জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- শ্রীনগরের লালচকে এবার স্থাপিত হবে ‘বলিদান স্তম্ভ’। শনিবার এই বলিদান স্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি বজায় রাখার জন্য যে বীর সেনা জওয়ানরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের স্মৃতিতেই এই সৌধ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।কাশ্মীরের লালচকে শহিদ স্মৃতি সৌধ তৈরি হওয়াটা বেশ তাত্পর্যপূর্ণ। এই ‘লালচক’ কয়েক বছর আগে পর্যন্ত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আখড়া ছিল। এমনকী প্রায় ৩ দশক এখানে ভারতের জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা যায়নি। দীর্ঘদিন বাদে ২০২২ সালে ফের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এই লালচকে। গতবছর অবশ্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও লালচকে গিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।বিজেপির দাবি, মোদি সরকারের সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স নীতি এবং উপত্যকায় ৩৭০ ধারা বিলোপের সুবাদেই লালচকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উত্পাত বন্ধ হয়েছে। চব্বিশের আগে সেই লালচকে শহিদ স্মৃতি সৌধ বা বলিদান স্তম্ভ তৈরি করে কেন্দ্রের মোদি সরকার আরও একবার বুঝিয়ে দিতে চাইল, কাশ্মীরে আর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রভাব নেই। শনিবার এই বলিদান স্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন,’যে বীর সেনা জওয়ানরা জম্মু ও কাশ্মীরের শান্তির জন্য জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের এই শ্রদ্ধার্ঘ্য। জানা গিয়েছে শ্রীনগরকে স্মার্ট সিটি হিসাবে গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা কেন্দ্র করেছে, তারই অংশ হিসাবে এই বলিদান স্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে বলে খবর। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমরনাথ যাত্রার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দু’দিনের সফরে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। শুক্র ও শনিবার উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতেকলমে খতিয়ে দেখার পাশাপাশি একাধিক পরিকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজের শিলান্যাসও করেছেন শাহ।
June 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- সমাজদ্রোহী , নেশা বিক্রেতা ও নেশাখোরদের স্বর্গ উদ্যানে পরিণত হয়েছে গোয়ালা বস্তি এলাকা। পিস্তল, কিরিচ, হেরোইন, গাঞ্জা সহ সমস্ত কিছু অবাধে বিক্রি করছে বস্তি এলাকার কতিপয় সমাজদ্রোহীরা। সবকিছু হচ্ছে পুলিশ আর সমাজদ্রোহির মিতালীতে। রাজধানীর এনসিসি থানার নাকের ডগায় অবস্থিত গোয়ালা বস্তিতে সমাজদ্রোহীদের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিবারাত্রি সর্বক্ষণ প্রকাশ্যেই চলছে পিস্তল আর ক্রিজের ঝলকানি।অবাধে বিক্রি হচ্ছে হেরোইন, গাঞ্জা পিস্তল সহ অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র। সমাজদ্রোহীদের উৎপাতে এলাকার সাধারণ মানুষ কখনোই অবাধে চলাফেরা করতে পারেনা। রাত্রিবেলা কেউ বাড়ি থেকে বেরিয়ে এদিক-সেদিক ঘোরাফেরা করলেও হুমকি ধমকির মুখে পড়তে হয় সমাজদ্রোহীদের। মনে হচ্ছে যেন তাদের কাছে কফিওত জারি করে সব সময় চলাফেরা করতে হবে। পুলিশ সাধারণ মানুষের চাপের মুখে আগ্নেয়াস্ত্র সহ পিস্তল ক্রিজ ইত্যাদি জিনিসপত্র দুই সমাজদ্রোহীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করলেও তাদেরকে আগাম জামিনে মুক্ত করে রাখে।ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সমাজ দ্রোহীরা সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ ও হুমকি ধমকির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ রাহুল সিং ও শচীন রায় নামে দুই ব্যক্তি প্রতিনিয়ত বিহারে গাঁজা পাচার করছে বিনিময়ে বিহার থেকে পিস্তল কিরিজ ইত্যাদি আগ্নেয়াস্ত্র এনে আগরতলায় বিক্রি করছে।