Monthly Archives
March 2025
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকার অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। সারা দেশে পর্যটনের মানচিত্রে ত্রিপুরাকে তুলে ধরতে ওয়াটার ট্যুরিজম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এই লক্ষ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জলাশয়গুলিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ওয়াটার স্পোর্টস, স্পিড বোট, শিকারা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ প্রাঙ্গণে পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে ২০ আসনবিশিষ্ট ২টি স্পিড বোট, ৬টি শিকারার সূচনা করে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন। উল্লেখ্য, স্পিড বোটগুলি ছবিমুড়া পর্যটন কেন্দ্রের জন্য এবং শিকারাগুলি লক্ষ্মীনারায়ণ বাড়ির দীঘি, রুদ্রসাগর ও নারকেলকুঞ্জে পর্যটকদের পরিষেবা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পর্যটনমন্ত্রী আরও বলেন, আগামীদিনে আরও এই ধরনের ৫০টি নতুন বোট ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পর্যটন দপ্তরের অধিকর্তা প্রশান্ত বাদল নেগি। অনুষ্ঠানে পর্যটন দপ্তরের বিভিন্ন আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজ্যে কোটি কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারীর ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে যুক্ত রয়েছেন অনেকে। রাজ্যের স্বার্থে জমি কেলেঙ্কারীর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সুদীপ রায় বর্মন বলেন এই কেলেঙ্কারীর সাথে রাজনীতির কোন যোগাযোগ নেই। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম কেউ জড়িত নয়।
তবে একটি চক্র এই কেলেঙ্কারীর সাথে যুক্ত। তিনি রাজ্যের স্বার্থে জমি কেলেঙ্কারীর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। অবৈধভাবে জমি নামজারি হস্তান্তর বিষয় নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা করেছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। তিনি বলেন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জমি কেলেংকারী হয়েছে।
এই বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরী। জমি মাফিয়াদেরও উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা গোটা বিষয়টি সম্পর্কে বিধায়ককে চিঠি দিতে বলেছেন। তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।
রাজতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করতে চাই শাসকদল বিজেপি: জীতেন
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শুক্রবার যথাযথ মর্যাদায় পালিত হল রাজ্যের তিন বীর কন্যা শহিদ কুমারী, মধুতি এবং রূপসীর ৭৩তম শহিদান দিবস। এদিনের মূল অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সিপি আই এম সদর কার্যালয়ে। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ সংগ্রামী কুমারী, মধুতি এবং রূপসীকে শ্রদ্ধা জানান সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী।
তারপর শহীদ বেদীতে পুষ্প মাল্যদান এবং নীরবতা পালন করেন উপস্থিত নেতৃত্বরা। পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী বিস্তারিত ভাবে জানাতে গিয়ে বলেন আজ থেকে ৭৪ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৪৯ সালের ২৯ শে মার্চ খোয়াই মহাকুমার পদ্মবিল গ্রামে রাজা সৈন্যদের নির্যাতন থেকে রক্ষা করতে গ্রামের মহিলারা রুখে দাঁড়ান।
এবং রাজার সৈন্যরা গুলি ছুরতে শুরু করে সেই সময় কুমারী মধুতি রূপশ্রী এই তিন সংগ্রামী গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তারপর থেকে এই শহীদ সংগ্রামে কুমারি মধুতে এবং রুপশ্রী শহীদ দিবস পালন করা হয়। এছাড়া এদিন তিনি আরো বলেন রাজতন্ত্রের যারা ধ্বজাধারী এবং সেই রাজতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করতে চাই তারা হলেন রাজ্যের বর্তমান শাসকদল বিজেপি। বিজেপির রাজতন্ত্রের পক্ষের লোক। তারা এখন ঐক্যবদ্ধ।
কাজেই কুমারী মধুতী রূপশ্রীর যে আত্মত্যাগ বলিদানের যে লক্ষ্য তা থেকে মুক্ত হওয়ার লড়াই শেষ হয়নি। তাই আজকের দিনে রাজ্যের সমস্ত গণতান্ত্রিক অংশের মানুষকে আরো জোরদার লড়াই করতে হবে। যারা এখন বিভিন্ন কায়দায় নানা স্লোগান তুলে শোষন ফিরিয়ে আনতে চাইছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ধ্বনিত করতে হবে বলে।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মিয়ানমারে আজ শুক্রবার পরপর দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুধু মিয়ানমার নয়, এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ও শহরে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
