Monthly Archives
March 2025
ছাত্রদের স্বার্থ সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আরো সক্রিয় হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি আইপিএফটি’র ছাত্র সংগঠনের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- একটু একটু করে শক্তি সঞ্চয় করছে আই পি এফ টি। শনিবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে দলের ছাত্র সংগঠন অল ত্রিপুরা ইভিজিনিয়াস স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন থেকে নতুন কমিটি গঠন সহ সাংগঠনিক দিক, আগামী দিনের কর্মসূচি, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই সমস্ত বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
তাতে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতি প্রেম কুমার রিয়াং, মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া, রাজ্য নেতা স্বপন দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। মন্ত্রী শুক্লা চরণ জানান, ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দল ছেড়ে চলেগিয়েছিলেন আহলাদ দেববর্মা।
এদিন তিনি তার অনুগামীদের নিয়ে পুনরায় আই পি এফ টি তে যোগ দেন। রাজ্যে দলের ৩৩ টি বিভাগীয় কমিটি রয়েছে। প্রতিটি বিভাগ থেকে ৭-৮ জন করে ছাত্র প্রতিনিধিরা আসেন বলে দাবি করেন তিনি। আগামী দিনে এই ছাত্র সংগঠন বিভিন্ন ইস্যুতে আরো সক্রিয় হয়ে উঠবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, অল ত্রিপুরা ইন্ডিজিনিয়াস স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বিগত দিনগুলিতে কিছুটা নিষ্ক্রিয় ছিল। অথচ তাদের হাতে ছাত্রদের স্বার্থ সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে। সংগঠন এখন কি ভূমিকা নেয় সেটাই দেখার।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নিজ বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো এক যুবকের। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে রাজধানীর ভট্টপুকুর কালিটিলা এলাকায়। মৃতের নাম ঝুটন সুত্রধর, বয়স ৪২। শনিবার সকালে নিজ বাড়িতেই বিদ্যুতের কাজ করছিলেন তিনি। তখন কোনো ভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। কিছুক্ষনের মধ্যেই বাড়ির লোকেরা তাকে আই জি এম হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অকস্মাৎ এই মৃত্যুর ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন বাড়ির লোকেরা। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকাবাসীও হাসপাতালে ছুটে আসেন।
ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ওই যুবক ঠিক কিভাবে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়েছে তা সঠিকভাবে বলতে পারছেন না পরিবারের লোকেরাও। এর আগেও এই ধরনের বহু ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞতার কারনেই সাধারণ মানুষ বাড়ি ঘরে বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে এইভাবে মৃত্যুর মুখে পড়েন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ২ শতাংশ মহার্য ভাতা (ডিএ) বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা। এই বৃদ্ধির ফলে মূল বেতনের মোট ডিএ হবে ৫৫.৯৮ শতাংশ। যা আগে ছিল ৫৩.৯৮ শতাংশ। এই বৃদ্ধির সুবিধা পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী থেকে পেনশনভোগীরা। তবে গত কয়েক বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে কম মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি।
কোভিডের সময়ে তিন কিস্তি ডিএ স্থগিত করে দেওয়ার পরে ২০২১ সালে আবার ডিএ দেওয়া শুরু করে কেন্দ্র। তখন থেকে তিন বা চার শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে ৫০ থেকে ৫৩ শতাংশ হয়েছিল কেন্দ্রীয় মহার্ঘভাতা। কিন্তু এ বার ডিএ বৃদ্ধির হার কমছে কেন? মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কর্মীদের মহার্ঘভাতা দেয় সরকার।
হিসাবে বলছে, এই ত্রৈমাসিকে খুচরো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম। এটাই ডিএ নির্ধারণের অন্যতম মানদণ্ড। সেই কারণে এ বার ডিএ বৃদ্ধির হার কমছেবলে মনে করা হচ্ছে। অন্য দিকে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বর্ধিত ডিএ কার্যকর হবে। সে কথা গত মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে নবান্ন।
এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৮ শতাংশ। পেনশনভোগীরাও সুবিধা পাবেন। তাঁদেরও ডিআর (মহার্য ত্রাণ) বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৮ শতাংশ। তার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে এ রাজ্যের কর্মীদের ডিএর ফারাক ছিল ৩৫ শতাংশ। এ বার সেই ফারাক দাঁড়াচ্ছে দাঁড়াচ্ছে ৩৭ শতাংশ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শহর আগরতলায় ৩ বছরের একটি শিশু মা বাবার কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। যদিও কিছুক্ষনের মধ্যেই সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় শিশুটিকে পাওয়া যায়। তারা পুলিশের হাতে তুলে দিলে পুলিস শিশুটিকে তার মা বাবার কাছে পৌঁছে দেয়।