হেরোইন ড্রাগস , কফ সিরাপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি নানা ধরনের নেশা সামগ্রী অবাধে বিহার থেকে এখানে এনে বিক্রি করছে। যার ফলে পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে বর্তমান যুবসমাজ। বৃহস্পতিবার রাতে এলাকার কুখ্যাত দুই সমাজ দ্রোহীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে থানার দ্বারস্থ হয় এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষরা। তাদের দাবি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যাতে করে এ ধরনের দুনম্বরী কালোবাজারি বন্ধ হয়। এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন থানার দারোগাবাবু।সম্বিত ফিরেছে তাদের, এলাকাবাসীদের চাপের মুখে মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের। প্রসঙ্গত সাধারন মানুষ যেখানে সক্রিয় রয়েছে সেখানে পুলিশের অতি সক্রিয়তা থাকলে এলাকা থেকে একেবারেই নির্মূল করা যেত নেশা বেপারী ও নেশা খোরদের। প্রশ্ন হচ্ছে পুলিশ ডান হাত বাম হাতের বিনিময়ে এ ধরনের সমাজ বিরোধীদের সঙ্গে মিতালী করে রয়েছে। কথায় আছে, রক্ষক যখন ভক্ষক হয়ে যায় তখন আর সাধারণ মানুষের উপায় থাকে না। বিষয়টির প্রতি নজর দিতে হবে রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা স্টেট পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড এবং ন্যাশনাল ইউথ প্রোজেক্টের যৌথ উদ্যোগে আগরতলা উত্তর গেট ট্রাফিক সিগন্যালের সামনে এক সচেতনতা মূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে মানুষকে সচেতন করা হয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য। পাশাপাশি যানবাহনের তেল বাঁচানোর আহ্বান রেখে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল ইউথ প্রজেক্ট এর রাজ্য সম্পাদক দীপক কুমার সিনহা। এ দিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এনএসএসের ছাত্রছাত্রীরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নয় বছর পূর্তির বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচারে যাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে শনিবার বিশ নং ওয়ার্ডের ১৬ নং বুথে দলীয় কার্যকর্তাদের নিয়ে লিফলেট বিলি এবং ওয়াল পোস্টারিং করেন আগরতলা পুর নিগমের সেন্ট্রাল জোনের চেয়ারম্যান রত্না দত্ত। শ্রীমতি দত্ত এদিন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলা ও পুরুষদের সঙ্গে আলাপ আলোচনায় কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কারা কারা এই প্রকল্পের সুবিধা উপলব্ধ করতে পারবেন তাদেরকে সবসময় সরকারের পাশে থেকে যোগাযোগ রাখার জন্য আহ্বান জানান।
মোদির প্রচারে পোস্টার লাগাচ্ছেন রত্না
সাত দিনব্যাপী খারচি মেলায় রাজ্য এবং বহিরাজ্য থেকে ভক্ত বৃন্দের সমাগম হবে লক্ষণীয় : রতন
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ২৬ শে জুন রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী খারচি মেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা :মানিক সাহা , উপস্থিত থাকবেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী,জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার সহ অন্যান্যরা। সাত দিনব্যাপী এই মেলায় রাজ্য এবং বহিরাজ্য থেকে ভক্ত বৃন্দের সমাগম হবে লক্ষণীয়। গত বছরের তুলনায় এই বছরে ভক্তবৃন্দের সংখ্যা বেশি সংখ্যক হবে বলে জানান , খয়েরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রতন চক্রবর্তী। শনিবার পুরাতন আগরতলা ব্লক অফিসের কনফারেন্স হলে এক সাংবাদিক বৈঠকে শ্রী চক্রবর্তী জানান, মেলাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সাজিয়ে তোলা হয়েছে মন্দির চত্বর।নিরাপত্তা রক্ষায় থাকবে টি এস আর, পুলিশ ও মেলা কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরা। সাত দিন ব্যাপী আয়োজিত উত্তর পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় মেলায় যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সব রকম ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ ও জেলা এবংমহকুমা প্রশাসন থেকে সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- এিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এর যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেল তপন সাহা। শনিবার টি.