জুন্টার তরফে টেলিগ্রামে জানানো হয়েছে, মায়ানমারের ছ’টি রাজ্য এবং প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হচ্ছে। গৃহযুদ্ধের কারণে জুন্টা অনেক এলাকায় পৌঁছোতে পারেনি। যে যে এলাকা বিদ্রোহীদের দখলে, সেখানে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কেমন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই এলাকাগুলিতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচারিত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে বহুতল ভবনটি একটি ক্রেনসহ ভেঙে পড়ছে, ধুলোর মেঘে ছড়িয়ে পড়ছে এবং আশপাশের লোকজন চিৎকার করে দৌড়ে পালাচ্ছেন। 
ভূমিকম্পের উৎসস্থল থেকে ব্যাঙ্ককের দূরত্ব অন্তত ৯০০ কিলোমিটার। তবু সেখানেও জোরালো কম্পন অনুভূত হয়। ব্যাঙ্কককে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তিন জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে ব্যাঙ্কক প্রশাসন। জরুরি সফর বাতিল করে তাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসেছেন। শহরে ট্রেন এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। 
ভূমিকম্পের ফলে ব্যাঙ্ককে ভেঙে পড়ে একটি নির্মীয়মাণ গগনচুম্বী বহুতল। সেই ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে তিন জন মারা গিয়েছেন। এখনও অনেকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। উপপ্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপে ৮১ জনের চাপা পড়ে থাকার সম্ভাবনা। উদ্ধারকাজ চলছে।
হাওড়া নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করে আগরতলা শহরের বন্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- হাওড়া নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করে আগরতলা শহরের বন্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফেন্সিং থেকে চন্দ্রপুরের দেবতাছড়া সেতু পর্যন্ত ৯.৩৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট হাওড়া বাঁধের বন্যা প্রাচীর, সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং শক্তিশালীকরণ ইত্যাদি প্রদান করে হাওড়া নদীর বাঁধের জন্য ড্রাফট কনসেপ্ট পেপার তৈরি করা হয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক দীপক মজুমদারের আনা একটি দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, তহবিলের প্রাপ্যতার উপর ২৪৮.০০ কোটি টাকার এই কাজ এপিক স্ট্যান্ডস ফর ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ই.পি.সি.) মোডে হাতে নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এছাড়াও হাওড়া নদীর ড্রেজিং এবং রিজ্যুভেনশনের জন্য মোট ১৪৫.৭১ কোটি টাকার একটি কনসেপ্ট পেপার ভারত সরকারের জলশক্তি মন্ত্রকের কাছে আগরতলা স্মার্টসিটি লিমিটেডের সহায়তায় ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর পাঠানো হয়েছে। এর টেকনো ইকোনমিক এপ্রাইজল এবং টেকনো ইকোনমিক ফিজিবিলিটি স্টাডিজ করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্যতা বিবেচনা করে এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে পূর্ত দপ্তরের জলসম্পদ বিভাগ থেকে হাওড়া নদীর গর্ভে জমাকৃত পলি, ভূপিকৃত আবর্জনা এবং নদীর চর পরিষ্কার করার জন্য বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, যা আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, একই সঙ্গে হাওড়া নদীর জলে ভূপিকৃত নোংরা, আবর্জনা ইত্যাদি ফেলা রোধ করার জন্য সামগ্রিক জনসচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। নদীর জলের স্বাভাবিক প্রবাহ যাতে ব্যাহত না হয় এবং নদীর জলও যাতে দূষিত না হয় সেজন্য এই জনসচেতনতা গড়ে তোলা আবশ্যিক।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে হাওড়া নদীর প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্তমানে বৃহত্তর আগরতলা শহরের এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার পানীয়জল ও কৃষিকাজের জলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই নদীর জলের ব্যবহার ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তিনি বলেন, নদীর ধারে কিছু জায়গায় রাস্তা এবং বাঁধ ও নদীর আড়াআড়িভাবে সেতুর স্তম্ভ, জল সংগ্রহের জন্য বালির ব্যাগ ইত্যাদি অবস্থানের জন্য নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ পরিবর্তন হচ্ছে এবং নদীর নাব্যতাও ক্রমে হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া প্রচুর গাছপালা কাটার কারণে বৃষ্টি তথা বন্যার জলে হাওড়া নদীর বিস্তীর্ণ অববাহিকা থেকে মাটি ক্ষয় হয়ে নদী গর্ভে জমা হওয়ার কারণে হাওড়া নদীর নাব্যতা হ্রাস হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে হাওড়া নদীর জলধারণ ক্ষমতাও কমে যাচ্ছে নদীতে পলি জমার কারণে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে নদীগর্ভে আবর্জনার স্তূপিকরণের কারণে, যারজন্য অল্প বৃষ্টিতে মহাপ্লাবনের সৃষ্টি হয়।
চলতি বিধানসভায় ঘটে যাওয়া অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের প্রতিক্রিয়া
