হাতে আটক ১১ জন বাংলাদেশী নাগরিক।তাদের মধ্যে ৫ জন মহিলা। অভিযোগ অবৈধভাবে তারা দালালের মাধ্যমে ভারতে আসে। আগরতলা রেলস্টেশন দিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যাওয়ার জন্য আসে।

শনিবার বিকেলে আগরতলা সরকারি রেল পুলিসের হাতে ধরা পড়ে তারা।গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযানে আসে এই সাফল্য। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিস। রবিবার রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করে জি আর পি। ক্রমাগত বাংলাদেশী নাগরিক ধরা পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াচ্ছে।

সমগ্র ভারতবর্ষকে একসূত্রে বাধার কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ক্রীড়া ক্ষেত্রে বর্তমানে ভারতবর্ষ অনেক এগিয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মন কি বাত অনুষ্ঠানে ছোট ছোট অনেক গুলি বিষয় তুলে ধরেন। যে গুলি সাধারন মানুষ জানেন না। ভারতবর্ষকে ডায়নামিক ভারতবর্ষে পরিণত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত শোনার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী বসার পরে রবিবার প্রথম মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নেন। প্রতি ইংরেজি মাসের শেষ রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন কি বাতের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অজানা তথ্য দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে আসছেন। এতে অনেক অজানা তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হচ্ছেন অনেকে। এই রবিবারও মন কি বাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নরেন্দ্র মোদীর মন কি বাত শোনার ব্যবস্থা রাজ্যেও বিভিন্ন জায়গায় করা হয় ভারতীয় জনতা পার্টির তরফে।

এদিন বাধারঘাট মন্ডলের ৩৩ নং বুথে প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করা হয়।  মন কি বাত শোনার পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন সমগ্র ভারতবর্ষকে একসূত্রে বাধার কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মন কি বাত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সার্বিক বিষয়ে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠান নিয়ে সমগ্র পৃথিবী জুড়ে আলোচনা চলছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়িকা মিনা রানী সরকার, ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, সদর সহ জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, মণ্ডল সভাপতি সহ অন্যান্যরা। দলের বিভিন্ন স্তরের কার্যকর্তা ও কর্মীরা নেতৃত্বদের সঙ্গে বসে মন কি বাত শুনেন।

নিজের লক্ষে পৌছতে গেলে পরিশ্রম করতে হবে,সেজন্য নিজেকে তৈরি থাকতে হবে : রাজীব 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ও মেধাবীদের সংবর্ধনা দেওয়ার পালা অব্যাহত। বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন পৃথক পৃথকভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সংবর্ধনা দিচ্ছে। কোথাও জেলাভিত্তিক আবার কোথাও পুর নিগমের ওয়ার্ড ভিত্তিক সংবর্ধনাও দেওয়া হচ্ছে। রবিবার আগরতলা পুর নিগমের ৪৩ নং ওয়ার্ড এর উদ্যোগে সংবর্ধনা দেওয়া হয় মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্র¬ছাত্রীদের।

এদিন ওয়ার্ডের প্রতাপগড় স্কুলে হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য,বিধায়ক ভগবান দাস, পুর নিগমের ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর তথা ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, প্রতাপগড় বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। ওয়ার্ড এলাকা থেকে প্রায় ৬১ জন ছাত্র=ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এদেরই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অতিথিরা তাদের হাতে সংবর্ধনা তুলে দেন। আলোচনা করতে গিয়ে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, নিজের লক্ষে পৌছতে গেলে পরিশ্রম করতে হবে। সেজন্য নিজেকে তৈরি থাকতে হবে। ঘাত প্রতিঘাত আসবে। তা অতিক্রম করে নিজের লক্ষে পৌছতে হবে। এদিন অতিথিরা স্কুল চত্বরে বৃক্ষরোপণও করেন।

 

 