এফ.এ অফিস কার্যালয়ে এিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এর গর্ভরনিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ।এ দিনের বৈঠকে সর্বসম্মতি ক্রমে যুগ্ম সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয় তপন সাহা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রনব সরকার, সচিব অমিত চৌধুরী, রতন সাহা সহ অ্যাসোসিয়েশন এর অন্যান্য কার্যকর্তারা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর সরকার। এটা শুধু মুখে বলা নয়, বাস্তবে করে দেখাবে বর্তমান সরকার। শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন না করে কি করে স্কুলের মধ্যে আরও বাড়তি মনোযোগ দেওয়া যায়, সেদিকে নজর দিতে হবে। বললেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: মানিক সাহা।প্রাইভেট টিউশন ছাত্রছাত্রীদের মাথার উপর একটি বাড়তি বোঝা। স্কুল শেষ করেই না খেয়েই অনেক সময় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট টিউটরের বাড়িতে দৌড়াতে হচ্ছে। প্রাইভেট টিউটর আর স্কুল এই করতে করতেই অনেক ছাত্র-ছাত্রী মানসিক রোগীও হয়ে যাচ্ছে। এটাকে যে করেই হোক বন্ধ করতেই হবে। শুধু আইন করে নয় প্রয়োজনে শিক্ষকদের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করে প্রাইভেট টিউশন বন্ধের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কেননা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাটের পয়সা খরচ করে অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদেরকে পাঠাচ্ছে। এই পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে বিদ্যালয়গুলিতে যদি সঠিকভাবে পঠন-পাঠনে মনোযোগী হয়, তাহলেই ছেলেমেয়েদের ভালো পড়াশোনা হবে। শুক্রবার রাজধানীর মহারানী তুলসীবতি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক বিভাগের উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলো বললেন, অধ্যাপক ডা মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষকদেরকেউ আমরা আগামী দিনে দেখব, কি করে তারা টিউশন করে। কারণ আইন আছে আইনের জায়গায়, আইন দিয়ে সবকিছু হবে না, শিক্ষকদের সঙ্গে বসে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই আমরা চাই আগে থেকেই যাতে শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশনের নেশা থেকে সরে দাঁড়ায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে, অত্যন্ত আক্ষেপের সুরে বলেন, আমি অবাক হচ্ছি অনেক সময়, নেশা মুক্ত ত্রিপুরার জায়গায় নেশা যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকে কি করে বেরিয়ে আসা যায় সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকারাও। যদি স্কুলের ভিতর কোন ছাত্রছাত্রীকে অ্যাড নরমাল অবস্থায় দেখা যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষক অভিভাবকদের নজরে নিতে হবে বিষয়টি। তবেই এর থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত বহু আগে থেকেই রাজ্য সরকার সরকারি শিক্ষকদের কর্তৃক প্রাইভেট টিউশন বন্ধের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল।কিছু কিছু শিক্ষক সরকারের নির্দেশকে মান্যতা দিলেও অধিকাংশ সরকারি শিক্ষক চুটিয়ে প্রাইভেট টিউশন চালিয়ে যাচ্ছে। সেগুলিকে বন্ধ করতে ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক প্রত্যেকেই সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। তবেই শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশনের প্রতি আসক্তি কমিয়ে বিদ্যালয়ের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হবে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- অম্বুবাচী উপলক্ষে স্বামীদের মঙ্গল কামনায় সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছে মহিলারা।