Home Blog Page 459

মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে আসা লোকজনেদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বর্তমানে রাজ্যেই উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই কথায় কথায় বাইরে যাওয়ার প্রবণতা ত্যাগ করে রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ গ্রহণ করার জন্য পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে আসা লোকজনকে। লোকসভা নির্বাচনের জন্য বন্ধ ছিল কিছুদিন মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচি।

এই বৃহস্পতিবার থেকে ফের শুরু হয় মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের সচিব তাপস রায়, স্বাস্থ্য দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব, জিবিপি হাসপাতালে সুপার, ক্যান্সার হাসপাতালের সুপার সহ অন্যান্যরা। এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসেন।

২২ জন নাগরিক সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তাদের অভাব অভিযোগ, সমস্যা সম্পর্কে অবহিত করেন। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে দ্রুত সমাধানের সচেষ্ট হন। চিকিৎসার বিষয়ে সহায়তার জন্য এসেছিলেন পশ্চিম যোগেন্দ্রনগর, বাধারঘাট, কাঠালতলী, রানিরবাজার, বামুটিয়া, বড়দোয়ালী, রামনগর, হাঁপানিয়া থেকে বিভিন্ন লোকজন।

তাদের চিকিৎসার বিষয়ে সহায়তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী তাদেরকে পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আরোগ্য যোজনার সুবিধা নেওয়ার জন্য। চিকিৎসা পরিষেবা ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে যারা এসেছেন তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

 

 

মিধিলি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড থেকে আর্থিক সহায়তা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কৃষকরা আত্মনির্ভর হলে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। তাই কৃষকদের আত্মনির্ভর করে তুলতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আজ জিরানীয়ার অগ্নিবীণা হলে মিধিলি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ডে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জিরানীয়া মহকুমার বেলবাড়ি, মান্দাই ও জিরানীয়া ব্লকের ২,৩৮৪ জন কৃষককে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আর্থিক সহায়তা হিসেবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে ৬৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা। অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য অতিথিগণ সুবিধাভোগী কৃষকদের হাতে আর্থিক সহায়তার মঞ্জুরিপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী আরও বলেন, কৃষকদের কল্যাণে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা, কিষাণ সম্মাননিধি, কৃষি জমির মাটি পরীক্ষা, রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনার মতো প্রকল্পের সুবিধা কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষকদের বিজ্ঞানসম্মত চাষাবাদে অভ্যস্ত করে তুলতে উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, রাজ্যে কৃষকদের কাছ থেকে বছরে দু’বার ন্যূনতম সহায়কমূল্যে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। রাজ্যে বীজ রোপণ থেকে ফসল উৎপাদন ও উৎপাদিত ফসল বাজারজাতকরণেও সরকার কৃষকদের পাশে থাকছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক স্বপ্না দেববর্মা ও জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান প্রীতম দেবনাথ।

উপস্থিত ছিলেন জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রতন কুমার দাস, ভাইস চেয়ারপার্সন রীতা দাস, রাণীরবাজার পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন অপর্ণা শুক্লদাস, ভাইস চেয়ারপার্সন প্রবীর কুমার দাস, জিরানীয়া বিএসির চেয়ারম্যান শুভমণি দেববর্মা, বেলবাড়ি বিএসির চেয়ারম্যান রুকেন দেববর্মা, সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান মঞ্জু দাস।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা হিরেন্দ্র দেববর্মা। তাছাড়াও অনুষ্ঠানে অতিথিগণ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা- শহুরি প্রকল্পে জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েত এলাকার ২১৭ জন সুবিধাভোগীর হাতে পাকা আবাস নির্মাণের মঞ্জুরিপত্র তুলে দেন।

নিট ও নেট পরীক্ষার কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে সরব হলো বাম ছাত্র সংঘটন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নীট ও নেট দুর্নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে দেশব্যাপী ছাত্র ধর্মঘটের সমর্থনে রাজ্যেও রাস্তায় নামলো ভারতের ছাত্র ফেডারেশন ও উপজাতি ছাত্র ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার দুই সংগঠনের সদস্যরা মেলারমাঠ ছাত্র যুব ভবনের সামনে থেকে মিছিল বের করে। শহরের বিভিন্ন পথ ঘুরে অফিস লেন শিক্ষা ভবনের সামনে আসে।

