November 2024
বর্তমান শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ তাদের ভবিষ্যৎ শিশু বিশেষজ্ঞদের হাতে : মুখ্যমন্ত্রী
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কার্যক্রমও চালু রয়েছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শূন্য থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু ও কিশোর কিশোরীদের জন্মগত সমস্যা গুলি চিহ্নিত করে বিনা পয়সায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক ত্রিপুরা শাখার বার্ষিক রাজ্যভিত্তিক কনফারেন্সের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।
ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক ত্রিপুরা শাখার বার্ষিক রাজ্য ভিত্তিক কনফারেন্স হয় শনিবার। রাজধানীর আইএমএ হাউসে কনফারেন্সের সুচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডঃ সঞ্জীব দেববর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের রাজ্য মিশন অধিকর্তা সহ অন্যান্যরা। কনফারেন্সে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশু বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন বর্তমান শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। দেশের ভবিষ্যৎ শিশু বিশেষজ্ঞদের হাতে। শিশুদের শারীরিক মানসিক বিকাশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। রাজ্য সরকার পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে রাজ্য ভিত্তিক স্কুল হেলথ মিশন চালু করেছে। ১২৫ টি বিদ্যাজ্যোতি স্কুলে প্রথমে এই প্রজেক্ট চালু করা হয়েছে। সফলতা পাওয়া গেলে রাজ্যের অন্যান্য বিদ্যালয় গুলিও এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
শিশুদের বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে এই মিশন চালু করা হয়েছে। ৬ টি পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে এই মিশন চালু করা হয়েছে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব, সুস্থ কৈশুর অভিযান চলছে রাজ্য জুড়ে। রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কার্যক্রমও চালু রয়েছে। এই কার্যক্রমের মধ্যমে শূন্য থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু ও কিশোর কিশোরীদের জন্মগত সমস্যা গুলি চিহ্নিত করে বিনা পয়সায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
অ্যানিমিয়া মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে সমগ্র দেশ জুড়ে চলছে কর্মসূচি। টি-৩ ক্যাম্প করা হচ্ছে জায়গায় জায়গায়। মুখ্যমন্ত্রী এইদিন বলেন সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বর্তমানে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
স্ট্রীট ভেন্ডরদের আত্মনির্ভর করে তোলতে পিএম স্বনিধি যোজনার মাধ্যমে বিনা আমানতে ঋণ প্রদান
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- স্ট্রীট ভেন্ডারদের হাতে লোনের চেক তুলে দিলেন পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। করোনার প্রকোপ চলাকালীন সময় ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের স্ট্রীট ভেন্ডাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাদের কথা চিন্তা করে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী পিএম স্বনিধি যোজনা নামে একটি স্কীম চালু করেন।
এই স্কীমের মূল উদ্দেশ্য স্ট্রিট ভেন্ডারদের আর্থিক মানোন্নয়ন করা। এই স্কীমের মাধ্যমে স্ট্রীট ভেন্ডারদের ১০ হাজার টাকা জামানত মুক্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঋনের টাকা এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করলে পরবর্তী সময় ২০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়ার হবে।
এই ভাবে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এই স্কীমে।এখনো পর্যন্ত পুর নিগম এলাকায় ১,৪১৭ জন স্ট্রীট ভেন্ডরকে ১০ হাজার টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়েছে। ৪৪৮ জনকে ২০ হাজার টাকা করে ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং ১১৩ জনকে ৫০ হাজার টাকা করে ঋন প্রদান করা হয়েছে।
১৮ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘স্ব-নিধি ভি স্বভিমান ভি পখোয়ারা’-এর পক্ষকাল ব্যাপী প্রচার অভিযানের অঙ্গ হিসাবে শনিবার আগরতলা পুর নিগমের পূর্ব জোনাল অফিসে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে স্ট্রীট ভেন্ডরদের হাতে ঋণের চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, পুর নিগমের পূর্ব জোনের চেয়ারম্যান কর্পোরেটর সুখময় সাহা সহ অন্যান্যরা।
