Monthly Archives
January 2025
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- গুলেন বারি সিনড্রোম বা জিবিএস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে। এর মধ্যেই গুজরাটে এক ব্যক্তির মৃত্যু হল কঙ্গো ফিভারে। গত ৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম এই অসুখে এদেশে কারও প্রাণ গেল। স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। অসুখটির নাম ক্রিমিন-কঙ্গো হেমোরাজিক ফিভার তথা সিসিএইচএফ। যদিও সকলে একে কঙ্গো ফিভার নামেই চেনে। গুজরাটের মোহনভাই নামের এক ৫১ বছরের ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অসুখে। পেশায় তিনি গবাদি পশু পালনকারী।
২১ জানুয়ারি তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল, সোমবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওই ব্যক্তি। তাঁর রক্তের নমুনা পুণেতে পাঠানো হলে দেখা যায়, শরীরে লুকিয়ে রয়েছে কঙ্গো ফিভার ছড়ানো ভাইরাস। গুজরাটের স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে ওই অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মৃতের পরিবারের কাছে প্রশাসনের তরফে আর্জি জানানো হয়েছে, যেন সকলে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকেন।
কী উপসর্গ এই অসুখের? জ্বর, পেশির ব্যথা, মাথায় যন্ত্রণা ও ঝিমুনির মতো উপসর্গ ছাড়াও ঘুম না আসা, অবসাদ ও পেটব্যথাও হতে থাকে সংক্রমিত হওয়ার দুই থেকে চারদিনের মধ্যে। এছাড়া মুখে, গলায় ও দেহের অন্যত্র র্যাশ বেরনোর মতো উপসর্গও দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঢচ্ছঞ্জ আগেই জানিয়েছে, এই অসুখে মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ। এখনও এর কোনও টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। সাধারণত গৃহপালিত প্রাণীর থেকে ছড়ালেও মানুষ থেকে মানুষেও এই ভাইরাস সংক্রমতি হতে পারে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করতে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। আজ মোহনপুর বাজার নাট মন্দির প্রাঙ্গণে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক সুসংহত স্বাস্থ্য শিবিরের উদ্বোধন করে কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন। ত্রিপুরা রাজ্য এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির উদ্যোগে এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কার্যালয়, মোহনপুর পুরপরিষদ ও মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহযোগিতায় এই শিবিরের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কৃষক কল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা জেলা, মহকুমা ও গ্রামস্তরেও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার নেশার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে। তবে এই বিষয়ে শুধু প্রশাসন নয় সমাজের সব অংশের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী স্কুল, কলেজে নেশার কুফল নিয়ে সচেতনতা শিবির আয়োজনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
শিবিরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির প্রকল্প অধিকর্তা ডা. সমর্পিতা দত্ত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন অনিতা দেবনাথ, মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রাকেশ দেব, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. রঞ্জন বিশ্বাস প্রমুখ। শিবিরে ৪০৯ জনকে চিকিৎসা করে বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়া হয়। শিবিরে দু’জন যক্ষ্মা রোগীর হাতে পুষ্টিকর খাদ্যের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।
মহাকুম্ভে পুণ্যার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় যোগীর প্রশাসনকে নিশানায় নিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে পুণ্যার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় যোগীর প্রশাসনকে নিশানায় নিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি রাহুলের অভিযোগ, ভিভিআইপিদের সুবিধা দিতে গিয়ে সাধারণ পুণ্যার্থীদের অবহেলা করেছে যোগীর প্রশাসন। যার জেরেই মর্মান্তিক এই ঘটনা। মহাকুম্ভে অবিলম্বে এই ভিভিআইপি সংস্কৃতি বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন রাহুল।
মৌনী অমাবস্যার ‘অমৃতস্নান’ উপলক্ষে মঙ্গলবার রাত্রি দুটো নাগাদ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে মহাকুম্ভে। স্নানের জন্য ঘাটে ভিড় জমিয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী। সেখানেই ১১ থেকে ১৭ নম্বর খুঁটির মাঝে ভিড়ের চাপে ব্যারিকেড ভেঙে যায়। যার জেরে পদপিষ্ট হন বহু মানুষ। দুর্ঘটনায় ৩০ থেকে ৪০ জন আহত ও ১০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কুম্ভের অস্থায়ী হাসপাতালে।
এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক চরম আকার নেয়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে ফোন করে ঘটনার বিস্তারিত খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়। এদিকে মর্মান্তিক এই ঘটনায় যোগীর প্রশাসনের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে রাহুল অভিযোগ করেন, ‘এই দুঃখজনক দুর্ঘটনার নেপথ্যে মূল কারণ অবশ্যই চরম অব্যবস্থা। সাধারণ পুণ্যার্থীদের অবহেলা করে ভিভিআইপিদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।
‘ পাশাপাশি যোগী সরকারকে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘মহাকুম্ভে এখনও অনেকদিন ধরে চলবে। একাধিক মহাস্নান এখনও বাকি। যে ঘটনা ঘটেছে এর পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে তার জন্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা উচিত। ভিভিআইপি সংস্কৃতিতে লাগাম টেনে সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’ এছাড়াও কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রাহুলে বার্তা, তাঁরা যেন স্বজনহারা পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ান ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। অবশ্য রাহুল গান্ধী যোগী সরকারের বিরুদ্ধে ভিভিআইপি সংস্কৃতির অভিযোগ তুললেও, মহাকুম্ভে এই ঘটনা প্রথমবার নয়।
কুম্ভের অতীত ইতিহাস বলছে, এই ভিভিআইপি সংস্কৃতির জন্য বারবার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা দেখেছে কুম্ভমেলা। ১৯৮৬ সালে কংগ্রেস জমানায় হরিদ্বারে কুম্ভে যোগ দিতে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের বীর বাহাদুর সিং।
বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্র সংকটে থাকবে, কর্মসংস্থানের অভাবের জন্যে দায়ী বিজেপি : প্রকাশ কারাত
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিগত এক দশকে দেশের মধ্যে অসামজ্যসতা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ধনী ও গরিবের মধ্যে পার্থক্য বেড়েছে। দেশের ১ শতাংশ মানুষের হাতে ৪০ শতাংশ সম্পদ সঞ্চিত রয়েছে। এই অভিযোগ করলেন সিপিএমের পলিট ব্যুরোর সদস্য প্রকাশ কারাত। বুধবার আগরতলায় সমাবেশে ভাসান দেওয়ার সময় তিনি শাসক দলের সমালোচনাও আরো বলেন, বামফ্রন্টের আমলে ত্রিপুরায় রেগায় বছরে ৯০ দিনের উপর কাজ হতো। এখন এর এক তৃতীয়াংশ কাজও হয়না। আদিবাসী এলাকায় অনাহারে মানুষ মারা যাচ্ছে। রাজ্যে আর এস এস এবং বিজেপি সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
প্রকাশ কারাত বলেন বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্র সংকটে থাকবে। তিনি এক দেশ এক ভোট নীতিরও সমালোচনা করেন। কর্মসংস্থানের অভাবের জন্যে দায়ী করেন বিজেপি সরকারকে। কারাত এদিন কর্মসংস্থান থেকে পুঁজিবাদ এমনকি রাজ্যে সন্ত্রাস, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সমস্ত ইস্যুতেই আলোকপাত করেন। এক দেশ এক ভোট নীতির সমালোচনা করতে গিয়ে বলেন, তা লাগু করতে গেলে অনেক রাজ্যে বিধানসভা তিন বছর বা দুই বছরেই ভেঙ্গে দিতে হবে।
এটা যুক্ত রাষ্ট্রী কাঠামোর পরিপন্থী। এদিকে কর্মসংস্থান ইস্যুতে বলেন, বিজেপি সরকার নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। মানুষ কাজ হারাচ্ছে। বেকারদের কর্মসংস্থান নেই। এদিকে রাজ্যের বেশ কয়েকটি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় তিনি বিজেপি এবং আরএসএসকে দায়ি করেন। বলেন, এদের সম্মিলিত চক্রান্তের ফলেই হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। বিগত বামফ্রন্টের আমলে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেনি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়েও সরকারের সমালোচনায় সরব হন তিনি।
মহাকুম্ভে পুণ্যার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে পুণ্যার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত ‘দুঃখজনক’ বলে আখ্যা দিয়ে বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে এল প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি। জানালেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন তিনি। প্রশাসনের তরফে পুণ্যার্থীদের সমস্তরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। মৌনী অমাবস্যার ‘অমৃতস্নান’ উপলক্ষে বুধবার বাত্রি দুটো নাগাদ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে মহাকুন্তে। স্নানের জন্য ঘাটে ভিড় জমিয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী। সেখানেই ১১ থেকে ১৭ নম্বর খুঁটির মাঝে ভিড়ের চাপে ব্যারিকেড ভেঙে যায়। যার জেরে পদপিষ্ট হন বহু মানুষ। অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই তিন থেকে চারবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে ফোন করে খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। সমস্তরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। এর পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, ‘প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভে যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
দুর্ঘটনার মৃতদের পরিবারের প্রতি আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। পাশাপাশি যারা আহত হয়েছেন তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। স্থানীয় প্রশাসন সকল পুণ্যার্থীদের উদ্দেশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি নিজে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। প্রতিটি মুহূর্তের বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি। দুর্ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, রাজ্যপাল আমায় ফোন করে খোঁজ নিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সরকারি আধিকারিকরা উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন। মানুষের ভিড় অত্যন্ত বেশি।
সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩ কোটি মানুষ স্নান করেছেন। আখড়াদের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, আগে পুণ্যার্থীবা স্নান করুক। ভিড় কিছুটা কমলে তারপর আমরা স্নান করব।” পাশাপাশি বলেন, “পুণ্যার্থীদের জন্য আমার বার্তা, প্রয়াগরাজের ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত অসংখ্য অস্থায়ী ঘাট তৈরি করেছি আমরা। সবই গঙ্গা মায়ের ঘাট। আপনারা যে যেখানে আছেন সেখানে স্নান করুন।” এছাড়া প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আবেদন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবং পূণ্যার্থীদের কাছে তার আর্জি, ‘কোনওরকম গুজবে কান দেবেন না।’
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- এক গর্ভবতী মহিলাকে বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে ফের ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে সন্তান প্রসবের এক অনন্য নজির গড়ল কাঞ্চনপুর মহকুমা হাসপাতালের ১০২ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। জরুরি অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সেই সন্তানের জন্ম দিয়ে ফের একবার প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করলেন ওই পরিষেবায় কর্মরত ইমারজেন্সি মেডিকেল টেকনিশিয়ান দেবু নাথ। ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই শুরু হয় প্রসব যন্ত্রণা।
পরিস্থিতি দেখে ইমারজেন্সি মেডিকেল টেকনিশিয়ান দেবু নাথ দ্রুত উদ্যোগ নেন। তার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং তৎপরতায় সফলভাবে সন্তানের জন্ম হয় অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই। মা এবং নবজাতক দুজনেই সুস্থ রয়েছেন। ওই ঘটনা এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা দেবু নাথের কাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
হাসপাতালের কর্মী ও স্থানীয় মানুষজন এই ঘটনা নিয়ে গর্বিত। অনেকেই মনে করছেন, দেবু নাথের এই সাহসী এবং মানবিক পদক্ষেপ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। প্রসঙ্গত, ১০২ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা রাজ্যে সাধারণ মানুষের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষত প্রত্যন্ত এলাকার মানুষজনের জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই পরিষেবা এক অত্যাবশ্যক মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর নামে স্বর্ণপদক চালু করলো উত্তরপ্রদেশের কিং জর্জ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- উত্তরপ্রদেশের কিং জর্জ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন পুরস্কার চালু করা হলো। দন্ত বিজ্ঞান অনুষদের ওরাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগে অবদান রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উত্তরপ্রদেশ লখনউ ওরাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের পক্ষ থেকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহার নামে স্বর্ণপদক প্রদানের ঘোষণা করেছে।
ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে এই স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে। এই স্বর্ণপদক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে উদ্বোধন করা হবে। এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের কিং জর্জ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এই বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে এই স্বর্ণপদক প্রদান করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
সিপিআইএমকে ভয় পাচ্ছেন বিজেপি এরা বুঝতে পেরেছে তাদের দিনগোনা শুরু হয়েছে : জিতেন্দ্র
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মস্ত জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে রবীন্দ্র ভবনের সামনেই অনুষ্ঠিত রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের ২৪তম রাজ্য সম্মেলন। এদিন জনসমাবেশ শুরু হওয়ার আগে আগরতলা টাউন হলে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করেন সিপি আই এম সমন্বয়কারী প্রকাশ কারাত। শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পার্টির নেতৃবৃন্দরা। 
রাজ্য সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্যে রাজ্যের প্রতিটি কোনা থেকে উঠে আসে কর্মী সমর্থকরা। এমনকি ধর্মনগর, সাব্রুম, কমলপুর, সহ একাধিক জায়গার থেকে আগত সিপিআইএমের কর্মী সর্মথকদের বাঁধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া খোয়াই ও ধলাই জেলার কর্মীদের ভয় দেখিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 
তা সত্বেও রাজ্য সম্মেলনে অংশ নিতে আগরতলামুখী কর্মী সমর্থকরা অনেকে অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে এসে যোগ দিয়েছেন রাজ্য সম্মেলনে। এদিনের সম্মেলনস্থলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক তথা বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে প্রশ্ন ছুড়ে জিজ্ঞেস করেন, সিপিআইএমকে এতো ভয় পাচ্ছেন কেন? কারণ এরা বুঝতে পেরেছে তাদের দিনগোনা শুরু হয়েছে।
তাই রাজ্যবাসীকে সিপিআইএমমুখী হতে দিচ্ছে না বিজেপি। পাশাপাশি ত্রিপুরায় সি পি আই এমকে রুখতে নিরলসভাবে চেষ্টা করছে বিজেপি বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। এদিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর, প্রবীণ সিপিআইএম নেতা অঘোর দেববর্মাসহ অন্যান্যরা।