শনিবার রাতে রাজধানীতে এক দোকানে হানা চোরের

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাতের শহরে চোরের উৎপাত বন্ধ নেই। সুযোগ পেলেই হাত সাফাই করে নিচ্ছে চোরের দল। ফের শনিবার রাতে রাজধানীতে এক দোকানে হানা চোরের। ঘটনা কর্নেল চৌমুহনী থেকে অ্যাডভাইজার চৌমুহনি যাওয়ার পথে।সেখানে রয়েছে অসীম সাহা নামে এক ব্যক্তির মুদির দোকান। প্রত্যেকদিনের মতো প্রায় সাড়ে এগারোটা নাগাদ দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান ব্যবসায়ী।

বাড়ি থেকে আবার উনি বেরিয়ে কর্নেল চৌমুহনী খেলার ক্রিকেট খেলা দেখে বাড়ি এসে ঘুমান।রবিবার সকাল সাতটা নাগাদ দোকানে এসে দেখতে পান দোকানের তালা ভাঙ্গা। ভেতরে প্রবেশ করতেই মাথায় হাত দোকানির। দেখতে পান দোকানের দামি দামি জিনিস গুলো রেকের মধ্যে নেই।

চোরেরা প্রায় ৬০ হাজার টাকার মতো বিভিন্ন জিনিস ও নগদ ১৫=২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। দোকান মালিক সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিম থানায় খবর দেন। অভিযোগ দীর্ঘ সময় পরে ঘটনাস্থলে আসেন পুলিস।জানা যায় কর্নেল চৌমুহনীতে পুলিশের ইমার্জেন্সি ভ্যান সব সময় থাকে।এভাবে চুরির ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর প্রশ্ন চিহ্ন দাঁড়িয়েছে। পুলশি মামলা নিয়ে লোক দেখানো তদন্তে নেমেছে।

ভয়াবহ যান দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ১

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভারতের জয়ের আনন্দে যখন মাতোয়ারা সকলে তখনই ঘটলো রাজধানী আগরতলায় দুর্ঘটনা। ভয়াবহ যান দুর্ঘটনায় হতাহত দুইজন। মৃত যুবকের নাম রাতুল বণিক। ঘটনাটি ঘটে শনিবার মাঝরাতে। টি২০ বিশ্বকাপে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ভারত সাত রানে জয়ী হয়। আর এই জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হয় রাজধানীতে ক্রিকেট প্রেমীরা।

বাইক=স্কুটি=গাড়ি নিয়ে অনেকেই আনন্দে মাতোয়ারা হন রাতে। আর তখনই ঘটে ভয়ানক দুর্ঘটনা। রাতের শহরে রাজধানীর লক্ষ্মিনারায়ণ বাড়ি এলাকায় স্কুটি ও বাইকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুমড়ে মুচড়ে যায় স্কুটি। গুরুতর আহত হন স্কুটি চালক রাতুল বণিক। তাঁর বাড়ি রাজধানীর জয়নগর এলাকায়। অন্যদিকে আহত হয়েছেন বাইক চালক ক্যাম্পেরবাজার এলাকার রনি সূত্রধর।

ঘটনার শব্দ পেয়ে এগিয়ে আসেন স্থানীয় লোকজন ও পথ চলতি মানুষ। ছুটে আসেন দমকল কর্মী ও পুলিশ। দমকল কর্মীরা আসার আগেই পুলিস ও অন্য লোকজন দুইজনকে জিবি হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক স্কুটি চালককে মৃত বলে ঘোষণা করে্ক।জিবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজনেরা। জিবিতে চিকিৎসাধীন আহত বাইক চালক।

অপরাজিত থেকে টি-২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

0
BRIDGETOWN, BARBADOS - JUNE 29: Rohit Sharma of India lifts the ICC Men's T20 Cricket World Cup Trophy following the ICC Men's T20 Cricket World Cup West Indies & USA 2024 Final match between South Africa and India at Kensington Oval on June 29, 2024 in Bridgetown, Barbados. (Photo by Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images)