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গত একুশে মার্চ শুরু হয়েছিল রাজ্য বিধানসভা বাজেট অধিবেশন। বিভিন্ন খাতে বাজেট নিয়ে আলোচনা করার পর গত ২৪ শে মার্চ বিরোধী বেঞ্চ থেকে এই অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধিবেশনের মূল বিষয়বস্তু অন্যদিকে চলে যায় যা রাজ্য বিধানসভার ইতিহাসে নজিরবিহীন। রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন কে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া নজীর বিহীন ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে নিজ অভিমত ব্যক্ত করলেন।
তিনি বলেন বিধানসভার প্রেক্ষাপট হল উত্থাপিত বিষয়বস্তু নিয়ে শাসক এবং বিরোধীদলের মধ্যে আলোচনা হওয়া, দুপক্ষের আলোচনাক্রমে মতবিরোধ ঘটবে সেটা স্বাভাবিক, কিন্তু যে বিষয় নিয়ে অধিবেশনের মূল বিষয়বস্তু থেকে সড়ে দাঁড়াতে হয়েছে এবং সেই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধী দল বিধানসভার অধিবেশন ত্যাগ করেছে, সবটাই বিধানসভার অধ্যক্ষের সম্মুখে হয়েছে।
গণতান্ত্রিক দিক দিয়ে বলতে গেলে বিধানসভার অধ্যক্ষ যে সিদ্ধান্তে দাঁড়িয়েছেন তা নিয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। কেননা দুপক্ষের দিক থেকে প্রিভিলাইজড মোশন মুভমেন্ট দাখিল করা হয়েছিল, সেই দিক থেকে বিরোধীদলকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল কারণ বিরোধীদলই তো ভুল টুটি ধরত তারাই তো ছিল আহত তাদের মনেই তো ছিল জিজ্ঞাসা, আগের দিন থেকে তারাই তো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার চেষ্টা করছিল। তাছাড়া দলের পক্ষ থেকে যে প্রিভিলাইজড মোশন মুভ করা হয়েছিল তা কতটা দেরিতে হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে তা সত্ত্বেও বিরোধীদলকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল বলে নিজ মন্তব্যে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।
পর্যটনকে সমগ্র রাজ্যে জীবনজীবিকা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: পর্যটনমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পর্যটনকে সমগ্র রাজ্যে জীবনজীবিকা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক মাইলায়ু মগের এক প্রশ্নের উত্তরে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, দক্ষিণ ত্রিপুরায় অবস্থিত মনু বিধানসভার অন্তর্গত মহামুনি বৌদ্ধ মন্দিরের উন্নয়নে পর্যটন দপ্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সাব্রুমের বনকুলস্থিত মহামুনি বৌদ্ধ মন্দির, মহামুনি পেগোডা, ধম্মদীপা ইন্টারন্যাশনাল বৌদ্ধিস্ট ইউনিভার্সিটি, ধম্মদীপা স্কুল, শাক্যমুনি ওয়ার্ল্ড পিস পেগোডা ইত্যাদি বৌদ্ধস্থাপনা এবং লুধুয়া চা বাগানকে নিয়ে একটি বৌদ্ধ সার্কিট গড়ে তোলা।
এই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে দক্ষিণ ত্রিপুরার বিভিন্ন বৌদ্ধস্থাপনাগুলি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের প্রজেক্ট ডিজাইন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট টিম পরিদর্শন করেছে। পর্যটনমন্ত্রী জানান, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের অর্থ সাহায্য পাওয়া গেলে এই পরিকল্পনা রূপায়ণের কাজ দ্রুত শুরু হবে।
বিধায়ক স্বপ্না মজুমদার এবং বিধায়ক স্বপ্না দাস পালের অন্য দুটি পৃথক প্রশ্নের উত্তরে পর্যটনমন্ত্রী জানান, রাজনগর বিধানসভার অন্তর্গত চোত্তাখলা মৈত্রী পার্কটি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে পর্যটন দপ্তর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তিনি জানান, ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক কর্তৃক স্বদেশ দর্শন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের মাধ্যমে ‘ভারত-বাংলা মৈত্রী উদ্যান’ পর্যটন কেন্দ্রটির উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে।
আগরতলা পুর এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৬৭ শতাংশ পরিবারে পানীয়জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা পুর এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৬৭ শতাংশ পরিবারে এখন পর্যন্ত পানীয়জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান বর্তমানে আগরতলা পুর এলাকায় অটল মিশন ফর রিজুডেনেশন অ্যান্ড আরবান ট্রান্সফরমেশন-২.০ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে আরও ১৩ শতাংশ পরিবারকে পানীয়জলের সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ২০ শতাংশ পরিবারে পানীয়জলের সংযোগ দেওয়ার জন্যে দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে ত্রিপুরা জল বোর্ড কাজ করে চলেছে।
এই দুটি প্রকল্পের মধ্যে দৈনিক ৫.৫০ মিলিয়ন লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাউন্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করার জন্য দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া দৈনিক ৬.৪২ মিলিয়ন লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করার জন্যে দরপত্র আহ্বান করার কাজ এগিয়ে চলেছে।
জল সরবরাহের লক্ষ্যে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে ৭টি উদ্ভাবনী প্রকল্প চালু: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam


