জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- হেনরি ডিরোজিও স্কুলের ১১ বছরের ছাত্রী এবার রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করল পশ্চিমী নৃত্য পরিবেশন করে। গত ২০ জুন কলকাতায় ইন্ডিয়ান ডান্স ষ্টার রিয়েলিটি শোতে অংশগ্রহণ করে আড়ালিয়ার ১১ বছরের নৃত্যশিল্পী। ইন্ডিয়ান ডান্সিং স্টার রিয়েলিটি শোতে অংশ গ্রহণ করেছিলেন ৩৫০ জন নৃত্য শিল্পি তার মধ্যে ফাইনালে ভালো পারফরম্যান্স করে সবাইকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করে আড়ালিয়ার পূজা শীল।রবিবার আগরতলায় এসে সংবাদ মাধ্যমের সামনে তার সাফল্যের কথা তোলে ধরেন পূজার বাবা। এদিন তিনি বলেন পড়াশোনার পাশাপাশি দিনে তিন থেকে চারঘন্টা অনুশীলন করতো সে । তার নৃত্য প্রশিক্ষক মৃনাল স্যারের হাত ধরেই এই সাফল্য পেয়েছে পূজা ।
Monthly Archives
June 2023
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিলের দাবিতে জয়েন্ট ফোরাম ফর মুভমেন্ট অন এডুকেশন ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের উদ্যোগে তিন ঘন্টার গণ অবস্থান পালন করা হয়েছে রবীন্দ্র ভবন প্রাঙ্গনে। জাতীয় শিক্ষানীতির অপব্যাখ্যা করে বামপন্থী দলগুলি আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এই শিক্ষানীতির সুফল কিংবা কুফল সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের অবগত করাতে না পারলেও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির গদ বান্দা কিছু ডায়লগ ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে রেখে উত্ত্যক্ত করছে ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্যই সরকার। বর্তমান সরকার চাইছে সম্পূর্ণ মানুষের সমস্যা সমাধান হোক। কিন্তু কুচক্রীরা চাইছে সরকারটাকে রাজ্য থেকে উৎখাত করা হোক। তবে সেটা সম্ভব হবে না কুচক্রীদের কুচক্র থেকেই যাবে। বাস্তবে তা সম্ভব হবে না, বললেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: মানিক সাহা।
যেকোনও মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার সচেষ্টা রয়েছে। মানুষের সমস্যার সমাধান করাই হল সরকারের প্রধান কর্তব্য। তাই সরকারও চাইছে সাধারণ মানুষের সমস্যা যেন দ্রুত সমাধান করা যায়। তবে কোনও মানুষের সমস্যার সমাধান করতে হলে এগিয়ে আসতে হবে সবার আগে জনগণকেই। কেননা যেকোনও সমস্যার সমাধান করা তখনই সম্ভব হয় যখন মানুষ সচেতন থাকে। মানুষ এবং সরকার হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করলেই দ্রুত রাজ্যের উন্নয়ন সম্ভব হবে। রবিবার অরবিন্দ ক্লাব আয়োজিত রক্তদান শিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: মানিক সাহা। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সরকারটাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য একশ্রেণীর কুচক্রীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কুচক্রীরা চাইছে সরকারটা পড়ে যাক। তবে কচক্রীদের এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। বাস্তবে তা আর কখনোই রূপ পাবে না। এ দিনের শিবিরে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার ও নিগমের কর্পোরেটর তথা সেন্ট্রাল জোনের চেয়ারম্যান রত্না দত্ত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় কার্যকর্তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নেশার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে প্রমীলা বাহিনী।নেশা বিক্রেতা ও নেশাখোরকে হাতেনাতে ধরে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিল প্রমিলারা। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে এলাকাবাসী।শুধু ঘোষণা দিয়েই নেশার কারবারি ও নেশা খোরদের শায়েস্তা করা যাবে না। তার জন্য প্রয়োজন নেশা মুক্ত মানুষজন ও মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ।তবেই যে কোনও এলাকা থেকে সমূলে বিনাশ করা যাবে নেশার আঁতুর ঘরকে। রবিবার সকালে রাজধানীর ধলেশ্বর কারগিল চৌমুহনী এলাকাতে এক নেশাখোর ও নেশা বিক্রেতাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয় মহিলারা। খবর দেওয়া হয় রাজধানীর পূর্ব থানায়। পুলিশ ছুটে গিয়ে নেশা কারবারি ও নেশাখোরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে নেশা কারবারির কাছ থেকে নেশা জাতীয় কোন দ্রব্য উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। শুধুমাত্র নেশায় ব্যবহৃত কয়েকটি খালি কৌটা উদ্ধার করেছে। এদিকে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে নেশাখোরদের ধরতে পুলিশের সহজ হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় মানুষ। অপরদিকে পুলিশকে খবর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে যাওয়ায় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশও নেশাখোর ও নেশা কারবারিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গত যে কোনও এলাকায় মহিলারা সক্রিয় হয়ে উঠলেই নেশার আতুর ঘর যে ভাঙ্গা সম্ভব হবেই সেটা হলফ করেই বলা যায়। ব্যাপক প্রচারে পয়সা নষ্ট না করে প্রমীলা বাহিনীকে মাঠে নামিয়ে দিলেই গড়ে তোলা যাবে নেশা মুক্ত ত্রিপুরা। সেটাই করে বারবার প্রমাণ দেখিয়েছে প্রমিলাবাহিনী।
মৌলবাদ ও উগ্রপন্থা রুখতে হবে, মিশ্র সফরে মুসলিম নেতার সঙ্গে গভীর আলোচনায় মোদি
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ৪ দিনের মার্কিন সফর শেষ করে এবার প্রধানমন্ত্রী এখন রয়েছেন ইজিপ্টে। কীভাবে বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো যায়? কীভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা যায়? তা নিয়ে ইজিপ্টের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা মাডবাউলি এবং পিরামিডের দেশের একাধিক ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি শাওকি ইব্রাহিম আবদেল-করিম আল্লামের সঙ্গেও দেখা করেছেন। তাঁদের আলোচনায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি, উগ্রপন্থা ও মগজধোলাই সংক্রান্ত বিষয়ও উঠে এসেছে। তারইমধ্যে রবিবার মোদির ঠাসা কর্মসূচি আছে। আজ কায়রোর ঐতিহাসিক আল-হাকিম মসজিদে যাবেন মোদি।এই মসজিদ সংস্কারের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ভারতের দাউদি বোহরা সম্প্রদায়। যে সম্প্রদায় ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই মোদি যে আল-হাকিম মসজিদে যাবেন, তা সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।দু’দিনের সফরে যে ইজিপ্টে গিয়েছেন মোদি, সেই সফর কূটনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মধ্য-প্রাচ্যের দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত এবং আরব দুনিয়া ও আফ্রিকার নয়া বাজার ধরার যে লক্ষ্য নিয়েছে ভারত, সেটার ক্ষেত্রে মোদির সফর ‘গেমচেঞ্জিং’ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে।
ইজিপ্টের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের অঙ্ক ছয় বিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে ফেলেছিল। যা ২০২১ সালের থেকে ১৩.৭ শতাংশ বেশি ছিল। গত বছর ভারতকে ১.৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের রফতানি করেছিল ইজিপ্ট। সেখানে ৪.১ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য-পরিষেবা আমদানি করেছিল পিরামিডের দেশ।
