Home Blog Page 38

দিল্লিতে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ, পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা মঙ্গলবার গুরুগ্রামে নির্যাতিত ১৯ বছর বয়সী ত্রিপুরার এক ছাত্রীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বতোভাবে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি ত্রিপুরা ভবনের স্পেশাল চিফ রেসিডেন্ট কমিশনারকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নির্যাতিতার সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় রাজ্য সরকার বহন করবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়াব সিং সাইনির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। গুরুগ্রাম কাণ্ডে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন সাইনি। ত্রিপুরার সমাজকল্যাণমন্ত্রী টিংকু রায়ও হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করেন এবং পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসে গত মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। গুরুগ্রামে বায়োটেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করতে যাওয়া ওই ছাত্রী তাঁর লিভ-ইন সঙ্গীর দ্বারা নৃশংস নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত শিবম (১৯)-এর সঙ্গে অনলাইনে পরিচয়ের পর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি ঘরে তিন দিন আটকে রেখে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলে পরিবারের দাবি।

মেয়ের কাছ থেকে বিপদসংকেত পেয়ে মা গুরুগ্রাম পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশ দ্রুত উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লির নরেলা এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গুরুগ্রামের বাদশাহপুর থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরে প্রথমে মারধরের অভিযোগ যুক্ত হলেও পরে ধর্ষণের ধারাও সংযোজন করা হয়েছে। আদালত অভিযুক্তকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

প্রথমে তাকে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সাইন্স-এ ভর্তি করা হলেও বর্তমানে দিল্লির সাফদারজুঙ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হোক।

এই ঘটনায় সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নির্যাতিতার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সব রকম আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক সরকার, বৈঠকে কড়া নির্দেশ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে পেট্রোল-ডিজেল, এলপিজি সিলিন্ডারসহ অন্যান্য পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে তৎপর রয়েছে খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তর। অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর কালোবাজারি রোধে প্রশাসন কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম যাতে কোনওভাবেই স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি না পায় এবং কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে কালোবাজারির মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা ব্যর্থ করতে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে আজ সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পৌরহিত্য করেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।

বৈঠকে উপস্থিত আধিকারিকদের সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। পেট্রোল-ডিজেল ও খাদ্যসামগ্রীর সরবরাহ শৃঙ্খল যাতে নির্বিঘ্ন থাকে এবং কোথাও যেন কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি কালোবাজারি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যও প্রশাসনকে সতর্ক করেন তিনি।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে, যাতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা: সৌদি আরব ও বাহরাইনের পাশে ভারতের সংহতি, মোদীর বার্তা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ার উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ টেলিফোনে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। কথোপকথনে প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের উপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।

সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় মোদী জানান, দুই পক্ষই মনে করেছেন যে দ্রুততম সময়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি। এই কঠিন সময়ে সৌদি আরবে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণের বিষয়টি দেখভাল করার জন্য তিনি মোহাম্মদ বিন সালমানকে ধন্যবাদ জানান।

এদিনই বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সঙ্গেও টেলিফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাহরাইনের উপর হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে ভারত বাহরাইনের জনগণের পাশে রয়েছে। দেশে বসবাসরত ভারতীয়দের প্রতি অবিচল সমর্থন দেওয়ার জন্য বাহরাইনের রাজাকেও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ঘিরে কূটনৈতিক স্তরে ভারতের সক্রিয় যোগাযোগ ও উদ্বেগ এই আলোচনাগুলির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

বীর নারীদের অবদানের স্বীকৃতি, প্রাক্তন সৈনিকদের সংবর্ধনায় রাজ্যপালের বার্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ত্রিপুরার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু । আজ আগরতলার মিলিটারি স্টেশনে আয়োজিত প্রাক্তন সৈনিকদের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ত্রিপুরার কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। এ রাজ্যের যুবশক্তির একটি বড় অংশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।

রাজ্যপাল বলেন, ত্রিপুরার বহু তরুণ সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্বপ্ন দেখেন। সেই ক্ষেত্রে প্রাক্তন সৈনিকদের পথপ্রদর্শকের ভূমিকা নিতে হবে। নিজেদের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম ও দেশসেবার অনুপ্রেরণামূলক কাহিনী তুলে ধরে তাঁরা তরুণ প্রজন্মকে দেশসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের সুরক্ষায় সামরিক বাহিনীর সদস্যরা যখন সীমান্তে দায়িত্ব পালন করেন, তখন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে বীর নারীরা, ঘরের দায়িত্ব একা হাতে সামলান। সমাজ তাঁদের এই অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

প্রাক্তন সৈনিক ও তাঁদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান রাজ্যপাল। স্বাস্থ্যসুরক্ষা, আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল অভিজিৎ এস পান্দুলকর। স্বাগত ভাষণ দেন ৭৩ মাউন্টেন ব্রিগেডের কমান্ডার ভি.এস.এম. ব্রিগেডিয়ার ধীরাজ সিং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ৫৭ মাউন্টেন ডিভিশনের জিওসি ভি.এস.এম. মেজর জেনারেল শুভঙ্কর বসু, আসাম রাইফেলস (ইস্ট)-এর আইজি মেজর জেনারেল ইন্দ্রজিৎ সিং ভিন্ডা, ২১ আসাম রাইফেলসের সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার নিশান্ত চান্দেল এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে কয়েকজন প্রাক্তন সৈনিক ও বীর নারীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন রাজ্যপাল। পাশাপাশি অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রদর্শনী মণ্ডপ ঘুরে দেখেন তিনি।