 

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতের ১৭৬ রান টপকানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার পথচলাটা ১৬৯ রানে থেমে গেল। তার জেরে ভারতের ১১ বছর পর আইসিসি ট্রফি খরা কাটল। গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে এবারের টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হল ভারত।

শনিবার ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রোটিয়াদের হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন রেজা হেন্ড্রিক্স ও উইকেটরক্ষক ব্যাটার কুইন্টন ডি কক। প্রথম ওভারে আরশদীপ ৫ রান দেন। দ্বিতীয় ওভার করতে এসেই দক্ষিণ আফ্রিকার শিবিরে বুমরাহ আঘাত করেন। বুমরাহর বলে বোল্ড হয়ে ৫ বলে ৪ রান করে ফিরে যান হেন্ড্রিক্স। তাঁর পরে মাঠে নামেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। কিন্তু, আরশদীপ তাঁকে ফিরিয়ে দেন। ১টি চার-সহ ৫ বলে ৪ রান করে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মার্করাম।

কুইন্টন ডি কক-কে ফেরান আরশদীপ সিং। তিনি ৩১ বলে ৩৯ রান করেন। ৪টি চার এবং ১টি ছয় মেরেছেন। এর আগে ককের সঙ্গে পার্টনারশিপে দক্ষিণ আফ্রিকার গতি অব্যাহত রেখেছিলেন হেনরিখ ক্লাসেন। ক্লাসেনের আগে এই দায়িত্বে ছিলেন স্টাবস। ২১ বলে ৩১ রান করেছেন ট্রিস্টান স্টাবস। মেরেছেন ৩টে চার ও ১টি ছয়। তাঁকে বোল্ড করেন অক্ষর প্যাটেল। হার্দিকের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ধরা পড়েন হেনরিখ ক্লাসেন। ক্লাসেন ২টো চার ও ৫টা ছয় সহযোগে ২৬ বলে ৫২ রান করেছেন। এরপর মার্কো জানসেনকে ২ রানে বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন বুমরাহ। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে কাগিসো রাবাদা ১টি চার সহযোগে তিন বলে চার রান করার পর সূর্যকুমার যাদবের হাতে ধরা পড়েন। শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার ২০ ওভার ৮ উইকেটে তোলে ১৬৯ রান।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৬ রান তোলে ভারত। তার মধ্যে বিরাট কোহলি একাই করেন ৭৬ রান।গোটা টুর্নামেন্টে ঘারাবাহিকভাবে ব্যর্থ কিংবদন্তি ক্রিকেটার বিরাট কোহলি শনিবার বার্বাডোসে টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে জ্বলে ওঠেন। মধ্যে কয়েকটা বল নষ্ট করলেও রীতিমতো ধরে খেলে অর্ধশতক পূর্ণ করতেই তিনি ফেরেন চেনা ছন্দে। ৬টি চার এবং ২টি ছয় মেরে ৫৯ বলে ৭৬ রান করেন। শেষে মার্কো জানসেনের বলে কাগিসো রাবাদার হাতে ধরা পড়েন কোহলি। যার জেরে ভারতের ৫ম উইকেটের পতন হয়। অক্ষর প্যাটেলও দুর্দান্ত খেলেছেন। ১টি চার আর ৪টি ছয় সহযোগে ৩১ বলে ৪৭ রানও করেন। কিন্তু, অর্ধশতকের মুখে কুইন্টন ডি কক রান আউট করে দেন অক্ষর প্যাটেলকে। শিবম দুবে ৩টি চার ও ১টি ছয় সহযোগে ১৬ বলে ২৭ রান করেছেন। এছা়ড়া ভারতের বাকিরা দুই অঙ্কের ঘরে প্রবেশ করেনি।