সেই আবহে ইজিপ্টের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়ে মোদী আলোচনা করেছেন বলে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। সাউথ ব্লকের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যবসা-বাণিজ্য, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, গ্রিন হাইড্রোজেন, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, ফার্মা এবং মুস্তাফার কথা হয়েছে। সূত্রের খবর, রবিবার তথ্যপ্রযুক্তি; কৃষি; বাণিজ্যের প্রচার; সংস্কৃতি; ক্ষুদ্র, ছোটো ও মাঝারি শিল্প নিয়ে দু’দেশের মধ্যে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবার কায়রোতে বিশিষ্ট যোগ প্রশিক্ষক রিম জাবাক এবং নাদা আদেলের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের ভারত সফরের জন্য উত্সাহিত করেন। যোগব্যায়ামের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের জন্য তিনি তাদের প্রশংসা করেন এবং দুই প্রশিক্ষক মিশরে যোগব্যায়ামের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।রিম জাবাক বলেন, “এটা দেখে খুব ভালো লাগছে যে তার ব্যস্ত সময়সূচী সত্ত্বেও মিশর এবং সারা বিশ্বে যোগব্যায়াম এবং এর গুরুত্ব নিয়ে কথা বলার জন্য তার সময় ছিল। আমি খুব মুগ্ধ হয়েছিলাম যে তিনি কীভাবে মিশরের যোগ সম্প্রদায় সম্পর্কে খুব আগ্রহী এবং কীভাবে তিনি মিশরের যোগ সম্প্রদায়ের কাছে আরও বুদ্ধিবৃত্তিকতা এবং তথ্য আনতে চান। বিশ্বের সব ধর্মই শান্তি থেকে আসে এবং এটি এমন কিছু যা আমি যোগ থেকে শিখেছি।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নেপালকে ২-০ গোলে হারিয়ে ভারত নিজেদের সেমিফাইনাল তো নিশ্চিত করেছেই, মিলিয়ে দিয়েছে কুয়েতের হিসাবও।দুটি করে ম্যাচ শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট ৬ করে। ফলে নিশ্চিত হয়ে গেছে গ্রুপ পর্ব থেকেই নেপাল ও পাকিস্তানের বিদায়। দুটি করে ম্যাচ খেলে এখনো কোনো পয়েন্ট পায়নি এই দুই দল। ২৭ জুন নেপাল-পাকিস্তান ম্যাচটা এখন শুধুই নিয়মরক্ষার।একই দিনে কুয়েত-ভারত ম্যাচ ঠিক করে দেবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে কোন দল।পাকিস্তানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা ভারতীয় ফরোয়ার্ড সুনীল ছেত্রী আজও নাম তুলেছেন স্কোরশিটে। বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ভারতের হয়ে অন্য গোলটা করেছেন মহেশ নাওরেম। ছেত্রীর প্রথম গোলটাও তাঁরই বানিয়ে দেওয়া।দুটি গোলই হয়েছে বিরতির পর। ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য নেপাল ভালোই লড়াই করেছে, দারুণভাবে সামলেছে ভারতের আক্রমণভাগকে।পাশাপাশি নিজেরাও সুযোগ তৈরি করেছে একাধিক। তবে গোল পায়নি। সুযোগ কাজে না লাগাতে পারার এই খেসারত বিরতির পর দিতে হয়েছে নেপালকে। ৬১ মিনিটে নাওরেমের পাস থেকে ছেত্রীর গোলে এগিয়ে যায় ভারত।এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৯১ গোল হলো ছেত্রীর, সামনে আছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি (১০৩), ইরানের আলী দাইয়ি (১০৯) ও পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (১২৩)। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক টুর্নামেন্টেও ২২ গোল হয়ে গেল ছেত্রীর। এখানে ২৩ গোল নিয়ে শীর্ষে মালদ্বীপের আলী আশফাক।পরের গোলটাও ছেত্রীরই হতে পারত। কিন্তু ৭০ মিনিটে ভারতীয় ফরোয়ার্ডের শট নেপালের গোলবারে লেগে ফিরে আসার পর ফিরতি শট জালে পাঠান মহেশ নাওরেম। জাতীয় দলের হয়ে এটি নাওরেমের প্রথম গোল।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- প্রবাদে রয়েছে ‘কিসের বার কিসের তিথি, আষাঢ়ের সাত তারিখ অম্বুবাচী।’ এদিন থেকেই হয় অম্বুবাচী শুরু। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সূর্য যে বারের যে সময়ে মিথুন রাশিতে গমন করেন, তার পরবর্তী সেই বারের সেই কালে অম্বুবাচী হয়। অর্থাত্, পৃথিবী এই সময়ে ঋতুমতী হন।অম্বুবাচী হিন্দুধর্মের বাত্সরিক উত্সব। লোকবিশ্বাস মতে আষাড় মাসে মৃগ শিরা নক্ষত্রের তিনটি পদ শেষ হলে পৃথিবী বা ধরিত্রী মা ঋতুময়ী হয়। এই সময়টিতে অম্বুবাচী পালন করা হয়।হিন্দু শাস্ত্রে ধরিত্রীকে মা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জননী মাতা, দেশ মাতা, ধরিত্রী মাতা।অম্বুবাচীর তিন দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের মাংগলিক কার্য করা যায়না। চতুর্থ দিন থেকে মঙ্গলিক কাজে কোনো বাধা থাকেনা। অম্বুবাচীর সময় হাল ধরা, গৃহ প্রবেশ, বিবাহ ইত্যাদি শুভ কাজ করা নিষিদ্ধ থাকে ও এই সময়ে মঠ-মন্দিরের প্রবেশদ্বার বন্ধ থাকে।ঐতিহাসিক দিক থেকে দেখতে গেলে এই অম্বুবাচীর সঙ্গে কৃষিকাজের সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভাবে জড়িত রয়েছে । গ্রীষ্মের প্রখর তাপ প্রবাহের পর শুষ্ক ধরিত্রী কে বর্ষার জলসিঞ্চন এর মাধ্যমে উর্বর করার জন্য কিছুদিন বিশ্রাম প্রদান করা হয়। মৃত্তিকা হয়ে ওঠে উর্বর । উর্বর মৃত্তিকাই প্রদান করতে পারে উত্কৃষ্ট মানের ফসলের। শুধু ঐতিহাসিক নয় তান্ত্রিক মতে ও এই ধারনাই মান্যতা পায়।শস্য শ্যামল উর্বর পৃথিবীর জন্য সন্তানগণ ধরণী মায়ের নিকট এই তিনদিন প্রার্থনা করেন। যাতে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম তার বুক থেকে উত্পন্ন শস্য খাদ্য হিসাবের গ্রহণ করে দুধে ভাতে বেচে থাকতে পারে।পৃথিবীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার জন্য 1970 সাল থেকে 22 এপ্রিল প্রতিবছর 193 টি দেশ world earth day পালন করে থাকে । কিন্তু এই বিশ্ব মাতৃকার প্রতি ,ধরণী মাতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তাকে রক্ষার সংকল্প হিন্দু জাতি সেই সুপ্রাচীন কাল থেকেই করে আসছেন এই অম্বুবাচী পালনের মাধ্যম দিয়ে।শুধু ধরণী কেন এই ধরণীর বুকে বসবাসকারী গাছপালা পশু পাখি ফুল ফল জল প্রতিটি জিনিসের প্রতি সনাতন হিন্দু ধর্ম তার শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে প্রকৃতির প্রতি নিজের পূজা কে উত্সর্গ করে থাকেন। কালের আবর্তে পড়ে বর্বরদের হাতে পড়ে হিন্দু ধর্মের সেই সুপ্রাচীন নিয়ম আজও পাল্টে যাইনি। আজও প্রতিটি হিন্দু এই অম্বুবাচী পালন করে প্রকৃতির প্রকৃতি ও তার প্রতিটি জীবের প্রতি প্রেম শ্রদ্ধা ভালোবাসাকে অর্পণ করে থাকেন।৭ থেকে ১১ আষাঢ় (নিরয়ণ পঞ্জিকা মতে) চার দিন গ্রাম-বাংলার মহিলারা এই অনুষ্ঠান পালন করেন। চাষ বাসের কাজ এই সময় বন্ধ থাকে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে পিঠা-পায়েস বানাবার রীতি আছে। এই অণুষ্টানে বিধবা মহিলারা তিন দিন ধরে ব্রত রাখে।অম্বুবাচীর আগের দিন রান্না করা খাবার তারা তিন দিন ধরে খান। ঐ তিন দিন তারা কোন গরম খাবার খান না। এই তিন দিন কামরুপ কামাখ্যায় পূজা হয়। সমস্ত দেবী মন্দির বন্ধ থাকে।পঞ্চ ভূত এই দিয়ে প্রকৃতির প্রতিটি জিনিস তৈরি । পঞ্চভূত হল- মৃত্তিকা, জল ,অগ্নি , বায়ু , ,শূন্য ।মৃত্যুর পর প্রতিটি মানুষ প্রতিটি জীব এই পঞ্চভূতে লীন হয় ।পঞ্চভূতে গড়া এই পৃথিবীতে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা আমাদের একান্ত কর্তব্য।কারণ বসুধা মাথা কখনো নিজের ভালোর চিন্তায় নিমগ্ন থাকেন না। তিনি নিজেকে সর্বৈব নিজের সন্তানদের কল্যাণের জন্য উত্সর্গ করে চলেছেন । গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, যিনি সর্বভূতহিতেরতা , তিনি তার পরম বন্ধু অর্থাত্ যিনি নিজের স্বার্থ চিন্তা না করে বসুধার নেয় প্রতিটি জীবকুলের জন্য নিজেকে উত্সর্গ করবেন তিনি পরমেশ্বরের প্রিয় পাত্র।