Home Blog Page 27

মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সম্মানিত যীষ্ণু দেববর্মণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন যীষ্ণু দেববর্মণ।

এই সাক্ষাৎকে সম্মানের বলে উল্লেখ করে তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি জানান, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা তাঁর কাছে এক বিশেষ মুহূর্ত। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, এই নেতৃত্বই ভবিষ্যতে তাঁদের কাজের পথপ্রদর্শক হবে।

রাজনৈতিক মহলে এই সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠক প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মনোনয়ন জমায় জনউচ্ছ্বাস, সিপিএমকে কড়া আক্রমণ রতনের 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা স্বশাসিত জেলা পরিষদ (TTAADC) নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চোখে পড়ছে জনসাধারণের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ।

বুধবার মোহনপুরে বোধজংনগর–ওয়াখিনগর কেন্দ্রের প্রার্থী রণবীর দেববর্মা এবং ১৩ নম্বর সিমনা তমাকারি কেন্দ্রের প্রার্থী ইন্দ্রজিৎ দেববর্মার সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল মনোনয়ন র‌্যালি যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এই র‌্যালিতে অংশ নিয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ দাবি করেন, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই প্রমাণ করছে যে আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি বড় জয়ের দিকেই এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, গত সাড়ে সাত বছরে বিজেপি সরকারের আমলে রাজ্যের সর্বত্র, বিশেষ করে স্বশাসিত জেলা পরিষদ এলাকায়, ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। অবকাঠামো থেকে শুরু করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছেছে পাহাড়ি অঞ্চল পর্যন্ত। “আমরা উন্নয়নের ভিত্তিতেই মানুষের কাছে ভোট চাই। কাজ না করলে ভোট চাওয়ার কোনো অধিকার আমাদের নেই,”—এই মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধীদের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকার, বিশেষ করে সিপিএম, এত অল্প সময়ে বিজেপির মতো উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেনি। তিনি আরও দাবি করেন, সিপিএম যদি একটি আসনও পায়, তা রাজ্যের জন্য শুভ হবে না।

রতন লাল নাথ জানান, এদিন রাজ্যজুড়ে বিজেপির প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন এবং দল নিশ্চিত যে নির্বাচনে তারা ব্যাপক ব্যবধানে জয়লাভ করবে। একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিজেপি কখনোই জোরপূর্বক ভোট চায় না; শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জয় অর্জন করতে চায় দল।

মনোনয়ন র‌্যালিতে মানুষের উচ্ছ্বাস এবং অংশগ্রহণকে ‘জয়ের স্পষ্ট ইঙ্গিত’ বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, স্বশাসিত জেলা পরিষদ এলাকায় আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে বিজেপি সরকার, যাতে সব সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়।

পেট্রোল-ডিজেল ও গ্যাস নিয়ে বৈঠক, আতঙ্ক না ছড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সতর্কতা, সচেতনতা ও সমন্বয়ের ওপর জোর দিল খাদ্য দপ্তর। আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো এক গুরুত্বপূর্ণ ‘পর্যালোচনা সভা’ ও সচেতনতা সৃষ্টিমূলক কর্মসূচি। এতে দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের বর্তমান সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সমস্যার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য প্রভাব এবং তা মোকাবিলার উপায় নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়।

এদিন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানির সরবরাহ ও বিতরণ যাতে স্বাভাবিক থাকে, সে জন্য সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর, ডিলার ও অন্যান্য অংশীজনদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং ভোক্তাদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক বা অতিরিক্ত মজুত না করার পরামর্শ দেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার পরিস্থিতির ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষের কোনো অসুবিধা না হয়।

জিরানিয়ায় বিজেপির মনোনয়ন র‍্যালিতে ভিড়, ‘পদ্মফুলের জয় নিশ্চিত’ দাবি সুশান্তের  

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আসন্ন TTAADC নির্বাচনকে সামনে রেখে জিরানিয়ায় আজ বিজেপির শক্তি প্রদর্শনমূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ১৫-জিরানিয়া আসনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী অভিজিৎ দেববর্মা এবং ১৬-মান্দাই-পুলিনপুর আসনে রাজেশ দেববর্মার সমর্থনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তাঁর নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জিরানিয়া জুড়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশে র‍্যালিটি এগিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে প্রার্থীরা নির্ধারিত স্থানে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এদিন র‍্যালিতে উপস্থিত থেকে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করছে যে আসন্ন TTAADC নির্বাচনে পদ্মফুলের জয় নিশ্চিত। দলীয় সূত্রেও একই দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদ (TTAADC) নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে মাঠে নেমেছে, যার ফলে নির্বাচনী আবহ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে।

