Home Blog Page 463

জরুরি অবস্থার সময়ে দেশের গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-জরুরি অবস্থার সময়ে দেশের গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল। জরুরি অবস্থার সময়ে সংবাদ মাধ্যমের উপরেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছিল। জরুরি অবস্থার সময়ে দেশের সংবিধানকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছিল। বিপন্ন হয়ে পড়েছিল দেশের সংবিধান ও আইনি ব্যবস্থা।

ভারতের সংবিধানে জরুরি বিধানে অতীত ও সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনায় একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। ত্রিপুরা জুডিশিয়াল একাডেমীর অডিটোরিয়ামে সোমবার হয় আলোচনা সভা।

এদিনের আলোচনা সভায় আইন বিশ্ব বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা অংশ নেন। তাদের মধ্যে ক্যুইজ প্রতিযোগিতা হয়। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ছাড়াও সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, শিক্ষা দপ্তরের সচিব রেভেল হেমেন্দ্র কুমার, জাতীয় আইন বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্জ যোগেশ প্রতাপ সিং সহ অন্যরা।

রাজ্যেও নতুন এই আইন গুলি কার্যকর করার জন্য ইতিমধ্যে চার হাজারের এর উপর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে : পশ্চিম জেলা শাসক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সোমবার থেকে চালু হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য অধীনিয়ম আইন। রাজ্যেও নতুন এই আইন গুলি কার্যকর করার জন্য ইতিমধ্যে চার হাজারের এর উপর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পুরাতন আইন গুলি বেশিরভাগই ছিল ১২০ থেকে ১৬০ বছরে পুরাতন। বিচার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এই নতুন তিনটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

সোমবার জেলা শাসক অফিসের কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান, পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ডক্টর বিশাল কুমার ও পশ্চিম জেলা পুলিশ সুপার কিরণ কুমার কে। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তারা জানান তিনটি আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে জনগণকে আইনের সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সকলকে অবগত করার জন্য সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।

বিচার ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, বিচার প্রক্রিয়া তলান্বিত করা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রায় চার বছর ধরে বিভিন্ন আলাপ আলোচনা শেষে এই আইন গুলি আনা হয়েছে । যাতে করে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি নাগরিকদের সুষ্ঠু বিচারের মধ্য দিয়ে সঠিক ন্যায় দেওয়া যায়।

বর্তমান সরকারের সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চা বাগানের জায়গা দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে : মানিক দে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-  রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চা বাগানকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।এর বিরুদ্ধে বাম শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউ আগেও প্রতিবাদ সংগঠিত করেছে। কিন্তু সরকারের টনক নড়ছে না বলে অভিযোগ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি মানিক দের। বাধ্য হয়ে সোমবার ফের রাস্তায় নামে সি আই টি ইউ। এদিন আগরতলা শহরে মিছিল করে সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা। এদিন মেলারমাঠ থেকে বের হয় মিছিল।

শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে অফিসলেন শ্রম কার্যালয়ের সামনে আসে। সেখান বিক্ষোভ ধরনা সংগঠিত করে তারা। সেখান থেকে এক প্রতিনিধি দল দাবি সনদ পেশ করে শ্রম কমিশনারের কাছে। এদিন কর্মসূচীতে ছিলেন শ্রমিক নেতা শঙ্কর প্রসাদ দত্ত, কানু ঘোষ, তপন দাস, সমর চক্রবর্তী সহ অন্যরা। শ্রমিক নেতা মানিক দে অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চা বাগানের জায়গা দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি দাবি জানান চা বাগানের জায়গা বাগানকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এই বেআইনি কাজ করা যাবে না। যারা বাগানের জায়গা জবর দখল করছে তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

রাজ্যে রেল বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে : অর্থমন্ত্রী 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রতিবছর রাজ্যে জি এস টি দিবস উদযাপন করা হয়। এবছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। সোমবার রাজধানীর প্রজ্ঞা ভবনে অষ্টম জি এস টি দিবস পালন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায়, সি জি এস টির কমিশনার টি ভি রবি, অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব আকিঞ্চন সরকার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

এদিন অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, যে কোন জায়গার উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে। তিনি বলেন, রাজ্যে রেল=বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হয়েছে। গত ৬ বছরে বর্তমান রাজ্য সরকার মানুষের উপরে নতুন করে কোন করের বোঝা আরোপ করেনি।

এদিন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রান্তের কর প্রদানকারী ও ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পের এজেন্টরা অংশ নেন। ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে যে সকল এজেন্টের জমা করা অর্থের পরিমাণ বেশি ছিল তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয় ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত দ্বাদশে প্রথম স্থান অধিকার করা কমলপুরের হালহুলির এক এজেন্টের ছেলেকে।