অম্বুবাচীর সময় হিন্দু ধর্মীয় লোকেরা শক্তি পূজার স্থানগুলোতে এই সময় অম্বুবাচী মেলার আয়োজন করে থাকে। তবে এদের মধ্যে সবেচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভারতের অসম রাজ্যের গুয়াহাটি শহরের কামাখ্যা দেবীর মন্দিরকে ঘিরে প্রতি বত্সর অম্বুবাচী মেলার আয়োজন করা হয়। অম্বুবাচী শুরুর প্রথম দিন থেকে কামাখ্যা দেবীর দ্বার বন্ধ রাখা হয় ফলে অম্বুবাচীর সময় দেবী দর্শন নিষিদ্ধ থাকে।চতুর্থ দিন দেবীর স্নান ও পূজা সম্পূর্ণ হওয়ার পর কামাখ্যা মাতার দর্শন করার অনুমতি দেওয়া হয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের থেকে আসা লক্ষ লক্ষ ভক্তেরা। এই সময় কামাখ্যা মন্দিরের চতুর্দিকে বসে কীর্ত্তন চলে। মন্দিরের বাইরে প্রদীপ ও ধূপকাঠী জ্বালিয়ে দেবীকে প্রনাম করেন।
অম্বুবাচী নিবৃত্তির দিন পান্ডারা ভক্তদের রক্তবস্ত্র উপহার দেন। দেবী পীঠের এই রক্তবস্ত্র ধারণ করলে মনোস্কামনা পূর্ণ হয় বলে ভক্তেরা বিশ্বাস করেন। এই রক্তবস্ত্র পুরুষেরা ডানহাত বা গলায় ও মহিলারা এই বস্ত্র বাওহাত বা গলায় পরিধান করে থাকেন। রক্তবস্ত্র পরিধান করে শশ্মান বা মৃতের ঘরে যাওয়া নিষিদ্ধ। কামাখ্যা ধামের অম্বুবাচী মেলা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সম্প্রীতি রক্ষার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- 26 বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সফরে মিশরে গেলেন । শনিবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ কায়রো বিমানবন্দরে অবতরণ করে নরেন্দ্র মোদির বিমান ।কায়রো বিমানবন্দরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মদবৌলি উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে । বিমানবন্দরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘গার্ড অফ অনার’ দেওয়া হয় ।চারদিনের আমেরিকা সফর শেষে মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার নীলনদের দেশে পৌঁছেছেন নরেন্দ্র মোদি। কায়রো পৌঁছে মিশরের রাষ্ট্রপ্রধানকে আলিঙ্গন করতে দেখা যায় মোদিকে । বিমানের ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত ছিলেন মিশরের প্রধানমন্ত্রী। বিমান থেকে নেমেই তাঁকে আলিঙ্গন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী । বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, রবিবার মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসির সঙ্গে দেখা করবেন মোদি।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- রাশিয়ার সেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে সে দেশের আধা সামরিক বাহিনী ‘ওয়াগনার গ্রুপ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পুতিনকে সরানোর ডাক দিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ চালাচ্ছে বিদ্রোহীরা। বিদ্রোহীদের লক্ষ্য হল দেশের সেনাবাহিনীকে হারানো ও পুতিনকে ক্ষমতা থেকে উতখাত করা।ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহীদের দেশের বিশ্বাসঘাতক অশুভ শক্তি বলা অ্যাখা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। এরই মাঝে বিদ্রোহরা রাশিয়া ভোরোনেঝার তৈলখনিতে কপ্টারের মাধ্যমে বোমা বিস্ফোরণ ঘটালো। তৈল খনিতে থাকা বহু তেল নষ্ট হয়ে গেল। রাশিয়ার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে সেনা বিমান ভেঙে পড়ার খবর। সেগুলো বিদ্রোহী, না সরকারের তা এখনও পরিষ্কার নয়।