খেলাধুলায় প্রেরণার বার্তা, উদীয়মান টেবিল টেনিস তারকাদের পাশে সভাপতি

0

জনতার কলম স্পোর্টস ডেস্ক :- ত্রিপুরার উদীয়মান টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের উৎসাহ জোগাতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিল Tripura Table Tennis Association। আজ সংস্থার সভাপতি রতন দাস নিজ উদ্যোগে প্রতিভাবান ও উঠতি খেলোয়াড়দের হাতে টেবিল টেনিস বল তুলে দেন।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল রাজ্যের তরুণ খেলোয়াড়দের আরও অনুপ্রাণিত করা এবং তাঁদের অনুশীলনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সভাপতি এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

সভাপতি বলেন, ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের জন্য নিয়মিত অনুশীলন ও সঠিক উপকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের স্বপ্নপূরণে সহায়তা করাই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য। 

উপস্থিত খেলোয়াড়রাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানান, এমন সহায়তা তাঁদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে এবং রাজ্যের হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।

ক্রীড়া মহলের মতে, এ ধরনের ছোট কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ রাজ্যের টেবিল টেনিসের পরিকাঠামো ও মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

১৩ মার্চের আগে জোর প্রস্তুতি: বাজেট বরাদ্দ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সুশান্ত চৌধুরী

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন বাজেট অধিবেশনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিলেন ত্রিপুরার পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। সোমবার রাজ্য সচিবালয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায়।

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট অধিবেশন আগামী ১৩ মার্চ থেকে শুরু হবে। তার আগে নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরগুলির প্রস্তাবিত আর্থিক বরাদ্দ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন সুশান্ত চৌধুরী। বৈঠকটি অর্থমন্ত্রীর দপ্তর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় চলতি অর্থবর্ষের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়, ২০২৫-২৬ সালের সাময়িক সংশোধিত হিসাব (রিভাইজড এস্টিমেট) এবং ২০২৬-২৭ সালের বাজেট প্রাক্কলন (বাজেট এস্টিমেট) নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়। পরিবহন, পর্যটন, খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও তহবিলের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী জানান, আসন্ন অর্থবর্ষের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের পরিসংখ্যান, পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার সংক্রান্ত প্রস্তাব তিনি অর্থমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন।

অধিকারিক সূত্রে জানা গেছে, বিধানসভায় বাৎসরিক বাজেট পেশের আগে অর্থ দপ্তরের উদ্যোগে এ ধরনের প্রাক-বাজেট বৈঠক নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। চলতি বছরের সংশোধিত হিসাব এবং আগামী বছরের সম্ভাব্য ব্যয়ের চাহিদা জমা দেওয়ার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়।

ইন্ডিয়া-কানাডা সিইওস ফোরামে মোদীর বার্তা: দ্রুত সংস্কার ও অংশীদারিত্বে একসঙ্গে ভবিষ্যৎ গড়বে দুই দেশ

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নয়া দিল্লিতে আয়োজিত ইন্ডিয়া-কানাডা সিইওস ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ভারত ও কানাডা দুইটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং বিশ্বের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতি। তিনি উল্লেখ করেন, উভয় দেশই গণতন্ত্র, বৈচিত্র্য ও উন্নয়নের অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী, যা দুই দেশকে স্বাভাবিক অংশীদার হিসেবে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বিপুল যুব জনসংখ্যা, বৃহৎ বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসার। তিনি এটিকে ধারাবাহিক সংস্কারের ফল বলে উল্লেখ করেন।

মোদী আরও বলেন, টি-২০ ক্রিকেটের মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত, নির্ভীক পদক্ষেপ এবং ম্যাচ জেতানো অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভারত ও কানাডা একসঙ্গে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে। তাঁর বক্তব্যে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এআইআইবি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক: অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব জোরদারে জোর নির্মলা সীতারামনের

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারামান আজ নয়া দিল্লিতে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (Asian Infrastructure Investment Bank)-এর নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট Zou Jiayi-র সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে ভারত ও এআইআইবি-র অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থ মন্ত্রক সামাজিক মাধ্যমে জানায়, দেশের অবকাঠামো খাতে আগাম ‘আপস্ট্রিম’ পরিষেবার মাধ্যমে এআইআইবি-র সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উত্থাপিত হয়।

নির্মলা সীতারামন এআইআইবি-র সদস্য দেশগুলিতে, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলিতে, বিভিন্ন উদ্ভাবনী অর্থায়ন ও অ-অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-এ অবকাঠামো-নির্ভর প্রবৃদ্ধির ওপর ভারতের ধারাবাহিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন।

এছাড়া, উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশে চলমান প্রকল্পগুলির দ্রুত অনুমোদন, পুঁজি বাজার উন্নয়ন এবং ভারতে এআইআইবি-র আঞ্চলিক দফতর স্থাপনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন অর্থমন্ত্রী। বৃহৎ পরিসরে এআইআইবি-র কার্যক্রম পরিচালনার প্রেক্ষিতে ভারতে একটি আঞ্চলিক অফিস স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।