ইমিগ্রেশন ও ভিসা পরিষেবা আধুনিকীকরণে IVFRT প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াল কেন্দ্র, বরাদ্দ ১৮০০ কোটি টাকা

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ‘ইমিগ্রেশন, ভিসা, ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ট্র্যাকিং’ (IVFRT) প্রকল্পের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রকল্পটি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০৩১ পর্যন্ত চালু থাকবে। এর জন্য ১৮০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।

IVFRT প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হল দেশে ইমিগ্রেশন, ভিসা প্রদান এবং বিদেশিদের নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্ত পরিষেবাকে একত্রিত ও আরও দক্ষ করে তোলা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ ও সমন্বিত পরিষেবা কাঠামোর মধ্যে ভিসা ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করা হবে। একই সঙ্গে বৈধ ভ্রমণকারীদের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদন পায় ২০১০ সালের ১৩ মে, যখন অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি ১০১১ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে এটি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। প্রাথমিকভাবে এর মেয়াদ ছিল সেপ্টেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত। পরে ২০১৫ সালে বাজেট সংশোধন করে ৬৩৮.৯০ কোটি টাকা করা হয় এবং মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত করা হয়। পরবর্তীতে কোনও অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই তা ৩১ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়।

এই সময়কালে মোট সংশোধিত বরাদ্দের মধ্যে ৬১৩.২৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। এরপর ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকল্পটি ১ এপ্রিল ২০২১ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয় এবং তখন ১৩৬৫ কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়।

নতুন করে মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে IVFRT প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গুজবে কান নয়, আতঙ্কে জ্বালানি মজুত করবেন না—দেশে ২৬ কোটি টন তেল শোধনের সক্ষমতা রয়েছে: কেন্দ্র

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে ছড়ানো গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার নয়াদিল্লিতে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রক বৈঠকের ব্রিফিংয়ে সরকার জানায়, দেশে বছরে ২৬ কোটি টন অপরিশোধিত তেল শোধনের পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে। ফলে জ্বালানির ঘাটতির কোনও আশঙ্কা নেই এবং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে পেট্রোল-ডিজেল মজুত না করার অনুরোধ করা হয়েছে।

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা স্পষ্ট করে জানান, পেট্রোল-ডিজেলের দামের বৃদ্ধি নিয়ে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বর্তমানে জ্বালানির দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি বলেও তিনি জানান।

পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস (PNG) সংযোগ সম্প্রসারণের দিকেও জোর দিচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আবেদন ফি ও অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করা হবে। গত প্রায় ২৫ দিনে প্রায় আড়াই লক্ষ নতুন PNG সংযোগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ২.২ লক্ষ গ্রাহক LPG থেকে PNG-তে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

অন্যদিকে, বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২০টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে থাকা ৫৪০ জন নাবিক সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। দেশের বন্দরগুলিতে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলছে এবং কোথাও কোনও জটিলতা তৈরি হয়নি।

এছাড়া বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন। আলোচনায় উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে দ্রুত শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, ভারত ইরান-সহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পথ ধরে ওই অঞ্চল থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে।

সীমান্তে কড়া নজরদারি—বিলোনীয়া ও সাব্রুমে রাতের চলাচলে বিধিনিষেধ

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিলোনীয়া ও সাব্রুম মহকুমার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৫০০ মিটার এলাকায় রাত ৮টা থেকে পরের দিন সকাল ৫টা পর্যন্ত সময়ে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলের উপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিএনএসএস ২০২৩-এর ১৬৩নং ধারা অনুযায়ী দক্ষিণ জেলার জেলাশাসক এই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। এই আদেশ ৮ মার্চ, ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ৬ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

আদেশে বলা হয়েছে, উল্লেখিত সময়ে ৪ বা ততোধিক ব্যক্তি জমায়েত করতে পারবেন না, দক্ষিণ জেলার পুলিশ সুপার, সাব্রুম ও বিলোনীয়ার মহকুমা শাসকদের জারি করা বৈধ অনুমতিপত্র ছাড়া সাধারণ মানুষ এবং যানবাহন চলাচল করতে পারবেনা। এই সময়ে সীমান্তের ৫ কিলোমিটার এলাকায় লাঠি, পাথর ইত্যাদি যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে এগুলি বহন, গবাদি পশু নিয়ে আসা যাওয়া করা, সীমান্তের ১ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে চিনি, বেবি ফুড, টায়ার ও টিউব, সরিষার তেল ইত্যাদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহন করা, সীমান্তের ১ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে হাট/বাজার/দোকান ইত্যাদি খোলা, আন্ত সীমান্ত নদী সমূহে ফেরি সার্ভিস চলাচল করা ইত্যাদির উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তবে এই আদেশ সামরিক, আধা সামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে, পুলিশ সুপার ও মহকুমা শাসকদের জারি করা বৈধ অনুমতিপত্র প্রাপ্ত ব্যক্তি, জরুরী সরকারি কাজে নিয়োজিত সরকারি কর্মচারি এবং অবিলম্বে চিকিৎসা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিগণ এই বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবেন। এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিএনএস ২০২৩-এর ২২৩নং ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নারী সশক্তিকরণে বড় পদক্ষেপ—ত্রিপুরায় আরও একটি সখী ওয়ান স্টপ সেন্টারের উদ্বোধন