এদিন ঋণ প্রদানের পাশাপাশি স্ট্রীট ভেন্ডরদের জন্য স্বাস্থ্য শিবিরেরও আয়োজন করা হয়। এই দিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র দীপক মজুমদার বলেন প্রধানমন্ত্রী স্ট্রীট ভেন্ডরদের আর্থিক অবস্থার কথা চিন্তা করে তাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বন করার উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প চালু করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাধারাকে মান্যতা দিয়ে আগরতলা পুর নিগম এলাকার স্ট্রীট ভেন্ডরদের আর্থিকভাবে আত্মনির্ভর করার লক্ষ্যে জামানত মুক্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের ঐকান্তিক ইচ্ছা সকলকে আত্মনির্ভর করার। শুধুমাত্র শহরাঞ্চলের স্ট্রীট ভেন্ডারদের নয়, পুর এলাকার প্রতিটি ভেন্ডারকেই এই সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। লোনের চেক পেয়ে খুশি ভেন্ডাররা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সীমান্তে শুধু সুরক্ষায় নয়, মুমূর্ষু রোগীর সেবায় এগিয়ে আসছেন ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা। শনিবার রক্তদান করেন জওয়ানরা।বিএসএফ-র ৬০ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আগরতলার শালবাগানস্থিত বিএসএফ ক্যাম্পে আয়োজন করা হয় এক রক্তদান শিবির।
রক্তদান শিবিরের সুচনা করেন মুখ্য সচিব জে কে সিনহা। উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ-র আইজি পীযূষ প্যাটেল সহ অন্যান্যরা। শিবিরে এদিন বিএসএফ জওয়ান ও তাদের পরিবারের সদস্যরা রক্তদান করেন।
বিএসএফ-র প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করার জন্য বিএসএফ জওয়ানদের শুভেচ্ছা জানান রাজ্যের মুখ্য সচিব জে কে সিনহা। তিনি আরও বলেন সীমান্তে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানরা রক্তদানে এগিয়ে এসেছে। এদিন শিবিরে রক্তদাতাদের মধ্যে বেশ উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বর্তমান সরকার মিডিয়া বান্ধব সরকার। বর্তমানে নতুন নতুন অনেক সংবাদপত্র ছাপা হয়। বর্তমানে রাজ্যের মানুষ স্থানীয় সংবাদপত্রকে বেশি গুরুত্ব দেয়। সংবাদপত্রের পাশাপাশি বর্তমানে বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমেরও গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার আগরতলা প্রেসক্লাবে মিডিয়া ওয়াকশপের উদ্বোধন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।
তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সহযোগিতায় রাজ্যে কর্মরত সাংবাদিক, সংবাদ প্রতিনিধি, চিত্র সাংবাদিক ও সংবাদ পাঠক পাঠিকাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করেছে। ১ ডিসেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর এই কর্মশালা হবে। শুক্রবার আগরতলা প্রেসক্লাবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা।
অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব পিকে চক্রবর্তী, অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য, সম্পাদক রমাকান্ত দে সহ অন্যরা।এদিন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয় প্রেসক্লাবের লিফট-র।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ কোন অবস্থায় বরদাস্ত করা হবে না । তিনি আরও বলেন বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠার পর যেখানেই সাংবাদিকদের সমস্যা হচ্ছে সেখানেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কর্মশালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মশালায় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাংবাদিকরা অংশ নেবেন।
রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে বেকারদের স্বার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শিক্ষা, গ্রামোণ্ণয়ন, কারা সহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রচুর লোক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। শুক্রবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা জানান পর্যটন-পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রতিটি বৈঠকেই রাজ্যের বেকারদের স্বার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।
এই বৃহস্পতিবারের বৈঠকেও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত হয়। শুক্রবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা জানান পরিবহণ–পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তিনি জানান, গ্রামোণ্ণয়ন দপ্তরে ১৯৮ টি জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে লোক নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে যারা ডিগ্রি প্রাপ্ত তারা ১০৫ টি পদে ও যারা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিপ্লোমা করেছেন তারা ৯৮ টি পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
টি পি এস সির মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। মন্ত্রী সিদ্ধান্তের কথা জানাতে গিয়ে জানান, শিক্ষা দপ্তরে পদ সৃষ্টি ও পূরণ করবে ১৫৬৬ টি স্নাতক ও অস্নাতক পদে শিক্ষক। শিক্ষক স্বল্পতা দুরী করণের জন্য এই নিয়োগ করা হবে। টি আর বি টির মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে অস্নাতক শিক্ষক রয়েছে ১ হাজারের উপরে।
এছাড়া সিদ্ধান্ত হয়েছে বিদ্যাজ্যোতি স্কুল গুলিতে ১১২ টি পদে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ করার। জেল দপ্তরে ১৫১ জন ওয়ার্ডারের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। দ্রুত এগুলি নিয়োগ করা হবে। পুরুষ ১৩৭, মহিলা-১৪ পদে নিয়োগ করা হবে। বিভিন্ন দপ্তরে প্রায় ১৮০০-র উপরে লোক নিয়োগের জন্য মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ককবরকে রোমান স্ক্রিপ্টে প্রশ্নপত্রের দাবিতে ফের সরব তুইপ্রা স্টুডেন্ট ফেডারেশন