সেমিফাইনালের দুর্দান্ত ইনিংসের পুনরাবৃত্তি হল না। দক্ষিণ আফ্রিকার কেশব মহারাজের বলে ব্যক্তিগত ৯ রানে হেনরিখ ক্লাসেনের হাতে ধরা পড়লেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় ওভারেই দলের ২৩ রানের মাথায় উইকেট হারাল ভারত। ঋষভ পন্থকেও শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন কেশব মহারাজ। দুই ওভারে ১৪ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন কেশব মহারাজ। কাগিসো রাবাদার বলে মাত্র ৩ রান করে ফিরে যান সূর্যকুমার যাদব। অ্যানরিচ নর্টজে ২ বলে ২ রান করা রবীন্দ্র জাদেজাকে ফিরিয়ে দেন। জাদেজার ক্য়াচ ধরেন কেশব মহারাজ। শিবম দুবের উইকেটও নর্টজেই নিয়েছেন। দুবের ক্যাচ ধরেন ডেভিড মিলার। হার্দিক পান্ডিয়া অপরাজিত থেকে যান।

শনিবার বার্বাডোসের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে 2024 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে এইডেন মার্করামের দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ভারতের হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ের ওপেন করেছেন মার্কো জানসেন। শেষলগ্নে দক্ষিণ আফ্রিকার কফিনে পেরেক পুঁতে ডেভিড মিলারকে ফিরিয়ে দেন হার্দিক পান্ডিয়া। মিলার ১টি চার ও ১টি ছয় সহযোগে ১৭ বলে ২১ রান।

এই আইসিসি ইভেন্টে ১১ বছরের ট্রফি খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিল ভারত। আর দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে প্ৰথমবার কোনও আইসিসি ইভেন্ট জয়ের সুযোগ ছিল। ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্সে অপরাজিত থেকে ভারত গ্রুপ পর্ব এবং সুপার-৮ পর্ব অতিক্রম করে। হারায় পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার মত শক্তিশালী দলকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠিন পিচ হোক বা ক্যারিবিয়ান স্লো সারফেস কোনও কিছুই ভারতকে ফাইনালে ওঠা থেকে আটকে রাখতে পারেনি। সেমিফাইনালে হারায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে। এবার ফাইনালে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা বারবার কঠিন সিচুয়েশনে পড়লেও আতঙ্কগ্রস্থ হয়নি। নকআউট পর্বে বারংবার ব্যর্থতার ভূত তাড়িয়েই প্রোটিয়ারা উঠেছিল ফাইনালে।

 

২০০৭-এ ভারতের শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ জয়ী দলের একমাত্র সক্রিয় সদস্য রোহিত শর্মা। দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক আইডেন মার্করাম আবার সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে। গ্রুপ পর্বে নেপাল এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থা থেকেও দক্ষিণ আফ্রিকা জয় পেয়েছিল স্নায়ুর চাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে।

কিশোরী শ্লীলতাহানির মামলায় ২ অভিযুক্তকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ২০১৬ সালে বিশ্রামগঞ্জ থানায় এলাকায় কিশোরী পাশবিকতা কাণ্ডে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করলো বিশালগড় আদালত। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে জুলাই মাসের ২৯ তারিখ দীপন দেব এবং রাজীব দেব নামের দুই যুবক স্থানীয় ১৩ বছরের কিশোরীকে বলপূর্বক ঘরে ঢুকে পাশবিকতা ও শ্রীলতা হানি করা হয় বলে অভিযোগ।

পরবর্তী সময়ে কিশোরী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার দুপুর ১২ঃ৩০ মিনিট নাগাদ বিশালগড় আদালতে বিচারক দেবাশীষ কর দুই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন বলে জানান সরকারি আইনজীবী রিপন সরকার।

দুই অভিযুক্তকে ৪৫৫ ধারায় পাচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ১০ হাজার জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল, ৫০৬ ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড পাচ হাজার জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের জেল, স্পেশাল পকসো ৮ ধারায় পাচ বছরের জেল ১০ হাজার জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের জেল সহ ৩২৩,৩৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়।