লক্ষীনারায়ন বাড়িতে আয়োজিত হয়েছে এ উপলক্ষে বিশাল মেলার। সকাল থেকেই দেখা গেল মহিলাদের উপচে পরা ভিড়। সিঁদুর খেলা সাধারণত ওড়িশা, বাংলা ও বিহারের একটি হিন্দু ঐতিহ্য যেখানে দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে বিবাহিত মহিলারা একে অপরকে সিঁদুর মাখিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন। পূজা শেষে বিজয়া দশমীর দিনে, বিবাহিত হিন্দু নারীরা দেবী দুর্গার সিঁথিতে ও পায়ের উপর সিঁদুর দান করে এবং তাকে মিষ্টি খাইয়ে দেন। তারপর তারা একে অপরের মুখে সিঁদুর মাখিয়ে দেয় এবং একে অপরকে মিষ্টি উপহার দেয়। পৌরাণিক মতে প্রায় ৪০০ বছরেরও পুরনো এই খেলা আজও পরম্পরা গত ভাবে চলে আসছে। তবে আসাম রাজ্যে অম্বুবাচীতে কামাখ্যা দেবীর মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে মহিলারা। কালক্রমে পার্শ্ববর্তী রাজ্য ও ত্রিপুরাতেও অম্বুবাচীতে মহিলারা লক্ষীনারায়ন বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন। যদিও পৌরাণিক একটি মতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই সময়ে মা কামাখ্যা দেবী ঋতুমতি হন। যার ফলে তিন দিন মহিলারা সিঁদুর ও আলতা পরা থেকে বিরত থাকে। যদিও অনেক বিবাহিত নারী যুগ যুগ ধরে এই প্রথাটিই মেনে আসছে।আবার কেউ কেউ উল্টো এই সময়ে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে। যাই হোক, ধর্মীয় আচরণ বিধি সম্পর্কে পুরাতন অনেক তথ্য রয়েছে।সেগুলি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক রয়েছে অনেক। যে যেটা রীতিনীতি হিসেবে মেনে আসছে সেটাই বর্তমান যুগে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। শুক্রবার অম্বুবাচীর দ্বিতীয় দিনে লক্ষ্মীনারায়ন বাড়িতে দেখা গেল সিঁদুর খেলার সেই দৃশ্য। তবে সিঁদুর খেলার মূল মাহিত্ম কি সেটা নিয়ে কিন্তু অনেক প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। একশ্রেণীর মহিলারা বলছে সিঁদুর খেলার মানেই হল, তাদের স্বামী দীর্ঘায়ু হবে, স্বামীর মঙ্গল কামনার্থেই মূলত মহিলারা এই খেলায় মেতে উঠেন। আবার কোনও কোন মহিলা বলছে, সিঁদুর খেলা মানে শুধু স্বামীর মঙ্গল নয়, স্বামী পরিবার-পরিজন সমাজ দেশ ও দশের যাতে মঙ্গল সাধন হয়। দেশের অস্থির পরিস্থিতিতে যাতে গোটা দেশের সমস্ত রাজ্যের মানুষ শান্তি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার বজায় রেখে চলতে পারে। প্রসঙ্গত প্রতিবছর অম্বুবাচী উপলক্ষে রাজধানীর লক্ষ্মীনারায়ণ বাড়িতে সাত দিন ব্যাপী আয়োজিত হয় মেলার।মেলায় প্রায় সারা রাজ্য থেকেই লোকজন আসে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে। দোকানিরা মেলার এই কয়টা দিনের জন্যই সারা বছর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। এ বছরও লক্ষীনারায়ণ বাড়ি চত্বরে চলছে বিশাল মেলা। ভক্তসমাগমও প্রচুর।
ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির দেখানো পথেই আজ বিজেপি এগিয়ে চলছে : মুখ্যমন্ত্রী
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ভারত কেশরী ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ৭০ তম বলিদান দিবস শুক্রবার গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করলো ভারতীয় জনতা পার্টি। দলের মুখ্য প্রদেশ কার্যালয়ে এই বলিদান দিবসের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। গভীর শ্রদ্ধা এবং পুষ্পার্ঘ অর্পনের মধ্য দিয়ে ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ৭০ তম বলে দান দিবস পালন করলো প্রদেশ বিজেপি। কৃষ্ণনগর দলীয় মুখ্য কার্যালয়ে এই বলিদান দিবসের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রীর ডাক্তার মানিক সাহা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রচুর সংখ্যায় কার্যকর্তাগণ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ছিলেন জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৫১ সালে তিনি এই সংগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন , আজ সেই জনসংঘ ভারতীয় জনতা পার্টির নামে গোটা বিশ্বে পরিচিত। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির দেখানো পথেই আজ বিজেপি এগিয়ে চলছে। যেই সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তার উপর দাঁড়িয়ে আজ বিজেপিও গোটা বিশ্বে সেই দিশা ছড়িয়ে দিয়েছে। কি সেই সততা নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেম, তা আরো সহজ সরল ভাবে দেশ এবং রাজ্যের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তবেই না সার্থক হবে শ্যামা প্রসাদের স্বপ্ন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে দপ্তরের সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী বিগত বছরের গৃহীত বিভিন্ন কাজকর্ম যেমন তুলে ধরেন তেমনি সামনের দিন দপ্তর কি কি কাজ করতে যাচ্ছে এর একটি রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি জানান যে সামনের দিনগুলিতে দপ্তর ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৪৯৩ টি অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যাচ্ছে। বরিষ্ট শিল্পীদের জন্য দপ্তর আর্টিস্ট পেনসন স্কিম চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। রাজ্যে শাস্ত্রীয় শিল্প ক্ষেত্রের উন্নয়নে এ বছর দফতর ক্লাসিক্যাল ফেস্টিবলের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের লেখক কবিদের উৎসাহিত করতে দফতর সাহিত্য সম্মেলনের আয়োজন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। লোক কলা কেন্দ্র গুলিতে বাদ্য যন্ত্র বিতরণ যেমন করা হবে তেমনি আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে চলতি বছরের জুলাই – আগস্ট পর্যন্ত ৭৫ টি সীমান্ত গ্রামে অনুষ্ঠান করা হবে। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে শুক্রবার উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। এদিন তিনি শিল্পীদের এমপেনেল্মেন্ট সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখ করে জানান ৫৪২৬ টি আবেদন কারীদের জন্য সঙ্গীত, নৃত্য, সঞ্চালক, নাটক ইত্যাদিতে অডিশন চলছে। নির্বাচিত শিল্পীদের পরবর্তী সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।প্রসঙ্গত তিনি এদিন সামনের দিন গুলিতে দফতরের লক্ষ্য হিসেবে জানান যে বিজ্ঞাপন শাখার ডিজিটাইজেশন যেমন করা হবে তেমনি রাজ্যের সমস্ত প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স, ও ওয়েভ মিডিয়ার ডাটাবেস আপডেট করা হবে। বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে এদিন দফতরের সচিব বিগত বছরের বিভিন্ন কাজকর্ম তুলে ধরেন। অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ের উল্লেখের পাশাপাশি এ দিন জানানো হয় যে ২০২২- ২৩ অর্থ বছরে ৪৬১ টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মায়ের গমন কার্নিভ্যালের পাশাপাশি শারদ সম্মান হিসেবে ৫৬ টি পুরষ্কার দেওয়া হয়েছে। আর্থিক সহায়তা বাবদ ২০২২- ২৩ অর্থ বছরে ৯১ টি সাংস্কৃতিক সংস্থাকে মোট ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা মঞ্জুর করা হয়েছে। হর ঘর তিরংগা কর্মসূচিতে সাড়া রাজ্যে মোট ৪.৩৭ লক্ষাধিক জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া এদিন তিনি সাংবাদিকদের হেলথ ইন্সুরেন্স স্কিম, দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কর্মশালা, সাংবাদিকদের পেনসন স্কিম ১ হাজার থেকে বৃদ্ধি করে ১০ হাজার টাকা করার বিষয়ের উল্লেখের পাশাপাশি তিনি জানান যে রাজ্যে ৭৪ টি প্রিন্ট, ২৭ টি ইলেক্ট্রনিকস, ও ৩২ টি ওয়েভ মিডিয়া দফতরের অনুমোদিত রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ১৫ টি ডিসপ্লে বোর্ড বসানো হয়েছে, আরও ৬ টি বসানোর কাজ চলছে। ত্রিপুরা বিজ্ঞাপন নীতি ২০২১ উল্লেখ করার পাশাপাশি তিনি এদিন জানান এখন পর্যন্ত ৩৬৩ জন সাংবাদিককে অ্যাক্রিডিটেশন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য এদিন এই সাংবাদিক সম্মেলনে দফতরের অধিকর্তা বিম্বিশার ভট্টাচার্য ও উপস্থিত ছিলেন।