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাংলার পাশাপাশি ককবরকে রোমান স্ক্রিপ্টে প্রশ্নপত্র করার দাবিতে ফের সরব তুইপ্রা স্টুডেন্ট ফেডারেশন। শুক্রবার সংগঠনের তরফে এক প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির সঙ্গে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি জন দেববর্মা সহ অন্যরা। তারা এদিনফের দাবি জানান মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রশ্নপত্র বাংলার ও রোমান স্ক্রিপ্টে করার।
তাদের অভিযোগ এর আগেও অনেক চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কি হয়েছে তা তারা জানতে পারেন নি। তাই ফের সভাপতির সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। এদিকে সংগঠনের প্রতিনিধিরা পর্ষদ সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উনার উত্তরে সন্তুষ্ট না হয়ে পর্ষদের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভে শামিল হন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যায় এন সি সি থানার পুলিশ।
পাঁচতারা হোটেল খোলার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল টিআইএসএফের
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পাঁচতারা হোটেল নয় পুরনো রাজভবনে। এই দাবি জানিয়ে শুক্রবার আগরতলার রাজপথে মিছিল টি আই এস এফের। পুরনো রাজভবনে পাঁচতারা হোটেল খোলার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল টিআইএসএফের। এদিন সংগঠনের কর্মীরা রাজধানীর স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে জড়ো হয়।
সেখান থেকে বের হয় স্লোগান সোচ্চার মিছিল। শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। পরে পর্যটন দপ্তরের অধিকর্তার কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের নেতৃত্ব বলেন, ত্রিপুরার ঐতিহ্যকে রক্ষা করার দায়িত্ব ও কর্তব্য রাজ্যের সকল মানুষের। ত্রিপুরার ইতিহাসকে রক্ষা করতে হবে। এই আন্দোলনের মাধ্যমে এর সুরাহা নাহলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- হাঁপানিয়া ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজে ফের সফল জটিল অস্ত্রোপচার। এবার ১৪ বছর বয়সী কিশোরের পেটে সফল জটিল অস্ত্রোপচার। বর্তমানে সুস্থ রয়েছে কিশোর। ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অনিরুদ্ধ বসাকের নেতৃত্বে চিকিৎসক দল এই সফল অস্ত্রোপচার করেন। ডাক্তার অনিরুদ্ধ বসাক জানান ৭ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কিশোরকে ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়।
পেট ব্যথা জনিত কারনে তাকে ভর্তি করা হয়। তার আগেও কিশোরের পেটে ব্যথা হত। পরিবারের লোকজন স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা ওষুধ দিয়ে পেট ব্যথা কমিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু ৭ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কিশোরকে ত্রিপুরা মেডিক্যাল কলেজের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করার পর দেখা যায় পেটে ভিতর থাকা নারীগুলি প্যাচিয়ে রয়েছে।
ডান পাশের নারী গুলি বাম পাশে, আর বাম পাশের নারী গুলি ডান পাশে রয়েছে। তারপর ১১ নভেম্বের প্রায় তিন ঘণ্টা কিশোরের পেটে অস্ত্রোপচার করে সবকিছু ঠিক করা হয়। ১১ নভেম্বরের পর দুদিন সবকিছু ঠিক ছিল। কিন্তু দুই দিন পর থেকে পুনঃরায় কিশোরের পেট ব্যথা শুরু হয়। পুনঃরায় পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর তার পেটে কিছু সমস্যা ধরা পড়ে।
১৮ নভেম্বর কিশোরের পেটে পুনঃরায় অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে কিশোর অনেকটা সুস্থ রয়েছে। বর্তমানে সে খাবারও খাচ্ছে। ডাক্তার অনিরুদ্ধ বসাক জানান আরও দেরি হলে কিশোরের পেটের নারী গুলি পচে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সফল অপারেশন হওয়ায় খুশি কিশোরের পরিবারের লোকজন। এখন সকলে চাইছেন সে যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা। তাদের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে আমরা বাঙালি দলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন। রাজধানীর শিবনগরস্থিত আমরা বাঙালির কার্যালয়ের সামনে শুক্রবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন আমরা বাঙালির রাজ্য সম্পাদক গৌরাঙ্গ রুদ্রপাল। তিনি জানান বাংলাদেশে হাসিনা সরকার পতনের পর মৌলবাদীরা সংখ্যালঘু দুই কোটি মানুষের উপর নির্যাতন চলছে।
৮ আগস্টের পর থেকে বিনা কারণে এবং বিনা দোষে বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া এবং মারধর ও খুনের ঘটনা সংগঠিত করা হচ্ছে। একটা চূড়ান্ত নৈরাজ্য তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ সরকার মৌলবাদীদের হাতের পুতুল হয়ে গেছে। তার প্রতিবাদে সেখানে সনাতনী একটি সংগঠন তৈরি করা হয়েছে।
এই সংগঠনের তীব্র প্রতিবাদকে রুখে দিতে সেখানে তাদের উপর আবার আক্রমণ নামিয়ে এনেছে সেখানকার সরকার। এমনকি সেখানে সনাতনী আন্দোলনের নেতৃত্বদের গ্রেপ্তার করে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু এই গুলি চলতে থাকলে আগামী দিন তার বিরুদ্ধে বড়সড় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুমকি দেন আমরা বাঙালী নেতৃত্ব।