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সমাজের গার্হস্থ্য হিংসা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর সমাজের অসহায়, দিব্যাঙ্গজন ও নির্যাতিতাদের জন্য কাজ করছে। সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী টিংকু রায় আজ ত্রিপুরা মহিলা কমিশন অফিসের নীচ তলায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জন্য অতিরিক্ত আরও একটি নতুন সখী ওয়ান স্টপ সেন্টারের উদ্বোধন করে একথা বলেন।

এই সখী ওয়ান স্টপ সেন্টার চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো এই সেন্টারে সমাজের বিপদগ্রস্ত, শোষিত, বঞ্চিত ও নির্যাতিতা মহিলাগণ বিনামূল্যে ৫ দিন থাকতে পারবেন। এরপর তারা শক্তি সদনে তিন বছর বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার সংস্থান পাবেন। এছাড়া এই মহিলাগণের জন্য এখানে বিনামূল্যে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। তারা বিনামূল্যে বিচার ব্যবস্থারও সুযোগ পাবেন। এই নতুন সখী ওয়ান স্টপ সেন্টারের উদ্বোধন করে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষামন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, সমাজের অবক্ষয় রোধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, মা সুস্থ, শিক্ষিত ও স্বনির্ভর হলেই পরিবার ও সমাজ স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। শিশু ও মহিলাদের কল্যাণে রাজ্য সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যের ৮টি জেলায় ৮টি সখী ওয়ান স্টপ সেন্টার চালু রয়েছে। ইতিমধ্যেই কুমারঘাটে একটি সখী ওয়ান স্টপ সেন্টার চালু করা হয়েছে। আজ আগরতলায় এই ওয়ান স্টপ সেন্টার চালু করা হলো।

তিনি বলেন, বর্তমানে কৃষ্ণনগরে লক্ষ্মীবাই মেমোরিয়াল ওয়ার্কিং উইম্যান হোস্টেল চালু রয়েছে। রাজ্যে আরও ১০টি ওয়ার্কিং উইম্যান হোস্টেল নির্মাণের কাজ চলছে। এই ১০টি ওয়ার্কিং হোস্টেল নির্মাণে ১০০ কোটি টাকার উপর ব্যয় হবে। প্রায় ১০০ জন মহিলা প্রতিটি উইম্যান ওয়ার্কিং হোস্টেলে বিনামূল্যে থাকতে পারবেন এবং বিনামূল্যে খাবার পাবেন।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার মহিলাদের সশক্তিকরণের জন্য বহুমুখী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। নারী ক্ষমতায়নের জন্য রাজ্যের জিলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েত, নগর শাসিত সংস্থা ও মার্কেট শেড বিতরণে মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। রাজ্যের স্বসহায়ক দলের মহিলাদের স্বনির্ভর হওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত ২,১০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু আইনের মাধ্যমে নয়, সমাজে বাল্যবিবাহ, অন্যায় অবিচার ও অসহায়দের সহায়তায় আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল বলেন, এটা একটা মহৎ কাজ। তিনি বলেন, মহিলারা যাতে সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারেন সে লক্ষ্যে রাজ্য সরকার কাজ করছে। সমাজের অন্তিম এলাকার মহিলাগণ যাতে সখী ওয়ান স্টপ সেন্টারের সুযোগ পেতে পারেন সে লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ ও নেশামুক্ত রাজ্য গড়তে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানের সভাপতি ত্রিপুরা মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝর্ণা দেববর্মা বলেন, নির্যাতিতা মহিলাগণ যাতে তৎকালীন সহায়তা পায় তারজন্য এই সখী ওয়ান স্টপ সেন্টার চালু করা হয়েছে। তিনি এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।এছাড়া বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার দাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের পশ্চিম জেলা পরিদর্শক দীপক লাল সাহা। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক অরূপ দেব, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা বিজন চক্রবর্তী সহ আরক্ষা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তাগণ

টিটিএএডিসি নির্বাচনে ২৮টি আসনেই এককভাবে লড়ছে বিজেপি 

0

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা আদিবাসী স্বশাসিত জেলা পরিষদ (TTAADC) নির্বাচনে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করল শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মঙ্গলবার দলের রাজ্য সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

দলের তরফে জানানো হয়েছে, এবার ২৮টি আসনের প্রতিটিতেই প্রার্থী দিচ্ছে বিজেপি। বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যী বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সবকটি আসনেই লড়াই করব এবং আগামী দু’দিনের মধ্যেই প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেবেন।”

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপি তার মিত্র দল আইপিএফটির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করেছিল। তবে এবারের নির্বাচনে বিজেপি একাই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কোনও জোটে না গিয়ে তিপ্রা মথা পার্টি বা আইপিএফটির সঙ্গে। দলের একাধিক শীর্ষ নেতা এবার প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, সহ-সভাপতি বিমল চাকমা, সম্পাদক ডেভিড দেববর্মা এবং ভূমিকানন্দ রিয়াং।

রাজীব ভট্টাচার্য জানান, ২০২১ সালে বিজেপি ৯টি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার বেশিরভাগ বর্তমান এমডিসি-কে পুনরায় টিকিট দেওয়া হয়েছে, শুধুমাত্র মাচমারা এবং মনু-ছৈলেংটা কেন্দ্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এছাড়াও, তিপ্রা মথা থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সদাগর কলই এবং অনন্ত দেববর্মাকেও প্রার্থী করা হয়েছে। নির্বাচনের ঠিক আগে এই দুই নেতা দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তাঁদের স্বাগত জানান। বিজেপির পক্ষ থেকে ভোটারদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, ষষ্ঠ তফসিলভুক্ত এলাকায় স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ পরিষদ গঠনের জন্য বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানানো হচ্ছে।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন আসনে প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— রবীন্দ্র রিয়াং (দামছড়া-জম্পুই), মঞ্জু রানি সরকার (মাচমারা), শৈলেন্দ্র নাথ (দসদা-কাঞ্চনপুর), বিমল কান্তি চাকমা (করমছড়া), এসমেল জয় ত্রিপুরা (চামানু), সুকেশ দত্ত বরুয়া (মনু-ছৈলেংটা), বিপিন দেববর্মা (দামচেড়া -কাচুচড়া), ভূমিকানন্দ রিয়াং (গঙ্গানগর-গন্ডাছড়া), অনন্ত দেববর্মা (হালাহালি-আশারামবাড়ি), ডেভিড দেববর্মা (রামচন্দ্রঘাট), ইন্দ্রজিৎ দেববর্মা (সিমনা-তামাকাড়ি), রণবীর দেববর্মা (বুধজং নগর-ওয়াক্কিনগর) সহ অন্যান্যরা।

সব মিলিয়ে, আসন্ন TTAADC নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে বিজেপির এককভাবে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

৪১ দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি, সংঘাতের মাঝেও শক্তিশালী ভারতের অর্থনীতি: প্রধানমন্ত্রী

0

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের প্রভাব নিয়ে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশের জ্বালানি, অর্থনীতি ও কৃষি খাতকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে সংকট মোকাবিলার জন্য ভারত কাঁচা তেলের মজুতের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। বর্তমানে দেশের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি এবং তা ৬৫ লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি করার কাজ চলছে। পাশাপাশি তেল শোধন ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইথানল উৎপাদন ও মিশ্রণে গত ১০–১১ বছরে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। একসময় যেখানে মাত্র ১ শতাংশ ইথানল মিশ্রণ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় ২০ শতাংশে পৌঁছেছে। এর ফলে বছরে প্রায় ৪.৫ কোটি ব্যারেল তেল আমদানি কমানো সম্ভব হয়েছে।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব পড়লেও ভারত যাতে কম ক্ষতির সম্মুখীন হয়, সে জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের অর্থনৈতিক ভিত মজবুত থাকায় এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হচ্ছে এবং বিভিন্ন খাতের অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে।

কৃষি খাত নিয়েও আশ্বস্ত করেন তিনি। বলেন, দেশের কৃষকরা পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত নিশ্চিত করেছেন, ফলে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই। পাশাপাশি খরিফ মরশুমের চাষাবাদ ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে এবং সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

জ্বালানী আমদানির ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য আনা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আগে যেখানে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হতো, এখন তা বেড়ে ৪১টি দেশে পৌঁছেছে। এছাড়া সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা বেশ কয়েকটি ভারতীয় জাহাজ সম্প্রতি দেশে ফিরে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ের বিদ্যুতায়ন ও মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে দেশের মেট্রো নেটওয়ার্ক ১১০০ কিলোমিটারেরও বেশি হয়েছে, যা ২০১৪ সালে ছিল ২৫০ কিলোমিটারের কম।

গ্রীষ্মকালীন বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়েও সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে পর্যাপ্ত কয়লার মজুত রয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো বড় সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।

সবশেষে, এই সংকট মোকাবিলায় একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে, যা প্রতিদিন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকার ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ প্রচেষ্টায় বর্তমান পরিস্থিতি সফলভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।