তবে এই ধরণের ঘটনায় সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন পশ্চিম আগরতলা থানার ওসি। কারণ ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আই টি সেক্টরকে যেমন জানানো হয়েছে তেমনি পুলিশ প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে অবগত করা হয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- কৈলাসহরের মনু নদীর বাঁধ নির্মাণে ব্যাপক কারচুপি। দপ্তরের নির্দিষ্ট গাইডলাইন না মেনে মর্জি মাফিক কাজ করছে ঠিকেদার। কাজের গুনগত মান নিয়ে শুরুতেই প্রশ্ন উঠেছে। রহস্যজনক কারনে শাসক দলের নেতা কর্মীরা নীরব দর্শকের ভূমিকায়। ৫ দফা দাবি নিয়ে সিপিএমের ডেপুটেশন।
বন্যা কবলিত কৈলাসহরকে রক্ষা করতে সাম্প্রতিক কালে কৈলাসহরের মনু নদীর পাড়ের বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজের শুরুতেই দপ্তরের নির্দিষ্ট গাইডলাইন মানা হচ্ছে না। কাজের শুনগত মান নিয়ে গোটা কৈলাসহরবাসী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও সরব হয়েছেন।
এরই পাশাপাশি বামপন্থীরাও মাঠে নেমে বাঁধের নিম্নমানের কাজের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। শনিবার দুপুরে সি.পি.আই.এম কৈলাসহর মহকুমা কমিটির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধি দল ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক দিলিপ কুমার চাকমার নিকট এক ডেপুটেশনে মিলিত হয়। উল্লেখ্য, কৈলাসহর মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় মনু নদীর পাড়ের বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হয়নি।
২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে কৈলাসহরের দুর্গাপুর এলাকায় মনু নদীর পাড়ের বাঁধ ভেঙে গিয়ে প্রায় সাতদিন শহরবাসীরা জলমগ্ন ছিলো। দীর্ঘ তালবাহানার পর সাম্প্রতিক কালে বাঁধের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজটি খুবই নিম্নমানের হচ্ছে। দপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী বাঁধের উপর ছাব্বিশ সেন্টিমিটার মাটি ফেলে সেই মাটির উপর জল ঢেলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন দিয়ে ভাইব্রেটিং করে ফের ছাবিবশ সেন্টিমিটার মাটি ফেলে জল ঢেলে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন দিয়ে ভাইব্রেটিং করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।
ডেপুটেশন শেষে সি.পি.আই.এম কৈলাসহর মহকুমা কমিটির সম্পাদক অঞ্জন রায় সংবাদ প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন সঠিকভাবে বাঁধের কাজ না হলে আগামী বর্ষায় গোটা কৈলাসহর জলমগ্ন হয়ে যাবে। গাইড লাইন মোতাবেক বাঁধের উপর পিচ রাস্তা এবং ইট সলিং রাস্তার ইট তোলে কাজ করার কথা থাকলেও ইট না তোলে কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজের সাইডে গিয়ে প্রতিবাদকরলেও ঠিকাদার কারোর কথা শোনছেন না বলে অভিযোগ।
আগরতলা পুর নিগমের বর্ধিত এলাকাগুলিতে সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা পুর নিগমের বর্ধিত এলাকাগুলিতে সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এই এলাকাগুলি ২০১৮ সালে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে আগরতলা পুর নিগমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আজ বিধানসভায় রেফারেন্স পিরিয়ডে বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের জনস্বার্থে আনা এক নোটিশের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এই তথ্য জানান।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০২২ সালের পুর নির্বাচনের পর থেকে পুর নিগমের বর্দ্ধিত এলাকাগুলিতে মুখ্যমন্ত্রী নগর উন্নয়ন প্রকল্প, পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প, আমরুত, স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স টু স্টেট ক্যাপিটেল ইনভেস্টমেন্ট ইত্যাদি প্রকল্পে রাস্তাঘাট, ড্রেইন, বিশুদ্ধ পানীয়জল, বিদ্যুৎ, শৌচালয় নির্মাণ ইত্যাদি উন্নয়নমূলক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যেই অনেকগুলি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ২০.৪৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ (কংক্রিট ঢালাই, ইট সলিং, পেভার ব্লক), ১৪.৭৫ কিলোমিটার ড্রেইন নির্মাণ, ৩,৯৬২টি বিশুদ্ধ পানীয়জলের সংযোগ, ৯৩টি মাঝারি নলকূপ স্থাপন, ১টি কমিউনিটি হল নির্মাণ, ১টি কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণ, ১,৩২৯টি বৈদ্যুতিকরণ (স্ট্রিট লাইট), ২৭.৯৬ কিলোমিটার স্ট্রিট লাইট ফেইজ, ৫২৩টি রোপ লাইট ইত্যাদি।
এই কাজগুলি ছাড়াও ৪৯নং ওয়ার্ডের আমতলী বাইপাসে ইউনিটি মল নির্মাণের কাজ চলছে। এরজন্য ১৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়াও পুর নিগমের বর্দ্ধিত এলাকাগুলির উন্নয়নের জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের কাছে ১২২ কোটি টাকা ঋণ চাওয়া হয়েছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সব অংশের মানুষের কল্যাণে এবারের বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। মহিলা, ছাত্রছাত্রী, যুব অংশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা প্রভৃতি সব ক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্যই এই বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। আজ বিধানসভা অধিবেশনে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য বাজেটের উপর বিরোধীদের আনা ছাটাই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায় একথা বলেন।
বিরোধী সদস্যদের আনা ৭৩টি ছাটাই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায় বাজেট আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিধায়কদের ধন্যবাদ জানান। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলনে, বর্তমান সরকার দেনার দায়ে জর্জরিত বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বলেন, এই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া প্রয়োজন।
তথ্য দিয়ে তিনি জানান, ২০১৭-১৮ অর্থ বছর পর্যন্ত রাজ্যের মোট দেনার পরিমাণ ছিল ১২,৯০৩ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রাজ্যের ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাড়ায় ১৪,৭৭৯ কোটি টাকা। এভাবে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে রাজ্য সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাড়ায় ২১ হাজার ৮-৭৮ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা। অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বকেয়া ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ৪৯৮ কোটি টাকা, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৮৮৯ কোটি, ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৭৪১ কোটি, ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৬৫৬ কোটি, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৯৯২ কোটি, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৯০৪ কোটি টাকা।
তিনি জানান, ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছর পর্যন্ত ৪৬৮০ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে সুদ প্রদান করা হয়েছে ৮৮৬ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ১০১৮.৯৫ কোটি, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ১১২৪.৯৮ কোটি, ২০২০-২১ অর্থ বছরে ১২৮৪.৮১ কোটি, ২০২১-২২ অর্থ বছরে ১৩৯৮. ১৬ কোটি, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১৩৭৩.৫২ কোটি এবং ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ১৩৩৩.৪২ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে ২০১৭-১৮ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছর পর্যন্ত ৮৪২০.৭৩ কোটি টাকা সুদ বাবদ প্রদান করা হয়েছে। এই অর্থ বছর গুলিতে ঋণ পরিশোধ এবং সুদ দেওয়া হয়েছে ১৩১০০.৭৩ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার গত দুটি অর্থ বছরে (২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪) কোন ধরণের ওপেন মার্কেট বরোইং করেনি। রাজ্যের আর্থিক শৃঙ্খলার জন্য সম্প্রতি ষোড়শ অর্থ কমিশনও রাজ্য সরকারকে বাহবা জানিয়েছে।
আগামী ২ বছরের মধ্যে ত্রিপুরাকে দেশের পর্যটন মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ চলছে: পর্যটনমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিকশিত ভারত গঠনে যে স্বপ্ন দেখেছেন তাতে ত্রিপুরাও আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে সক্ষম হবে। এবারের রাজ্যের বাজেট সেভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে। এই বাজেট সর্বস্পর্শি এবং প্রতিটি অংশের মানুষের কথা মাথায় রেখেই বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য বিধানসভায় পেশ করা বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন।
পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী আলোচনায় অংশ নিয়ে আরও বলেন, ত্রিপুরা ক্রমশ আত্মনির্ভর হচ্ছে। রাজ্যের গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বেড়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। আমরা ক্রমশ বিকশিত ত্রিপুরার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেই এবারের বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। এপ্রসঙ্গে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, জনজাতি কল্যাণ, পর্যটনের প্রসার প্রভৃতি ক্ষেত্রে রাজ্যের উন্নয়নের তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর জন্য নানা পরিকল্পনা রূপায়ণ করা হচ্ছে। নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন, মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, কৃষির অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি, সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় প্রভৃতির কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যতদিন থাকবে ততদিন কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা হবে। তিনি বলেন, আগামী ২ বছরের মধ্যে ত্রিপুরাকে দেশের পর্যটন মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ চলছে। এই বাজেট যারা বিরোধীতা করছেন তারা রাজ্যের মানুষের আশা আকাঙ্খার বিরোধীতা করছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