সেখানে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।উপস্থিত ছিলেন ছাত্র নেতা সন্দীপন দেব, সুলেমান আলি, নেতাজী দেববর্মা সহ অন্যরা। কুশপুত্তলিকা পোড়ায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার।

স্কুল একত্রীকরণ , ব্যর্থ বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প, শিক্ষক সংকট, পাঠ্যপুস্তক প্রদানে বিলম্ব ও ছাত্রদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শাসকদলের দুর্বৃত্তদের আক্রমণের বিরুদ্ধে তারা পথে নামে। এদিকে ছাত্রদের বিক্ষোভ চলাকালীন সেখানে শাসক দলের যুব সংগঠনের নেতা ভিকি প্রসাদ হুজ্জুতির চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। তবে আন্দোলনরত ছাত্রদের প্রতিরোধে পালিয়ে যায় যুব নেতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

ক্রিকেটে জয়ের আনন্দ করতে গিয়ে জীবন চলে গেল দুই যুবকের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ক্রিকেটে ভারত জয়ের আনন্দ করতে গিয়ে গাড়ি থেকে পড়ে আহত দুই যুবকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া মন্দির নগরীতে। সম্প্রতি টি= ২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। আর এই জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা ভারতবাসী। এই জয়ের আনন্দ করতে গিয়ে জীবন চলে গেল দুই যুবকের। ঘটনা উদয়পুরে।

জানা গেছে সাউন্ড বক্স নিয়ে গাড়ি করে কয়েকজন যুবক বিজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হয়। উদয়পুর চন্দ্রপুর এলাকায় আচমকা চলন্ত গাড়ি থেকে তিনজন পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাদের গোমতী জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে দুইজনকে জিবিতে রেফার করা হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

পথেই মারা যায় আকাশ সূত্রধর নামে এক আহত। অপর গুরুতর আহত জয়দেব দেবনাথকে জিবিতে এনে চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে এই যুবকও। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত শেষে জয়দেবের মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই যুবকের মৃত্যুতে পরিজন সহ স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া।

 

 

আনুষ্ঠানিক সুচনা হল শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ সনাক্তকরণ ও চিকিৎসার লক্ষ্যে রাজ্যভিত্তিক প্রথম সনাক্তকরণ শিবির

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আরবিএসকে স্কিম চালু করেছেন। এই প্রকল্পে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়। রাজ্যে ৪৪ টি ডেডিকেটেড মোবাইল হেলথ টিম রয়েছে। অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের স্কিনিং করে থাকে এই ডেডিকেটেড মোবাইল হেলথ টিম গুলি। আই জি এম হাসপাতালের নার্সিং কলেজ অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

বৃহস্পতিবার আইজিএম হাসপাতালস্থিত নার্সিং কলেজের অডিটোরিয়ামে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো চিলড্রেন্স হাসপাতালের সহযোগিতায় জন্মগত হৃদরোগের রাজ্য স্তরের স্ক্রিনিং ক্যাম্পের সুচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার হাত ধরে এর সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব ব্রাক্ষ্মিত কৌর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ডাক্তার সঞ্জীব দেববর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের রাজ্য অধিকর্তা রাজীব দত্ত সহ সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রে প্রায় ৪ লক্ষ ৫ হাজার ৫২১ জন শিশুর স্ক্রিনিং করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজ্যে এবং রাজ্যের বাইরে একাধিক হাসপাতালে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রাজ্যের প্রায় ৯১ জন শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা আরবিএসকে স্কিমে দেওয়া হয়েছে।

গ্রাম শক্তিশালী হলে সমাজ শক্তিশালী হবে, কৃষক শক্তিশালী হলে রাজ্য স্বয়ম্ভর হবে

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মিধিলি ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হল বিপর্যয় ত্রাণ তহবিল থেকে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের ঊনচল্লিশটি জায়গায় অনুষ্ঠান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। আটাত্তর হাজারের উপর কৃষককে সাহায্য দেওয়া হয় প্রায় ২২ কোটি টাকা। তাদের ব্যাংক একাউন্টে অর্থ দেওয়া হয়।

এর ১০ দিন পরে আবার প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনায় ৩০১৩ জন কৃষককে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।এদিন রাজধানীর নজরুল কলাক্ষেত্রে হয় অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি বলেন, সারা দেশে কৃষক ও চাষি রয়েছেন প্রায় ২০ কোটি।তারা দেশের একশো চল্লিশ কোটি মানুষের খাদ্য যোগায়।ত্রিপুরায় কৃষক রয়েছেন চার লাখ বাহাত্তর হাজার।মন্ত্রী আরও বলেন, গ্রাম শক্তিশালী হলে সমাজ শক্তিশালী হবে। কৃষক শক্তিশালী হলে রাজ্য স্বয়ম্ভর হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য আত্মনির্ভর=স্বনির্ভর ত্রিপুরা, স্বয়ম্ভর ত্রিপুরা, এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হল গ্রাম গরীব কৃষক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মিনা রানী সরকার, রতন চক্রবর্তী, বিধায়ক দীপক মজুমদার, পশ্চিম জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি হরি দুলাল আচার্য সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।উল্লেখ্য ২০২৩ সালের নভেম্বরে হয়েছিল মিধিলি।

মাটির ঘর ধসে মৃত্যু দম্পতির পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা হবে : পবিত্র 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দুর্যোগ মোকাবিলা তহবিল থেকে মাটির ঘর ধসে মৃত্যু দম্পতির পরিবারটিকে আর্থিক সাহায্যের জন্য জেলা শাসকের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানালেন সিপিএম নেতা পবিত্র কর। পবিত্র বাবু জানান সিপিএম এর তরফে পরিবারটিকে যথা সম্ভব সাহায্য করা হবে। তবে ঘটনার জন্য সিপিএম নেতা কাঠগড়ায় দাঁড় করান বাগান কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় পঞ্চায়েত ও রাজ্য সরকারকে।

অতিবৃষ্টিতে মাটির ঘর ধসে টিনের ঘরের উপরে পড়ে মঙ্গলবার রাতে মৃত্যু হয় দম্পতির। আহত হয় তাদের তিন মাসের শিশুকন্যা জিবিতে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাতে খয়েরপুর মেঘলিপাড়া এলাকায়। ঘটনায় এলাকায় এখনও শোকের আবহ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার সেই এলাকায় যান বিরোধী দলনেতা তথা সিপিএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরী, এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক পবিত্র কর, সিপিএম জিরানিয়া মহকুমা সম্পাদক সুভাষ দেব সহ অন্যরা।

তারা মৃত দম্পতির পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমবেদনা জানান। তারপর তারা যান জিবি হাসপাতালে। জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৃত দম্পতির শিশু কন্যার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।শিশুর চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

 

 

দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার প্রথম বৈঠক

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতা ভারতীয় দল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছে। এই বৈঠকের সম্পূর্ণ ভিডিও সামনে এসেছে। ভারতীয় দলটি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গে এই বৈঠক করে। বার্বাডোজ থেকে ফেরার পর এটাই ছিল টিম ইন্ডিয়ার প্রথম বৈঠক। এই বৈঠক বেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল।

আমরা আপনাকে বলি যে ভারতীয় দল বার্বাডোস থেকে আজ অর্থাৎ ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টায় দিল্লি পৌঁছেছে। দিল্লি পৌঁছানোর পরে, রোহিত এবং সংস্থা আইটিসি মৌর্য হোটেলে পৌঁছে এবং সেখানে কিছুক্ষণ থাকার পরে, দলটি নরেন্দ্র মোদীর সাথে দেখা করতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে রওনা হয়।

সাক্ষাতের এই ভিডিওতে দেখা গেছে, ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মাকে ট্রফি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যেতে দেখা যাচ্ছে। এর পর দেখা গেল হার্দিক পান্ডিয়া, সঞ্জু স্যামসন এবং অক্ষর প্যাটেলকে। এরপর কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে দেখা যায় বিরাট কোহলি, জাসপ্রিত বুমরাহ ও যশস্বী জয়সওয়ালকে। এর পর ঋষভ পন্তকে থাম্প আপ করতে দেখা যায়।

এরপর ভিডিওতে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এর পরে, ট্রফিটির একটি ঝলক দেখানো হয় এবং তারপরে প্রধানমন্ত্রী মোদী ট্রফিটি ধরে পুরো দলের সাথে পোজ দেন। এই বৈঠকে বিসিসিআই সভাপতি রজার বিনি এবং সচিব জয় শাহকেও দেখা গেছে।

এরপর ভিডিওতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। এই সময়, প্রধানমন্ত্রীকে মাঝখানে বসে থাকতে দেখা গেছে এবং পুরো টিম ইন্ডিয়া তার পাশে দৃশ্যমান ছিল। এরপর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলার সময় রাহুল দ্রাবিড় ও রোহিত শর্মা কিছুটা মজা করেন।

আমরা আপনাকে বলি যে ভারতীয় দল মুম্বাইতে একটি বিজয় কুচকাওয়াজ করবে। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করে দিল্লি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দিল টিম ইন্ডিয়া। এখান থেকে দলটি সরাসরি মুম্বাই পৌঁছাবে, যেখানে মেরিন ড্রাইভে একটি খোলা বাসে দলের বিজয় কুচকাওয়াজ হবে। এই বিজয় কুচকাওয়াজ হবে হুবহু 2007 সালে এমএস ধোনি অ্যান্ড কোম্পানির মতোই।

এক চিঠির মাধ্যমে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবকে চারটি নতুন রোপওয়ে চালুর বর্তমান পরিস্থিতি জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষ মলহোত্রা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরায় চারটি নতুন রোপওয়ে চালুর বিষয়ে বর্তমান পরিস্থিতি জানতে চেয়েছিলেন। সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের প্রশ্নের উত্তরে রোপওয়ে চালুর বর্তমান অবস্থান জানিয়ে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবকে চিঠি লিখলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক প্রতিমন্ত্রী হর্ষ মলহোত্রা।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন মহারানী থেকে ছবিমুড়া পর্যন্ত রোপওয়ে প্রকল্পের বিস্তারিত সমীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। এই রিপোর্টের পরেই প্রকল্পটির পরবর্তী কাজ শুরু হবে।

তৎসঙ্গে উদয়পুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাতাবাড়ি (ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির), সুরমাছেড়া (কমলপুর) এবং জম্পুই হীল (কাঞ্চনপুর) পর্যন্ত প্রকল্পগুলির জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু করা হয়েছে। পূর্ব- সমীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তিই করে এইসব প্রকল্পের পরবর্তী প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য গত ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ত্রিপুরার পর্যটন বিকাশে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক প্রস্তাবিত চারটি রোপওয়ে নির্মাণ কাজে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংসদে (রাজ্যসভায়) দাবি জানান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। তিনি বলেন, উদয়পুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাতাবাড়ি, মহারানী থেকে ছবিমুড়া, সুরমাছেরা এবং জাম্পুই পাহাড়ে রোপওয়ে স্থাপনের জন্য ন্যাশনাল হাইওয়ে লজিস্টিক ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ত্রিপুরা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের মধ্যে ১১.১১.২০২২ -এ গুয়াহাটিতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই সময়োপযোগী প্রচেষ্টা ত্রিপুরার পর্যটন উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো চারটি রোপওয়ে স্থাপনের কাজ শুরু হয়নি। এই প্রকল্পটি আশেপাশের এলাকার যোগাযোগ উন্নত করবে এবং স্থানীয় পর্যটনের বিকাশে সহায়তা করবে। এই কাজটি দ্রুত ত্বরান্বিত করার জন্য জোড়ালো দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।