 

‘আমরা গর্বিত যে আমরা হিন্দু…রাজপুত্র কীভাবে বুঝবেন’, রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে সিএম যোগী বলেন

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সোমবার ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এর বিরুদ্ধে দেশে সহিংসতা, ঘৃণা এবং ভয় ছড়ানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন এবং দাবি করেছেন যে “এই লোকেরা হিন্দু নয় কারণ তারা 24 ঘন্টা সহিংসতার কথা বলে।” রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন শাসক দলের সদস্যরা। এবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্যে।

সিএম যোগী আদিত্যনাথ এক্স-এ পোস্ট করে লিখেছেন- “হিন্দু হল ভারতের মৌলিক আত্মা। হিন্দু হল সহনশীলতা, উদারতা এবং কৃতজ্ঞতার সমার্থক। গর্বিত যে আমরা হিন্দু! মুসলিম তুষ্টির রাজনীতিতে ডুবে আছি, নিজেকে ‘দুর্ঘটনাজনিত হিন্দু’ বলছি কিভাবে? জামায়াতের ‘রাজপুত্র’ রাহুল জি, আপনি কি ভারত মাতার আত্মাকে রক্তাক্ত করেছেন?

হাউসে শাসক দলের সদস্য এবং বিরোধীদের মধ্যে উত্তপ্ত তর্কের মধ্যে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “যারা নিজেদেরকে হিন্দু বলে তারা দিনের ২৪ ঘন্টা সহিংসতার কথা বলে।” আপনি (বিজেপি) হিন্দু নন।” এতে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করে বলেন, সমগ্র হিন্দু সম্প্রদায়কে হিংস্র বলা ঠিক নয়।

পাশাপাশি সংসদে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বক্তৃতায় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “হিন্দুদের অপমান করা যায় না। তিনি (রাহুল গান্ধী) স্পষ্টভাবে বলেছেন, তিনি বিজেপি, বিজেপি নেতাদের সম্পর্কে কথা বলেছেন।”

রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নতুন অনেক গুলি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পড়ুয়াদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে মেধা বৃত্তি চালু করা হয়েছে।রাজধানীর তুলসীবতী স্কুলে কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় সোমবার।

এদিন মহারানী তুলসীবতী স্কুলেই হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, বিধায়ক তথা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, কর্পোরেটর রত্না দত্ত, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা এন সি শর্মা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সহ অন্যরা। এদিন অতিথিরা ছাত্রীদের হাতে সংবর্ধনা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নয়া জাতীয় শিক্ষা নীতি তৈরি করা হয়েছে । ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে বন্দে ত্রিপুরা চ্যানেল চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পঠনপাঠনের পাশাপাশি খেলাধুলা করতে হবে। সকলে পড়ালেখায় ভালো হবে এমনটা নয়। নিজের প্রতিভার বহিঃপ্রকাশ করার স্থান হচ্ছে বিদ্যালয়। অনুষ্ঠান ঘিরে পড়ুয়াদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

ভারত সরকার বিভাজনের রাজনীতি করে তপশিলি অংশের মানুষকে বঞ্চিত করে রেখেছে : আশীষ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তপশিলি দলিতদের উপর নির্যাতন সংঘটিত হচ্ছে। ভারত সরকার বিভাজনের রাজনীতি করে তপশিলি অংশের মানুষকে বঞ্চিত করে রেখেছে।সোমবার এই অভিযোগ করেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিষ কুমার সাহা। তিনি বলেন এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার জন্য প্রস্তুতি স্বরূপ এদিন সভায় আলোচনা হয়।

আসন্ন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে সভা হয় কংগ্রেস ভবনে। ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের তপশিলি জাতি বিভাগের এই সভায় অংশ নেয় বিভিন্ন ব্লক চেয়ারম্যান, জেলা চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাই সহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংগঠনিক সভায় আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সহ সংগঠনের নেতৃত্ব।

রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির ফলে শিশু মৃত্যুর হার অনেকটা কমে গেছে : মুখ্যমন্ত্রী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা রাজ্যে ৮৮ শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত ও এডিসি ভিলেজ যক্ষ্মা মুক্ত হিসাবে শংসাপত্র পেয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ২০২৫ সালের মধ্যে একে ১০০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। রাজ্যের বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

ত্রিপুরা রাজ্যে বর্তমানে জটিল অস্ত্রোপচার হয়।স্টপ ডায়রিয়া ক্যাম্পেইনের সূচনা করে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। সোমবার রাজধানীর প্রজ্ঞাভবনে হয় এই কর্মসূচীর সূচনা।

উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও পানীয় জল এবং স্বাস্থ্যবিধান দপ্তরের সচিব তাপস রায়, স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব ব্রাহ্মিত কউর, রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকারের অধিকর্তা ডাক্তার সঞ্জীব দেববর্মা, পরিবার পরিকল্পনা এবং রোগ প্রতিরোধ অধিকারের অধিকর্তা ডাঃ অঞ্জন দাস, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা রাজীব দত্ত, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের যুগ্ম অধিকর্তা বিনয় ভূষণ দাস সহ অন্যান্য আধিকারিকেরা।

এদিন শিশুদের ওআরএস এবং জিংক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

তিনি বলেন রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির ফলে শিশু মৃত্যুর হার অনেকটা কমে গেছে। যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর ঘটনাও হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্য মেলার আয়োজন করা হয়। সেখানে ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরনের কাজ করা হয়।

ইতিমধ্যে যক্ষ্মা দূরীকরণ কর্মসূচি রুপায়নের ক্ষেত্রে ত্রিপুরা রাজ্য দেশের মধ্যে পুরুস্কার পেয়েছে। শিশুদের ডায়রিয়া জনিত মৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সরকার” স্টপ ডায়েরিয়া ক্যাম্পেইন সূচনা করছে। এই অভিযান ১ জুলাই ২০২৪ থেকে চলবে ৩১ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত।

শিশু সহ ১১জন বাংলাদেশী নাগরিক রেল পুলিশের হাতে আটক

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ফের আগরতলা রেলস্টেশনে শিশু সহ ১১ বাংলাদেশী নাগরিক আটক। তাদের মধ্যে রয়েছে মহিলাও। জুন মাসে এনিয়ে ঊনচল্লিশ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে জি আর পি থানার পুলিশ। অভিযোগ তারা অবৈধভাবে দালালের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করে ত্রিপুরায় আসে। কাজের জন্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দালালরা নিয়ে আসে।

প্রায় প্রতিদিন অবৈধভাবে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যাওয়ার পথে আগরতলা রেল স্টেশনে ধরা পড়ছে বাংলাদেশী নাগরিক। রবিবার বিকেলে ফের ১১ জন ধরা পড়ে আগরতলা সরকারি রেল পুলিসের হাতে। তাদের মধ্যে রয়েছে শিশু ও মহিলা। অভিযোগ দালালের মাধ্যমে তারা ত্রিপুরায় আসে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায় জি আর পি। সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়। একথা জানান জি আর পি থানার ওসি তাপস দাস। ক্রমাগত বাংলাদেশী নাগরিক রেল স্টেশনে ধরা পড়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।

 

 

রাহুল গান্ধীকে তিরস্কার করলেন পিএম মোদি, বললেন- গোটা হিন্দু সমাজকে হিংস্র বলা হয়েছে, ক্ষমা চাইতে বললেন অমিত শাহ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- লোকসভার বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এর পরে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অমিত শাহ তিরস্কার করেছিলেন এবং ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন।

রাহুল গান্ধী শাসক দলকে বলেছিলেন যে তিনি মোটেও হিন্দু নন এবং হিন্দুত্বকে হিংসা ও ঘৃণার সাথে যুক্ত করেছেন। রাহুলের বক্তব্যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উভয়েই রাহুল গান্ধীকে তিরস্কার করেছেন।

লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন- “আমাদের সমস্ত মহান ব্যক্তিরা অহিংসা এবং ভয় দূর করার কথা বলেছেন। কিন্তু, যারা নিজেদের হিন্দু বলে তারা শুধুমাত্র হিংসা, ঘৃণা, অসত্যের কথা বলে। আপনি মোটেও হিন্দু নন।

রাহুল গান্ধীর বাকবিতণ্ডার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই নিজের চেয়ার থেকে উঠে রাহুল গান্ধীকে তিরস্কার করলেন। রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে সমগ্র হিন্দু সম্প্রদায়কে হিংস্র বলা খুবই গুরুতর বিষয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে গণতন্ত্র এবং সংবিধান আমাকে শিখিয়েছে যে আমার বিরোধী দলের নেতাকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও লোকসভায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে বলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় রাহুল গান্ধীকে উত্তর দেওয়ার সময় বলেছিলেন, “বিরোধী দলের নেতা স্পষ্টভাবে বলেছেন যে যারা নিজেদেরকে হিন্দু বলে তারা হিংসার কথা বলে এবং সহিংসতা করে। তাদের জানা উচিত নয় যে কোটি কোটি মানুষ গর্ব করে নিজেদেরকে হিন্দু বলে।” সহিংসতাকে কোনো ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করা ভুল।